মন্তব্য কলাম
গার্মেন্টসের চেয়েও বড় অবস্থানে তথা বিশ্বের শীর্ষ অবস্থানে অধিষ্ঠান হতে পারে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্প। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে শুধু মাত্র এ খাত থেকেই বছরে ১১ লাখ কোটি টাকা অর্জন সম্ভব ইনশাআল্লাহ। যা বর্তমান বাজেটের প্রায় দেড়গুণ
আর শুধু অনিয়ম এবং সরকারের অবহেলা, অসহযোগীতা দূর করলে বর্তমানেই সম্ভব প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অর্জন জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সমৃদ্ধি সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং সরকারের গাফলতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা জনগণের জন্যও জরুরী। (১ম পর্ব)
, ২০ আগস্ট, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে দক্ষিণ এশিয়ার মেরিটাইম টেকনলোজিতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ এসেছে বলে জানিয়েছেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অফ বাংলাদেশের সেমিনারে একথা বলেন তিনি।
‘জাহাজ নির্মাণ খাত অর্থনীতিতে শক্তি যোগায়। বাংলাদেশ থেকে আমরা জাহাজ রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। জাহাজ নির্মাণের সূতিকাগার ইংল্যান্ডে জাহাজ রফতানি করছি; এটা একটা বড় অর্জন।
জাহাজ নির্মাণ সেক্টরে বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্রিগেট থেকে শুরু করে সবধরনের জাহাজ নির্মাণে সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ’
বাংলাদেশের নদীমাতৃক ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনে জাহাজের ব্যবহার ছিল বহুকাল আগেই।
চৌদ্দ শতকে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা জাহাজে বাংলার বিভিন্ন বন্দরে আগমন করেছিলেন। ইউরোপীয় পর্যটক সিজার ফ্রেডেরিক চট্টগ্রাম বন্দরে ১৫ শতকে বড় জাহাজ নির্মাণের একটি হাব ছিল বলে নথিভুক্ত করেছেন। মোগল শাসনামলে জাহাজ নির্মাণ আরো ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে।
১৭ শতকে তুরস্কের সুলতানের জন্য যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জাহাজ নির্মাণ এলাকা ব্যবহার করা হয়। কাঠের যুদ্ধ জাহাজের পরিবর্তে লৌহ নির্মিত যুদ্ধ জাহাজ তৈরি শুরু হয় ঊনিশ শতকের শেষভাগে।
উনিশ শতক পর্যন্ত চট্টগ্রাম কেবলমাত্র ১০০০ টন ধারণক্ষমতার জাহাজ নির্মাণে সক্ষম ছিল। চট্টগ্রাম হতে নির্মিত জাহাজ সে সময় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যতরী হিসাবে রপ্তানি করা হতো। শুধু বাণিজ্যতরী নয়, রণতরী হিসেবেও চট্টগ্রামে তৈরি হওয়া জাহাজের বেশ সুনাম ছিল।
স্পেনীয় রণতরীগুলো যখন ভূমধ্যসাগর, ভারত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরে দাপিয়ে বেড়াত, তখন সেই বহরে এ দেশে নির্মিত নৌযানের সংখ্যা ছিল উল্লেখ করার মতো। আর্মাড নামে পরিচিত স্পেনীয় ও ব্রিটিশ নৌবাহিনীর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী নৌযুদ্ধে চট্টগ্রাম নির্মিত বহু রণতরী স্পেনীয় বহরে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল বলে জানা যায়। বিশ শতকের প্রারম্ভে এবং পাকিস্তান আমলে সরকারি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো জাহাজ নির্মাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, ১৯৫৮ সালের দিকে জার্মানির সহায়তায় খুলনা শিপইয়ার্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৭ সালের দিকে ওই প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে জাহাজ নির্মাণ শুরু করে। ব্রিটিশ কারিগরি সহায়তায় ওই প্রতিষ্ঠান জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি অয়েল ট্যাঙ্কার, রেলের ব্রিজ নির্মাণ করতে থাকে।
মাঝেমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি লোকসান দিতে শুরু করলে ১৯৯৯ সালের দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বভার গ্রহণ করে। বর্তমানে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ১৯৭৯ সালের দিকে ঢাকার ফতুল্লায় আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য জাহাজ নির্মাণের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। নদীমাতৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমুদ্র পানিসীমার আয়তন ৯০০০ বর্গ কিমি এবং এর মধ্যে ৭২০ কিমি দীর্ঘ সমুদ্র পানিসীমা। দেশের প্রায় ৭০০ ছোট-বড় নদীর ২৪ হাজার কিমি দীর্ঘ নদীপথ অভ্যন্তরীণ পানিসীমা হিসেবে নৌপরিবহণের কাজে ব্যবহূত হয়। বর্তমানে প্রায় ছোট-বড় দশ হাজার অভ্যন্তরীণ ও সমুদ্র উপকূলীয় জাহাজ সারা দেশজুড়ে পণ্য ও যাত্রী পরিবহণ কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
এসব জাহাজ দেশের শতকরা ৯০ শতাংশ তৈলজাত দ্রব্য, ৭০ শতাংশ মালামাল এবং ৩৫ শতাংশ যাত্রী বহন করে থাকে। এই শিল্প খাতে এখন দেড় লক্ষাধিক দক্ষ ও অর্ধদক্ষ শ্রমিক বর্তমানে কাজ করছে এবং প্রায় ২০ লাখ মানুষ নানাভাবে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সাথে জড়িত।
দেশের সকল আভ্যন্তরীণ এবং উপকূলীয় জাহাজ বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ কারখানায় (শিপইয়ার্ডে) নির্মিত হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ সাফল্যের সাথে ডেনমার্কে প্রথম সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করেছে। এ জন্য বাংলাদেশ ভারত, চীন এবং ভিয়েতনামের মত বৃহৎ জাহাজ নির্মাণকারী দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়ে সাফল্য দেখিয়েছে। বাংলাদেশের অনেক জাহাজ নির্মাণ কারখানা এখন দশ হাজার টন ধারণ ক্ষমতার জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
বর্তমানে এই শিল্পে প্রায় ৫০,০০০ দক্ষ এবং ১০০,০০০ আধাদক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছে। দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।
শিপইয়ার্ডের উৎপাদনক্ষমতা ও শ্রমঘণ্টা বাংলাদেশের শিপইয়ার্ডগুলির শ্রমিকদের কার্যক্ষমতা ১১.৪৩ যা অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বনিম্ন। কিন্তু যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে ঘণ্টাপ্রতি গড় পারিশ্রমিক মাত্র এক ইউএস ডলার যা এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। সুতরাং বাংলাদেশে তুলনামুলক শ্রমব্যয় দাঁড়াল মাত্র ০.৪৫ এবং এটি পৃথিবীর সর্বনিম্ন।
বর্তমানে দেশের প্রধান দুটি শিপইয়ার্ড আনন্দ শিপইয়ার্ড ও ওয়েস্টার্ন মেরিন ৪১টি ছোট আকৃতির নৌযান তৈরির জন্য ইউরোপীয় ক্রেতাদের সঙ্গে ০.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায় ২০১২ সালের মধ্যে বিশ্বে ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির ১০,০০০ নতুন নৌযানের চাহিদা রয়েছে। সুতরাং ছোট ও মাঝারি নৌযানের বাজার খুবই চাঙ্গা এবং বাংলাদেশ যথেষ্ট উন্নতি দেখাচ্ছে।
বাংলাদেশ ছোট ও মাঝারি কার্গো জাহাজ, তেলবাহী জাহাজ, বহুমুখি ব্যবহারযোগ্য জাহাজ যা ১৫,০০০ টন বা ২৫,০০০ টন পর্যন্ত ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা রাখে।
সুতরাং বাংলাদেশের ছোট কার্গো ও কন্টেইনারবাহী জাহাজ নির্মাণ শিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্ব মন্দা ও বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে বিশ্ব মন্দার বাজারে ছোট ও মাঝারি জাহাজের চাহিদা বেড়ে চলেছে। পক্ষান্তরে বড় জাহাজের চাহিদা অনেকটা কমে গেছে। যে কারণে বৃহৎ জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ও দেশগুলি অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশ যেহেতু ক্ষুদ্র ও মাঝারি জাহাজ নির্মাণে অভ্যস্ত, তাই আমাদের জাহাজ নির্মাণ শিল্প বিশ্ব মন্দার কবল থেকে মোটামুটি নিরাপদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, ধনী দেশগুলি বড় জাহাজ নির্মাণ কমিয়ে দিলেও ছোট জাহাজ নির্মাণ অব্যাহত রাখবে। ফলে বিশ্ব মন্দার সময় বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলির কাজ অব্যাহত থাকবে এবং এ সময়ের মধ্যে দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে সরকারের সাথে যৌথ উদ্যোগে আরও শক্তিশালী করতে পারবে।
জাহাজ নির্মাণ নিঃসন্দেহে একটি বিশাল ব্যাপার। জাহাজ নির্মাণে যেমন প্রয়োজন উঁচুমানের কারিগরি দক্ষতা, ঠিক তেমনি প্রয়োজন উন্নত এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা। তাছাড়া প্রয়োজন বিরাট অংকের বিনিয়োগ। বর্তমানে ছোট আকারের একটি জাহাজ নির্মাণ করতেও প্রায় ২৫/৩০ কোটি টাকা প্রয়োজন। আর বড় আকারের জাহাজ নির্মাণে প্রয়োজন শত কোটি টাকা। সময় লাগে প্রায় দেড় থেকে দুই বছর।
এখনো বিশ^ব্যাপী আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের ৯৯ শতাংশই পানিপথে সম্পন্ন হয়, যার বাহন হচ্ছে এই জাহাজ। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে জাহাজ নির্মাণে বর্তমানে বছরে প্রায় ৪০০ (চারশত) বিলিয়ন ডলারের বাজার রয়েছে। আর এটা প্রতিবছর প্রায় ৬% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে এসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড শিপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশের মহাসচিব এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশল শাখাওয়াত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, জাহাজ নির্মাণ শিল্প খাত থেকে বছরে ২০ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য হচ্ছে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা।
তবে তার জন্য সরকারকে এই শিল্পের প্রতি সর্বাত্মকভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। এই শিল্পের বিকাশে বিদ্যমান সকল প্রতিকূলতাকে দূর করতে হবে। এই শিল্পে ইনসেনটিভ দিতে হবে এবং এর অগ্রগতির জন্য বিশেষ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। নগদ সহায়তার পরিমাণ ১৫% করা হোক। এই সেক্টরের জন্য পাঁচ হাজার কোটির টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হোক এবং কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হোক। ব্যাংকের পাশাপাশি ইন্স্যুরেন্স, কাস্টম এবং বন্দরসহ সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। আজ জাহাজ রপ্তানির যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করতে হবে।
নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীর তীরগুলোতে জাহাজ নির্মাণের জন্য অসংখ্য শিপইয়ার্ড গড়ে তোলার বিরাট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের আশপাশে এমনকি বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত আনোয়ারা এবং বাঁশখালীতেও জাহাজ নির্মাণের জন্য বড় আকারের শিপইয়ার্ড গড়ে তোলার বিরাট সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিদেরকেও জাহাজ নির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে জাহাজ নির্মাণে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ বিদেশি উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অধিকন্তু বাংলাদেশের ব্যাপক সংখ্যক যুবসমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই শিল্পের জন্য দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
ভৌগোলিক অবস্থান, বন্দর এবং ব্যাপক সংখ্যক নদীর উপস্থিতি ও শ্রমের সহজ লভ্যতার কারণে বাংলাদেশ খুব সহজেই এই শিল্পে সফলতা অর্জন করতে পারে। বাংলাদেশ নদীমার্তৃক দেশ হবার কারণে নদী পথে পণ্য পরিবহনের বিশাল একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে।
এছাড়া নদী পথে ব্যাপক সংখ্যক মানুষও যাতায়াত করে। নদী এবং সাগর থেকে মাছ ধরার জন্য নিয়োজিত রয়েছে হাজারো মাছ ধরার জাহাজ।
পণ্য পরিবহন, মানুষ পরিবহন এবং মাছ ধরার জন্য দেশের অভ্যন্তরে ছোট, বড় এবং মাঝারি সাইজের যে বিরাটসংখ্যক লঞ্চ, কার্গো, স্টিমার এবং ফিশিং ট্রলার প্রয়োজন তার সবই যদি বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ কোম্পানিসমূহ নির্মাণ করে, তাহলেও তা অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখবে। তাছাড়া সাশ্রয় হবে বিশাল অংকের বৈদেশিক মুদ্রা। আর নদীপথে যাতায়াত বাড়লে সড়ক পথে চাপ কমবে। ফলে যানজট কমবে এবং মানুষের জীবন সহজ হবে। তাছাড়া এই শিল্পের বিকাশ হলে এর সাথে সংশ্লিষ্ট আরো অনেকগুলো ব্যাকওয়ার্ড শিল্প গড়ে উঠবে। ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে। সুতরাং আমাদের কারো অবহেলা এবং অসহযোগিতার কারণে সম্ভাবনাময় এই শিল্পটা যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়, সেই বিষয়টি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন: ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে ইয়েমেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সবেমাত্র আগ্রাসী ইসরায়েলকে শাস্তি দেয়া শুরু করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে যুদ্ধ কখন শেষ হবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে: খামেনি ২ সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পরাজিত করেছে ইরান
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বহুমুখী সমস্যায় পতিত দেশের আগর-আতর শিল্প পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আতর শিল্পে নেই আধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ সঙ্কট ও সমস্যা সমাধান করে আগর-আতর শিল্প থেকে ইনশাআল্লাহ রফতানি হতে পারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুশরিক ভারতের প্রতি লা’নত ওদের জনসংখ্যা দিন দিন নিম্নমুখী পক্ষান্তরে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে খোদায়ী রহমত। (সুবহানাল্লাহ) বাংলাদেশে জনসংখ্যার এখন ৬৫ ভাগই কর্মক্ষম এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার উর্ধ্বগামী বাংলাদেশ ভোগ করছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের নিয়ামত। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আফ্রিকার দৈত্য মুসলিম প্রধান দেশ- ‘নাইজেরিয়ায়’ আছে- ‘অফুরন্ত তেলের উৎস’ আছে- সবচেয়ে দামী খনিজ ‘লিথিয়াম’, ‘উচ্চ মানের লৌহ আকরিক’ সহ দুর্লভ সব খনিজ। বিশ্ব লুটেরা, হায়েনা, আমেরিকার- লোলুপ দৃষ্টি এখন ‘নাইজেরিয়ার’ উপর খ্রিস্টান নিধন চলছে এই মিথ্যা অজুহাতে- নাইজেরিয়া আক্রমনের ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্ব ডাকাত সর্দার- ট্রাম্প।
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী টালমাটাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক কেজি আলু বেচে এক কাপ চা হয় না আলুর কেজি ৮ টাকা, লোকসানে কাঁদছে কৃষক ও ব্যবসায়ী ২৫০ মিলি লিটার পানির দামে এক কেজি আলু, আলুচাষির কান্নার আওয়াজ কে শুনবে? তিন মাসেও মেলেনি প্রণোদনা, লোকসানের চক্রে আলুচাষি আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উদ্যোগ জরুরি
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে সরকার
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












