প্রসঙ্গ: মধ্যম আয়ের ফাঁদ এড়াতে সতর্কতা তথা মধ্যম আয়ের স্থবিরতা তাওয়াক্কুল আর তাকওয়া অবলম্বনে সব সমস্যা দূর হয়ে অচিরেই বাংলাদেশ হতে পারবে শীর্ষ সমৃদ্ধশালী দেশ ইনশাআল্লাহ
, ০৫ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
যে রাষ্ট্রে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৮৬ ডলারের কম, তা নিম্ন আয়ের অর্থনীতিতে হিসাবে পরিগণিত। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৮৬ থেকে ১৩ হাজার ২০৫ ডলারের মধ্যে থাকলে তাকে মধ্যম আয়ের দেশ বলা হয়। মাথাপিছু আয় ১৩ হাজার ২০৫ ডলারের ওপরে তুলতে পারলেই সে দেশ উচ্চ আয়ের বাসিন্দা। মধ্যম আয়ের প্রথম ধাপকে নিম্ন মধ্যম আয় বলা হয়, যেখানে মাথাপিছু আয়ের বন্ধনী ১ হাজার ৮৬ থেকে ৪ হাজার ২৫৫ ডলার। উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ মানে তার মাথাপিছু আয় ৪ হাজার ২৫৬ থেকে ১৩ হাজার ২০৫ পর্যন্ত। এ সংখ্যাগুলো সময়ে সময়ে বাড়ানো হয় মূলত মূল্যস্ফীতির কথা বিবেচনা করে। মধ্যম আয়ের ফাঁদ বলতে প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১৩ হাজার ডলারের মাথাপিছু আয়ের মধ্যে আটকে থাকার ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। বাংলাদেশের সামনে ধাপ দুটি। উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হওয়া, যার জন্য দরকার প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ডলার মাথাপিছু আয় করা।
মধ্যম আয়ের দেশের ফাঁদ এড়াতে সতর্ক থাকতে হবে বাংলাদেশকে। এ জন্য বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রয়োজন। বিশ্বের বহু দেশ এই ফাঁদে পড়েছে। আবার অনেক দেশ সাফল্যের সঙ্গে উত্তরণ করেছে। যেমন- সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। আবার গ্রিস ও আর্জেন্টিনার মতো দেশ এই ফাঁদে পড়েছে। উচ্চ আয়ের দেশে উন্নীত হতে হলে বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রয়োজন। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হলে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তেমনি রাজস্ব-জিডিপি বাড়াতে সংস্কার দরকার। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন হলেই তা টেকসই হবে। জনগোষ্ঠীর বড় অংশের জীবনমানের উন্নয়ন করতে না পারলে তা কাজে আসবে না।
নিম্ন মাথাপিছু আয় থেকে উচ্চ মাথাপিছু আয়ে পৌঁছাতে এশিয়ার দেশগুলো ইউরোপের দেশগুলোর চেয়ে কম সময় নিয়েছে। আবার অনেক দেশ আছে যেগুলো মাথাপিছু আয়ের একটি পর্যায়েই পড়ে আছে কয়েক দশক ধরে। এমন পরিস্থিতিকে অর্থনীতির ভাষায় বলা হচ্ছে ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদ’।
মধ্যম আয়ের দেশগুলোর উচ্চ আয়ের পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য যে নীতিমালা প্রয়োজন, তা প্রণয়ন করা দুষ্কর। বিশেষত প্রতিটি দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতার স্বাতন্ত্র্য এ কাজটিকে আরো কঠিন করে তোলে। অর্থনীতিবিদদের দেখানো বিভিন্ন প্রমাণ অনুযায়ী, নিরবচ্ছিন্ন উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মধ্যম আয়ের ফাঁদ এড়ানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনামূলক অল্প সময়ের ব্যবধানে আয়সীমায় দুবার সফল উত্তরণের অভিজ্ঞতা থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত বলে প্রতীয়মান হয়। অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বাংলাদেশের জন্য বিভিন্ন সতর্কবার্তা এখন অনেক বেশি স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ছে।
অর্থনৈতিক খাতে সুশাসন ও মান উন্নয়নে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়িক নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই কর্তৃপক্ষকে সংস্কারের কথা বলছে। সরকারের এজেন্ডায় সংস্কার উদ্যোগ মাঝেমধ্যে ছিল, তবে তা কখনোই অগ্রাধিকার তালিকায় ছিল না। বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে জরুরি ঋণ নিচ্ছে, অর্থনৈতিক মন্দা কাটাতে বিশ্বব্যাংকের কাছে আরো তহবিল চাইছে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজের একটির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে- আর্থিক ব্যবস্থায় সংস্কার। সম্প্রতি দুটি পৃথক সফরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলাদেশকে রাজস্ব নীতি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, কর প্রশাসনে ব্যাপক সংস্কার করার আহ্বান জানিয়েছে। মানবপুঁজিতে সরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম। তাই স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতসহ বিভিন্ন সামাজিক খাতের উন্নয়নে অনেক কাজ করতে হবে। কম সরকারি বিনিয়োগের ফলে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকছে। দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য অনেক বেশি। সরকারের উচিত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের মান নিশ্চিতে বাজেটে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ধনী-দরিদ্র বৈষম্য কমাতে এবং মানবসম্পদ ও পুষ্টি সূচকগুলোর মান বাড়াতে বাজেটারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে পরের পাঁচ বছরে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে পৌঁছার স্বপ্ন দেখছে।
অর্থনীতিবিদেরা একসময় উপলব্ধি করে যে উচ্চ আয়বৈষম্য থাকলে মাথাপিছু আয় দিয়ে কোনো দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নিরূপণ করা যায় না। এই আবিষ্কারের আলোকে প্রণীত হয় (১৯৯০) জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (এইচডিআই)। কেবল মাথাপিছু আয়ের পরিবর্তে একটি দেশের সার্বিক মূল্যায়নের জন্য আরও কিছু বিষয় নিয়ে প্রণীত এই সূচক যে অধিকতর গ্রহণযোগ্য, তার যৌক্তিকতা মেলে মধ্যম আয়ের চক্করে পড়া দেশগুলোর দৃষ্টান্ত থেকে। এই সূচকের মূল চারটি বিবেচ্য বিষয়ের একটি হচ্ছে মাথাপিছু আয়। এই সূচকের আংশিক সংশোধন করে পরবর্তী সময়ে বৈষম্য-সমন্বিত সূচক প্রবর্তন করা হয়, যাতে কেবল স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং আয়কেই বিবেচনায় নেওয়া হয় না, এসব ক্ষেত্রের প্রাপ্তির ফলাফলকে নিরূপণ করা হয় বৈষম্যের বিচারে। বৈষম্যের কারণে মানব উন্নয়নের যে ক্ষতি সাধিত হয়, সেটিই আগের সূচকের সঙ্গে এটির পার্থক্য।
একটি দেশ মাথাপিছু আয়ের বিচারে উচ্চ অবস্থানে থেকেও মানব উন্নয়ন সূচকে পড়ে থাকতে পারে অনেক নিচে। অতএব, এ কথা সহজেই বলা যায়, কেবল মাথাপিছু আয় নিয়ে সন্তুষ্ট থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ইত্যাদি বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করলে দীর্ঘ মেয়াদে দেশ আটকে পড়তে পারে নিম্ন মধ্যম আয়ের চক্করে, তখন উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে যুক্ত হওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
মধ্যম আয়ের যাত্রা অতি দীর্ঘ হওয়ার কারণে একে ফাঁদ বলে মনে হয়। নিম্ন আয় থেকে যত তাড়াতাড়ি নিম্নমধ্যম আয়ে পৌঁছানো যায়, নিম্নমধ্যম আয় থেকে উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সক্ষমতায় তত তাড়াতাড়ি পৌঁছা সম্ভব হয় না। এর কারণ দুটো। প্রথম কারণ মধ্যম আয়ের জন্য বিশ্বব্যাংকের বন্ধনীর ব্যাপক বিস্তৃতি। এই শ্রেণির বিস্তৃতি পামির মালভূমির মতো এত বিশাল কেন- তার বিজ্ঞানসম্মত উত্তর বিশ্বব্যাংকের কাছে নেই। ১ হাজার ১০০ ডলার আর ১৩ হাজার ডলারের মাথাপিছু আয়সম্পন্ন দুটো দেশের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। কিন্তু কী কারণে ওরা উভয়েই মধ্যম আয়ের শ্রেণিভুক্ত, তা বোঝা গেল না। নেপাল, তাঞ্জানিয়া বা জাম্বিয়ার মতো ১১০০-১২০০ ডলারের মাথাপিছু আয়সম্পন্ন দেশগুলোকে রাশিয়া, বুলগেরিয়া বা চীনের মতো প্রায় ১২০০০-১৩০০০ ডলারের দেশ হতে অনেক সময় দিতে হবে। অথচ ওরা একই শ্রেণিভুক্ত।
দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে মধ্যম আয়ে পৌঁছার পর প্রতিটি দেশে ব্যাপক কাঠামোগত পরিবর্তন সাধিত হয়- আমাদের জীবনের কৈশোরের মতো। এই পরিবর্তনের ঝুঁকি অনেক বেশি। সঠিক ও সবল প্রতিষ্ঠান গড়ে যে দেশ এই পরিবর্তন চালিত করতে পারে, সে দেশই তরতরিয়ে উচ্চ আয়ে পৌঁছতে পারে। অধিকাংশ দেশই এতে ব্যর্থ হয়। কারণ, কোনো দেশ মধ্যম আয়ে পৌঁছানোর সঙ্গেই সে দেশের ধনিক ও ক্ষমতাবানদের লুণ্ঠন প্রবণতা বেড়ে যায়।
নিম্ন আয়ের অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক ও দুর্বল প্রবৃদ্ধির শিকার বলে সেখানে এই লুটপাটের সুযোগ থাকে না বা কম থাকে। আবার উচ্চ আয়ের দেশে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও সবলতার কারণে সেখানে লুটপাট এতটা সহজ নয়। যত সুবিধা মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। আমাদের দেশের দিকে তাকালেও এর সাক্ষ্য মেলে। এই ‘রেন্ট সিকিং’ বা লুণ্ঠন, ব্যবসায়িক তস্করতা এবং রাজনৈতিক সাঙ্গপাঙ্গতা বা ‘ক্রৌনিইজম’-এর কারণে মধ্যম আয়ের যাত্রা শ্লথ হয় কিংবা কখনো আরও অধঃপতনে যায়। তাই একে ফাঁদ বলে মনে হয়।
মধ্যম আয়ের ফাঁদ বলতে প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১৩ হাজার ডলারের মাথাপিছু আয়ের মধ্যে আটকে থাকার ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। মাঠের ব্যাঙ লাফাতে লাফাতে হঠাৎ কোনো কূপে আটকে যায়। আর লাফিয়ে উঠতে পারে না। সেটাকে ফাঁদে পড়া বলে।
বাংলাদেশ যে মধ্যম আয়ের দেশের সর্বনিম্ন সোপানে পা রাখতে সক্ষম হয়েছে, সেই সক্ষমতা এখনো টলমল, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কিংবা বড় কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় টলিয়ে দিতে পারে এই অবস্থান।
সেজন্য শুধু বস্তুতান্ত্রিক নির্ভরতাকে হিসেবে না নিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কাল করতে হবে। পাশাপাশি দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ ইত্যাদি ত্যাগ করে অবলম্বন করতে হবে ত্বাকওয়া। আর তাতে অচীরেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের কাছ থেকে তো বাঁচবেই বরং আশাতীত কম সময়ে হবে শীর্ষ সমৃদ্ধ দেশ ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












