মন্তব্য কলাম
ক্ষুধাকে মারণাস্ত্র বানিয়েছে বিশ্ব কসাই বিশ্ব সন্ত্রাসী, স্বাধীন দেশ ডাকাত ইসরাইল ঘাস আর দূষিত পানিও শেষ হওয়ার পর গাজাবাসীর সামনে এখন খাওয়ার জন্য আছে শুধুই বালি গাজাবাসীর দুর্দশা, ক্ষুধা মৃত্যু- দেখে দেখে বিশ্ব মুসলিম কী এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছে?
, ০১ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০১ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রি:, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
ঢাকায় আয়তন আর গাজার আয়তন প্রায় একই
খোদা না করুন, গাজার মত অবস্থা যদি ঢাকায় হতো তা হলে ঢাকাবাসীর কী কষ্ট হতো?
বা বিশ্বের অন্য মুসলিম শহরেও যদি হতো তাহলে তারাও কি কষ্ট পেতো
তখন প্রতিকারের জন্য কি করতো?
কি প্রচেষ্টা চালাতো?
সেই একই কষ্ট তারা গাজাবাসীর জন্য মুসলিম বিশ্ব পাচ্ছে না কেন?
একই প্রচেষ্টা গাজাবাসীর জন্য চালাচ্ছে না কেন?
কল্পনা করুন, ঢাকার উত্তরের প্রায় সব ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দক্ষিণেও অর্ধেকের বেশি ভবন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেগুলো বাকি রয়েছে, সেগুলোও নিরাপদ না। সড়কগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই। চারদিকে যতদূর চোখ যায় কেবল ধ্বংসস্তূপ, আর সেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা লাশের গন্ধে বাতাস ভারী।
ভেবে দেখুন, বোমা হামলা থেকে বেঁচে গেলেও যারা ধসে পড়া দালানের নিচে আটকে ছিলেন, তারাও একে একে মারা পড়লেন। শুরুতে চিৎকার, কান্নাকাটি, তারপর দালানের বাইরে থাকা প্রিয়জনদের কাছে নিজের শেষ শক্তিটুকু দিয়ে ফিসফিস করে জানানো বাঁচার আকুতি। এসব শুনেও সেই প্রিয়জনরা সরঞ্জামের অভাবে ভাঙা দালান সরিয়ে বের করে আনতে পারেননি কাউকেই। চোখের সামনে তারা দেখছেন ভালোবাসার মানুষগুলো একটু পানি চাইতে চাইতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারছেন না।
এমন অবস্থা প্রত্যক্ষ করার পর কারো পক্ষে কি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া সম্ভব? অথচ, গাজাবাসীর জন্য এটাই বাস্তবতা- যা ক্রমশ আরও খারাপ হচ্ছে- আর এই বাস্তবতার সঙ্গে গাজার প্রতিটি ফিলিস্তিনিকে মানিয়ে নিতে হচ্ছে।
আরেকটু কল্পনা করুন, ঢাকার সব হাসপাতালে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং সন্দেহভাজন হামাস-সমর্থক হিসেবে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভেবে দেখুন, পুরো ঢাকায় কোনো হাসপাতাল নেই যেখানে কোনো ধরনের চিকিৎসা পাওয়া যাবে। কোনো হাসপাতালে ওষুধ নেই, চিকিৎসা উপকরণ নেই। আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার কোনো উপায় নেই। প্রিয়জনের কোলেই বিনাচিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে তারা।
ভাবুন যে খাদ্য, পানি ও নিত্যপণ্যসহ সবকিছুর সরবরাহের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া রয়েছে।
কয়েক সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞার পর সামান্য পরিমাণ খাদ্য ও নিত্যপণ্য প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। যখন অভুক্ত ফিলিস্তিনিরা এই সামান্য খাবার সংগ্রহের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াল, তখন তাদের ওপর গুলি চালানো হলো। বোমা বর্ষণ করা হলো।
মিশর ও গাজা সীমান্তের একটি ছোট্ট শহর রাফার কথাই ধরুন। ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের হাত থেকে বাঁচতে গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের মধ্যে ১৫ লাখই সেখানে জড়ো হয়েছেন। কিন্তু সেখানেও বিশ্বকসাই ইসরাইলের নৃশংস গণহত্যা।
রাফায় স্থল অভিযানের মানে কী? আবারও ঢাকার উদাহরণ দেওয়া যাক। শহরের কোনো এক কোণায় ১৫ লাখ অসহায়, গৃহহীন, অভুক্ত মানুষ খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করবে এমন এক বাহিনী, যারা বিশ্বের সবচেয়ে নৃশংস সেনাবাহিনীর অন্যতম। বলাই বাহুল্য, বিমান ও ড্রোনের মাধ্যমে তাদের ওপর বৃষ্টির মতো প্রাণঘাতী বোমাও বর্ষণ করা হবে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় টোকিও, লন্ডন, ড্রেসডেন ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার গ্রামগুলোতে বোমাবর্ষণ ও তার পরবর্তী দৃশ্যগুলো যদি ধরা হয়। কিন্তু সেগুলো ছিল যুদ্ধ এবং দুই বা ততোধিক সার্বভৌম দেশ অথবা সুপ্রতিষ্ঠিত গেরিলা সংগঠনের মধ্যে সেসব যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সেগুলো এমন ছিল না যে, একটি পক্ষ বেসামরিক ও নিরস্ত্র এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত একটি দেশ।
শুরুতে গাজায় নির্বিচার বোমাবর্ষণ ও হামলা হয়েছে। এরপর রাফার ১৫ লাখ অরক্ষিত শরণার্থীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত স্থলহামলা। এটা গণহত্যা ছাড়া আর কিছুই না, যার মাধ্যমে গাজা বিশ্বের সবচেয়ে বড় কবরস্থানে পরিণত হবে। এই হামলা পরিচালনা করবে এমন সব সেনারা, যারা ফিলিস্তিনিদের প্রতি মোটেই সংবেদনশীল নয়। তাদের শেখানো হয়েছে ফিলিস্তিনিদের মানুষ হিসেবেই বিবেচনা না করতে। তাদের শেখানো হয়েছে, ফিলিস্তিনিরা এমনই এক নিম্নগোত্রের প্রাণী, যারা মানুষ হিসেবে ন্যূনতম সম্মান পাওয়ার যোগ্য নয়।
এখনো কি বিশ্ববাসী শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে থাকবে, আর গৎবাঁধা কিছু বুলি আউড়ে যাবে? যখন সভ্যতার পরিচয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত সব ধরনের মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও আদর্শকে নেতানিয়াহুর রক্তপিপাসু সরকার ভূলুণ্ঠিত করতে থাকবে, আমরা কি তখনো নিশ্চুপ থাকব?
সংবাদ শিরোনাম হয়েছে-
‘ঘাস খাচ্ছে গাজার বাসিন্দারা, পান করছে দূষিত পানি’
প্রকাশ : মার্চ, ২০২৫
ইসরাইল-হামাসের দীর্ঘ সংঘাত গাজার মানবিক সংকটকে প্রকট করছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে চলমান এই যুদ্ধে গাজা উপত্যকা এখন দুর্ভিক্ষের কিনারে এসে পৌঁছেছে। ইসরাইলের হামলায় নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে সব ফেলে এককাপড়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন লাখ লাখ গাজাবাসী। আর উপত্যকাটির ২২ লাখের বেশি মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তা হলো খাবার। তাদের সামনে খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানিও নেই। ক্ষুধা মেটাতে তাদের অনেকেই খাচ্ছেন ঘাস, পান করছেন দূষিত পানি।
খাবারের খোঁজে দিশেহারা গাজাবাসী, খাচ্ছে কচ্ছপের গোশত
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৫
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় খাদ্যের ব্যাপক অভাব দেখা দেওয়ায় কিছু হতাশ পরিবার শক্তির উৎস হিসেবে সামুদ্রিক কচ্ছপ খাওয়ার দিকে ঝুঁকছে। খোসা ছাড়ানোর পর গোশত কেটে, সেদ্ধ করে পেঁয়াজ, গোলমরিচ, টমেটো এবং মশলার মিশ্রণে এগুলো রান্না করে খাওয়া হচ্ছে।
আশ্রয় শিবিরে কাঠের আগুনে একটি পাত্রে লাল গোশতের টুকরোগুলোর দিকে নজর রাখতে রাখতে মাজিদা কানান বলছিলেন, বাচ্চারা কচ্ছপকে ভয় পেত, আর এখন আমরা তাদের বলেছি এটি বাছুরের মতোই সুস্বাদু! বাচ্চাদের মধ্যে কেউ কেউ খেয়েছিল, কিন্তু অন্যরা এটি খায়নি।
কয়েকদিন পর ‘আমরা হয়তো বালু খাব’: গাজায় নারীর আক্ষেপ
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় টানা ৬০ দিন ধরে কঠোর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এ সময়ের মধ্যে কোনো খাবার, জ্বালানি বা ওষুধ প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ফলে চরম মানবিক সংকটে পড়েছে গাজার বাসিন্দারা।
বর্তমানে গাজায় টিনজাত শাকসবজি, ভাত, পাস্তা ও মশুর ডাল খেয়েই বেঁচে আছে মানুষ। গোশত, দুধ, পনির ও ফল সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। এমনকি রুটি ও ডিমও এখন দুষ্প্রাপ্য। বাজারে যেসব সামান্য পণ্য পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর দাম এত বেশি যে বহু মানুষ তা কিনতে পারছেন না।
ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো জানিয়েছে, তারা এখন শিশুদের মুখেও খাবার তুলে দিতে পারছেন না। গত শুক্রবার মরিয়ম আল-নাজ্জার নামের এক নারী জানান, তার পরিবারের ১১ জন সদস্য সেদিন শুধু একবেলা ভাত, টিনজাত মটর দানা ও গাজর খেয়ে দিন কাটিয়েছেন, বাকি সময় তারা না খেয়েই ছিলেন।
বার্তাসংস্থা এএফপিকে এই নারী বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের কাছে শুক্রবার একটি পবিত্র দিন। এদিন পরিবারগুলো গোশত, ভালো শাকসবজি এবং অন্যান্য খাবার খায়। কিন্তু এখন আমরা শুক্রবারে মটর দানা আর ভাত খাচ্ছি। আমরা এ যুদ্ধের আগে জীবনে কখনো টিনজাত সবজি খাইনি। এ যুদ্ধ আমাদের জীবনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন কোনো খাবার এখন পাই না যেগুলো আমাদের প্রোটিন ও পুষ্টি দেবে। ’
পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুমান করে তার শঙ্কা- দখলদার ইসরায়েল যেহেতু এখনো তাদের অবরোধ ও আগ্রাসন চালিয়ে রেখেছে তাতে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, খাবারের অভাবে ‘কয়েকদিন পর হয়তো আমরা বালু খাব। ’
বিশ্বে বৈষম্য, শোষণ, দমন ও হত্যার ভুরিভুরি উদাহরণ থাকলেও ইসরায়েলিরা নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যে বর্বর আচরণ করে যাচ্ছে, বিশ্বের ইতিহাসে তার দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত নেই?
গাজায় যা ঘটছে, তার চিত্র একটিবার মনের মধ্যে এঁকে দেখুন। গাজা উপত্যকা ৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ছয় থেকে ১২ কিলোমিটার প্রশস্ত। এর মোট আয়তন ৩৬৫ বর্গকিলোমিটার। ঢাকার আয়তন ৩০৬ দশমিক ৪ বর্গকিলোমিটার হওয়ায় এর মাধ্যমে গাজার আয়তনের একটা তুলনামূলক আকার ধারণা করে নেওয়া সম্ভব, যদিও জনসংখ্যার তারতম্য অনেক।
এবার ভাবুন, ঢাকার উত্তরে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলা হলো দক্ষিণে চলে যেতে। এরপর সেখানে রাতদিন নির্বিচারে বোমা হামলা চালানো হলো।
টেলিভিশনের সংবাদ যেন গাজার নিত্যদিনের বীভৎস হত্যা ও ধ্বংসকে পাশের রুমের ঘটমান চিত্র হিসেবে আমাদের সামনে হাজির করছে। এ যেন পাশের কক্ষে শব রেখে বা মৃত্যুপথযাত্রীকে রেখে দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে নেওয়ার ব্যাপার।
প্রশ্ন হলো, এভাবে গণমাধ্যমে ক্রমাগত অপরাধ ও নেতিবাচক খবর শুনতে শুনতে মানুষের চেতনা, সংবেদনা এবং বিবেক কি এসব সইতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে? তদুপরি সর্বাত্মক বাণিজ্যিকীকরণের এই কালে মানুষের মনোযোগ কেড়ে নেওয়ার জন্য রয়েছে বাজারের আকর্ষণ সৃষ্টির সার্বক্ষণিক তৎপরতা। একালের মানুষ সেই ফাঁদে পা না দিয়ে পারেনি। তাই মানুষ নিয়ে মানুষের অতৃপ্তি, অনুশোচনার শেষ নেই। সবার চোখের সামনে মানুষের এই পরিণতি ঘটে চলেছে।
এই হীন কাজটি ইসরায়েল একক শক্তিতে করছে না। তার অস্তিত্ব রক্ষার নৈতিক অধিকারের যুক্তি দেখিয়ে গাজায় আক্রমণ চালানোর জন্য নৈতিকসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমা শক্তিগুলো। আপাতত তারা কেউই ইতিহাসের দায়, মানবাধিকার কিংবা নিছক বিবেকের দায়ের কথাও ভাবছে না।
গত ৭ অক্টোবর স্বাধীনতাকামী হামাস বীরদের ঝড়ে পর্যদুস্ত হওয়া দখলদার ইসরাইল নিজের পরাজিত চেহারাটা লুকানোর যে কাপুরুষোচিত পন্থা বেছে নিয়েছে এবং গাজা উপত্যকাজুড়ে একের পর এক যে ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে- ফিলিস্তিনের ঈমানদার জনগোষ্ঠী তাতে একটুও বিচলিত হয়নি। এটাই হল অর্জন। এখানেই তাদের জয় এবং দখলদারের পরাজয়। গাজার তা-বলীলার দিনগুলোতে শহীদদের স্বজনকে এবং যারা আহত হয়েছেন তাদেরকেও বারংবার বলতে শোনা গেছে ‘হাসবুনাল্লাহ ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল। ’ অর্থাৎ মহান আল্লাহ্ পাকই আমাদের জন্য যথেষ্ট। তিনিই উত্তম অভিভাবক।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












