বাংলাদেশের স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে ‘শরীফার গল্প’ নামক একটি অধ্যায় নিয়ে বেশ বিতর্ক শুরু হয়েছে। ‘ট্রান্সজেন্ডার’ ইস্যু নিয়ে হচ্ছে আলোচনা সমালোচনা। গল্পের ভেতর কয়েকটি বিষয় শিক্ষার্থীদের বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে, আমরা সেগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।
যেমন-
১. গল্পের ভেতর প্রশ্ন করা হয়েছে, “আমরা নিজেদের ছেলে এবং মেয়ে বলে আলাদা করে চিনি কিভাবে?” উত্তরে গল্পেই বলা হয়েছে, “আমরা যে মানুষকে শারীরিক গঠন দেখেই কাউকে ছেলে বা মেয়ে বলছি সেটা সবার ক্ষেত্রে সত্যি নয়। ”
অর্থাৎ গল্পটি বাচ্চাদের যা শেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তার সারসংক্ষেপ বাকি অংশ পড়ুন...
আর কয়েকদিন পর শবে মেরাজ। বাংলাদেশে অনেক উপলক্ষে বাধ্যতামূলক ছুটি থাকলেও শবে মিরাজ উপলক্ষে ছুটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং ঐচ্ছিক। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে এটা সত্যিই একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি দেয়া হয় শবে বরাত, শবে ক্বদর, আশুরা শরীফে। কিন্তু দিবস গুরুত্বের বিবেচনায় শবে মেরাজের গুরুত্ব শবে বরাত, শবে ক্বদর ও আশুরা শরীফ থেকে অনেক অনেক উপরে। শবে বরাতে দুয়া কবুল হয়, মানুষের ১ বছরের ভাগ্য গঠিত হয়। শবে ক্বদরে পবিত্র কুরআন শরীফ নাজিল হয়।
আশুরা শরীফে পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছে এবং কেয়ামত বাকি অংশ পড়ুন...
একটি বিষয় মনে রাখতে হবে-
মানুষ তার জীবনে কিছু জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে তার জীবিকা নির্বাহ করে। যেমন- কেউ ডাক্তার হয়, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ আইনজীবি, কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ সাংবাদিক, কেউ শিক্ষক, কেউবা আমলা। কিন্তু এই জ্ঞান ও দক্ষতার পুরোটাই সে ব্যয় করে অর্থ উপার্জনের জন্য। কিন্তু এই জ্ঞান ও দক্ষতা কি তিনি কখনও দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন? উত্তর- করেনি। প্রায় সবাই পেশা ও দ্বীন ইসলামকে আলাদা করে রেখেছেন। হয়ত কেউ কেউ পেশা থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ করেছেন। এই অর্থ দানকেই ত বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান মুসলমানদের অধিকাংশের বক্তব্য হচ্ছে, “পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে কাজ করার খুব ইচ্ছা। কিন্তু চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে এত ব্যস্ত থাকা হয় যে, দ্বীনের কাজ করার জন্য সময় বের করা যায় না।”
মূলত দ্বীন ইসলাম উনার কাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ। কিন্তু বুঝানোর সাপেক্ষে আমরা এখানে যদি এখানে দ্বীনের কাজকে শখ হিসেবে ধরি, আর হালাল রিজিক তালাশের জন্য চাকরি বা ব্যবসা-বাণিজ্যকে যদি পেশা ধরি,
তবে বলতে হয়, বর্তমানে মুসলমানরা শখ ও পেশাকে আলাদা করে রেখেছে,
শখ ও পেশা আলাদা থাকায় মুসলমানরা দ্বীনের জন্য কাজ করতে পারছে ন বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে এখন রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বন্ধ। এতে দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে বেওয়ারিশ কুকুর। এমন কোন অলি, গলি, রাস্তা নেই যেখানে কুকুরের দল নেই। দিন-দুপুরে অনেক রাস্তায় চলাচল করা এখন আতঙ্কের বিষয়। কখন বেওয়ারিশ কুকুর যেন হামলে পরে।
গত কিছুদিনে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর বলছে-
১. ফেনীর পরশুরামে কুকুরের কামড়ে আহত ২০ (তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩)
২. মৌলভীবাজারে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৫ (তথ্যসূত্র: দৈনিক বাংলা, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩)
৩. গোলাপগঞ্জে কুকুরের কামড়ে শিশু ও নারীসহ আহত ১২ (তথ্যসূত্র: জিভয়েস২৪, ১ ডিসেম্বর, ২০২ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি দেশে উৎপাদিত ড্রাগন ফল নিয়ে একটি মহল বিভ্রান্তি তৈরী করছে। ‘ড্রাগন ফল কিভাবে এত বড় হয়’ এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করে দাবী করা হচ্ছে, বিষাক্ত রাসায়নিক বা টনিক ব্যবহার করে এর আকার বড় করা হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা ড. মেহেদি এ সম্পর্কে বলেছেন, “বাজারে ড্রাগন ফল নিয়ে যে অপপ্রচার হচ্ছে সেটা মোটেও ঠিক নয়। কারণ, পৃথিবীর সব দেশে ফল বড় করা এবং ফুল বেশি হওয়ার জন্য পিজিআর ব্যবহার করা হয়। এর ব্যবহারে কোনও স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই। বিজ্ঞানের এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে যদি আমাদের চাষি ভাইয়েরা ফলের আকার বড় করেন, সেখানে স্বাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
৫. মশিউজ্জামান সাহেব বললেন, “স্কুলের নতুন কারিকুলাম অনুসারে পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং-মেডিকেল-জেনারেল ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের ভর্তি প্রক্রিয়ায় সংশোধন পরিমার্জণ করবে। ”
লক্ষ্য করুন, বর্তমানে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণ কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুসারে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কোয়ালিটি গ্রাজুয়েট যোগান দিতে পারছে না। এজন্য কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুসারে ইঞ্জিনিয়ারিং-মেডিকেল-জেনারেল ইউনিভার্সিটিগুলোর শিক্ষা পদ্ধতি সাজানো উচিত। আবার ইঞ্জিনিয়ারিং-মেডিকেল-জেনারেল ইউনিভার্সিটিগুলোর চাহিদা অনুসারে কলেজগুলোর শিক্ষা পদ্ধতি সা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি নতুন শিক্ষা কারিকুলাম নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরী হওয়ার পর জাতীয় পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তা প্রফেসর মুহম্মদ মশিউজ্জামান এক বক্তব্যে বলেছেন, বর্তমান কারিকুলাম এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিখবে, সেখানে মুখস্ত শেখার কোন স্থান নেই। একই সাথে তিনি বলেছেন, উনারা যেভাবে বলবেন, ইঞ্জিনিয়ারিং-মেডিকেল-জেনারেল ইউনিভার্সিটিগুলোগুলো সেভাবেই তাদের ভর্তি মূল্যায়ন ঠিক করে নেবে, তাই অভিভাবকদের চিন্তা করার কিছু নেই।
গত কয়েকদিনে প্রফেসর মুহম্মদ মশিউজ্জামান সাহেবসহ পাঠ্যক্রমের পক্ বাকি অংশ পড়ুন...
পটল নিয়ে মুশকিল হল একই সবজিকে ঘিরে দুই চরম শব্দবন্ধ। পটল খাওয়া আর পটল তোলা! একই শব্দ অথচ কী মারাত্মক দুই অর্থ!
সবজির বাজারে পটল যথেষ্ট গুণবান। তাহলে এমন উপকারি পটলের সঙ্গে পটল তোলার মতো ব্যতিক্রম বিষয় জড়ালো কীভাবে?
পটল ভাজা খান, পটলের দোলমা খান, পটল কীমা খান, আলু-পটল, দই-পটল, সর্ষে পটল সবই খান কিন্তু পটল তুলতে যাবেন না মোটেও। বাংলায় পটল সুস্বাদু হলেও অভিধান বলছে পটল তোলা মানে মারা যাওয়া। পটল তোলার ইংরেজি প্রতিশব্দ উরব, করপশ ঃযব নঁপশবঃ, ঈৎড়ধশ- সবগুলোর অর্থই মারা যাওয়া।
আসলে কোনও ফলদায়ী পটল গাছের সবগুলো পটল তুলে ফেললে গাছটি মারা যায়, স বাকি অংশ পড়ুন...












