মন্তব্য কলাম
কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য দেওয়া দীর্ঘদিনের দাবি ঝুলে আছে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কৃষি মূল্য কমিশন গঠনের দাবি কেনো বাস্তবায়ন হয় না? বিদ্যুৎ, তামাক ও ওষুধ খাতে যেখানে মূল্য নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে, সেখানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি খাতে মূল্য নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এখনও নাই।
, ১১ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০২ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া,
বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা কৃষকদের জীবনকে সংকটাপন্ন করে তুলছে।
কাঙ্খিত কৃষি মূল্য কমিশন গঠন করা এই মুহুর্তেই একান্ত প্রয়োজন
উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য দিতে পণ্যের মূল্য কমিশন গঠন করাসহ ১২ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটপাতে আলু বিছিয়ে এক অভিনব মানববন্ধন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
এর মানে দেশের কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এবং কৃষি খাতকে টিকিয়ে রাখতে অবিলম্বে একটি স্বাধীন ও কার্যকর কৃষি মূল্য কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক-খানি বাংলাদেশ।
খানির পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান ও গবেষণার ভিত্তিতে কৃষকদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয় এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য সুস্পষ্ট সুপারিশমালা পেশ করা হয়। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ, তামাক ও ওষুধ খাতে যেখানে মূল্য নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে, সেখানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি খাত এখনও এমন কোনো সুরক্ষা পায়নি। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা তাদের জীবনকে সংকটাপন্ন করে তুলছে।
বক্তারা সাম্প্রতিক সময়ে মেহেরপুরের পেঁয়াজচাষি সাইফুল শেখ এবং রাজশাহীর মীর রুহুল আমিনসহ একাধিক কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনাকে এই সংকটের ভয়াবহ প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন।
উৎপাদনের সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে কৃষি খাত। আসলে উৎপাদনশীল খাত বলতে প্রধানত কৃষিকেই বোঝায়। সুদূর অতীতেও কৃষিকেই উৎপাদনশীল খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। অন্যান্য খাত তথা শিল্প, সেবা, কলকারখানা এগুলো সহযোগী খাত। শিল্পের কাঁচামাল কৃষি থেকেই আসে। তার ওপরই নির্ভর করে আমাদের খাদ্যনিরাপত্তা। অতীতের মতো বিদেশের ওপর নির্ভরশীল থেকে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা যে নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না, তা এখন অবধারিত। তাই কৃষি খাতের উৎপাদন বাড়াতে হবে। বর্তমানে কৃষির উৎপাদনে অনেকটা স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর আগে ৭০ ও ৮০ দশকের গোড়ার দিকে কৃষি খাতে ছোট করে মূল্যায়ন হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৮-৮৯ সালে জাতিসংঘের সহায়তায় বিস্তারিতভাবে কৃষি খাতের রিভিউ করে দুই ভলিয়মে তা বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে ক্রপস, লাইভস্টক, ফিশারিজ, ফরেস্ট্রি এবং মেকানাইজেশনসহ সব উপখাতের ওপর আলোকপাত করা হয়েছিল। কৃষিকে সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করে গভীর বিশ্লেষণ করা হয়েছিল ও সুপারিশ পেশ করা হয়েছিল। নব্বইয়ের দশকে অধ্যাপক রেহমান সোবহান পরিকল্পনা কমিশনের উপদেষ্টা থাকাকালে বিভিন্ন টাস্কফোর্স গঠন করেছিলেন। সেগুলো প্রকাশনী সংস্থা ইউপিএল থেকে ৪টি ভলিয়মে প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে একটি বিষয় ছিল কৃষি। নব্বইয়ের পর গত প্রায় ৩৪ বছর যাবৎ কৃষি খাতে রিভিউ করা হয়নি। এখানে একটি গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
কৃষিখাতে সহায়তা দেওয়া যায় সরকারি বাজেটের মাধ্যমে। তাছাড়া সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য সংকোচনের মাধ্যমেও সহায়তা দেওয়া হয় অভ্যন্তরীণ কৃষি উৎপাদনকে।
কৃষিকে সহায়তা প্রদানের সময় একটি বড় কৌশল হচ্ছে পণ্যের মূল্য সমর্থন। এ ক্ষেত্রে প্রণয়ন করা হয় কৃষি মূল্যনীতি। কৃষি প্রধান উন্নয়নশীল দেশগুলোতে উল্লিখিত সব সহায়তা ও সমর্থনই কম-বেশি বিদ্যমান। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।
প্রশ্ন হচ্ছে সহায়তা ও সমর্থনের মাত্রা নিয়ে। বাজেট সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কৃষিতে ব্যয়ের পরিমাণ দিনের পর দিন নিরঙ্কুশ টাকার অংকে ক্রমশই বাড়ছে, কিন্তু আপেক্ষিক অর্থে কমছে। কৃষিতে প্রণোদনা যোগানের জন্য প্রদত্ত ভর্তুকির পরিমাণও আপেক্ষিকভাবে কমছে।
উদাহরণ স্বরূপ, গত ১২ বছর আগে মোট বাজেটের ৬ শতাংশেরও বেশি ব্যয় করা হয়েছিল কৃষি ভর্তুকিখাতে। এখন তা নেমে এসেছে ২ শতাংশেরও নিচে।
একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে কৃষিখাতে সহায়তা ও সমর্থন দেওয়ার কোনো সীমারেখা বাংলাদেশের জন্য নির্ধারণ করা নেই। অর্থাৎ কৃষিতে স্বদেশি সহায়তা কমার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে পুরোপুরি ছাড় দেওয়া হয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালায়।
২০২৬ সালের পর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান নিশ্চিত হলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মানুযায়ী মোট কৃষি উৎপাদনের ১০ শতাংশ পর্যন্ত কৃষি ভর্তুকি খাতে ব্যয় করা যাবে। তাতে বর্তমান বাজার দরে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা যাবে কৃষি ভর্তুকি খাতে। সম্প্রতি বাংলাদেশ এর মাত্র এক-তৃতীয়াংশের মতো অর্থ ব্যয় করছে কৃষি ভর্তুকির জন্য।
কৃষিতে সহায়তা দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হচ্ছে পণ্যের মূল্য সমর্থন। এর জন্য দরকার একটি মূল্যনীতি। এর মাধ্যমে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়। অপরদিকে ন্যায়সঙ্গত মূল্যে পণ্য ক্রয়ের নিশ্চয়তা পায় ভোক্তা।
বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ গ্রামীণ জীবন কৃষি কর্মের ওপর নির্ভরশীল। অপরদিকে গরিব মানুষের শতকরা প্রায় ৬৫ ভাগ পারিবারিক ব্যয় নিয়োজিত হয় খাদ্য কেনার জন্য। এমতাবস্থায় উৎপাদনকারী কৃষক ও পণ্য গ্রহণকারী ভোক্তা উভয়ের জন্যই একটি ইতিবাচক কৃষি মূল্যনীতি প্রয়োজন। এর মাধ্যমে কৃষকের আয় স্থিতিশীল রাখা যায়, কৃষিপণ্যের মূল্য উঠা-নামার মাত্রা সংযত করা যায় এবং পণ্যের উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানি বৃদ্ধি ও আমদানি কমানো যায়।
পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে অত্যন্ত কৃষকবান্ধব মূল্যনীতি বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশে এর প্রয়োগ ও বিস্তার তেমন উল্লেখযোগ্য নয়।
কৃষি মূল্যনীতির অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে পণ্যের ন্যূনতম সমর্থন মূল্য নির্ধারণ করা। এটা প্রতি বছরই নির্ধারণ করা হয় সরকারিভাবে। কৃষকের জন্য উৎপাদিত পণ্যের ন্যূনতম মুনাফা নিশ্চিত করা এর উদ্দেশ্য।
প্রতিবেশী একটি দেশে বর্তমানে ২৩টি কৃষিপণ্যের সমর্থন মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। নির্ধারিত মূল্যের নিচে যাতে বাজার দর নেমে না যায়, সে জন্য সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে উৎপাদিত পণ্য কিনে নেয় সরকার। ২০১৮-১৯ সালের বাজেটে ঐ দেশটির সরকার বিভিন্ন কৃষি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করেছে উৎপাদন খরচের ওপর শতকরা ৫০ শতাংশ মুনাফা হিসাব করে। মোট উৎপাদিত পণ্যের শতকরা ১৫ শতাংশ কেনা হচ্ছে এমন পূর্ব নির্ধারিত মূল্যে।
বাংলাদেশে ন্যূনতম সমর্থন মূল্য নির্ধারণের কোনো ব্যবস্থা নেই। তবে প্রচলন আছে ধান-চাল ও গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণের। এটা সাধারণত উৎপাদন খরচের ওপর ৬ থেকে ১০ শতাংশ মুনাফা দেখিয়ে নির্ধারণ করা হয়। এর পরিধিও সীমিত। মোট উৎপাদনের মাত্র ৫-৬ শতাংশ খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয় উৎপাদন মৌসুমে। তারও অধিকাংশ ক্রয় করা হয় ব্যবসায়ী ও চাতালের মালিকদের কাছ থেকে। কৃষক তাতে সরাসরিভাবে লাভবান হয় না।
ফলে আমাদের দেশে প্রচলিত উৎপাদিত পণ্যের সংগ্রহ মূল্য স্থানীয় বাজারে তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। তাতে কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয় কৃষক। অনেক সময় উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে কৃষক তার উৎপাদন খরচটুকুও ঘরে নিয়ে আসতে পারে না।
কৃষিপণ্যের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণের জন্য কিছু নিয়ম প্রচলিত আছে। সেক্ষেত্রে আগের বছরের পণ্যমূল্য, উৎপাদন খরচ, খোলা বাজারে পণ্যমূল্যের চালচিত্র, আন্তর্জাতিক বাজার দর, সরকারি মজুদ ও মূল্যস্ফীতির হার ইত্যাদি প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
আমাদের দেশে বর্তমানে ধান-চালের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয় মূলত উৎপাদন খরচের ওপর ভিত্তি করে। তা-ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালের আমন মৌসুমে উৎপাদন খরচ নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রতি কেজি চাল ৩৪ টাকা। অনেকের মতে তা ৩৮ টাকা। ২০১৭ সালে সরকারিভাবে তা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৭ টাকা। প্রতি বছর যেহেতু উপকরণ খরচ বাড়ছে সেহেতু উৎপাদন খরচ কমার কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না। এটা স্পষ্টই অসংগতি। ২০১৮ সালে আমন চালের সংগ্রহ মূল্যও আগের বছরের তুলনায় ৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৬ টাকা। এ নিয়ে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল।
জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে উৎপাদন খরচ নির্ধারণের জন্য ৩টি সংস্থা নিয়োজিত রয়েছে। এদের পক্ষ থেকে যে হিসাবে উপস্থাপন করা হয়, তাতে ফারাক থাকে অনেক। স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ ও সংগ্রহমূল্য নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন দেশে রয়েছে 'এগ্রিকালচারাল প্রাইস কমিশন'। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশে এখন কৃষি মূল্য কমিশন কার্যকর রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের উদাহরণ আমাদের জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক। সেখানে কৃষি মূল্য কমিশন স্থাপিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালে এবং এখনও তা অব্যাহত ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এতে একজন চেয়ারম্যান ও ২ জন সদস্যসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য লোকবল রয়েছে।
কৃষি মূল্য কমিশনের কাজ হলো পণ্যের উৎপাদন খরচ নির্ণয় করা, ন্যূনতম সমর্থন মূল্য নির্ধারণ করা এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ ও আমদানি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা। মাঠের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং কৃষি উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশন তাদের সুপারিশ পেশ করে থাকে।
তাদের সুপারিশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাই মেনে নেয়। বাংলাদেশে এমন একটি কমিশন গঠনের দাবি দীর্ঘদিনের। আমাদের জাতীয় কৃষিনীতিতেও একটি প্রাইস কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে। কিন্তু তার বাস্তবায়ন হয়নি।
কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের জন্য বিশ্বের প্রতিটি দেশেই বিভিন্ন সহায়তা ও সমর্থন দেওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। এর মধ্যে উপকরণ ভর্তুকি ও পণ্যের মূল্য সমর্থন অন্যতম। বাংলাদেশে উপকরণ ভর্তুকি দেওয়ার বিষয়টি সামান্য হলেও পণ্যের মূল্য সমর্থনের বিষয়ে তেমন গুরুত্বসহ আলোচনা হয় না। ফলে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি থেকে প্রতিনিয়তই কৃষক বঞ্চিত হলেও এর সমাধানের জন্য তেমন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এ বিষয়ে সরকারের আশু দৃষ্টি দেয়া একান্ত প্রয়োজন।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করায় দেশবাসী আক্রান্ত হচ্ছে অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা, বন্যাসহ নানা দুর্যোগে। সঠিকভাবে পবিত্র যাকাত আদায় এবং সঠিক জায়গায় পৌঁছানোই এসব দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বছরে অর্থনৈতিক অপচয় ৩০ হাজার কোটি টাকা, রোগাক্রান্ত হচ্ছে যুবসমাজ, ধানী জমিতে চাষ হচ্ছে তামাক। অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের আলোকেই সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ সক্রিয় ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম। (পর্ব-১)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশে কয়েক বছরে ধনী-গরীব বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থায় জাতীয় সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে ধনী গরীব বৈষম্য দূরীকরণে যাকাত ব্যবস্থাই একমাত্র সমাধান মার্কিন অধ্যাপকের গবেষণা- “বছরে এক লাখ কোটি টাকা যাকাত আদায় সম্ভব” এ বক্তব্য সঠিক নয় বরং দৈনিক আল ইহসান শরীফের গবেষণা অনুযায়ী বছরে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা যাকাত আদায় সম্ভব ইনশাআল্লাহ
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইফতারীসহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়কে লোভনীয় করতে মেশানো হয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় রং। সাধারণ মানুষ রংবিহীন বিশুদ্ধ খাবারের পরিবর্তে রংযুক্ত ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ক্রয় করতেই বেশি উৎসাহী। এতে করে তারা আর্থিকভাবে এবং স্বাস্থ্যগতভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইফতারীসহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়কে লোভনীয় করতে মেশানো হয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় রং। সাধারণ মানুষ রংবিহীন বিশুদ্ধ খাবারের পরিবর্তে রংযুক্ত ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ক্রয় করতেই বেশি উৎসাহী। এতে করে তারা আর্থিকভাবে এবং স্বাস্থ্যগতভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই। এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আমল থাকলে সাধারণ মুসলমান এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো না।
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক সন্তান নীতি থেকে সরে এলো চীন। বিধর্মী দেশগুলোতে অধিক সন্তান গ্রহণে দেয়া হচ্ছে পুরস্কার। বিপরীতে ইহুদীবাদীদের ভ্রান্ত ম্যালথাসবাদের প্রসার হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোতে; বিশেষ করে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকারকে এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থেকে বের হওয়ার পাশাপাশি জনগনকেও সচেতন হতে হবে।
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












