মন্তব্য কলাম
কেবল কুরবানীর পশুই বিক্রি হয় ১ লাখ কোটি টাকার পাশাপাশি চামড়া সংশ্লিষ্ট খাত, খামার সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থান, মশলার বাজার ইত্যাদি মিলিয়ে মোট কুরবানী অর্থনীতির আকার প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার শুধুমাত্র চামড়াই নয় বর্তমানে বাংলাদেশে গরুও রপ্তানী হচ্ছে ভারতের গরু ব্যবসায়ী থেকে কুখ্যাত মোদীর মাথায় এখন হাত
তবে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করলে এ খাতে ৫ লাখ কোটি টাকাও আয় সম্ভব। ইনশাআল্লাহ!
, ০৬ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৪ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৩ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
প্রতিবছরের মতো এ বছরও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশে কুরবানীযোগ্য গবাদি পশুর সংখ্যা নিরূপণ করেছে। এ বছর কুরবানীযোগ্য সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি গবাদি পশুর প্রাপ্যতা আশা করা যাচ্ছে। এবার হৃষ্টপুষ্টকৃত গবাদি পশুর মধ্যে ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি গরু-মহিষ, ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০টি ছাগল-ভেড়া এবং ৫ হাজার ৫১২টি অন্যান্য প্রজাতি রয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৫টি গবাদি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। তবে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন প্রকৃত সংখ্যা সরকারী হিসেবের চেয়ে অনেক বেশী।
কুরবানী কেবল গবাদি পশুর বেচাকেনার অর্থনীতি নয় বরং তা হলো বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক তৎপরতা, যা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিকে বিশেষ গতি সঞ্চার করে। কুরবানী হলে একদিকে যেমন গবাদি পশু ক্রয় করেন কুরবানীদাতারা, অন্যদিকে খামারি বা প্রান্তিক কৃষকরা গবাদি পশু বিক্রি করে তাদের প্রয়োজনীয় সওদা করেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয় মসলার বিরাট বাজার, পশুর খাবার, জবাই করা ছুরি, গোশত কাটার সরঞ্জাম, গোশত কাটা ও বণ্টনে নিযুক্ত কর্মীদের আয়-রোজগার ও চামড়া ক্রয়-বিক্রয়। সব মিলিয়ে এক বিরাট অর্থনৈতিক কর্মকা- সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ে কুরবানীকেন্দ্রিক অর্থনীতির প্রভাব। কুরবানীর আগে ও পরে এ ঈদকে উপলক্ষ করে হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়। এই মহাকর্মকা-কে কেন্দ্র করে লাখো-কোটি মানুষের অস্থায়ী কর্মসংস্থান এবং আয়-রোজগারের ব্যবস্থা হয়। এর মাধ্যমে দেশের জিডিপিও সমৃদ্ধ হয়।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সেতু ডেইরি ফার্মের সত্বাধিকারী সাজ্জাদ হোসেন সেতু কুরবানীর ঈদ সামনে রেখে কয়েক মাস ধরে ১২টি গরু লালন-পালন করছেন। এর মধ্যে গত রোযার ঈদে ছয়টি গরু বেশ ভালো দামে বিক্রি করেন। আর এখন কুরবানীর ঈদে বাকি ছয়টি গরু বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গরু লালন-পালনের পাশাপাশি তিনি এআই কর্মী হিসেবে প্রতি মাসে ১৫০ থেকে ২০০টি কৃত্রিম প্রজনন করান। তার এই কার্যক্রমের মাধ্যমে এলাকায় গরু লালন-পালনে যথেষ্ট স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন স্থানীয় তরুণ ও নারীরা। ওই অঞ্চলে আনুমানিক আড়াই মণ ওজনের প্রতিটি গরু ৮০ থেকে ৯৫ হাজার টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
আরেকটু বড় আকারের আনুমানিক পাঁচ মণ ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকায়। মাঝারি আকারের গরুর দাম এখনো বেশ ভালো পাওয়া যাচ্ছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) প্রাথমিক হিসাবে দেশে এবার শুধু ১ লাখ কোটি টাকার কুরবানীর পশুই বিক্রি হবে।
এর মধ্যে অনলাইনে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। কুরবানীর সময় বিভিন্ন পশুর ৯০ থেকে এক কোটি চামড়া সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে মোট চাহিদার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সরবরাহ করা হয় কুরবানীর ঈদে। সব মিলিয়ে এবারের কুরবানীর অর্থনীতি হবে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা।
সরকারি নিয়ম অনুসারে, প্রতিটি গরু-মহিষ, দুম্বা, ছাগল, ভেড়া ও উটের জন্য বিক্রয়মূল্যের ৫% হারে রাজস্ব দিতে হবে (সূত্র: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন)। এবার শুধু ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি গরু-মহিষ থেকেই সরকারের রাজস্ব পাওয়ার কথা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। অন্যান্য পশু মিলিয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হওয়ার কথা। এ ছাড়া এ বছর কুরবানী হতে যাওয়া ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি গরু-মহিষ প্রতিটি চামড়ার মূল্য গড়ে ১ হাজার টাকা ধরলে এর মূল্য হয় প্রায় ৫৬১ কোটি টাকা। আবার ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০টি ছাগল-ভেড়ার প্রতিটির চামড়ার মূল্য ১০০ টাকা ধরলেও এ বাবদ হয় ৬৮.৫ কোটি টাকা। বাস্তবে এ আয় হাজার কোটি টাকারও বেশী। কুরবানী উপলক্ষে গরু এবং ছাগলের চামড়া মিলিয়ে এই পুরো টাকা যাচ্ছে সরাসরি গরিবদের হাতে।
কুরবানীতে গরু অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে অর্থের সরবরাহ বাড়ায়। গ্রামের পশু শহরে আসে। শহরের টাকা গ্রামে যায়। এসময়ে প্রবাসী আয়ও বেশি আসে। আর কুরবানীর গরুর উৎপাদন মূলত গ্রামকেন্দ্রিক। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করতে কুরবানীর ঈদ বড় ভূমিকা রাখে।
গ্রামীণ অর্থনীতিতে কুরবানীর প্রভাব : ‘নানা দিক থেকে বিবেচনা করলে এখন কুরবানী ঈদে অর্থনীতির আকার দুই লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এক লাখ কোটি টাকার হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের পুরোনো। কারণ, গবাদি পশু ছাড়াও এর সঙ্গে আরও অনেক বিষয় যুক্ত হয়েছে। এখানে মশলার বাজার আছে, কসাইদের আয় আছে, পশু খাদ্যের ব্যবসা আছে। কম হলেও এ ঈদেও মানুষ নতুন পোশাক কেনে। ’
‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে কুরবানীর পশু এখন ফিক্সড ডিপোজিটের মতো। গৃহস্থ, ছোট ছোট কৃষক চার-পাঁচটি গরু লালন-পালন করে কুরবানীর বাজারে বিক্রি করে। এখান থেকে বছরে সে ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করে; যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে। ’ ‘কুরবানীর গরুসহ গবাদি পশুর মানও ভালো। কারণ, এগুলো যতœ নিয়ে লালন-পালন করা হয়। ’
চামড়া রপ্তানির সম্ভাবনা : কুরবানীর ওপর ভর করেই সম্প্রসারিত হচ্ছে দেশের চামড়া শিল্প। মোট চামড়ার ৬০ থেকে ৭০ ভাগই সংগৃহীত হয় কুরবানীর ঈদে। কুরবানীর সময় চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা জড়িত। লবণ হলো চামড়া সংরক্ষণের অন্যতম উপাদান। কুরবানী উপলক্ষে লবণের ব্যবসাও চাঙ্গা হয়। চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজন হয় বিপুল জনবলের। তখন শ্রমিকরা পান তাদের শ্রমের চড়ামূল্য। দেশের বিভিন্ন স্থানে চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, বাংলাদেশে রপ্তানি খাতে চামড়ার অবস্থান তৃতীয়। জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে ইতালি, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মান, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রচুর চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করা হয়।
মসলার ব্যবসা : কুরবানীর পশুর গোশত আমিষ জাতীয় খাদ্যের উপাদান। এটি রান্না করতে প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত নানা মসলা দ্রব্যের। শুধু কুরবানী উপলক্ষে এ ক্ষেত্রে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার মসলার ব্যবসা হয়ে থাকে বলে জানা গেছে।
চামড়া শিল্পের রপ্তানি আয় : বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য অন্যতম পণ্য হলো পশুর চামড়া। অংকে এর পরিমাণ ১০০ কোটি ডলার। এর অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় ২০০ কোটি ডলারের। তাই সম্ভাবনা খাত হিসেবে বিবেচনা করে ২০১৭ সালে চামড়াকে ‘বার্ষিক পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চামড়া শিল্পের রপ্তানি আয় ছিল ১০১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার; যা নিঃসন্দেহে অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চামড়া সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মান- নিশ্চিত করা গেলে এবং সরকার এর প্রতি আন্তরিক হলে বছরে পাঁচশ’ কোটি ডলারের চামড়া পণ্য রপ্তানি সম্ভব। এ বৃহৎ শিল্পের অধিকাংশ সংগ্রহই হয়ে থাকে কুরবানীর সময়। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে পুরো বছর যে গরু জবাই হয়, এর প্রায় অর্ধেকই হয়ে থাকে কুরবানীর সময়। তারা আরও জানিয়েছেন, বছরে মোট চামড়া সংগ্রহ হয় ২২ কোটি বর্গফুট। এর মাঝে ১০ কোটি বর্গফুটই সংগ্রহ হয় কুরবানীর মৌসুমে। বিশ্ববাজারে এ দেশের সব ধরনের চামড়ার চাহিদা রয়েছে। বিশ্বে প্রথম শ্রেণির চামড়া ও চামড়াজাত প্রস্তুতকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বে চামড়া খাতে রপ্তানির শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে বাংলাদেশের। চর্মজাত সামগ্রী তথা জুতা, স্যান্ডেল, জ্যাকেট, মানিব্যাগ, ওয়ালেট ব্যাগ ইত্যাদি রপ্তানি করে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে থাকে। যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে বেশ ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে।
চামড়া শিল্পে কর্মরত অগণিত মানুষ : শিল্প মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে প্লটের সংখ্যা ২০৫টি, শিল্প ইউনিটের সংখ্যা ১১৫টি, চালু ট্যানারি সংখ্যা ১২৩টি। এসব প্রতিষ্ঠানে ৬ লাখের অধিক মানুষ কর্মরত। তাদের অর্থনৈতিক জীবন নির্ভর করে এ চামড়া শিল্পের ওপর।
অন্যদিকে বাংলাদেশে গরু রপ্তানি করতে না পারায় এখন মাথায় হাত ভারতীয়দের। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যের প্রায় ৩০ লক্ষ গরু আটকে গেছে রপ্তানি করতে না পারায়। যাতে ভারতের ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি রুপিরও বেশি।
দেশের চরাঞ্চল গুলোতে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গড়ে তোলা হয় গরুর খামার। যেসব খামারের উৎপাদন এখন এতটাই বেশি যে কুরবানীর এই বিশাল পরিমাণ চাহিদা পূরণ করে এবার বিদেশেও রপ্তানি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের গরু। মালয়েশিয়া-ওমান এমনকি আফ্রিকার সাথেও ইতিমধ্যে গরু রপ্তানির চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে বাংলাদেশের।
সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা, লালমনিরহাটের চরাঞ্চল গুলোতে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু খামার। এর পাশাপাশি দেশের ৩০টি জেলায় খামার গড়ে ওঠায় ভারতীয় গরু আর আমদানি করতে হচ্ছে না বাংলাদেশকে।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, আসাম, ঝাড়খন্ডসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সেদেশের মানুষ। একটা সময় এসব গরু কুরবানীর ঈদের আগে বাংলাদেশে রপ্তানি করতো তারা। তবে এবার সেই সুযোগ না থাকায় রীতিমতো এখন কপালে চিন্তার ভাঁজ এসব খামারী থেকে শুরু করে কুখ্যাত মোদিরও।
ভারতে গরু হত্যা নিষিদ্ধ হওয়ায় এখন যেনো গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে ভারতের এসব গরু। বাংলাদেশকে বয়কট করতে গিয়ে এখন নিজেদেরই মাথায় হাত কুখ্যাত মোদি সরকারের। বাংলাদেশী পর্যটকের অভাবে যখন না খেয়ে মরার দশা পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীদের ঠিক তখনই এবার বাংলাদেশ গরু আমদানি করা বন্ধ করে দিয়ে নতুন করে বিপর্যস্ত করলো হিন্দুত্ববাদীদের।
দ্বীন ইসলামে কুরবানী একটি অকৃত্রিম দ্বীনী উৎসব অর্থনীতি। এটি যদিও একটি ইবাদত। তবে হজের মতো একে কেন্দ্র করেও যুগে যুগে নানাভাবে উৎসব অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। শুধু গরু বা কুরবানীর পশু নয়, শপিং, কেনাকাটা ইত্যাদি অর্থনৈতিক কার্যক্রমও এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া আরও বিভিন্ন দিক থেকে কুরবানীর সঙ্গে অর্থনীতির নানা কার্যক্রম জড়িয়ে আছে। সামগ্রিকভাবে যা দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে। আমরা মনে করি, এ খাতে যদি দুর্নীতি, ঘাটে ঘাটে চাঁদা, অনৈতিক দালালি, চামড়া মূল্য সিন্ডিকেট, চামড়া পাচার ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণকল্পে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তাহলে কুরবানী ‘প্রধান অর্থনীতি’ হয়ে দেশের জিডিপিতে ৫ লাখ কোটি টাকার অবদান রাখতে পারে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












