“স্কুলে সংস্কৃতি চর্চা হলে দেশে উগ্রবাদ থাকবে না” নতুন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য ফ্যাসিস্ট গত সরকার, তার ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতি নীতি ও কুখ্যাত আওয়ামী সংস্কৃতিমন্ত্রীর হুবহু কণ্ঠস্বর। সংস্কৃতির নামে ঠগ সঙ্গীত, ঠগ বন্দনা, নাচ-গান তথা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল আওয়ামী রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। দ্বীনদার মুসলমান ও সন্ত্রাসবাদের নাটক ছিলো তাদের, ইসলাম দমনের হাতিয়ার।
, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
‘ইসলামী মূল্যবোধের চর্চাই যেন সন্ত্রাসবাদের সমার্থক’- এই ছিল তাদের ধারণা, চেতনা এবং প্রচারনা।
আর সে একই অনৈসলামিক প্রক্রিয়ায়ই কী হাটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
সন্ত্রাসবাদের পরিবর্তে শুধু ‘উগ্রবাদ’ সংযোজন করেছে নতুন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী।
বাকী সব আওয়ামী আওয়াজ
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান আওয়ামী চেতনা বরদাশত করবে না ইনশাআল্লাহ।
স্কুলে নাচ-গান-নাটকের সংস্কৃতি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
(১)
বিরোধী দল বা ইসলামের নামে চিহ্নিত ধর্মব্যবসায়ী দল জামাতের উপর সাবেক আওয়ামী রাজনীতির ভূত সাওয়ার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক। গত ২০শে এপ্রিল বগুড়ার জনসমুদ্রে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন।
এ বিবৃতি দ্বারা এটাই কাঙ্খিত ও বাঞ্ছিত যে আওয়ামী দুর্নীতি ও ইসলাম বিরোধী নীতি দুটো থেকেই বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে দূরে থাকবে।
বলার অপেক্ষা রাখে না বিগত আওয়ামী রাজনীতির দর্শন ছিল ইসলামী অনুভূতি ও আমলের সাথে চরম বৈরী মনোভাবাপন্ন। দ্বীন ইসলামের শেয়ার- দাড়ি-টুপি, ইসলামী তাহযীব তামাদ্দুন ছিল তাদের চোখের বিষ। নাউযুবিল্লাহ!
অপরদিকে সংস্কৃতির নামে ঠগ সঙ্গীত, ঠগ বন্দনা, হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল আওয়ামী রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
সন্ত্রাসবাদের নাটক ছিলো তাদের অন্যতম হাতিয়ার। দ্বীনদার মুসলমান নির্যাতনের নীল নকশা। ইসলাম দাবিয়ে রাখার কূট কৌশল।
আর ‘ইসলামী মূল্যবোধের চর্চাই যেন সন্ত্রাসবাদের সর্মাথক’- এই ছিল তাদের ধারণা, চেতনা এবং প্রচারনা। নাউযুবিল্লাহ!
মাথা ব্যাথার উপশমে মাথা কাটাই ছিল তাদের নীতি নির্ধারকদের পথ প্রক্রিয়া।
ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাসবাদ হারাম এই ইলম ও প্রজ্ঞা তাদের ছিল না। ইসলামের নামে যারা সন্ত্রাসবাদ ধারন করে, তারা যে ইসলাম পরিত্যাজ্য অথবা মুরতাদ বা কাফের”- ইসলামের এ ফতওয়া, তারা প্রচারও করেনি। নিজেরাও জানেনি। বোঝার চেষ্টাও করেনি।
সারাক্ষণ ‘সংবিধান’, সংবিধান বলে আওয়াজ তুললেও সংবিধানে যে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম বিধিবদ্ধ হয়েছে সে ইসলামের প্রতিই তারা নজর দেয়নি। সমাধান খুজে নি। ইসলামী শিক্ষা নিজে অর্জন করেনি। নাগরিকদেরও ইসলামী শিক্ষায় উজ্জীবিত করে নি।
বিগত আওয়ামী সরকারের ইসলাম বৈরী মনোভাব এবং সন্ত্রাসবাদ নাটক সাজানো সম্পর্কে ক্ষমতাসীন দলের সবাই একমত এবং ক্ষুদ্ধ ও প্রতিক্রিয়াশীল। কিন্তু তারপরেও তাদের পরিক্রমা যদি হয় সেই একই ফ্যাসিস্ট কায়দায়,
তাহলে দুঃখ শুধু জনগণের নয়,
হতাশা শুধু অভিভাবকদের নয়
চরম ক্ষোভ শুধু সাধারণ মুসলমান নাগরিকেরই নয়
দ্বীনদার মুসলমানদের তরফ
বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গের ঝলসানোই শেষ নয়
পাশাপাশি এটা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালানোর এক অনিবার্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠতে পারে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন।
(২)
আওয়ামী নীতি নির্ধারকরা মনে করেছিল ইসলামের নামে যেহেতু সন্ত্রাসবাদ হয় সেহেতু জনগণকে পুরোপুরি ইসলাম বিমুখ করে দেয়া হোক। নাউযুবিল্লাহ।
ইসলামে যা হারাম- গান-বাজনা, খেলাধুলা, নাটক, সিনেমা তাতে বুদ করে দেয়া হোক। নাউযুবিল্লাহ!
আর এ হারাম কাজ ও হারাম মনোভাব এবং হারামের প্রতিযোগিতা করা হয়েছিলো। ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ- ‘সংস্কৃতি’, শিল্প-কলা ইত্যাদির বুলি আওড়িয়ে।
আওয়ামী লীগ বলেছিলো সন্ত্রাসবাদ
আর বর্তমান সরকার লেবেল বদলিয়ে বলছে ‘উগ্রবাদ’।
ফ্যাসিস্ট ভূত বর্তমান সরকারের উপর একইভাবে সাওয়ার হয়েছে- এ কথা এখন স্পষ্ট বলে- পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন।
সরকারের শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী বলেছে-
স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতি চর্চা নিশ্চিত করা গেলে দেশে উগ্রবাদের স্থান থাকবে না।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছে, সংগীত, নাটক, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হয়। এতে তাদের মধ্যে দলগত চেতনা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠে। ফলে উগ্র চিন্তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।
১৯ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রীর এ কথা
দেশের ৯৮ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের মাঝে চরম ক্ষোভ, হতাশা এবং বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গ তৈরী করেছে।
কারণ বর্তমান সরকারের এসব কথা ও কাজ হুবহু ফ্যাসিস্ট সরকারের সাথে মিলে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য ২২ জানুয়ারি ২০১৭
ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী বলেছিলো, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চায় সমান গুরুত্ব দিতে হবে। খেলাধুলা, সঙ্গীত চর্চা, সাংস্কৃৃতিক, প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে আমাদের শিশুদের মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগ হয়”।
সংস্কৃতিমনস্ক জাতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ‘সাংস্কৃতিক চর্চা কার্যক্রম’ শুরু করেছিলো ফ্যাসিস্ট সরকার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
ফ্যাসিস্ট সরকারের সংস্কৃতি নীতিমালার পটভূমিতে বলা হয়েছে, “মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসবাদমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের লক্ষ্যে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সংস্কৃতিমনষ্ক করে গড়ে তুলতে হবে”।
ফ্যাসিস্ট সরকার সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছিলো, “সংস্কৃতি চর্চাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সাংস্কৃতিক চর্চা কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে”।
(৩)
দেখা যাচ্ছে অতীতে ইসলাম বিরোধী আওয়ামী সরকার তথা ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও সংস্কৃতিপ্রতিমন্ত্রী খালিদ যা বলেছে-
বর্তমান ফ্যাসিস্ট বিরোধী দাবীদার সরকারের মন্ত্রীরা দুঃখজনকভাবে একই সুরে কথা বলছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না সংস্কৃতির নামে নাচ, গান, নাটক, সিনেমা ইত্যাদির আগ্রাসনের ফলে আজ দেশ ও জনগণ পাপাচার, কামাচার, যৌনাচার, অত্যাচার, টিজিং, বর্বরতা, হঠকারিতা, ধর্ষণ, স্বজনপ্রীতি, ঘুষ, দুর্নীতি, মাদকাসক্তি আর উচ্ছৃঙ্খলতায় জর্জরিত।
মানব মস্তিষ্ক প্রসূত, ইসলামী রীতি-নীতি বিরুদ্ধ, অকল্যাণকর যা মানুষকে মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা না দিয়ে নগ্নতা ও বেহায়াপনা কিংবা ধর্মহীনতার শিক্ষা দেয় তা- আসলে সংস্কৃতি নয় বরং অপসংস্কৃতি। এক কথায় ইসলামী সংস্কৃতির মানদন্ডে উত্তীর্ণ নয় এমন সব কর্মকা-ই অপসংস্কৃতি ও বর্জনীয়।
(৪)
সংস্কৃতির নামে ইসলামবহির্ভূত কোনো কাজ মুসলমানদের করার অবকাশ নেই।
হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফে গিয়ে দেখলেন মানুষ দুটি উৎসব পালন করছে। তিনি বললেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের দুটি দিন দিয়েছেন, যা (অন্য সব উৎসব দিনের চেয়ে) উত্তম। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা।’ (আবু দাউদ)
এ হাদীছ শরীফ থেকে প্রতীয়মান হয়, ইসলামের নির্দেশনার আলোকে উৎসবগুলোও পালিত হওয়া মুসলমানের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। উৎসব-আমেজের নামে ইসলামবিরোধী কোনো কাজ মুসলিম সংস্কৃতি হতে পারে না, বরং তা মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানি।
কাজেই নাচ-গান-চিত্রাঙ্কন-নাটক শিল্পকলার সংস্কৃতি ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের উপর সরকার চাপিয়ে দিতে পারে না। স্কুলে বাধ্য করতে পারে না। করলে সরকার খোদায়ী রহমত থেকে দূরে সরে যাবে। নিজেই তার পতনের সূচনা করবে।
সরকারের কারণে সংস্কৃতির নামে হারাম কাজে মশগুল হয়ে তথা সন্তানদের নাচ-গানে চালিত করে জাহান্নামের পথ প্রশস্ত করাতে কোন মুসলমান অভিভাবকই স্বস্তি পাবে না। তাদের এ অস্বস্তি সরকারকেও স্বস্তিতে রাখবে না। সরকার এটা যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই তার ভালো হবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












