ঐতিহাসিকদের এ ধরনের তথ্য যদি সত্য হয়, তবে একাত্তরে বাংলাদেশকে ভারত যতটুকুই সাহায্য করেছিলো, তার মূল উদ্দেশ্য কখনই নিঃস্বার্থ ছিলো না, বরং বাংলাদেশকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে গ্রাস করে নেয়াই ছিলো ভারতের উদ্দেশ্য। অর্থ্যাৎ সদ্য জন্ম নেয়া দুর্বল বাংলাদেশের সামরিক-বেসামরিক ও অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাদের হাতে এই উদ্দেশ্যে তারা বাংলাদেশকে সাহায্য করে।
কিন্তু তাদের এ আশায় গুড়ে বালি হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্ত হওয়ার পর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় অস্থায়ী সরকার যেই বাকি অংশ পড়ুন...
আজকাল ভারতীয়রা প্রায়শঃ একটা কথা বলে, “ভারত বাংলাদেশকে ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছিলো, সুতরাং বাংলাদেশীদের উচিত ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।”
এ কথার পাল্টা একটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেয়, ভারত বাংলাদেশকে সাহায্য করেছিলো বুঝলাম, কিন্তু কেন সাহায্য করেছিলো? এর পেছনে কি ভারতের কোন স্বার্থ ছিলো? নাকি নিঃস্বার্থ সাহায্য ছিলো?
এজন্য আসলে প্রথমেই জানা দরকার ১৯৭১ সালে কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো?
পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিলো, একটি পশ্চিম পাকিস্তান, অন্যটি পূর্ব পাকিস্তান। পশ্চিম পাকিস্তানে কয়েকটি জাতিগোষ্ঠীর বসবাস- পাঞ্জাবি, স বাকি অংশ পড়ুন...
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে ডিভাইস বলতে বলতে বোঝায়, এক ধরনের ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ব্যবহার। যা কানের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি দিয়ে কথা বলা ও শোনা যায়।
আর পরীক্ষার হলে প্রক্সি বলতে বোঝায়, চেহারা বা মুখচ্ছবির মিল থাকায় একজনের বদলে অন্যজন পরীক্ষা দেয়া।
পরীক্ষার হলে ডিভাইস সমস্যার সমাধান কোথায়?
ডিভাইস সমস্যার সমাধান হচ্ছে নেটওয়ার্ক জ্যামার প্রযুক্তি ব্যবহার করা। নেটওয়ার্ক জ্যামার হচ্ছে এক ধরনের যন্ত্র, যা ব্যবহার করলে কোন ধরনের নেটওয়ার্ক সেখানে কাজ করবে না। ফলে কোন ডিভাইস তার শরীরে লুকানো থাকলেও সেটা ব্যবহার করতে পারবে বাকি অংশ পড়ুন...
গত কয়েক দিন আগে ভ্যান থেকে কমলা কিনতে গেলাম। দোকানদার বিদেশি কমলার অনেক সুনাম করলো। বিদেশি কমলা নাকি বেশি সুস্বাদু।
আমি বললাম, আমিতো দেশি কমলা চাই। দামে কম মানেও ভালো। দোকানদার বলল, দেশি কমলা কেউ নেয় না। মাঝে মাঝে দাম কমের জন্য দুই একজন চায়, তাই রাখি না।
দোকানী কথা বার্তার এক পর্যায়ে নিজে বলা শুরু করলো, বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় এলসি খুলতে হয়। এরপর বললাম, বাংলাদেশের টাকা কি কেনা যায়। দোকানী বলল, টাকাকে ডলারে রূপান্তর করে কিনতে হয়। তার মানে আমার দেশে টাকা ডলার হয়ে বিদেশ চলে যাচ্ছে।
বাংলাদেশে অনেক কিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। সমস্ বাকি অংশ পড়ুন...
লক্ষ্য করবেন, বাস্তব দুনিয়াতে আমরা সমাজ বলতে বুঝি এমন একটি স্থান, যেখানে অনেক মানুষ একত্রে বসবাস করে, যেখানে নিজস্ব নিয়ম-কানুন প্রথা সংস্কৃতি আছে। কিন্তু এই সব ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের লোকরা প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে নতুন ভার্চুয়াল সমাজ বানাতে চায়। যেই ভার্চুয়াল সমাজের নাম দিয়েছে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া। মানুষ আগে সমাজের মানুষের সাথে মেলামেশা করতো, গল্প গুজব করতো, সময় কাটাতো। কিন্তু এখন মানুষ বাস্তব সমাজে আর সময় দেয় না। এখন মানুষ তাদের বানানো নতুন ভার্চুয়াল সমাজ, মানে সোশাল মিডিয়ায় সময় দেয়। মেসেঞ্জার বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েক বছর আগে ‘করোনা ভাইরাস’ কে কেন্দ্র করে জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়, সামাজিক দূরত্ব ও লকডাউন। লক্ষণীয় ছিলো, ভাইরাসের ভয় দেখিয়ে সব কিছু অনলাইনে করানো। ক্লাস-পরীক্ষা, অফিস-আদালত, বাজার-সদাই, লেনদেন, সব কিছু বাস্তব দুনিয়া ছেড়ে অনলাইনে বা ভার্চুয়াল জগতে করতে বলা হয়। এজন্য করোনা যখন প্রথম আসে, তখন কেউ কেউ বলেছিলো, করোনা এসেছে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবকে জাগ্রত করতে।
৪র্থ শিল্প বিল্পব কি? মানুষ বাস্তব দুনিয়া ছেড়ে সবকিছু ভার্চুয়াল দুনিয়ায় করবে। কম্পিউটার, মোবাইল, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদিতে অভ্যস্ত হবে।
যেহেতু মানুষ বাস্তব দুনিয় বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ করে কমেছে গরুর গোশতের দাম। গরুর গোশতের হঠাৎ দাম কমার জন্য কয়েকটি কারণ উল্লেখযোগ্য-
১. বাংলাদেশের প্রচুর পরিমাণে গরু উৎপাদন।
২. কোরবানীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কোরবানী না হওয়া এবং প্রচুর গরু রয়ে যাওয়া।
৩. গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কোরবানীতে অবিক্রিত গরুর পালা ব্যয়সাপেক্ষ।
৪. খামারীর কম দামে গরু ছেড়ে দেয়া। কসাইরা কম দামে গরু কিনতে পারা।
৫. সাধারণত গোশতের পাইকারী রেট ও খুচরা রেট ভিন্ন থাকে। কিন্তু বর্তমানে কসাইরা পাইকারী রেট ও খুচরা রেট এক করে গোশত বিক্রি করছে। কেউ ১০০ কেজি নিলেও যে দাম, ১ কেজি নিলেও সে দাম।
৬. কোরবানীর সম বাকি অংশ পড়ুন...
৮. ২০০৮ সালে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করা হলো। ২০২৩ সালে তা আবার বাতিল করা হলো। এই যে ১৫ বছর কোটি কোটি শিক্ষার্থীকে গিনিপিগ বানিয়ে একটি ব্যর্থ পদ্ধতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলো, এর দায় কার? যারা সৃজনশীল নামক ব্যর্থ পদ্ধতি চালু করেছিলো, সেটা বাতিল হওয়ার পর তারা কি জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলো? পূর্বের ব্যর্থ পদ্ধতিতে ক্ষমা না চেয়ে নতুন পদ্ধতি দিয়ে ছোট বাচ্চাদের গিনিপিগ বানানো কতটা যুক্তিয্ক্তু?
৯. যারা দেশের বাচ্চাদের উপর নতুন সিস্টেম চাপিয়ে দিতে চাইছে, তাদের কয়জনের বাচ্চা বা নাতি-নাতনি বাংলাদেশের স্কুলে লেখাপড়া করে তার হিসেবে নেয়া দরকা বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদ দেখে মাস গণনা করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার একটি অপরিহার্য বিধান। অথচ সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারের উম্মুল কুরা চাঁদ না দেখে তাদের মনগড়া পদ্ধতিতে সারা বছরের জন্য একটি ক্যালেন্ডার রচনা করে এবং তা অনুসরণ করে তারিখ গণনা করে যাচ্ছে যা কখনোই সম্মানিত ইসলামী শরীয়তসম্মত নয়। যে ক্রাইটেরিয়া বা শর্ত দিয়ে তারা এই ক্যালেন্ডার রচনা করে সেটাই ভুলে ভরা অর্থাৎ সে অনুযায়ী আকাশে চাঁদ দৃশ্যমান অবস্থায় আসেনা ফলে সঠিক তারিখে মাস শুরু হয়না। চাঁদের আগাম ক্যালেন্ডার রচনা করা সম্ভব কিন্তু তা করতে প্রথমত প্রয়োজন সঠিক ক্রাইটেরিয়া বা শর্ত আর দ্বিত বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুর্হরম ও রজব) তিন (৩) দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় (৯) বৎসর ইবাদতের ছওয়াব লিখা হবে। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, বর্ণনাটি আমি নিজ কানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি।”
বর্ণিত আছে, “যারা পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার মধ্যে রোযা রাখে, তাদের গুনাহ মাফের জন্য হযরত ফেরে বাকি অংশ পড়ুন...












