মন্তব্য কলাম
দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯২ শতাংশই হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। অথচ চট্টগ্রাম বন্দরে এক লাফে ৪১% শুল্ক বৃদ্ধি- ব্যবসার পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে আমদানি-রপ্তানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে কঠিন চাপ তৈরি করবে
, ২৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৪ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তামূল্যে মারাত্মক বিপর্যয় তথা দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করবে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর ২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা খরচের বিপরীতে আয় করেছে ৫ হাজার ২২৭ কোটি টাকা
অর্থাৎ মুনাফা ২ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা।
রাষ্ট্রের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বছরে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করার পরও কেন ৪১% মাশুল বৃদ্ধি করা হবে?
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ইহুদীবাদী ও নব্য ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী- ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডে’র যেন কোনো বদনাম না হয়, সে জন্যই কি আগাম মাশুল বৃদ্ধি করা হলো না?
৭ জুলাই থেকে ছয় মাসের জন্য এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে নৌবাহিনী পরিচালিত সংস্থা চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড।
এতে বন্দরের কার্যক্রমে গতি আরও বেড়েছে, যা বন্দর ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতার সাক্ষ্য দেয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব ও অর্থনৈতিক দিক ইত্যাদি বিবেচনায়
বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি ও টার্মিনাল পরিচালনার ভার নব্য ইষ্ট ইন্ডিয়া এবং ইহুদীবাদী কোম্পানির ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা বরদাশত করবে না ইনশাআল্লাহ।
(২য় পর্ব)
(পূর্ব প্রকাশিতের পরে)
‘আমাদের দেশের বেকারিসহ খাদ্যপণ্য তৈরিতে গমের ব্যবহার হয়। চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানি করতে হয়। এখন আমদানি করা বাল্কপণ্যের মাশুল বাড়ার কারণে গমের আমদানি খরচ বেড়ে যাবে। যার প্রভাব পড়বে খাদ্যপণ্যে। ’
বাড়বে গরীবের আটার রুটি, তুন্দুল রুটি, বিস্কিট, পাউরুটি, সিঙ্গারা, পুড়ি তথা সকাল-বিকাল খাবার খরচ।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের সমুদ্রপথে ৯৯ শতাংশ কনটেইনার পরিবহন হয়। ফলে নতুন মাশুল কার্যকরের প্রভাব পড়বে সরাসরি ভোক্তা ও রফতানিতে। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, এতে একদিকে আমদানি পণ্যের দাম বাড়বে, অন্যদিকে রফতানিতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরের মাশুল বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে আমদানিনির্ভর খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়বে। গম, ভোজ্যতেল, চিনি থেকে শুরু করে আমদানি করা ফলের দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও পাইকারি আড়তদার ব্যবসায়ীরা।
ঘোষিত গেজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, পণ্যভর্তি প্রতি টিইইউস (২০ ফুট একক) কনটেইনারে বর্তমানে গড়ে মাশুল দিতে হবে ১৬ হাজার ২৪৩ টাকা, যা আগে গড়ে ছিল কনটেইনার প্রতি ১১ হাজার ৮৪৯ টাকা। নতুন ট্যারিফ রেট অনুযায়ী, কনটেইনার ওঠানো-নামানোতে চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮ ডলার, যা আগে ছিল ৪৩ দশমিক ৪০ ডলার।
পাশাপাশি জাহাজের পাইলটিং চার্জ বিদ্যমান মাশুলে ৩৫৭ ডলার হলেও নতুন মাশুলে রাখা হয়েছে ৮শ ডলার। প্রতি টিইইউ (২০ ফুট) কনটেইনারের জন্য গ্যান্ট্রি ক্রেন চার্জ ধরা হয়েছে ২০ দশমিক ৮০ ডলার, যা আগে ছিল ১৫ ডলার।
কনভেনশনাল কার্গোর রিভার ডিউজ চার্জ আমদানি কার্গোর ক্ষেত্রে প্রতি টনে শূন্য দশমিক ৪৪৩ ডলার, ডমেস্টিক কার্গোর ক্ষেত্রে প্রতি টনে শূন্য দশমিক ১২৮ ডলার মাশুল নির্ধারণ করা হয়। কনভেনশনাল কার্গোর ওয়্যারফেজ চার্জ (ল্যান্ডিং/শিপিং) ব্যাগড কার্গোর ক্ষেত্রে প্রতি টনে শূন্য দশমিক ৯৬৪ ডলার, সব ধরনের বাল্ক কার্গোর ক্ষেত্রে টনপ্রতি ১ দশমিক ৫৩২ ডলার, ব্রেক বাল্ক এবং অন্য কার্গোর ক্ষেত্রে তিন টনের নিচে টনপ্রতি ১ দশমিক ৩৯৩ ডলার, তিন থেকে ২০ টনে টনপ্রতি ২ দশমিক ৬১০ ডলার এবং ২০ টনের ওপরে টনপ্রতি ৩ দশমিক ৬২৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি আমদানি কার্গোতে গম ও চালের ক্ষেত্রে ব্যাকড কার্গোর ঘোষিত চার্জের সঙ্গে ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত এবং শাটআউট কার্গোর ক্ষেত্রে টনপ্রতি শূন্য দশমিক ৯৮২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
কনভেনশনাল কার্গোর এক্সট্রা হ্যান্ডলিং চার্জ (হোস্টিং) আমদানি কার্গোতে ব্যাগড কার্গোর ক্ষেত্রে প্রতি টনে শূন্য দশমিক ৯৬৪ ডলার, সব ধরনের বাল্ক কার্গোর ক্ষেত্রে টনপ্রতি ১ দশমিক ৫৩২ ডলার, ব্রেক বাল্ক এবং অন্য কার্গোর ক্ষেত্রে তিন টনের নিচে টনপ্রতি ১ দশমিক ৩৯৩ ডলার, তিন থেকে ২০ টনে টনপ্রতি ২ দশমিক ৬১০ এবং ২০ টনের ওপরে টনপ্রতি ৩ দশমিক ৬২৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়।
বন্দরের উচিত এত বেশি মাশুল বাড়ানো থেকে বিরত থাকা। ট্যারিফ বেশি হওয়ায় কনটেইনার ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এতে আমদানি খরচ বাড়বে। ফলে পরিবাহিত পণ্যের দামও বাড়বে।
কনভেনশনাল কার্গোর স্টোরেজ চার্জ (ওয়ার্প রেন্ট) আমদানি কার্গোতে কমন ল্যান্ডিংয়ের দিন থেকে লোড ট্রান্সপোর্ট ডেলিভারি পর্যন্ত চারদিন ফ্রি, ট্রান্সশিপমেন্ট/রি-শিপমেন্ট কার্গোর ক্ষেত্রে ইমপোর্টিং ভ্যাসেল থেকে কমন ল্যান্ডিং করা থেকে এক্সপোর্টিং ভ্যাসেলের লোডিং পর্যন্ত ১০ দিন ফ্রি, রপ্তানি কার্গোর ক্ষেত্রে বন্দরে কার্গো গ্রহণ থেকে নির্ধারিত জাহাজে জাহাজীকরণ পর্যন্ত ছয়দিন ফ্রি টাইম রাখা হয়েছে।
এরপর ব্যাগড কার্গোতে ফ্রি টাইমের পরের সাতদিন পর্যন্ত প্রতি টনে দৈনিক শূন্য দশমিক ১৮২ ডলার,
অষ্টম দিন থেকে ২০তম দিন পর্যন্ত টনপ্রতি দৈনিক শূন্য দশমিক ৫৪৬ ডলার
এবং ২১তম দিন থেকে টনপ্রতি দৈনিক শূন্য দশমিক ৭২৮ ডলার ওয়ার্প রেন্ট নির্ধারণ করা হয়।
পাশাপাশি বাল্ক কার্গোতে ফ্রি টাইমের পরের সাতদিন পর্যন্ত প্রতি টনে দৈনিক শূন্য দশমিক ৩১০ ডলার,
অষ্টম দিন থেকে ২০তম দিন পর্যন্ত টনপ্রতি দৈনিক শূন্য দশমিক ৯৩০ ডলার
এবং ২১তম দিন থেকে টনপ্রতি দৈনিক ১ দশমিক ২৪০ ডলার ওয়ার্প রেন্ট নির্ধারণ করা হয়।
অন্য কার্গোর ক্ষেত্রে ফ্রি টাইমের পরের সাতদিন পর্যন্ত প্রতি টনে দৈনিক শূন্য দশমিক ৬১৯ ডলার,
অষ্টম দিন থেকে ২০তম দিন পর্যন্ত টনপ্রতি দৈনিক ১ দশমিক ৮৫৭ ডলার
এবং ২১তম দিন থেকে টনপ্রতি দৈনিক ২ দশমিক ৪৭৬ ডলার ওয়ার্প রেন্ট নির্ধারণ করা হয়।
বন্দর মাশুল বাড়ায় ভোগ্যপণ্যের দামে মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
ভোগ্যপণ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ। খাতুনগঞ্জে আমদানি করা গমের বড় ব্যবসায়ী মুনাল ট্রেডিংয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার সুমন বলেন, ‘আমাদের দেশের বেকারিসহ খাদ্যপণ্য তৈরিতে গমের ব্যবহার হয়। চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানি করতে হয়। এখন আমদানি করা বাল্কপণ্যের মাশুল বাড়ার কারণে গমের আমদানি খরচ বেড়ে যাবে। যার প্রভাব পড়বে খাদ্যপণ্যে। ’
ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর কারণে আমাদের আমদানি-রপ্তানি উভয় খরচ বেড়ে যাবে। এমনিতে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে ফ্রেইট চার্জ অত্যধিক। তার ওপর বন্দরের হ্যান্ডলিং চার্জ বেড়ে গেলে, কাঁচামালের দাম বাড়বে। এতে পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। রপ্তানি বাজারে আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বো।
এলপিজি, শিপিং, সিমেন্ট, শিপইয়ার্ড, অ্যাগ্রো শিল্পে বিনিয়োগ রয়েছে সিকম গ্রুপের। চলতি বছর থেকে ভোজ্যতেল আমদানি শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কথা হলে ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘গণমাধ্যমের খবরে ৩৯ বছর পর বন্দর মাশুল বাড়ানো হয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে। এটি সঠিক তথ্য নয়। বন্দরের মাশুল নির্ধারিত হয় ডলারে। ১৯৮৬ সালে যখন বন্দর কর্তৃপক্ষ মাশুল নির্ধারণ করে তখন আমাদের টাকার বিপরীতে ডলারের দাম ছিল ৩০-৩১ টাকা। ৩৯ বছর পর এখন ডলারের দাম ১২২ টাকা হিসাব করলেও বন্দরের বিদ্যমান মাশুল ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চারগুণ হয়েছে। এখন তার ওপর নতুন করে মাশুল বাড়ানো হলো। ’
সিকম গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বন্দর তো কখনো লোকসানে ছিল না। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে বিগত ১৫ বছরে যত দুর্নীতি হয়েছে, সরকার তা ফরেনসিক তদন্ত করলে আরও হাজার হাজার কোটি টাকা বেরিয়ে আসবে। এখন যে মাশুল বাড়িয়েছে, তাতে রপ্তানি খাতসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মাশুল বাড়ানোর কারণে আমদানি খরচ বাড়ছে। এতে আমদানিনির্ভর সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। ’
বাংলাদেশে গমের বড় আমদানিকারক নাবিল গ্রুপ। চট্টগ্রাম ও ঢাকার পাইকারি বাজারের মাধ্যমে তারা সারাদেশে গম সরবরাহ করে। নাবিল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোয় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে কনটেইনারবাহিত পণ্যে। যেহেতু বন্দরের সবগুলো সেবায় মাশুল বাড়িয়েছে। সেক্ষেত্রে বাল্কপণ্য আমদানিতে যে ব্যয় বাড়বে, তা শেষে ভোক্তার ওপর গিয়ে পড়বে। এটি একটি স্বাভাবিক বিষয়। পণ্যের আমদানি খরচ বাড়লে ভোক্তাপর্যায়ে পণ্যের দামে প্রভাব ফেলবে। ’
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক বলেন, ‘বন্দরের উচিত এত বেশি মাশুল বাড়ানো থেকে বিরত থাকা। ট্যারিফ বেশি হওয়ায় কনটেইনার ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এতে আমদানি খরচ বাড়বে। ফলে পরিবাহিত পণ্যের দামও বাড়বে। ’
তিনি বলেন, ‘বন্দর ব্যবহারকারীদের নিয়ে যে আলোচনা চলছিল, তাতে আমরা বলেছিলাম মাশুল একেবারেই যদি বাড়াতে হয় তাহলে ১০-১৫ শতাংশের বেশি যাতে বাড়ানো না হয়। আমরা গেজেট পেয়েছি, তাতে দেখেছি, সব ধরনের সেবায় গড়ে ৪১ শতাংশ মাশুল বাড়ানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশিও বাড়ানো হয়েছে। যতই বাড়ানো হোক, পণ্য আমদানির বর্ধিত ব্যয় ব্যবসায়ীরা ভোক্তার কাছ থেকেই আদায় করবে। শেষমেশ বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর প্রভাব ভোক্তা পর্যায়ে গিয়ে পড়বে। ’
আমদানি করা রসুন, আদা, ফল ও মাছ-মাংস আসে রেফার কনটেইনারে। নতুন ট্যারিফে রেফার কনটেইনারের ক্ষেত্রেও মাশুল বেড়েছে। বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এমনিতেই আন্তর্জাতিক বাজারে ফলের দাম বাড়তি। বন্দরে নতুন করে শুল্ক বাড়ানোর কারণে আমদানি করা ফলসহ রেফার কনটেইনারে আমদানি করা সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়বে। ’
বন্দরের মাশুল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শিপিং এজেন্টগুলোও বর্ধিত চার্জ বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘ইতোমধ্যে রেফার কনটেইনারের ইলেক্ট্রিক মনিটরিং চার্জ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে শিপিং এজেন্টগুলো। গতকালই গোল্ড স্টার শিপিং লাইন, এভারগ্রিন শিপিং প্রতি রেফার কনটেইনারে দৈনিক ৪০ ডলার করে বাড়িয়েছে। পাশাপাশি পোর্ট চার্জ আগে ৪০ কনটেনারের ক্ষেত্রে ফ্রি টাইমের পরে ১২ ডলার ছিল, এখন ৪৮ ডলার করা হয়েছে। ’
ব্যবসায়ীরা জানান, ‘বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর কারণে আমাদের আমদানি-রপ্তানি উভয় খরচ বেড়ে যাবে।
এমনিতে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে ফ্রেইট চার্জ অত্যধিক। তার ওপর বন্দরের হ্যান্ডলিং চার্জ বেড়ে গেলে কাঁচামালের দাম বাড়বে। এতে পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে।
পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে রপ্তানি বাজারে আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বো। পাশাপাশি ভোক্তাপর্যায়ে পণ্যের দামে প্রভাব পড়বে। ’
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ফারাক্কা মরণ বাঁধ, তিস্তার পানি বন্ধের পর, ভারত এখন মেঘালয়ে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করতে যাচ্ছে।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘এক দেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহারসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া। (২)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (১)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন। ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত-আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (১ম পর্ব)
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের (টঘচঋওও) ২৫তম অধিবেশনে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, অপাহাড়ি বাংলাদেশি নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করছে।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ: বিদ্যুৎ বাঁচানোর নামে অর্থনীতি ধ্বংস এবং দারিদ্রতা বৃদ্ধি করে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক সাগরে দুই চিত্র দেশের জেলেদের উপর পুলিশি সাড়াশী অভিযান আর ভারতীয় জেলেদের ক্ষেত্রে চোখ কান বন্ধ রেখে মাছ লুটের অবাধ সুযোগ করে দেয়া নিষেধাজ্ঞার সুফল পায়- ভারতীয় জেলে আর ঠকে এদেশীয় জেলে ও গণমানুষ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৬)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চিনিকল খোলার দাবীতে আন্দোলন করছে শ্রমিকরা। বিদেশিরা চিনিকল চালু, বিনিয়োগ ও লাভের সম্ভাবনা দেখতে পেলেও সরকার তা দেখতে পাচ্ছে না কেন চিনিকল বন্ধ থাকলে রাষ্ট্র হারায় সম্পদ, লুণ্ঠনকারীদের হয় পোয়াবারো।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
উৎপাদনহীন অর্থনীতি: সংকটের মূল কোথায়?
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“স্কুলে সংস্কৃতি চর্চা হলে দেশে উগ্রবাদ থাকবে না” নতুন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য ফ্যাসিস্ট গত সরকার, তার ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতি নীতি ও কুখ্যাত আওয়ামী সংস্কৃতিমন্ত্রীর হুবহু কণ্ঠস্বর। সংস্কৃতির নামে ঠগ সঙ্গীত, ঠগ বন্দনা, নাচ-গান তথা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল আওয়ামী রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। দ্বীনদার মুসলমান ও সন্ত্রাসবাদের নাটক ছিলো তাদের, ইসলাম দমনের হাতিয়ার।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












