এক মাস রোযা রাখার ফলে শরীর একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে যায়। কিন্তু ঈদের দিন হঠাৎ করে অনেক ভারী ও মিষ্টি খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঈদের দিন খাবারের আনন্দ উপভোগ করা সম্ভব, তবে সেটি হতে হবে সচেতনভাবে। জেনে নিন কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন-
১. খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা:
ঈদের দিন বিভিন্ন ধরনের খাবার সামনে থাকলে অনেক সময় একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অল্প করে খাবার খাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
ঈদে নতুন টাকার ছড়াছড়ি ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ। বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ছে নতুন টাকার চাহিদা। তাই নতুন টাকা আনতে ব্যাংকের পাশাপাশি রাজধানীর গুলিস্তানে ভিড় বাড়ছে ক্রেতাদের।
রাজধানীর গুলিস্তানের পাতাল মার্কেটের সামনের ফুটপাথে নতুন, পুরোনো, ছেঁড়া-কাটা টাকার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। ছেঁড়া-কাটা টাকার বিনিময়ে নতুন টাকা দেওয়া এবং নতুন টাকা বিক্রি করেই চলছে তাদের সংসার।
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে নানা ভঙ্গিমায় ডেকে ক্রেতাদের আকর্ষণ করেন বিক্রেতারা। রাত ৯-১০টা পর্যন্ত খোলা বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতার করার পর শরীর চাঙা হবার কথা। কিন্তু দেখা যায় ইফতারের পর শরীর ছেড়ে দেয়। অর্থাৎ আরো বেশি ক্লান্ত লাগে। কিন্তু কেন এমন হয়?
খাওয়ার পর সেই খাবারকে বিভক্ত করে লিভারের কাছে পৌঁছে দিতে অন্ত্রের অনেক বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়, যে কারণে রক্তের ওপর বেশি চাপ পরে। ফলে তখন রক্তচাপ কমে গিয়ে শরীর ক্লান্ত বোধ করে এবং ঘুম পায়।
অনেক সময় টানা না খেয়ে থাকলে এমনিতেই বডি গ্লুকোজ রিজার্ভ ও সঞ্চিত শক্তি ভান্ডার ফুরিয়ে আসে। তাই শেষ বেলায় বডি শুধু বিএমআর মেইন্টেইন করার এনার্জি রাখে। ঠিক তখন আমরা যখন ইফতার করি তখন আমরা শক্তি উৎপাদনের জন্য বেশি করে প্র বাকি অংশ পড়ুন...
জার্মানিতে পবিত্র মাহে রমাদ্বানের আমেজ আমাদের পরিচিত ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে ভিন্ন। জার্মান মুসলমানদের বেশিরভাগ তুর্কি কিংবা তুরস্কের বংশোদ্ভূত। বাকিদের অধিকাংশই আরব বিশ্ব অথবা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী। তাই এখানে রোযা পালনে থাকে বৈচিত্রের ছোঁয়া।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের মতোই জাকজমক হয়ে থাকে জার্মান মুসলমানদের ইফতার। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে স্থানীয় মসজিদ অথবা মুসলিম কমিউনিটি হলগুলো হয়ে ওঠে জার্মানিতে বসবাসরত মুসলমানদের মিলন মেলা। এখানে খুবই কম মসজিদের সংখ্যা। সেই সাথে বিধর্মীদের রাষ্ট্রী বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ঈদ ঘিরে ঘরমুখো মানুষের চাপ সামাল দিতে প্রতিবছরই ‘বিশেষ ট্রেন’ পরিচালনা করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেনের সংখ্যা কখনো একরকম থাকে না। প্রতিবারই সেটা ওঠানামা করে, অর্থাৎ কম-বেশি হয়। আসন্ন ঈদুল ফিতরের ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। গত বছরের মতোই রাখা হয়েছে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন।
বিশেষ ট্রেনের সংখ্যা কম থাকায় ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ যাত্রীরা। তারা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ট্রেনে এমনিতেই যাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে ১০০টিরও বেশি দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপ হলো-
কেশম ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ, কিশ পর্যটন ও বাণিজ্যকেন্দ্র, খারগ প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র, আবু মুসা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এবং হরমুজ দ্বীপ হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত।
এসব দ্বীপের অনেকগুলোতেই সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো বা বাণিজ্যিক বন্দর রয়েছে। পারস্য উপসাগরে তেল পরিবহন ও সামরিক কৌশলের দিক থেকে এগুলোর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
খারগ দ্বীপ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থে বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
আলজেরিয়া:
আলজেরিয়ান মুসলিমরা পিজ্জা ‘সোয়ারবা’, সবজি রোল, আলু, সবজি দিয়ে তৈরি দোলমা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করেন।
মাগরিবের নামাযের পর তারা ‘সিগার’ নামক এক ধরনের পানীয় পান করেন, যা বাদাম দিয়ে তৈরি। এছাড়া, তাদের ইফতারের তালিকায় বিভিন্ন স্যুপও থাকে।
সৌদি আরব:
আরব নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, সৌদিরা ইফতারের শুরুতে ‘গাহওয়া’ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
নাম ‘খান বাবা’। ২৫ বছর বয়সী পাকিস্তানের এই নাগরিকের ওজন ৪৩৫ কেজি। নিজেকে দাবি করে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ বলে। তার আসল নাম আরবাব খিজির হায়াত। তবে ‘খান বাবা’ নামেই তিনি বেশি পরিচিত।
পাকিস্তানের মারদান প্রদেশে আরবাব খিজির হায়াত। তিনি এক হাতে যে কোনো মানুষকে ওপরে তুলে ফেলতে পারেন, হাত দিয়ে গাড়ি টেনে নিয়ে যেতে পারেন বহুদূর এবং খালি হাতে ট্রাক্টর থামাতে পারেন। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ বলছেন অনেকেই।
ছয় ফুটের বেশি লম্বা আরবাব খিজির। উচ্চতা এবং শরীরের ওজনের কারণে এরইমধ্যে পাকিস্তানের জাহাজ উপাধি পেয়েছেন তিনি। বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারের সময় প্রধান খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। দেশের অধিকাংশ খেজুর আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ-বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইরান, ওমান ও ইরাক থেকে।
রোযা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে খেজুর বেশ কার্যকর। এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
বিশ্বে কয়েক’শ ধরনের খেজুর রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত কয়েক ধরনের খেজুর বেশি দেখা যায়। সেগুলো হলো-
আজওয়া খেজুর:
এটি সৌদি আরবের পবিত্র মদীনা শরীফের বিখ্যাত খেজুর। ছোট আকারের, গাঢ় রঙের এবং নরম স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান জেনজি প্রজন্মের ঘুমানোর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলস দেখার প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে- রিলস যেন হয়ে উঠেছে সহজ বিনোদনের মাধ্যম। ব্যস্ত দিনের শেষে বিছানায় শুয়ে ফোন হাতে নেয়া এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। কিন্তু অজান্তেই এই অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় রিলস দেখা শুধু ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সমস্যাও তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকি বাকি অংশ পড়ুন...












