বৃষ্টি-ঢলে ২০ হাজার কৃষকের শতকোটি টাকার ধান পচে নষ্ট
, ০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) দেশের খবর
মৌলভীবাজারে পাকা বোরো ধান ঘরে তোলার আগেই অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে জেলার হাওরাঞ্চল। কৃষকরা হাওরে পানি কমার বুকভরা আশা নিয়ে বসে থাকলেও সময় যত যাচ্ছে হাওরের পানি ততই বাড়ছে। পানির নিচে তলিয়ে গেছে প্রায় শতকোটি টাকার ফসল। ধান ঘরে তুলতে না পারায় নিঃস্ব হয়েছেন হাওরপাড়ের প্রায় ২০ হাজার কৃষক।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাওর এলাকায় চাষ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৩৫৫ হেক্টর। নন হাওর এলাকায় প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে জেলায় প্রায় তিন হাজার ৭১৫ হেক্টর বোরো ফসল পানিতে নিমজ্জিত। এরমধ্যে দুই হাজার ৩৪৯ হেক্টর জমির ফসল পচে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার হাকালুকি, কাউয়াদিঘি, হাইল হাওর, কেওলার হাওরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান নিমজ্জিত রয়েছে। কিছু সংখ্যক কৃষক ধান কাটার চেষ্টা করলেও নৌকা ও শ্রমিক সংকটে তাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোদ না থাকায় কাটা ধানও শুকানো যাচ্ছে না।
কৃষকদের দাবি, এখন পর্যন্ত হাওরের ৫০ শতাংশ কৃষক ধান কাটতে পারেননি। অথচ কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে, ৮৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।
আনু মিয়া, তফাজ্জল হোসেন, আল আমিন, আনোয়ার খান, শওকত আহমদসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় গত ছয়দিন ধরে হাওর এলাকাসহ বিস্তীর্ণ বোরো ফসল পানির নিচে রয়েছে। হাওরে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টিপাত হলে নন হাওর এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলীদ বলেন, টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে হাওরে পানি বেড়েছে। বৃষ্টি বন্ধ হলে হাওরের পানি কমে যেতো।
তিনি বলেন, হাওরের পানি যতটুকু সম্ভব নিষ্কাশন করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে আবার বাড়ছে।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জালাল উদ্দিন বলেন, জেলায় প্রায় তিন হাজার ৭১৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এরমধ্যে দুই হাজার ৩৪৯ হেক্টর জমির ধান পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখন পর্যন্ত ১৭-১৮ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, এবছর হাওরে ধান অনেক ভালো হয়েছিল। প্রতি হেক্টর জমিতে ৪.৫ থেকে ৫ মেট্রিক টন ধান হয়েছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভালোভাবে ধান ঘরে তোলা যায়নি।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বৃষ্টির দাপট থাকতে পারে আরও কয়েকদিন
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বস্তিতে মিলল সুড়ঙ্গপথ, ভেতরে বিলাসবহুল কক্ষ
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
চট্টগ্রামে একীভূত ৫ ব্যাংকের শাখায় তালা দিয়েছেন আমানতকারীরা
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বগুড়ায় হচ্ছে ফ্লাইং একাডেমি -বিমান প্রতিমন্ত্রী
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের জবাবদিহিতার প্রধান হাতিয়ার -তথ্যমন্ত্রী
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নতুন বেতনকাঠামো ১ জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন হতে পারে
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিনিয়োগকারীদের টানতে প্রকল্প অনুমোদন সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দ্রব্যমূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে ডিসিদের সহায়তা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
অটোরিকশা-রিকশায়ও শেয়ার রাইড অ্যাপ
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘মৎস্যজাত অপ্রচলিত পণ্যের রফতানিতে সহযোগিতা করছে সরকার’
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘মৎস্যজাত অপ্রচলিত পণ্যের রফতানিতে সহযোগিতা করছে সরকার’
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












