গরমে অনেকেই প্রায় একই সমস্যায় পড়েন, ফ্যানের গতি কমে গেছে। সুইচ অন করতেই দেখা যায়, সিলিং ফ্যানটি চলছে কিন্তু তার গতি কমে গেছে। খুবই ধীর গতিতে চলছে বা তেমন জোরে বাতাসও দিচ্ছে না। গরমে অনেকেই মিস্ত্রি ডেকে ফ্যান ঠিক করার কথা ভাবেন? এর থেকে মুক্তি পেতে করুন এ সমস্যার সমাধান। মাত্র ৪টি উপায়ে দূর করা যেতে পারে ফ্যানের দুর্বলতা।
ফ্যানের গতি কম হওয়ার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। তবে সাধারণত খারাপ ক্যাপাসিটরের কারণেই ফ্যানের গতি কমে যায়। এছাড়া ফ্যানে লাগানো ক্যাপাসিটর পুরোনো হয়ে গেলে ফ্যানের গতি কমে যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাপাসিটর পরিবর্ বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেরই পোষাপ্রাণির নামের তালিকায় রয়েছে বিড়ালের নাম। যারা বিড়াল পোষেন কিংবা বিড়াল বাড়ির আশপাশে দেখেছেন তারা একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, বিড়ালের মারাত্মক রকমের পানিভীতি রয়েছে। কিন্তু এর কারণ হয়তো অনেকেই জানে না।
প্রাণি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিড়ালের পানিভীতির কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। যা শুনলে অবাক বা চমকে যাবেন অনেকেই।
গবেষকরা বলছেন, বিড়ালের শারীরিক গঠন সমতলে চলার উপযুক্ত। তাই এরা সব সময় সমতলে হাঁটতে পছন্দ করে।
শারীরিক গঠনের কারণে এরা পানিতে সাঁতার কাঁটতে পারে না। তাই সব সময় বিড়াল পানি এড়িয়ে চলে। কোনো কারণে এরা পানিতে পড়ে গেল বাকি অংশ পড়ুন...
সিভেট, এশীয় তাল খাটাশ, ভোন্দর, লেনজা কিংবা গাছ খাটাশ, একাধিক নামে পরিচিত প্রাণী গন্ধগোকুল। ভারত, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া, চীনের দক্ষিণ অঞ্চলসহ বাংলাদেশের সিলেটে বনাঞ্চলেও দেখা মিলে বর্তমান সময়ের অরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত প্রাণীটির।
গন্ধগোকুল যেদিক দিয়ে যায় সে দিক দিয়ে পোলাওয়ে ব্যবহৃত কালিজিরা, চিনিগুঁড়া চালের মত কিছুটা গন্ধ বের হতে থাকে। এর ঘ্রাণগন্থি থেকে এই গন্ধ নিঃসরিত হয় বলে এর নাম গন্ধগোকুল। অর্থাৎ পোলাওয়ের চালের মতো সুবাস ছড়ায় বিধায় এর অধিক পরিচিত নাম গন্ধগোকুল। এরা মাঝারি আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী। সর্বভুক ও ন বাকি অংশ পড়ুন...
এক নজরে কাতার:
অফিসিয়াল নাম: The state of Qatar
আয়তন: ১১,৫৮ বর্গ কিলোমিটার (পৃথিবীতে ১৫৮ তম)
জনসংখ্যা: প্রায় ২৮ লাখ। (পৃথিবীতে ১৩৯ তম, জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কিলোমিটারে ২৪৮ জন)
স্বাধীনতা অর্জন: কাতার ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
সরকার পদ্ধতি: আধা-সাংবিধানিক ও রাজতান্ত্রিক
জাতীয়তা: কাতারি
রাষ্ট্র প্রধান: আমির
রাজধানী: দোহা (সবচেয়ে বড় ও জনবহুল শহর)
বড় শহর: দোহা, খোর, উমম বাব, আবু সামরা, আদ দোওহা ইত্যাদি।
রাষ্ট্রদ্বীন: ইসলাম। ৭০.৫℅ মুসলমান। আর কিছুসংখ্যক রয়েছে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধধর্ম এবং অন্যান্য।
সময়: কাতারে বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে যেমন গাড়ির সমস্যা দেখা দেয় তেমনি গরমেও। এসময় গাড়ির ইঞ্জিন গরম হয়ে যাওয়া সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও গাড়ির এয়ার কন্ডিশনারেরও বাড়তি যত্ন দরকার। আগে থেকে যত্ন নিলে ঘন ঘন গাড়ির সমস্যাও হবে না। ফলে মেকানিকের কাছে নিতে হবে না।
জানা যাক গরমে গাড়ির যত্নে কী কী করবেন-
ব্যাটারি পরীক্ষা করা:
এসময় সবচেয়ে জরুরি একটি কাজ হচ্ছে গাড়ির ব্যাটারি নিয়মিত পরীক্ষা করা। এমনকি শীত, গ্রীষ্ম এবং বর্ষা সবসময়ই কাজটি করা উচিত। গরম শুরু হওয়ার আগেই গাড়ির ব্যাটারি একবার ভালো করে পরীক্ষা করা। ব্যাটারিতে কার্বন জমে থাকলে তা পরিষ্কার করা। তার পা বাকি অংশ পড়ুন...
কাতার মধ্য প্রাচ্যের আরব দেশ গুলির মধ্যে সবচেয়ে ছোট দেশ যা পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত। কাতারের দক্ষিণে সৌদি আরব এবং পশ্চিমে দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইন অবস্থিত। আরব উপদ্বীপের মত কাতারও একটি উত্তপ্ত ও শুষ্ক মরু এলাকা। তবে কাতার অর্থনৈতিকভাবে খুবই সমৃদ্ধশালী। পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক তেল এবং গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ কাতার। মধ্যপ্রাচ্যে কাতারের অন্যতম সহযোগী দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিশরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর থেকে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের আলোচনার মূল বিন্দুতে চলে আসে।
কাতারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
কা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণ সম্পর্কে সবাই কম বেশি জানেন এবং অনেকে বিভিন্ন উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে স্বর্ণ ক্রয় করে থাকেন। কিন্তু স্বর্ণ বা সোনা পরিমাপের নিয়ম এবং ন্যায্য মূল্য সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা সবার নেই। স্বর্ণকার যত টাকা বলে সে অনুযায়ী ক্রেতা টাকা পেমেন্ট করে দেন বা সামান্য কিছু কম দিয়ে মনে করেন অনেক কম দামে স্বর্ণটা কিনে নিয়েছেন। আসলে বিষয়টি কিন্তু এ রকম নয়। কারণ স্বর্ণের দাম যত হয়েছে স্বর্ণকার তার থেকেও বেশি দাম বলেছে, যাতে ক্রেতা কম দিলেও তার লাভের পরিমান ঠিক থাকে। এ জন্য সমস্ত বিষয় সম্পর্কে ন্যূনতম ইলিম (জ্ঞান) অর্জন করা জরুরী। স্বর্ণের বাকি অংশ পড়ুন...
গাছজুড়ে ছেয়ে আমের মুকুল! মুকুলের এমন সরব উপস্থিতি দেখে সবাই নিজেদের মতো বলাবলি করে থাকে, কত আম হবে এবার! কিন্তু, এই কথা যদি সত্যে পরিণত হতো তাহলে আমেই সয়লাব হত বাংলাদেশ।
মুকুলে অনেক পরিমাণে ফুল থাকে। ফুলের শতকরা ২৫ থেকে ৯৮ শতাংশই পুরুষ। প্রতিটি থোকায় দুই/তিনশ থেকে তিন/চার হাজার পরিমাণ ফুল থাকে। প্রতিটি থোকায় পরাগায়নের পরিমাণ শতকরা দুই থেকে তিন ভাগ। প্রখর রোদ, অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং কুয়াশার কারণে পরাগায়ন ব্যাহত হয়।
সত্যিটা হলো- সব ‘মুকুল’ আম হয় না। কী কারণে এমনটা হয়? এ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উদ্ভিদ ব বাকি অংশ পড়ুন...
ফলের রাজা আম খেতে যেমন মধুর, এর গন্ধ তেমনই মিষ্টি। এ ফল ভালবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়। বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজের গুণে ভরপুর আম শরীরে জন্য অনেক উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, বিটা-ক্যারোটিন ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই গরমে আম খাওয়ার পাশাপাশি আমের ক্বাথ দিয়ে ত্বকের যতœ নেওয়া যেতে পারে।
তারুণ্য বজায় রাখে ফলের রাজা আম। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর আম ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। ফলে খুব সহজে মুখে বলিরেখা পড়ে না।
ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে আমে রয়েছে বিশেষ গুণাগুণ। এতে রয়েছে ভি বাকি অংশ পড়ুন...
কাঠের হিসাব:
কাঠ মাপার হিসাবকে অনেকে কঠিন মনে করে। কিন্ত কাঠ মাপার হিসাব একদম সহজ। শুধু কয়েকটি কথা মনে রাখলেই চলবে।
আপনি যদি কাঠের মাপ না জানেন তাহলে কাঠ ব্যবসায়ী আপনাকে ভুলভাল হিসাব দিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা লুটতে পারে। অনেক কাঠ ব্যবসায়ী এরকমটা করে থাকে। ব্যবসায়ীরা এই চিটিং সহজেই করতে পারে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ কাঠের হিসাব করতে পারেনা। তাই কাঠ ব্যবসায়ী যত কিউবিক ফিট (কেবি) বলে, মানুষ বিশ্বাস করে ততকিউবিক ফিট (কেবি) টাকা দিয়ে আসে। সবাই নয় কিছু অসৎ ব্যবসায়ী আছে যারা সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ফায়দা লুটছে। যদি সচেতন হওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ এখন রড উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশীয় রড ব্যবহার করা হচ্ছে ভবন নির্মাণে। ভবনের কাঠামো রড দিয়ে তৈরি। এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবন নির্মাণে রড ব্যবহারের ক্ষেত্রে গাফিলতি করলে দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায় নেই। নির্মাণে নিম্নমানের রড ব্যবহার করা হলে ঝুঁকি বেশি।
অ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের রাইসা প্রজেক্টের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ সুমন বলেন, “অনেকে ভবন নির্মাণের খরচ কমাতে যেয়ে রড কম দেয়ার কথা ভাবেন, যা মোটেও ঠিক না। স্থাপনা নির্মানে ভালো রড ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। ভালো মানের রড ব্যবহার করলে ভবনের ঝুঁকির পরি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই সময় সতর্ক না হলে পানিশূন্যতা-বদহজম কিংবা হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই পরিস্থিতিতে সবার স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ নজর রাখা উচিত। এ সময় সুস্থ থাকাতে অবশ্যই খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা গ্রহণ করতে হবে।
পানিস্বল্পতা
গরমে অতিরিক্ত ঘামার কারণে দেহ থেকে প্রয়োজনীয় পানি বেরিয়ে যায়, ফলে পানিস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তাই গরমকালে তরল খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সব তরলের মধ্যে পানি শ্রেষ্ঠ। এই সময় দৈনিক দু-তিন লিটার বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি বাকি অংশ পড়ুন...












