‘সিটি কিলার’ গ্রহাণু ‘২০২৩ ডিজেড২’ গতকাল শনিবার (২৫ মার্চ) পৃথিবীর খুব কাছাকাছি উড়ে যায়।
যেহেতু গ্রহাণুর নামের পাশেই ‘কিলার’ শব্দটি রয়েছে, যে কেউ এর নাম শুনলে চমকে যেতে পারেন। কিন্তু চিন্তা করবেন না, এটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে গেলেও আমাদের গ্রহের কোনো ক্ষতি করবে না।
‘২০২৩ ডিজেড২’ নামের গ্রহাণুটি গতকাল শনিবার পৃথিবী ও চাঁদের কক্ষপথের মধ্য দিয়ে যায়। তখন পৃথিবী থেকে গ্রহাণুর দূরত্ব হবে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, চাঁদ থেকে এই গ্রহাণুর দূরত্ব হবে ১ লাখ ৭০ হাজার কিলোমিটার। গ্রহাণুর আকার মাত্র ১৩১ থেকে ৩২৮ ফুট।
যদিও বায়ুম-ল বাকি অংশ পড়ুন...
আকাশে বাঁকা চাঁদ, ঠিক তার নিচে শুকতারা। মনে হচ্ছে আরবী বর্ণমালার দ্বিতীয় বর্ণ ‘বা’!
গত জুমুয়াবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যার পর এমনই ক্যাপশন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাঁদের ছবি শেয়ার করেছেন বহু মানুষ।
চাঁদের ঠিক নিচে ‘তারার মতো’ কিছু একটা দেখে মানুষের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে দেশজুড়েই।
খবর পাওয়া গেছে, শুধু বাংলাদেশেই না, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। দৃশ্যটি দেখার পর কৌতূহলী মানুষ এ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। কেউ কেউ দৃশ্যটি ক্যামেরায় ধারণও করেছেন।
এ বিষয়ে একজন মন্তব্যকারী বলেন, চাঁদের নিচে এমনভাবে শুকতারা বাকি অংশ পড়ুন...
নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটে লড়েন রাজনৈতিক নেতারা। ভোটশেষে কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়, আবার কোনোটি চাপা পড়ে যায়।
প্রতিশ্রুতি ভাঙলে রাজনৈতিক নেতারা সাজা পায়? এমনটি শোনা যায় না। তবে একটি শহর আছে যেখানে জনসাধারণই ‘সাজা’ দেয় নেতা-মন্ত্রীদের।
ইটালির ছোট শহর ট্রেন্টো। এই শহরে রাজনৈতিক নেতাদের ‘সাজা’ দেওয়া হয়ে থাকে। এই রীতিটির নাম ‘টোঙ্কা’। এই শহরে কোনো নেতা বা মন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তা যদি পালন না করে, তা হলে সেই নেতা বা মন্ত্রীকে শহরবাসী নদীর ধারে নিয়ে আসে। তার পর তাকে বড় একটি খাঁচায় আটকে নদীর মাঝখানে এক সেকেন্ডের জন্য সেটি বাকি অংশ পড়ুন...
ছবি-১
ভূমি বা জমির হিসাব:
আমরা জমি মাপার হিসাবকে যতটা কঠিন মনে করি তত কঠিন নয়। আশা করা যায় এই লেখনীটি পড়ার পরে খুব সহজেই জমির হিসাব করতে পারবেন।
বর্তমানে আমাদের দেশে ভূমি অধিগ্রহণের বিরোধ শহর ও গ্রামাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। বিভিন্ন কারণে এই বিতর্ক দেখা দেয়। বিরোধের সবচেয়ে বড় কারণ হল (আপনার) যতটুকু জায়গা প্রাপ্যতা থেকে (আপনাকে) বঞ্চিত করার চেষ্টা করা। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ জমির হিসাব বুঝে না। যার কারণে সমাজের উচ্চশ্রেণীর লোকেরা জোর করে তাদের জায়গা নিয়ে নেয়। গরিব লোক মামলা করতে চায় না, কারণ ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে অনেক সময় লা বাকি অংশ পড়ুন...
গরমে অনেকেই প্রায় একই সমস্যায় পড়েন, ফ্যানের গতি কমে গেছে। সুইচ অন করতেই দেখা যায়, সিলিং ফ্যানটি চলছে কিন্তু তার গতি কমে গেছে। খুবই ধীর গতিতে চলছে বা তেমন জোরে বাতাসও দিচ্ছে না। গরমে অনেকেই মিস্ত্রি ডেকে ফ্যান ঠিক করার কথা ভাবেন? এর থেকে মুক্তি পেতে করুন এ সমস্যার সমাধান। মাত্র ৪টি উপায়ে দূর করা যেতে পারে ফ্যানের দুর্বলতা।
ফ্যানের গতি কম হওয়ার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। তবে সাধারণত খারাপ ক্যাপাসিটরের কারণেই ফ্যানের গতি কমে যায়। এছাড়া ফ্যানে লাগানো ক্যাপাসিটর পুরোনো হয়ে গেলে ফ্যানের গতি কমে যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাপাসিটর পরিবর্ বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেরই পোষাপ্রাণির নামের তালিকায় রয়েছে বিড়ালের নাম। যারা বিড়াল পোষেন কিংবা বিড়াল বাড়ির আশপাশে দেখেছেন তারা একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, বিড়ালের মারাত্মক রকমের পানিভীতি রয়েছে। কিন্তু এর কারণ হয়তো অনেকেই জানে না।
প্রাণি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিড়ালের পানিভীতির কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। যা শুনলে অবাক বা চমকে যাবেন অনেকেই।
গবেষকরা বলছেন, বিড়ালের শারীরিক গঠন সমতলে চলার উপযুক্ত। তাই এরা সব সময় সমতলে হাঁটতে পছন্দ করে।
শারীরিক গঠনের কারণে এরা পানিতে সাঁতার কাঁটতে পারে না। তাই সব সময় বিড়াল পানি এড়িয়ে চলে। কোনো কারণে এরা পানিতে পড়ে গেল বাকি অংশ পড়ুন...
সিভেট, এশীয় তাল খাটাশ, ভোন্দর, লেনজা কিংবা গাছ খাটাশ, একাধিক নামে পরিচিত প্রাণী গন্ধগোকুল। ভারত, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া, চীনের দক্ষিণ অঞ্চলসহ বাংলাদেশের সিলেটে বনাঞ্চলেও দেখা মিলে বর্তমান সময়ের অরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত প্রাণীটির।
গন্ধগোকুল যেদিক দিয়ে যায় সে দিক দিয়ে পোলাওয়ে ব্যবহৃত কালিজিরা, চিনিগুঁড়া চালের মত কিছুটা গন্ধ বের হতে থাকে। এর ঘ্রাণগন্থি থেকে এই গন্ধ নিঃসরিত হয় বলে এর নাম গন্ধগোকুল। অর্থাৎ পোলাওয়ের চালের মতো সুবাস ছড়ায় বিধায় এর অধিক পরিচিত নাম গন্ধগোকুল। এরা মাঝারি আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী। সর্বভুক ও ন বাকি অংশ পড়ুন...
এক নজরে কাতার:
অফিসিয়াল নাম: The state of Qatar
আয়তন: ১১,৫৮ বর্গ কিলোমিটার (পৃথিবীতে ১৫৮ তম)
জনসংখ্যা: প্রায় ২৮ লাখ। (পৃথিবীতে ১৩৯ তম, জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কিলোমিটারে ২৪৮ জন)
স্বাধীনতা অর্জন: কাতার ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
সরকার পদ্ধতি: আধা-সাংবিধানিক ও রাজতান্ত্রিক
জাতীয়তা: কাতারি
রাষ্ট্র প্রধান: আমির
রাজধানী: দোহা (সবচেয়ে বড় ও জনবহুল শহর)
বড় শহর: দোহা, খোর, উমম বাব, আবু সামরা, আদ দোওহা ইত্যাদি।
রাষ্ট্রদ্বীন: ইসলাম। ৭০.৫℅ মুসলমান। আর কিছুসংখ্যক রয়েছে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধধর্ম এবং অন্যান্য।
সময়: কাতারে বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে যেমন গাড়ির সমস্যা দেখা দেয় তেমনি গরমেও। এসময় গাড়ির ইঞ্জিন গরম হয়ে যাওয়া সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও গাড়ির এয়ার কন্ডিশনারেরও বাড়তি যত্ন দরকার। আগে থেকে যত্ন নিলে ঘন ঘন গাড়ির সমস্যাও হবে না। ফলে মেকানিকের কাছে নিতে হবে না।
জানা যাক গরমে গাড়ির যত্নে কী কী করবেন-
ব্যাটারি পরীক্ষা করা:
এসময় সবচেয়ে জরুরি একটি কাজ হচ্ছে গাড়ির ব্যাটারি নিয়মিত পরীক্ষা করা। এমনকি শীত, গ্রীষ্ম এবং বর্ষা সবসময়ই কাজটি করা উচিত। গরম শুরু হওয়ার আগেই গাড়ির ব্যাটারি একবার ভালো করে পরীক্ষা করা। ব্যাটারিতে কার্বন জমে থাকলে তা পরিষ্কার করা। তার পা বাকি অংশ পড়ুন...
কাতার মধ্য প্রাচ্যের আরব দেশ গুলির মধ্যে সবচেয়ে ছোট দেশ যা পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত। কাতারের দক্ষিণে সৌদি আরব এবং পশ্চিমে দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইন অবস্থিত। আরব উপদ্বীপের মত কাতারও একটি উত্তপ্ত ও শুষ্ক মরু এলাকা। তবে কাতার অর্থনৈতিকভাবে খুবই সমৃদ্ধশালী। পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক তেল এবং গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ কাতার। মধ্যপ্রাচ্যে কাতারের অন্যতম সহযোগী দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিশরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর থেকে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের আলোচনার মূল বিন্দুতে চলে আসে।
কাতারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
কা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণ সম্পর্কে সবাই কম বেশি জানেন এবং অনেকে বিভিন্ন উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে স্বর্ণ ক্রয় করে থাকেন। কিন্তু স্বর্ণ বা সোনা পরিমাপের নিয়ম এবং ন্যায্য মূল্য সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা সবার নেই। স্বর্ণকার যত টাকা বলে সে অনুযায়ী ক্রেতা টাকা পেমেন্ট করে দেন বা সামান্য কিছু কম দিয়ে মনে করেন অনেক কম দামে স্বর্ণটা কিনে নিয়েছেন। আসলে বিষয়টি কিন্তু এ রকম নয়। কারণ স্বর্ণের দাম যত হয়েছে স্বর্ণকার তার থেকেও বেশি দাম বলেছে, যাতে ক্রেতা কম দিলেও তার লাভের পরিমান ঠিক থাকে। এ জন্য সমস্ত বিষয় সম্পর্কে ন্যূনতম ইলিম (জ্ঞান) অর্জন করা জরুরী। স্বর্ণের বাকি অংশ পড়ুন...
গাছজুড়ে ছেয়ে আমের মুকুল! মুকুলের এমন সরব উপস্থিতি দেখে সবাই নিজেদের মতো বলাবলি করে থাকে, কত আম হবে এবার! কিন্তু, এই কথা যদি সত্যে পরিণত হতো তাহলে আমেই সয়লাব হত বাংলাদেশ।
মুকুলে অনেক পরিমাণে ফুল থাকে। ফুলের শতকরা ২৫ থেকে ৯৮ শতাংশই পুরুষ। প্রতিটি থোকায় দুই/তিনশ থেকে তিন/চার হাজার পরিমাণ ফুল থাকে। প্রতিটি থোকায় পরাগায়নের পরিমাণ শতকরা দুই থেকে তিন ভাগ। প্রখর রোদ, অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং কুয়াশার কারণে পরাগায়ন ব্যাহত হয়।
সত্যিটা হলো- সব ‘মুকুল’ আম হয় না। কী কারণে এমনটা হয়? এ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উদ্ভিদ ব বাকি অংশ পড়ুন...












