মন্তব্য কলাম
দেশের বাজারে এলপিজি সংকট ভয়াবহ। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না ১২ কেজির সিলিন্ডার, দাম ঠেকেছে ২৫০০ টাকা জালেমশাহী হাসিনা সরকারের পেঁয়াজ সিন্ডিকেট, চাল সিন্ডিকেট, তেল সিন্ডিকেট সহ সব সিন্ডিকেট ছাপিয়ে ইউনুস সরকারের নতুন উপহার এলপিজি সিন্ডিকেট।
, ১৮রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
এলপিজি সিন্ডিকেটও ভাঙতে ইউনূস সরকার চরম ব্যর্থ
হোটেল-রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান, ভাসমান ব্যবসায়ী সবারই উৎপাদন খরচ এলপিজি গ্যাসের দামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
গরীবের চুলায় এখন আগুন নেই। বন্ধ রান্নাঘর। বন্ধ খাওয়া-দাওয়া।
তবে এলপিজির সংকট শুধু রান্নাঘরে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি ধীরে ধীরে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেয়।
এসবের শেষ কোথায়?
জবাব কী?
তুষের আগুনে জ্বলছে জনগণ।
গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে তীব্র সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরবরাহ সংকট এখন চরমে। খুচরা বাজারে এই সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে বেড়ে কোথাও কোথাও ২ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। অনেক ক্ষেত্রে বাড়তি টাকা দিয়েও সিলিন্ডার কিনতে করতে পারছেন না ভোক্তারা; নানা দোকান ঘুরে ফেরত যাচ্ছেন।
খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, জাহাজ সংকটের কারণে (যার মধ্যে কিছু জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে) গত ডিসেম্বরে এলপিজি আমদানি প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। পাশাপাশি বসুন্ধরার বড় কোম্পানিগুলো আমদানি বন্ধ রেখেছে। তাতে পরিবেশকরা প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না; ফলে খুচরা বাজারে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি অপারেটরস অভ বাংলাদেশকে (লোয়াব) চিঠি দিলেও খুচরা পর্যায়ে এর কোনো দৃশ্যমান প্রভাব এখনো দেখা যায়নি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলপিজি আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, ইউনিটেক্সের মতো বড় সরবরাহকারীরা আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় পরিবেশকরা চাহিদা অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না। এর ফলে খুচরা বাজারে আরও তীব্র হয়েছে সংকট।
পরিবেশকরা বলছেন, তারা কোম্পানিগুলো থেকে চাহিদার তুলনায় গ্যাস পাচ্ছেন খুব সামান্য। কোনো কোনো পরিবেশক সিলিন্ডারই পাচ্ছেন না।
ঢাকার রামপুরা এলাকার এলপিজি ডিলার মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন টিবিএসকে বলেন, 'আমাদের দৈনিক চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২০০টি ১২ কেজির সিলিন্ডার, কিন্তু আমরা সরবরাহ পাচ্ছি মাত্র ২৫০ থেকে ৩০০টির মতো। এতে আমাদের পরিবহনসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বরও একটি ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ খুচরা বিক্রেতাদের সরবরাহ করার মতো একটা সিলিন্ডারও আমার কাছে নেই।'
এই সরবরাহ সংকটের সরাসরি চাপ গিয়ে পড়েছে ভোক্তার ওপর। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভোক্তাদের নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম দিয়ে এলপিজি কিনতে হচ্ছে। রান্নার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারই সংকটের কেন্দ্রে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের পরিবারের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করেছে।
চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা। এই সংকট দেখিয়ে বিক্রেতারা আদায় করছে ইচ্ছেমতো দাম। প্রায় তিনদিন ধরে এই অবস্থা চললেও ইউনূস সরকারের কর্ণপাত নেই।
অভিযোগ উঠেছে, সিন্ডিকেটের কারসাজিতে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। অথচ ভোক্তাদের দুর্ভোগ নিয়ে নীরব ইউনূস সরকার ও প্রশাসন। দাম নিয়ন্ত্রণ এবং সিন্ডিকেট দমনের কোনও উদ্যোগই লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। এমন নজিরবিহীন ব্যর্থতায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে বাজারে সেই দামের কোনো প্রতিফলন নেই। অধিকাংশ এলাকায় সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকায়, কোথাও কোথাও আরও বেশি দামে।
ইতিমধ্যে কিছু এলাকায় সংকটের অজুহাত দেখিয়ে সিলিন্ডারপ্রতি ২৫০০ টাকা নেওয়ার তথ্য মিলেছে।
প্রসঙ্গত, আজকের বাংলাদেশে এলপিজি কোনো বিলাসী জ্বালানি নয়; এটি শহর ও উপশহরের লাখো পরিবারের রান্নাঘরের প্রধান ভরসা। যেখানে পাইপলাইনের গ্যাস নেই, কিংবা থাকলেও নিয়মিত সংকট, সেখানে এলপিজিই একমাত্র নির্ভরযোগ্য বিকল্প। নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ হওয়ার পর মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এলপিজি হয়ে উঠেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি। হোটেল-রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান, ভাসমান ব্যবসায়ী সবারই উৎপাদন খরচ এই গ্যাসের দামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ফলে এলপিজির সংকট শুধু রান্নাঘরে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি ধীরে ধীরে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেয়।
এই সংকটের পক্ষে ব্যবসায়ীরা যে যুক্তিগুলো তুলে ধরছেন, সেগুলো নতুন নয়। আমদানিতে ঘাটতি, এলসি খোলার জটিলতা, শীতকালে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি এসবের কিছু বাস্তব ভিত্তি আছে। কিন্তু এসব যুক্তি দিয়ে একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায় না: যে গ্যাস আগের দামে আমদানি করা হয়েছে, তার দাম হঠাৎ করে কেন কয়েকশ টাকা বেড়ে যায়? কেন নতুন দাম ঘোষণার আগেই বাজার থেকে সিলিন্ডার উধাও হয়ে যায়? কেন একই শহরে, এমনকি একই এলাকায়, একেক দোকানে একেক দাম? এসব প্রশ্নের উত্তর বাজারের স্বাভাবিক নিয়মে খুঁজে পাওয়া যায় না। এগুলো পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের লক্ষণ।
এই ব্যর্থতার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম নির্ধারণ করে এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু দাম ঘোষণা করাই যদি শেষ দায়িত্ব হয়, তাহলে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনই বা কী? মাঠপর্যায়ে তদারকি ছাড়া মূল্যনির্ধারণ অর্থহীন। আইন অনুযায়ী বিইআরসির হাতে জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল, এমনকি কারাদন্ড দেয়ার ক্ষমতাও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ প্রায় অনুপস্থিত। ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই ভয়াবহ: ব্যবসায়ীরা বুঝে গেছে, নিয়ম ভাঙলেও শাস্তির ভয় নেই।
এই দৃশ্য বাংলাদেশে নতুন নয়। চাল, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, সার একাধিক পণ্যের বাজারে আমরা একই চিত্র দেখেছি। একটি পণ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠলেই তার সরবরাহ কিছু হাতে কেন্দ্রীভূত হয়। তদারকি দুর্বল হলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়, দাম বাড়ে, ভোগান্তি চরমে ওঠে। এলপিজি সেই পুরনো গল্পেরই নতুন সংস্করণ।
এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে এলপিজি খাতের কাঠামোগত বাস্তবতা। পাইপলাইনের গ্যাসের মতো এখানে রাষ্ট্রীয় কোনো বাফার মজুদ নেই। প্রায় পুরো বাজারই বেসরকারি কোম্পানির হাতে। ফলে সরকার চাইলে হঠাৎ করে সরবরাহ বাড়িয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার সুযোগও সীমিত। ভোক্তারা সারা দেশে ছড়িয়ে থাকায় তাদের ক্ষোভও বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এই বিচ্ছিন্ন ভোগান্তিই সিন্ডিকেটের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমদানিকারকরা বলেন, ডিলাররা মজুদ করে রেখেছে। ডিলাররা বলেন, কোম্পানি সরবরাহ দিচ্ছে না। কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দেয়। এই দায় এড়ানোর খেলায় শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ। কিন্তু মূল সমস্যা ঘাটতি নয়, অস্বচ্ছতা। দেশে কত এলপিজি আমদানি হচ্ছে, কোথায় কত মজুদ রয়েছে, কোন পর্যায়ে কতটা সরবরাহ দেয়া হচ্ছে এই তথ্য জনসমক্ষে নেই। অন্ধকার থাকলে মজুদদারি ও কারসাজি সহজ হয়।
বিশ্বের অন্যান্য দেশে এলপিজি বাজারও অস্থির, কিন্তু সেখানে রাষ্ট্রীয় তদারকি সেই অস্থিরতাকে সীমিত রাখে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে। সেখানে রান্নার গ্যাসকে প্রায় জনসেবার মর্যাদা দেয়া হয়েছে। বেসরকারি বিতরণ থাকলেও রয়েছে ডিজিটাল ট্রাকিং, সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে নজরদারি এবং প্রয়োজন হলে সরকারি হস্তক্ষেপ। দাম বাড়লেও তা হয় নিয়ন্ত্রিতভাবে। বাংলাদেশে বাজার উন্মুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু সেই বাজার পরিচালনার জন্য যে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ কাঠামো দরকার, তা গড়ে তোলা হয়নি।
এই সংকটের সামাজিক প্রভাব নীরব কিন্তু গভীর। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো খাবারের তালিকা ছোট করছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো শিক্ষা বা চিকিৎসার খরচ কমিয়ে রান্নার গ্যাসের বাড়তি দাম মেটাচ্ছে। ক্ষুদ্র খাদ্যব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে, যা আবার সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ তৈরি করছে। এভাবে এলপিজি সংকট ধীরে ধীরে পুরো অর্থনীতিতে বিষ ছড়ায়।
তাহলে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কোথায়? কেন বাজার মনিটরিং এত দুর্বল? কেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত নয়? কেন শাস্তির দৃষ্টান্ত নেই? এসব প্রশ্নের উত্তর প্রযুক্তিগত নয়, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছার সঙ্গে জড়িত।
সমাধানও অজানা নয়। প্রথমত, এলপিজিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। এতে সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কঠোর নজরদারি চালু করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত পুরো সরবরাহ চেইনকে ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনতে হবে। ব্যাংকিং খাতে যদি মুহূর্তে লেনদেন নজরদারি করা যায়, তাহলে গ্যাস সিলিন্ডার নজরদারি করা অসম্ভব নয়। তৃতীয়ত, শাস্তি হতে হবে দৃশ্যমান ও কঠোর। কয়েকটি দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিলেই বাজারে শৃঙ্খলা অনেকটাই ফিরতে পারে। চতুর্থত, ভোক্তা অধিকার সংস্থাকে কার্যকর হটলাইন ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে শক্তিশালী করতে হবে। অভিযোগ জমা দিয়েও যদি ফল না আসে, তবে সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হবে। পাশাপাশি বড় আমদানিকারকদের নির্দিষ্ট স্থানে সরাসরি ন্যায্যমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করতে বাধ্য করা যেতে পারে, যাতে ডিলারদের কারসাজি এড়ানো যায়।
আমরা আরও মনে করি, বিইআরসি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে সমন্বিতভাবে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সরবরাহ শৃঙ্খল পুরোপুরি ডিজিটাল মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে। কোম্পানি থেকে ডিলার, ডিলার থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত, কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে মজুদদারি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নিয়মিত অভিযান জোরদার করতে হবে। ভোক্তা অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর হটলাইন চালু করা জরুরি।
মনে রাখতে হবে, সিলিন্ডার গ্যাস বিলাসিতা নয়Ñ এটি এখন নিত্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। এই চাহিদাকে জিম্মি করে সিন্ডিকেটের মুনাফালোভ মেনে নেওয়া যায় না। এই ক্ষেত্রে সরকারকে আরও কঠোর, নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে আরও দায়িত্বশীল হতে বলব। নইলে গ্যাসের এই সংকট শুধু রান্নাঘরেই নয়, পুরো অর্থনীতিতেই বিস্তার ঘটাবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে সরকার
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করায় দেশবাসী আক্রান্ত হচ্ছে অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা, বন্যাসহ নানা দুর্যোগে। সঠিকভাবে পবিত্র যাকাত আদায় এবং সঠিক জায়গায় পৌঁছানোই এসব দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বছরে অর্থনৈতিক অপচয় ৩০ হাজার কোটি টাকা, রোগাক্রান্ত হচ্ছে যুবসমাজ, ধানী জমিতে চাষ হচ্ছে তামাক। অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের আলোকেই সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ সক্রিয় ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম। (পর্ব-১)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশে কয়েক বছরে ধনী-গরীব বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থায় জাতীয় সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে ধনী গরীব বৈষম্য দূরীকরণে যাকাত ব্যবস্থাই একমাত্র সমাধান মার্কিন অধ্যাপকের গবেষণা- “বছরে এক লাখ কোটি টাকা যাকাত আদায় সম্ভব” এ বক্তব্য সঠিক নয় বরং দৈনিক আল ইহসান শরীফের গবেষণা অনুযায়ী বছরে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা যাকাত আদায় সম্ভব ইনশাআল্লাহ
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইফতারীসহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়কে লোভনীয় করতে মেশানো হয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় রং। সাধারণ মানুষ রংবিহীন বিশুদ্ধ খাবারের পরিবর্তে রংযুক্ত ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ক্রয় করতেই বেশি উৎসাহী। এতে করে তারা আর্থিকভাবে এবং স্বাস্থ্যগতভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইফতারীসহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়কে লোভনীয় করতে মেশানো হয় বিভিন্ন আকর্ষণীয় রং। সাধারণ মানুষ রংবিহীন বিশুদ্ধ খাবারের পরিবর্তে রংযুক্ত ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ক্রয় করতেই বেশি উৎসাহী। এতে করে তারা আর্থিকভাবে এবং স্বাস্থ্যগতভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই। এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আমল থাকলে সাধারণ মুসলমান এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো না।
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












