মন্তব্য কলাম
বছরে অর্থনৈতিক অপচয় ৩০ হাজার কোটি টাকা, রোগাক্রান্ত হচ্ছে যুবসমাজ, ধানী জমিতে চাষ হচ্ছে তামাক। অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের আলোকেই সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ সক্রিয় ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
, ০৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। পাশাপাশি এসব অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা ব্যয় ও অন্যান্য কারণে দেশের ক্ষতি হয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এক সমীক্ষা মতে তামাকজনিত মৃত্যুর মিছিল কমিয়ে আনতে উন্নত দেশগুলো শক্তিশালী আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে বৃহৎ আকারের সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ও প্লেইন প্যাকেজিং প্রবর্তন, তামাকের ওপর করহার ও মূল্য বৃদ্ধিসহ বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। যে কারণে উন্নত দেশগুলোতে তামাকের ব্যবহার ১.১ হারে কমছে। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী প্রচারণা, দুর্বল আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে তামাক কোম্পানির প্রভাব, স্বল্পমূল্য হওয়ায় বাংলাদেশের মতো ঘনবসতি ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে তামাকের ব্যবহার ২.১ হারে বাড়ছে।
এদিকে গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস) অনুযায়ী, ৪৩.৩% (প্রায় সোয়া ৪ কোটি) মানুষ বিভিন্নরকম তামাক ব্যবহার করে। ২৭.২% (২ কোটি ৫৯ লক্ষ) ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন ও ২৩% (২ কোটি ১৯ লক্ষ) ধূমপান করে। এছাড়া বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৪৫% অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ জনসমাগমস্থল ও গণ পরিবহণে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার। এর মধ্যে, ৩০% প্রাপ্তবয়স্ক নারী কর্মস্থলে ও ২১% (১ কোটির বেশি) নারী জনসমাগমস্থলে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে।
তামাকের ব্যবহার যেহেতু বেশি, তাই মৃত্যুসংখ্যাও অনেক। সর্বশেষ টোব্যাকো এটলাস এর তথ্য মতে, বাংলাদেশে তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি ঘণ্টায় ১০.৫ জন, প্রতিদিন ২৫২ জন, মাসে ৭,৬৬৭ জন এবং বছরে ৯২,০০০ মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশে অন্য কোনও কারণে এত মানুষের মৃত্যু হয় না! সড়ক দুর্ঘটনা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক ও আলোচিত বিষয়। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুহার এর চাইতে অনেক কম, বেসরকারি হিসাবে প্রায় এক-চতুর্থাংশ ও সরকারি হিসাবে প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার ও ধূমপানজনিত যে মৃত্যুর মিছিল চলমান, তা কমিয়ে আনতে কার্যকরভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। যারা ধূমপান ও তামাক সেবন করে, তাদের প্রতি দু’জনের একজন তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তামাকের কারণে ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়বেটিস, এজমাসহ নানাবিধ প্রাণঘাতী রোগ সৃষ্টি হয়। তামাকজনিত অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদী এবং এসব রোগ একবার দেখা দিলে কখনও ভালো হয় না। ফলে যে পরিবার এসব রোগে আক্রান্ত হয়, সে পরিবার নানা সঙ্কটে পড়ে। এসব রোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে সরকারেরও স্বাস্থ্যখাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। পাশাপাশি বিত্তবানদের অনেকে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে।
তাই তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার সময় এসেছে। বাংলাদেশ যে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ হিসাবে পদার্পন করেছে এবং মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার পথে রয়েছে- এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তামাক নিয়ন্ত্রণকে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ইতোমধ্যে সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।
তামাক চাষ পরিবেশ, প্রকৃতি, কৃষি জমির ক্ষতিসাধন করছে। গ্রিন টোব্যাকো সিকনেস-এর প্রাদুর্ভাবসহ জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তামাক পাতা প্রক্রিয়াজাত করতে বিপুল পরিমাণ বৃক্ষ নিধন হচ্ছে। তামাক চাষ ও চুল্লিতে আগুনের তাপে কাঁচা তামাক পাতা শুকানোর সময় সংশ্লিষ্ট এলাকা বায়ুতে নিকোটিন ছড়িয়ে পড়ে। তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াজাত করণে সম্পৃক্ত থাকায় শিশুদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটছে। উপরন্তু খাদ্যের জমিতে তামাক চাষ খাদ্য নিরাপত্তায় হুমকি সৃষ্টি করছে। তাই তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে প্রক্রিয়াধীন নীতিমালা দ্রুত পাস হওয়া জরুরি।
তামাক কোম্পানিগুলো নানাভাবে সরকারের নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে। ফলে তামাক কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রায়ই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয় না।
অন্যদিকে, দেশে তামাকসেবীর সংখ্যা ৪ কোটি হলেও পরোক্ষভাবে আরো ৪ কোটির বেশি মানুষ এর ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার। সব মিলিয়ে তামাকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যজনিত ক্ষতির মুখে আছে ৮ কোটির বেশি মানুষ। আর বছরে তামাকের কারণে প্রায় ৩ লাখ লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে প্রতিবছর প্রায় দেড় লাখ রোগীর মৃত্যু হয় এবং ৭৫ হাজারের মতো মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হয়। ধূমপানের কারণে সাধারণত ফুসফুসে, মুখগহ্বরে, স্বরনালী, গলনালী, খাদ্যনালী, পাকস্থলী, পায়ুপথ, কিডনি ও মূত্রথলিতে ক্যান্সার হয়ে থাকে। এ ছাড়া যারা ধোঁয়াহীন তামাক সেবন করে তাদের মধ্যে সাধারণত মুখের, গালের বা ঠোঁটের ক্যান্সারের প্রবণতা বেশি দেখা যায়। আর তামাকের মাধ্যমে সৃষ্ট এ ক্যান্সার চিকিৎসার পেছনে রোগীপ্রতি সাধারণত ৮-১০ লাখ টাকার মতো খরচ হয়। সে হিসেবে এইসব রোগীদের পেছনে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। যদিও এই ব্যয়ের মাত্র ২৫ শতাংশ সরকার বহন করছে বাকী অধিকাংশ অর্থই ব্যক্তি পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। ফলে দারিদ্রের কষাঘাতে নিষ্পেষিত হচ্ছে লাখ লাখ পরিবার। আবার অনেক ক্ষেত্রে এই বিপুল অর্থ খরচ করলেও রোগীদের বাঁচানো সম্ভব হয়না।
প্রসঙ্গত, তামাকপাতা প্রক্রিয়াজাত করতে প্রতি বছর দেশের বনাঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এতে বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। পাশাপাশি, বিভিন্ন জেলায় চাষীরা ফসলের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বিভিন্ন তামাক কোম্পানির লোভনীয় অফারে ধানের ক্ষেত্রে তামাক চাষ করছে। ফলে সারাদেশে তামাকের বিস্তার হচ্ছে। ধান চাষ কমে গিয়ে তামাক চাষ বাড়ছে।
শুধু তাই নয়, সমতল ভূমির পাশাপাশি এখন পাহাড়ে তামাকের চাষ হচ্ছে। আর এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছর পর পাহাড়ি পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে, সবুজ বনাঞ্চল বিরানভূমিতে পরিণত হবে বলেও আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞমহল।
সঙ্গতকারণেই, সরকারকে তামাক রোধে এবং বনাঞ্চল রক্ষায় এখনই সক্রিয় হতে হবে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। অসৎ কর্মচারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আর শুধুমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যেই রয়েছে তামাক তথা মাদকবিরোধী অকাট্য বিধান মুবারক। সুতরাং তামাকের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হলে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। কেবলমাত্র এবং শুধু কেবলমাত্র তবেই তামাকবিরোধী প্রচারণা সফল হতে পারে।
বিশেষভাবে বলতে হয়, সঙ্গতকারণেই, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে আগুন হলো জাহান্নামের লক্ষণ। আর তামাক সেবনকারীরা এই আগুন মুখে নিচ্ছে। এরমধ্যে দেশ ও জাতির ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যেও তামাক-ধুমপান সম্পূর্ণরূপে হারাম। ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর মধ্যে যদি এই হারামের চেতনা সৃষ্টি করা যায় তাহলে দেশ থেকে তামাক নির্মূল সহজ ও সম্ভব হবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করায় দেশবাসী আক্রান্ত হচ্ছে অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা, বন্যাসহ নানা দুর্যোগে। সঠিকভাবে পবিত্র যাকাত আদায় এবং সঠিক জায়গায় পৌঁছানোই এসব দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম। (পর্ব-১)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশে কয়েক বছরে ধনী-গরীব বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থায় জাতীয় সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে ধনী গরীব বৈষম্য দূরীকরণে যাকাত ব্যবস্থাই একমাত্র সমাধান মার্কিন অধ্যাপকের গবেষণা- “বছরে এক লাখ কোটি টাকা যাকাত আদায় সম্ভব” এ বক্তব্য সঠিক নয় বরং দৈনিক আল ইহসান শরীফের গবেষণা অনুযায়ী বছরে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা যাকাত আদায় সম্ভব ইনশাআল্লাহ
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইফতারীসহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়কে লোভনীয় করতে মেশানো হয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় রং। সাধারণ মানুষ রংবিহীন বিশুদ্ধ খাবারের পরিবর্তে রংযুক্ত ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ক্রয় করতেই বেশি উৎসাহী। এতে করে তারা আর্থিকভাবে এবং স্বাস্থ্যগতভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইফতারীসহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়কে লোভনীয় করতে মেশানো হয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় রং। সাধারণ মানুষ রংবিহীন বিশুদ্ধ খাবারের পরিবর্তে রংযুক্ত ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ক্রয় করতেই বেশি উৎসাহী। এতে করে তারা আর্থিকভাবে এবং স্বাস্থ্যগতভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই। এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আমল থাকলে সাধারণ মুসলমান এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো না।
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক সন্তান নীতি থেকে সরে এলো চীন। বিধর্মী দেশগুলোতে অধিক সন্তান গ্রহণে দেয়া হচ্ছে পুরস্কার। বিপরীতে ইহুদীবাদীদের ভ্রান্ত ম্যালথাসবাদের প্রসার হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোতে; বিশেষ করে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকারকে এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থেকে বের হওয়ার পাশাপাশি জনগনকেও সচেতন হতে হবে।
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
গ্যাস জালানীখাতে জালেমশাহী তথা দুর্নীতির মা- হাসিনা সরকারের মতই আমদানীর ব্যাপকতায় ভাসছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার করছে আরো বেশী দুর্নীতি।
১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












