আমাদের দেশের পদ্মা বা ব্রহ্মপুত্রের মতো নদীগুলো অনেক চওড়া হয়ে থাকে। কিন্তু এর ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেছে চীনে। সেখানে এমন এক নদী রয়েছে, যা তার দৈর্ঘ্যের জন্য নয়, সরু হওয়ার কারণে বিশ্বজুড়ে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। নদীটি এতটাই সরু যে একটি ছোট শিশুও লাফ দিয়ে পার হতে পারে। চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া মালভূমিতে অবস্থিত নদীটির নাম হুয়ালাই। এই নদী হাজার হাজার বছরের পুরোনো এবং এটি প্রচলিত নদীর সংজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করছে।
আমাজন নদী শুষ্ক মৌসুমে ৬ মাইল ও বর্ষায় ২৪ মাইল পর্যন্ত চওড়া হয়ে থাকে। সেখানে হুয়ালাই নদী গড়ে মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার চওড়া। এর সবচে বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশের পদ্মা বা ব্রহ্মপুত্রের মতো নদীগুলো অনেক চওড়া হয়ে থাকে। কিন্তু এর ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেছে চীনে। সেখানে এমন এক নদী রয়েছে, যা তার দৈর্ঘ্যের জন্য নয়, সরু হওয়ার কারণে বিশ্বজুড়ে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। নদীটি এতটাই সরু যে একটি ছোট শিশুও লাফ দিয়ে পার হতে পারে। চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া মালভূমিতে অবস্থিত নদীটির নাম হুয়ালাই। এই নদী হাজার হাজার বছরের পুরোনো এবং এটি প্রচলিত নদীর সংজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করছে।
আমাজন নদী শুষ্ক মৌসুমে ৬ মাইল ও বর্ষায় ২৪ মাইল পর্যন্ত চওড়া হয়ে থাকে। সেখানে হুয়ালাই নদী গড়ে মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার চওড়া। এর সবচে বাকি অংশ পড়ুন...
নাসার রোভার ‘কিউরিওসিটি’র পাঠানো সাম্প্রতিক তথ্য ‘মঙ্গলের বুকে প্রাণের স্পন্দন’কে নতুন করে উসকে দিয়েছে।
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লাল গ্রহের মাটি খুঁড়ে এমন কিছু জৈব অণু পাওয়া গেছে যা আগে কখনও সেখানে দেখা যায়নি। বিশেষ করে ‘নাইট্রোজেন হেটেরোসাইকেল’ নামক একটি অণুর সন্ধান বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। কার্বন এবং নাইট্রোজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত এই বলয়াকার গঠনটি মূলত ডিএনএ এবং আরএনএ তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। অর্থাৎ, পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশে যেসব রাসায়নিক উপাদান অপরিহার্য ভূমিকা পা বাকি অংশ পড়ুন...
আকাশে যখন বিজলি চমকায়, তখন আমরা কেবল আলোর ঝলকানি ও মেঘের ডাক শুনি। কিন্তু বজ্রপাত আসলে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি জটিল ও অদ্ভুত। বজ্রপাত শুরু হওয়ার আগে চারপাশের পরিবেশ থেকে এমন কিছু সংকেত মেলে, যা সঠিকভাবে চিনতে পারলে জীবন বাঁচানো সম্ভব। জেনে নিন, বজ্রপাত নিয়ে এমন অজানা ও অদ্ভুত দশটি তথ্য।
১. প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীতে ৯৩ বার বজ্রপাত হয়:
মাঝেমধ্যেই আকাশে একসঙ্গে বেশ কিছু বিদ্যুৎ চমকাতে দেখে আমরা অবাক হই। কিন্তু পৃথিবীতে বজ্রপাত আসলে কতটা সাধারণ ঘটনা? বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০ লাখেরও বেশিবার বজ্রপাত হয়। একে যদি আমরা সময়ের ম বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্যের তীব্র তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী যখন এই ধ্বংসাবশেষের মেঘের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। ইতোমধ্যে ২৮২টি উল্কাবৃষ্টির একটি গুচ্ছ শনাক্ত করা হয়েছে।
গবেষকদের ধারণা, এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। পাথুরে ধ্বংসাবশেষের এই স্তূপটি আসলে একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু বা রক কমেটের অবশিষ্টাংশ। সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় গ্রহাণুটি ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক বলে, এই আবিষ্কারটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করে আসছে, আমাদের ছায়াপথ আকাশের ঠিক মাঝখানে আছে একটি বিশাল ব্ল্যাকহোল। কিন্তু নতুন এক গবেষণা এই পুরোনো ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, আকাশের কেন্দ্রে ব্ল্যাকহোলের বদলে ঘন ডার্ক ম্যাটারের একটি কোর থাকতে পারে।
গবেষকদের মতে, এই ডার্ক ম্যাটারের ঘন অংশই গ্যালাক্সির কেন্দ্রের আশেপাশে থাকা নক্ষত্রগুলোর অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে ঘোরার কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, পুরো আকাশ যেভাবে ঘোরে, সেটাও এই ডার্ক ম্যাটার কোর দিয়েই ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ম বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় ছয় দশক আগে আবিষ্কৃত এক মহাজাগতিক রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করছে। প্রথম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া ব্ল্যাক হোল সিগনাস এক্স-১ এখনো মহাকাশে বিশাল শক্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি এমন শক্তিশালী কণার ধারা (জেট) ছুড়ছে, যার শক্তি প্রায় ১০ হাজার সূর্যের সমান।
১৯৬৪ সালে প্রথম এই ব্ল্যাক হোল শনাক্ত হয়। বিজ্ঞানীরা তখনো ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দিহান ছিলেন। সম্প্রতি কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে এক গবেষণা ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে এই জেটগুলোর শক্তি নির্ণয় করা হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে হঠাৎ আগুনের মতো ছুটে চলা আলোর রেখা-এমন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তৈরি করছে লিরিড উল্কাবৃষ্টি। প্রতি বছরের মতো এবারও এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, যা আকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।
জানা গেছে, লিরিড উল্কাবৃষ্টি সাধারণত ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। এর সবচেয়ে বেশি উল্কা দেখা যায় ২২ বা ২৩ এপ্রিলের দিকে। এ বছরও ওই সময়েই এর শিখর পর্যায় ছিলো। উত্তর গোলার্ধের অনেক জায়গায় মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত সময়টি ছিলো সবচেয়ে ভালো দেখার সুযোগ।
স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজগত কিভাবে চলে-এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধারণা দিয়েছে। তারা বলছে, পরিচিত চারটি মৌলিক বলের বাইরে আরও একটি রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’ থাকতে পারে, যার প্রমাণ মিলতে পারে আমাদের নিজের সৌরজগতেই।
এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা চারটি মৌলিক বলের কথা জানে-মহাকর্ষ (আকর্ষণ শক্তি), তড়িৎচুম্বকত্ব, শক্তিশালী পারমাণবিক বল ও দুর্বল পারমাণবিক বল। এসব বলই মহাবিশ্বের সব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়। কিন্তু গবেষকদের মতে, এগুলো দিয়েও সবকিছু পুরোপুরি বোঝা যায় না।
নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী তুরিশেভ এক গবেষণায় বলেছে, সৌরজগতের ভেত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশের নানা বিষয় সহজভাবে শেখায় ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়ান্ডার লেসন’ সিরিজ। এই ধারাবাহিক থেকে জানা যায় কীভাবে নক্ষত্র দেখে দিক নির্ণয় করতে হয়, মেঘ বা গাছপালা চিনতে হয়। আজকের বিষয়-রাতের আকাশে ধ্রুবতারা খুঁজে বের করার সহজ উপায়।
ধ্রুবতারা বা পোলারিস উত্তর আকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নক্ষত্র। এটি ভৌগোলিক উত্তর দিক বরাবর অবস্থান করে এবং প্রায় সারা বছর একই জায়গায় স্থির থাকে। এ কারণে দিক নির্ণয়ে এটি বিশেষভাবে কাজে লাগে।
ধ্রুবতারা খুঁজতে হলে প্রথমে সপ্তর্ষিম-ল বা বিগ ডিপার খুঁজে নিতে হবে। এই নক্ষত্রপুঞ্জের বাটির মতো অংশের বাইরের বাকি অংশ পড়ুন...












