জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম শর্ত:
যুদ্ধাস্ত্রের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও নিরবচ্ছিন্ন গোলাবারুদ উৎপাদন
, ১৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ৩০ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৯ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
সাময়িক উত্তেজনা বা ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণের ঊর্ধ্বে উঠে বর্তমান বিশে^র সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে তাকালে একটি সত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও অ্যার্টলারি শেলের যোগানই জয়ের মূল নিয়ামক। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট প্রমাণ করেছে, উন্নতমানের সামরিক প্ল্যাটফর্ম যতই থাকুক না কেন, নিরবচ্ছিন্ন গোলাবারুদের রদবদল ও যোগান না থাকলে কোনো দেশই তার সার্বভৌমত্ব ধরে রাখতে পারে না। আন্তর্জাতিক এই প্রেক্ষাপট থেকে বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সামরিক ও কৌশলগত শিক্ষা গ্রহণ করা জরুরি।
যুদ্ধবিমান, আধুনিক ট্যাংক বা মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেমের মতো বড় বড় ওয়েপন্স প্ল্যাটফর্ম থাকাটা অবশ্যই প্রতিরক্ষার জন্য বড় শক্তি। তবে যুদ্ধবিমান থেকে ড্রপ করার মতো নিখুঁত স্মার্ট মিউনিশন না থাকলে, কামান বা ট্যাংক থেকে ফায়ার করার পর্যাপ্ত ১০৫ থেকে ১৫৫ মিলিমিটারের শেল না থাকলে, কিংবা এমএলআরএস থেকে ছোঁড়ার মতো পর্যাপ্ত রকেট প্রজেক্টাইল না থাকলে এই অতি-ব্যয়বহুল প্ল্যাটফর্মগুলো কেবল প্রদর্শনীর সামগ্রীতে পরিণত হবে। যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী বা আকস্মিক সংকটে অস্ত্রের চেয়ে 'মিউনিশন' বা গোলাবারুদের মজুদ ও স্থানীয় উৎপাদনক্ষমতাই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ও ফলাফল নির্ধারণ করে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত সংবেদনশীল। যেকোনো বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের মুখোমুখি হলে সমুদ্রপথে আমাদের রসদ ও সামরিক সহায়তার পথ রুদ্ধ হয়ে পড়ার বড় ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে নৌ-অবরোধ দেওয়া হলে বিদেশ থেকে গোলাবারুদ বা অস্ত্র আমদানি প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। একটি শক্তিশালী ও সমকক্ষ নৌ-শক্তি গড়ে বিপুল অর্থসাপেক্ষ তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার বিষয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রথম কাজ হতে হবে স্থল ও বিমান যুদ্ধের জন্য বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদের স্থায়ী মজুদ তৈরি করা এবং দেশেই তা নিরবচ্ছিন্নভাবে উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করা।
বর্তমান বিশে^র প্রায় প্রতিটি বড় সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষাভিত্তিক অর্থনীতি বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র বছরে ১২ লক্ষাধিক আর্টিলারি শেল ও রকেট রাউন্ড তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রতিরক্ষা খাতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে। ভারতের মতো সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ছাড়াও বিশে^র ছোট-বড় যেসব দেশ কৌশলগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, তারা আজ নিজস্ব ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রির ওপর জোর দিয়ে গোলাবারুদ উৎপাদনে পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে।
বাংলাদেশকেও অবিলম্বে এই খাতে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। নিজস্ব সামরিক কারখানাগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং ১০৫ থেকে ১৫৫ মিলিমিটার আর্টিলারি শেল, রকেট প্রজেক্টাইল ও অ্যারিয়াল মিউনিশন স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা এখন সময়ের দাবি। নিজেদের ভূখ- ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুদ্ধাস্ত্র দ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের স্বনির্ভরতাই হতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলের মূল স্তম্ভ।
-মুহম্মদ শামসিত তাবরিজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












