ভিটামিন-সি রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এটি একটি অমøধর্মী জৈব যৌগ ও সাদা দানাদার পদার্থ। যা শাকসবজি ও টক ফলমূলে বেশি পাওয়া যায়। মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য এটি একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব অপরিসীম। পাশাপাশি হাড় ও দাঁতের জন্যও ভিটামিন সি অনেক উপকারী। এটি ত্বকের টিস্যুর গঠনেও সরাসরি অংশ নেয়। যেকোনো ক্ষত খুব তাড়াতাড়ি সাড়িয়ে তুলতেও এই ভিটামিনের বিকল্প নেই। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে ক্ষতিকর ফ্রি-র্যাডিক্যাল থেকেও রক্ষা করে এটি। ভিটামিন-সি দাঁত ও বাকি অংশ পড়ুন...
বেশিরভাগ বিড়াল এক পাশ হয়ে ঘুমায়। বিড়ালের এই স্বভাব নিয়ে একদল গবেষক গবেষণা করেছে। কারেন্ট বায়োজলিতে সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়, বেশিরভাগ বিড়াল বাম পাশে কাত হয়ে ঘুমাতে বেশি পছন্দ করে। এই স্বভাবের পেছনে একটি কারণ হলো বিড়াল অনেক ঘুমায়।
শরীরের এক পাশ ব্যবহারের প্রবণতা:
গবেষকরা বলছেন, অনেক প্রাণীর শরীরের এক পাশ ব্যবহারে বিশেষ আগ্রহ থাকে। একে বলা হয় বিহ্যাভেরিওয়াল ল্যাটেরাইলিজেশন। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, বেশিরভাগ মানুষ ডানহাতি, আর বেশিরভাগ ক্যাঙ্গারু বাঁহাতি। এশিয়ান হাতিদের ক্ষেত্রেও এমনটা দেখা যায়, ত বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা বাজারে দাঁড়িয়ে আছে নীরব ইতিহাস রূপসা জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ। এর প্রকৃত নাম ‘মসজিদে নূর’। নামের অর্থই আলো আর সেই আলোয় যেন দুই শতাব্দী ধরে আলোকিত করে রেখেছে পুরো জনপদকে।
১২৮৪ বঙ্গাব্দে বৃহত্তর মেঘনাপাড়ের প্রভাবশীল জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী নির্মাণ করেন এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। তৎকালীন ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠা স্থাপনাটি শুধু একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নয় বরং ইসলামি স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন। মসজিদের প্রবেশপথের পাশে শ্বেতপাথরে ফার্সি ভাষায় খোদাই করা আছে নির্মাণকাল ও নির্মাতার নাম যেন ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লোয়ার দির জেলার তিমারগারায় অবস্থিত ১২০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ। নাম তার ‘বাবা জি’। সূর্যাস্তের পরপরই শত শত মুসল্লি ভিড় করেন তারাবীহ নামাজে অংশ নিতে। হাতে খোদাই করা কাঠের কারুকাজে সজ্জিত ছাদের নিচে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ইবাদতের এ ধারা আজও অব্যাহত।
সন্ধ্যা নামতেই তিমারগারার পথে পথে দেখা যায় মানুষের স্রোত, গন্তব্য শতবর্ষী ‘বাবা জি’ মসজিদ। ইশা ও তারাবীহ নামাজ আদায়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি হয়ে ওঠে পুরো অঞ্চলের অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র।
১৮৯০-এর দশকে প্রভাবশীল পশতুন ইউসুফজাই গোত্রের ধর্মীয় ব বাকি অংশ পড়ুন...
চলছে পবিত্র রোযা। দিনের বেলা রোযা রাখার পর, ইফতারে শরীরে শক্তি ফেরানোর জন্য সঠিক পানীয় নির্বাচন করা খাবারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময় ঠিক কোন কোন পানীয় পান করলে শরীরে এনার্জি বজায় থাকবে জেনে নিন।
পানি:
রোযা রাখার পর শরীরের হাইড্রেশন প্রয়োজন হয়। তবে একবারে খুব বেশি পানি পান করা ঠিক নয়। কারণ এ সময় পেট খালি থাকলে, অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এর পরিবর্তে ধীরে ধীরে পানি পান করুন। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে পুনরায় হাইড্রেট করতে সহায়তা করে।
টক দই বা বাটারমিল্ক শরবত:
আরও একটি দুর্দান্ত পানীয় হলো টক দই শরবত বা বাটারমিল্ক। এই পানীয়গুলো বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
সৌদি আরব ঘোষণা দিয়েছে যে তারা দেশটির লাখ লাখ উটের জন্য পাসপোর্ট ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মূল্যবান প্রাণীগুলোর আরও ভালো ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। খবর- বিবিসি বাংলা
সৌদি কর্মকর্তারা বলছে, এই পদক্ষেপ উট পালন খাতকে আরো কার্যকর করে তুলবে এবং উটগুলোর পরিচয় ও মালিকানা সংক্রান্ত একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভা-ার তৈরি করবে।
সৌদি সরকারের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা একটি প্রামাণ্যচিত্রে এই নথির ছবিও দেখিয়েছে। সেখানে সবুজ রঙের একটি পাসপো বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে ইফতার-সাহরিতে খেজুর রাখা খাছ সুন্নত। খেজুর সুস্বাদু হওয়ায় শুধু মুখের রসনা নয়, শরীরের জন্যও খুবই উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে, যেমন কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, খেজুর শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগ করতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খেলে দিনের ক্লান্তিভাব কমে এবং কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।
এ ছাড়া খেজুর হজমে সহায়ক, হাড় ও হৃৎপি-ের জন্য উপকারী এবং রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। তাই রোযা থাকাকালীন ইফতারে বা সাহরিতে ২-৩টি খেজুর খেতে হবে। যা একদিক থেকে সুন্নত আদায় হবে অন্যদিক থেক বাকি অংশ পড়ুন...
নারীদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি সবচেয়ে সাধারণ পুষ্টিগত উদ্বেগের মধ্যে একটি, বিশেষ করে মাসিক, সন্তান জন্মদানের পর রক্তক্ষরণ এবং পুষ্টির ঘাটতির কারণে। প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে সাধারণত ক্লান্তি, চুল পড়া, ফ্যাকাশে ত্বক এবং ঘন ঘন দুর্বলতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আয়রন সমৃদ্ধ লাল শাক স্বাস্থ্যকর আয়রনের মাত্রা অনেকটাই বাড়াতে পারে। এছাড়া লাল রঙের অন্যান্য শাক-সবজিও এই তালিকায় রয়েছে। জেনে নিন নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য লালশাক কেন জরুরি-
১. উদ্ভিদ-ভিত্তিক আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস:
লালশাক নন-হিম আয়রনে সমৃদ্ধ, যা উদ্ভি বাকি অংশ পড়ুন...
বক চয় এমন একটি সবজি বা শাক যা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। এটিকে চাইনিজ বাঁধাকপিও বলা হয়। এটি শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় বিশেষত ভাজি, ভর্তা, কিংবা স্যুপ হিসেবে। বক চয় সহজলভ্য এবং রান্না করাও সহজ। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী যেটি অনেকেই জানে না। তাই আজ আমরা জানবো বক চয়ের উপকারিতা-
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
বক চয় মূলতঃ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ, এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সি বাকি অংশ পড়ুন...
হালিম এমন একটি খাবার যা বহু বছর ধরে ইফতারের সময় জনপ্রিয়। ইফতারে হালিম খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু ইফতারে হালিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না সেটা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।
হালিম ডাল, গম, গোশত, মসলা ও ঘি দিয়ে তৈরি হয়, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে এটি স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা নির্ভর করে কিভাবে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। হালিম একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে যদি এটি ঘরে তৈরি হয় এবং তেলে-ঝালে ভারি না হয়।
এটি দ্রুত শক্তি পুনরুদ্ধার করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। বাকি অংশ পড়ুন...
পুরান ঢাকায় সাহরির আগে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়া হতো। মহল্লায় মহল্লায় ভেসে আসত এধরণের সুরের মূর্ছনা। দিনগুলো হারিয়ে গেছে। ‘সাবকো রোযা রাখনে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে, সাবকো নামাজ পাড়নে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে।’ পুরান ঢাকায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফে রাতের শেষ প্রহরে হরহামেশা শোনা যেত এমন কাসিদা।
পুরান ঢাকায় এই প্রথার শুরু সেই মোগল আমল থেকে। রোযাদারদের জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়াকে সওয়াবের কাজ মনে করা হতো। ঈদের দিন মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরানা নিয়ে আসতো কাসিদার দলগুলো।
সাহরির আগে রোযাদারদের ঘুম ভাঙানোর চল রয়েছে প বাকি অংশ পড়ুন...












