মন্তব্য কলাম
দেশের বাজারে এলপিজি সংকট ভয়াবহ। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না ১২ কেজির সিলিন্ডার, দাম ঠেকেছে ২৫০০ টাকা জালেমশাহী হাসিনা সরকারের পেঁয়াজ সিন্ডিকেট, চাল সিন্ডিকেট, তেল সিন্ডিকেট সহ সব সিন্ডিকেট ছাপিয়ে ইউনুস সরকারের নতুন উপহার এলপিজি সিন্ডিকেট।
, ১৮রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
এলপিজি সিন্ডিকেটও ভাঙতে ইউনূস সরকার চরম ব্যর্থ
হোটেল-রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান, ভাসমান ব্যবসায়ী সবারই উৎপাদন খরচ এলপিজি গ্যাসের দামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
গরীবের চুলায় এখন আগুন নেই। বন্ধ রান্নাঘর। বন্ধ খাওয়া-দাওয়া।
তবে এলপিজির সংকট শুধু রান্নাঘরে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি ধীরে ধীরে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেয়।
এসবের শেষ কোথায়?
জবাব কী?
তুষের আগুনে জ্বলছে জনগণ।
গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে তীব্র সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরবরাহ সংকট এখন চরমে। খুচরা বাজারে এই সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে বেড়ে কোথাও কোথাও ২ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। অনেক ক্ষেত্রে বাড়তি টাকা দিয়েও সিলিন্ডার কিনতে করতে পারছেন না ভোক্তারা; নানা দোকান ঘুরে ফেরত যাচ্ছেন।
খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, জাহাজ সংকটের কারণে (যার মধ্যে কিছু জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে) গত ডিসেম্বরে এলপিজি আমদানি প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। পাশাপাশি বসুন্ধরার বড় কোম্পানিগুলো আমদানি বন্ধ রেখেছে। তাতে পরিবেশকরা প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না; ফলে খুচরা বাজারে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি অপারেটরস অভ বাংলাদেশকে (লোয়াব) চিঠি দিলেও খুচরা পর্যায়ে এর কোনো দৃশ্যমান প্রভাব এখনো দেখা যায়নি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলপিজি আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, ইউনিটেক্সের মতো বড় সরবরাহকারীরা আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় পরিবেশকরা চাহিদা অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না। এর ফলে খুচরা বাজারে আরও তীব্র হয়েছে সংকট।
পরিবেশকরা বলছেন, তারা কোম্পানিগুলো থেকে চাহিদার তুলনায় গ্যাস পাচ্ছেন খুব সামান্য। কোনো কোনো পরিবেশক সিলিন্ডারই পাচ্ছেন না।
ঢাকার রামপুরা এলাকার এলপিজি ডিলার মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন টিবিএসকে বলেন, 'আমাদের দৈনিক চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০টি ১২ কেজির সিলিন্ডার, কিন্তু আমরা সরবরাহ পাচ্ছি মাত্র ২৫০ থেকে ৩০০টির মতো। এতে আমাদের পরিবহনসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বরও একটি ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ খুচরা বিক্রেতাদের সরবরাহ করার মতো একটা সিলিন্ডারও আমার কাছে নেই।'
এই সরবরাহ সংকটের সরাসরি চাপ গিয়ে পড়েছে ভোক্তার ওপর। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভোক্তাদের নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম দিয়ে এলপিজি কিনতে হচ্ছে। রান্নার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারই সংকটের কেন্দ্রে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের পরিবারের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করেছে।
চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা। এই সংকট দেখিয়ে বিক্রেতারা আদায় করছে ইচ্ছেমতো দাম। প্রায় তিনদিন ধরে এই অবস্থা চললেও ইউনূস সরকারের কর্ণপাত নেই।
অভিযোগ উঠেছে, সিন্ডিকেটের কারসাজিতে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। অথচ ভোক্তাদের দুর্ভোগ নিয়ে নীরব ইউনূস সরকার ও প্রশাসন। দাম নিয়ন্ত্রণ এবং সিন্ডিকেট দমনের কোনও উদ্যোগই লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। এমন নজিরবিহীন ব্যর্থতায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে বাজারে সেই দামের কোনো প্রতিফলন নেই। অধিকাংশ এলাকায় সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকায়, কোথাও কোথাও আরও বেশি দামে।
ইতিমধ্যে কিছু এলাকায় সংকটের অজুহাত দেখিয়ে সিলিন্ডারপ্রতি ২৫০০ টাকা নেওয়ার তথ্য মিলেছে।
প্রসঙ্গত, আজকের বাংলাদেশে এলপিজি কোনো বিলাসী জ্বালানি নয়; এটি শহর ও উপশহরের লাখো পরিবারের রান্নাঘরের প্রধান ভরসা। যেখানে পাইপলাইনের গ্যাস নেই, কিংবা থাকলেও নিয়মিত সংকট, সেখানে এলপিজিই একমাত্র নির্ভরযোগ্য বিকল্প। নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ হওয়ার পর মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এলপিজি হয়ে উঠেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি। হোটেল-রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান, ভাসমান ব্যবসায়ী সবারই উৎপাদন খরচ এই গ্যাসের দামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ফলে এলপিজির সংকট শুধু রান্নাঘরে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি ধীরে ধীরে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেয়।
এই সংকটের পক্ষে ব্যবসায়ীরা যে যুক্তিগুলো তুলে ধরছেন, সেগুলো নতুন নয়। আমদানিতে ঘাটতি, এলসি খোলার জটিলতা, শীতকালে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি এসবের কিছু বাস্তব ভিত্তি আছে। কিন্তু এসব যুক্তি দিয়ে একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায় না: যে গ্যাস আগের দামে আমদানি করা হয়েছে, তার দাম হঠাৎ করে কেন কয়েকশ টাকা বেড়ে যায়? কেন নতুন দাম ঘোষণার আগেই বাজার থেকে সিলিন্ডার উধাও হয়ে যায়? কেন একই শহরে, এমনকি একই এলাকায়, একেক দোকানে একেক দাম? এসব প্রশ্নের উত্তর বাজারের স্বাভাবিক নিয়মে খুঁজে পাওয়া যায় না। এগুলো পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের লক্ষণ।
এই ব্যর্থতার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম নির্ধারণ করে এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু দাম ঘোষণা করাই যদি শেষ দায়িত্ব হয়, তাহলে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনই বা কী? মাঠপর্যায়ে তদারকি ছাড়া মূল্যনির্ধারণ অর্থহীন। আইন অনুযায়ী বিইআরসির হাতে জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল, এমনকি কারাদন্ড দেয়ার ক্ষমতাও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ প্রায় অনুপস্থিত। ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই ভয়াবহ: ব্যবসায়ীরা বুঝে গেছে, নিয়ম ভাঙলেও শাস্তির ভয় নেই।
এই দৃশ্য বাংলাদেশে নতুন নয়। চাল, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, সার একাধিক পণ্যের বাজারে আমরা একই চিত্র দেখেছি। একটি পণ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠলেই তার সরবরাহ কিছু হাতে কেন্দ্রীভূত হয়। তদারকি দুর্বল হলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়, দাম বাড়ে, ভোগান্তি চরমে ওঠে। এলপিজি সেই পুরনো গল্পেরই নতুন সংস্করণ।
এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে এলপিজি খাতের কাঠামোগত বাস্তবতা। পাইপলাইনের গ্যাসের মতো এখানে রাষ্ট্রীয় কোনো বাফার মজুদ নেই। প্রায় পুরো বাজারই বেসরকারি কোম্পানির হাতে। ফলে সরকার চাইলে হঠাৎ করে সরবরাহ বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার সুযোগও সীমিত। ভোক্তারা সারা দেশে ছড়িয়ে থাকায় তাদের ক্ষোভও বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এই বিচ্ছিন্ন ভোগান্তিই সিন্ডিকেটের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমদানিকারকরা বলেন, ডিলাররা মজুদ করে রেখেছে। ডিলাররা বলেন, কোম্পানি সরবরাহ দিচ্ছে না। কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দেয়। এই দায় এড়ানোর খেলায় শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ। কিন্তু মূল সমস্যা ঘাটতি নয়, অস্বচ্ছতা। দেশে কত এলপিজি আমদানি হচ্ছে, কোথায় কত মজুদ রয়েছে, কোন পর্যায়ে কতটা সরবরাহ দেয়া হচ্ছে এই তথ্য জনসমক্ষে নেই। অন্ধকার থাকলে মজুদদারি ও কারসাজি সহজ হয়।
বিশ্বের অন্যান্য দেশে এলপিজি বাজারও অস্থির, কিন্তু সেখানে রাষ্ট্রীয় তদারকি সেই অস্থিরতাকে সীমিত রাখে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে। সেখানে রান্নার গ্যাসকে প্রায় জনসেবার মর্যাদা দেয়া হয়েছে। বেসরকারি বিতরণ থাকলেও রয়েছে ডিজিটাল ট্রাকিং, সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে নজরদারি এবং প্রয়োজন হলে সরকারি হস্তক্ষেপ। দাম বাড়লেও তা হয় নিয়ন্ত্রিতভাবে। বাংলাদেশে বাজার উন্মুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু সেই বাজার পরিচালনার জন্য যে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ কাঠামো দরকার, তা গড়ে তোলা হয়নি।
এই সংকটের সামাজিক প্রভাব নীরব কিন্তু গভীর। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো খাবারের তালিকা ছোট করছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো শিক্ষা বা চিকিৎসার খরচ কমিয়ে রান্নার গ্যাসের বাড়তি দাম মেটাচ্ছে। ক্ষুদ্র খাদ্যব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে, যা আবার সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ তৈরি করছে। এভাবে এলপিজি সংকট ধীরে ধীরে পুরো অর্থনীতিতে বিষ ছড়ায়।
তাহলে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কোথায়? কেন বাজার মনিটরিং এত দুর্বল? কেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত নয়? কেন শাস্তির দৃষ্টান্ত নেই? এসব প্রশ্নের উত্তর প্রযুক্তিগত নয়, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছার সঙ্গে জড়িত।
সমাধানও অজানা নয়। প্রথমত, এলপিজিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। এতে সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কঠোর নজরদারি চালু করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত পুরো সরবরাহ চেইনকে ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনতে হবে। ব্যাংকিং খাতে যদি মুহূর্তে লেনদেন নজরদারি করা যায়, তাহলে গ্যাস সিলিন্ডার নজরদারি করা অসম্ভব নয়। তৃতীয়ত, শাস্তি হতে হবে দৃশ্যমান ও কঠোর। কয়েকটি দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিলেই বাজারে শৃঙ্খলা অনেকটাই ফিরতে পারে। চতুর্থত, ভোক্তা অধিকার সংস্থাকে কার্যকর হটলাইন ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে শক্তিশালী করতে হবে। অভিযোগ জমা দিয়েও যদি ফল না আসে, তবে সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হবে। পাশাপাশি বড় আমদানিকারকদের নির্দিষ্ট স্থানে সরাসরি ন্যায্যমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করতে বাধ্য করা যেতে পারে, যাতে ডিলারদের কারসাজি এড়ানো যায়।
আমরা আরও মনে করি, বিইআরসি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে সমন্বিতভাবে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সরবরাহ শৃঙ্খল পুরোপুরি ডিজিটাল মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে। কোম্পানি থেকে ডিলার, ডিলার থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত, কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে মজুদদারি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নিয়মিত অভিযান জোরদার করতে হবে। ভোক্তা অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর হটলাইন চালু করা জরুরি।
মনে রাখতে হবে, সিলিন্ডার গ্যাস বিলাসিতা নয়Ñ এটি এখন নিত্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। এই চাহিদাকে জিম্মি করে সিন্ডিকেটের মুনাফালোভ মেনে নেওয়া যায় না। এই ক্ষেত্রে সরকারকে আরও কঠোর, নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে আরও দায়িত্বশীল হতে বলব। নইলে গ্যাসের এই সংকট শুধু রান্নাঘরেই নয়, পুরো অর্থনীতিতেই বিস্তার ঘটাবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ফারাক্কা মরণ বাঁধ, তিস্তার পানি বন্ধের পর, ভারত এখন মেঘালয়ে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করতে যাচ্ছে।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘এক দেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহারসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া। (২)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (১)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন। ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত-আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (১ম পর্ব)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের (টঘচঋওও) ২৫তম অধিবেশনে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, অপাহাড়ি বাংলাদেশি নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করছে।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ: বিদ্যুৎ বাঁচানোর নামে অর্থনীতি ধ্বংস এবং দারিদ্রতা বৃদ্ধি করে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক সাগরে দুই চিত্র দেশের জেলেদের উপর পুলিশি সাড়াশী অভিযান আর ভারতীয় জেলেদের ক্ষেত্রে চোখ কান বন্ধ রেখে মাছ লুটের অবাধ সুযোগ করে দেয়া নিষেধাজ্ঞার সুফল পায়- ভারতীয় জেলে আর ঠকে এদেশীয় জেলে ও গণমানুষ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৬)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চিনিকল খোলার দাবীতে আন্দোলন করছে শ্রমিকরা। বিদেশিরা চিনিকল চালু, বিনিয়োগ ও লাভের সম্ভাবনা দেখতে পেলেও সরকার তা দেখতে পাচ্ছে না কেন চিনিকল বন্ধ থাকলে রাষ্ট্র হারায় সম্পদ, লুণ্ঠনকারীদের হয় পোয়াবারো।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
উৎপাদনহীন অর্থনীতি: সংকটের মূল কোথায়?
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“স্কুলে সংস্কৃতি চর্চা হলে দেশে উগ্রবাদ থাকবে না” নতুন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য ফ্যাসিস্ট গত সরকার, তার ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতি নীতি ও কুখ্যাত আওয়ামী সংস্কৃতিমন্ত্রীর হুবহু কণ্ঠস্বর। সংস্কৃতির নামে ঠগ সঙ্গীত, ঠগ বন্দনা, নাচ-গান তথা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল আওয়ামী রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। দ্বীনদার মুসলমান ও সন্ত্রাসবাদের নাটক ছিলো তাদের, ইসলাম দমনের হাতিয়ার।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












