মন্তব্য কলাম
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
, ১২ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০২ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ০২ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
বিএনপি তার ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতা গ্রহণের পর কিছুটা ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি জ্বালানি মন্ত্রণালয় ১০০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তাতে দেখা যায়- আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি আরও বেশি এলএনজি আমদানি সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এজন্য কক্সবাজারে আরও একাধিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি একটি ব্যয়বহুল আমদানি নির্ভরতার চক্রে আটকে যাচ্ছে এই খাত?
এলএনজির অতি ব্যয়বহুল আমদানি ব্যয়
বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি সরবরাহ সক্ষমতা ১,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনালের মাধ্যমে এই গ্যাস সরবরাহ করা হয়। যার একটি মালিকানা ইউএস কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি ও অপরটির মালিক সামিট গ্রুপ।
পরিমাণের দিক থেকে এই ১,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অত্যন্ত কম। কিন্তু অবাক ব্যাপার হল, এই সামান্য গ্যাস আমদানির চাপই সইতে পারছে না বাংলাদেশের অর্থনীতি। ২০২২ সালে জ্বালানি আমদানির চাপে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে ব্যাপক ধস নামে। অথচ জাপান-কোরিয়াকে টেক্কা দেওয়ার অংশ হিসেবে এলএনজি আমদানি শুরু করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। পরে সেই আমদানি নির্ভরতাই আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকে দ্রুত পিচ্ছিল করে তোলে। জ্বালানি খাতের বিপুল ব্যয় জনজীবন জেরবার করে দেয়। ফলে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত নিয়ে আওয়ামী লীগকে সবচেয়ে বেশি গঞ্জণা সইতে হয়েছে।
যদিও আওয়ামী লীগ তাতে শিক্ষা নেয়নি। বরং জ্বালানি আমদানির চাপে যখন বাংলাদেশের রিজার্ভ খালি হয়ে গেছে সেই সময় আরও বেশি এলএনজি আমদানি নির্ভর জ্বালানি মহাপরিকল্পনা আইইপিএমপি পাস করে। যেখানে মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা করা হয়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বছরে গড়ে প্রায় ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানি করা হয়। প্রতিটির গড় মূল্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত এলএনজি আমদানিতে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। এ সময় ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৩৬ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকার বেশি।
পেট্রোবাংলা তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পর গ্যাস ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকেও বড় অঙ্ক নেওয়া হয়েছে। অথচ গ্যাস ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের অর্থ সম্পূর্ণটা জনগণের। এ টাকায় নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান করার কথা। এতোসব সত্বেও এলএনজি আমদানি ব্যয় মেটাতে না পেরে চলতি অর্থবছরে আমদানি বিল মেটাতে পেট্রোবাংলাকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়েছে।
সরকারি হিসাব বলছে, ২০০৯ সালের তুলনায় বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৩৩০ শতাংশ, এলএনজি আমদানির কারণে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪০০ শতাংশের বেশি। আর বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক লোকসান বেড়েছে ১,৩০০ শতাংশ।
দেশীয় গ্যাসের তুলনায় ১৮ গুণ ব্যয়
২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দেশে দফায় দফায় গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরও দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে প্রতি ঘনমিটারে খরচ এখনো ৩ টাকা। পূর্বে যা ছিল মাত্র ১ টাকা। অন্যদিকে আমদানি করা এলএনজির খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৫৫ টাকা। অর্থাৎ এলএনজি প্রায় ১৮ গুণ বেশি ব্যয়বহুল। উচ্চমূল্যে কিনে কম দামে বিক্রি করায় ভর্তুকি বাড়ছে। একই সঙ্গে এলএনজি-চালিত কেন্দ্রের উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় বিদ্যুতের গড় ব্যয়ও বেড়েছে।
এছাড়া এলএনজি চুক্তি ডলারভিত্তিক। ফলে-ডলার সংকট বাড়ছে, রিজার্ভ কমছে, টাকার মান কমছে, আমদানি ব্যয় আরও বাড়ছে। সর্বোপরি এই চক্রটি সামষ্টিক অর্থনীতিকে দুর্বল করছে।
স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম একসময় কম থাকায় নীতিনির্ধারকেরা দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তিতে অবহেলা করেছিলো। স্পট মার্কেটে কম দামে পেলে কেন আমরা বেশি দামে দীর্ঘমেয়াদি টার্মে এলএনজি কিনতে যাব এমনই ছিল তাদের মনোভাব। তারা তখন বুঝতেই পারেনি যে স্পট মার্কেটের কম দাম ক্ষণস্থায়ী। স্পট মার্কেটের দামের ওপর নির্ভর না করতে বারবার বলা হলেও পেট্রোবাংলা কর্ণপাত করেনি। এখন তারা এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হওয়া অতিরিক্ত খরচ ওঠাতে গ্যাসের দাম বাড়াতে চায়। কিছু কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহও বন্ধ করে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছে, সাময়িক সঙ্কটের জন্য এলএনজি আমদানির যৌক্তিকতা রয়েছে। কিন্তু এই আমদানির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়লে তা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও জন্য মহা ক্ষতিকর হিসেবে আবির্ভূত হবে। কারণ এতে চাপে পড়ছে পেট্রোবাংলা। আর পেট্রোবাংলাকে সরকার ভর্তুকি দিয়ে এলএনজি আমদানি করাচ্ছে। এই ভর্তুকির চাপ গিয়ে পড়ছে জনগণের কাধে। বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সেই ভর্তুকি পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে প্রায় ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এলএনজি আমদানির জন্য পেট্রোবাংলাকে দেওয়া সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার কোটি টাকা।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে গ্যাস ও এলএনজি খাতে ভর্তুকি প্রায় ৮,৯০০ কোটি টাকা। আগের বছর ছিল প্রায় ৬,০০০ কোটি। এই ভর্তুকির অর্থ আসে জাতীয় বাজেট থেকে। ফলে- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, জরুরি অবকাঠামো উন্নয়নের মতো মৌলিক খাতগুলো বাধাগ্রস্ত হয়। যদিও বিপুল অর্থ ব্যয়ে এলএনজি আমদানির পরও গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে না বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়েছে।
২০২৪-২৫ সালে গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২,৫২৬ মিলিয়ন ঘনফুট/দিন, যা আগের বছরের তুলনায় কম। আবার চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে গড়ে ২,২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে পেট্রোবাংলা। অর্থাৎ এলএনজি আমদানি বাড়ছে, কিন্তু জ্বালানি নিরাপত্তা স্থিতিশীল হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, সরকার ব্যয়বহুল এলএনজি গ্যাস আমদানি করলেও এর বিপরীতে প্রাকৃতিক উৎস তথা গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ আহরনে কাজ করছে না। অথচ- ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাট রিপোর্ট করেছিল- বাংলাদেশ হচ্ছে এশিয়ার নতুন এনার্জি সুপার পাওয়ার, বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে মজুদ আছে প্রায় ২০০ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট গ্যাস। এছাড়া, প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছে- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন ইইজেড) .১১ থেকে .৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেট (মূলত মিথেন গ্যাস) মজুদ থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। এটি ১৭ থেকে ১০৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাসের সমান। এছাড়া, দেশের আবিস্কৃত গ্যাসকূপগুলোর যদি সংস্কার করা যায় তাহলে এসব থেকেও বিপুল পরিমাণ গ্যাস পাওয়া সম্ভব। যা দিয়ে বাংলাদেশ বছরের পর বছর গ্যাসের উৎপাদনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো গুরুত্বই দেয়া হচ্ছে না।
দুঃখজনক হলেও সত্য, দায়িত্বশীলরা কিছুদিন পর পর বৈদেশিক স্বার্থ ও দেশের গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজসে নামকাওয়াস্তে একটি গণশুনানীর আয়োজন করে গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে। কিন্তু এতে দেশের মানুষ কি পরিমাণ ভোগান্তিতে পড়ছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বর্তমানে সরকারের নীতিবর্হিভূত নানা নীতির কারণে দ্রব্যপণ্যের মূল্য বাড়ছে। বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। আর একই গতিতে বাড়ছে গ্যাসের দাম। কিন্তু জনগণের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ছেনা। সরকার কিছুদিন পর পর সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়াচ্ছে। কিন্তু জনগণের আয় ক্ষমতা বাড়াতে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
সমালোচক মহল মনে করেন, সরকার বার বার এই গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনগণকে মহাশোষনের বস্তুতে পরিণত করছে। অপরদিকে, এলএনজি আমদানি করার জন্য টার্মিনাল নির্মাণ করছে দেশের শিল্পগোষ্ঠীগুলো। আর এই টার্মিনাল স্থাপন করাই হচ্ছে যাতে করে এলএনজি আমদানি করার পর তা বেশি দামে সরবরাহ করে মুনাফা লুটতে পারে তারা। পাশাপাশি, কুইক রেন্টালের মতো দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হবে এই এলএনজি আমদানির প্রজেক্ট। এতে করে দিন দিন এলএনজির দাম আকাশচুম্বী হয়ে যাবে। দেশের গ্যাস খাত পুরোপুরিভাবে বন্দি হয়ে যাবে। জিম্মি হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও দেশের মানুষ শোষণ ও বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তি পায়নি। তাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দাবীদার সরকার যদি সত্যিকার অর্থে নিজেদের স্বাধীনতার যুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করে থাকে, তাহলে অবিলম্বে সরকারের উচিত হবে- দেশের যেসব ব্লকে তেল-গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে সেগুলো উত্তোলনের ব্যবস্থা করে জনগণের মধ্যে স্বল্পমূল্যে এই তেল-গ্যাস পৌঁছে দেয়া এবং বঙ্গোপসাগরের গ্যাসের সুফল জাতিকে দেয়া। এলএনজির অতিমূল্যের বিপর্যয় থেকে দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফারাক্কা মরণ বাধ, তিস্তার পানি বন্ধের পর, ভারত এখন মেঘালয়ে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করতে যাচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্থ হবে বাংলাদেশের সারি- গোয়াইন নদী, যাদুকাটা নদী ও সুরমা নদীর প্রবাহ। হবে বহুমাত্রিক ও অনেক বড় ক্ষতি সরকারকে এর শক্ত প্রতিবাদ জানাতে হবে। কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে ইনশাআল্লাহ। (২য় পর্ব)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ফারাক্কা মরণ বাঁধ, তিস্তার পানি বন্ধের পর, ভারত এখন মেঘালয়ে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করতে যাচ্ছে।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘এক দেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহারসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া। (২)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (১)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন। ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত-আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (১ম পর্ব)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের (টঘচঋওও) ২৫তম অধিবেশনে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, অপাহাড়ি বাংলাদেশি নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করছে।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ: বিদ্যুৎ বাঁচানোর নামে অর্থনীতি ধ্বংস এবং দারিদ্রতা বৃদ্ধি করে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক সাগরে দুই চিত্র দেশের জেলেদের উপর পুলিশি সাড়াশী অভিযান আর ভারতীয় জেলেদের ক্ষেত্রে চোখ কান বন্ধ রেখে মাছ লুটের অবাধ সুযোগ করে দেয়া নিষেধাজ্ঞার সুফল পায়- ভারতীয় জেলে আর ঠকে এদেশীয় জেলে ও গণমানুষ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৬)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চিনিকল খোলার দাবীতে আন্দোলন করছে শ্রমিকরা। বিদেশিরা চিনিকল চালু, বিনিয়োগ ও লাভের সম্ভাবনা দেখতে পেলেও সরকার তা দেখতে পাচ্ছে না কেন চিনিকল বন্ধ থাকলে রাষ্ট্র হারায় সম্পদ, লুণ্ঠনকারীদের হয় পোয়াবারো।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












