১. বাংলাদেশে যারা নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করেছে, তাদের দাবী- এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মুখস্ত না করে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শিখবে। কিন্তু বাস্তবে মুখস্ত হ্রাসের কথা বলে বিজ্ঞান বা সাইন্স চ্যাপ্টার-ই হ্রাস করে ফেলা হয়েছে, যা খুবই ভয়ঙ্কর বিষয়।
২. যে অভিজ্ঞতাসমূহ শেখানো হচ্ছে, তাও আর্টস নির্ভর, সাইন্স নির্ভর না। অর্থাৎ নতুন কারিকুলামে একজন শিক্ষার্থী আর্টসে অভিজ্ঞ হলেও সাইন্সে অভিজ্ঞ হবে না।
৩. দাবী করা হচ্ছে, নতুন ক্যারিকুলামে ছাত্রদের সফট স্কিল (যোগাযোগ ক্ষমতা, নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা, দলগত কাজ করা) বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এ সমস্ত স বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে যারা নারী উন্নয়নের কথা বলে, তারা একটা কথা সব সময় বলে, ‘নারী-পুরুষ এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে’। কিন্তু এ বিষয়টি সব সেক্টরে দেখা গেলেও কোন খেলাধূলায় দেখা যায় না। নারী ক্রিকেট, নারী ফুটবল, নারী হকি সবস্থানে নারীরা একা খেলে, কিন্তু নারী-পুরুষ একত্রে খেলে না। টেনিস বা ব্যাটমিনটনে মিক্সড-ডাবল বলে একটা বিষয় আছে, যেখানে একপাশে নারী-পুরুষ একত্রে টিম হয়ে অপরপাশে আরেক নারী-পুরুষ টিমের সাথে খেলে। অর্থাৎ দুইপাশে নারী-পুরুষে ব্যালেন্স থাকে। উল্লেখ্য, দ্বীন ইসলামে খেলাধূলা করা পুরুষ মহিলা সবার জন্যই হারাম।
নারী-পুরুষ যে প বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানেও লক্ষ্য করবেন, বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন এনজিও কাজ করে, যাদের অর্থদাতা বিভিন্ন বিদেশী রাষ্ট্র। স্বাভাবিকভাবে একটা প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা হ্রাসে বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর এত ঠেকা কেন? নিজের গাঁটের টাকা খরচ করে আমাদের উপকার করতে আসছে। আবার লক্ষ্য করবেন, একদিকে তারা বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে টাকা দিচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের যুবক শ্রেনীকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার লোভ দেখিয়ে তাদের দেশে নিয়ে তাদের জনসংখ্যা ঠিক রাখছে। তার মানে বুঝা যাচ্ছে, জনসংখ্যা কোন বোঝা নয়, বরং সম্পদ। তারা বাংলাদেশের স বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি মার্কিন নীতি নির্ধারক কিসিঞ্জার মারা গেছে। একজন বাংলাদেশী হিসেবে তার নামটা শুনলে যে কথাটা সর্বপ্রথম মনে পরে সেটা হলো, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে বাংলাদেশকে সে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিলো। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশকে কেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলো কিসিঞ্জার? কি ছিলো তার উদ্দেশ্য?
এ উত্তর দেয়ার আগে প্রথমেই কিসিঞ্জারের পরিচয় সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। কিসিঞ্জার হচ্ছে জার্মান ইহুদী। নাৎসীদের নির্যাতনে আমেরিকায় পালিয়ে আসা কিসিঞ্জার এক সময় বনে যায় আমেরিকার নীতি নির্ধারক। বর্তমান মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিস্তার বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীদের ফাঁস হয়ে যাওয়া সূদুর প্রসারী ৩০০ বছরের মাস্টার প্ল্যান নিয়ে লিখিত চৎড়ঃড়পড়ষং ড়ভ ঃযব ষবধৎহবফ ঊষফবৎ ড়ভ ুরড়হ- বইটিতে ইহুদীরা মুসলমানদের প্রতি যে কত বিদ্বেষ পোষণ করে সেটাই প্রকাশ হয়েছে।
তবে মনোভাবের দিক দিয়ে অন্যান্য বিধর্মীরাও কিন্তু ইহুদীদের থেকে কম পিছিয়ে নেই। উল্লেখিত প্রটোকলটি অনুধাবন করলেই একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা সম্ভব- মুসলমানদের প্রতি যাদের মনোভাব এত হিং¯্র, তাহলে মুসলমানদের যিনি মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি তাদের মনোভাব আরো কত গভীর- ভ বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া এ ধরনের অর্থনৈতিক অবরোধকে সামাল দিতে রাশিয়া সুইফটের বিকল্প তৈরীর কিছুটা চেষ্টা করেছে। যেমন রাশিয়া এসপিএফএস নামক সুইফেট বিকল্প সিস্টেম তৈরী করেছে। যদিও এখনও তা খুব বেশি অগ্রগতি লাভ করতে পারনি। এজন্য মার্কিনী সম্রাজ্যবাদের ক্ষপ্পর থেকে বাচতে হলে সুইফটের বিকল্প হিসেবে বিশ্বজুড়ে ব্যাংকগুলোর কার্যকরী নেটওয়ার্ক সিস্টেম তৈরী করতে হবে, যার মাধ্যমে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ভয় এড়িয়ে সহজে লেনদেন করা যাবে।
আবার মার্কিনীদের ক্ষপ্পর থেকে বাচতে তাদের সম্রাজ্যবাদকে দুর্বল করার কথা ভাবছে অনেকে। এজন্য তাদে বাকি অংশ পড়ুন...
কিয়ামতের দিন কী কারণে আদম সন্তানের অবস্থা অসহায় বকরীর ন্যায় হবে
১লা সফর, ১৪৪২ হিজরী (ইয়াওমুস সাবত)
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ أَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يُـجَاءُ بِابْنِ اٰدَمَ يَـوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهٗ بَذَجٌ فَـيُـوْقَفُ بَـيْـنَ يَدَيِ اللّٰهِ فَـيَـقُوْلُ اللّٰهُ لَهٗ أَعْطَيْـتُكَ وَخَوَّلْتُكَ وَأَنْـعَمْتُ عَلَيْكَ فَمَا صَنَـعْتَ فَـيَـقُوْلُ رَبِّ جَـمَـعْتُهٗ وَثَـمَّرْتُهٗ فَـتَـرَكْتُهٗ أَكْثَـرَ مَا كَانَ فَارْجِعْنِـيْ اٰتِكَ بِهٖ كُلِّهٖ فَـيَـقُوْلُ لَهٗ أَرِنِيْ مَا قَدَّمْتَ فَـيَـقُوْلُ رَبِّ جَـمَعْتُهٗ وَثَـمَّرْتُهٗ فَـتَـرَكْتُهٗ أَكْثَـرَ مَا كَانَ فَارْجِعْنِـيْ آتِك বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে দুনিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সুপার পাউয়ার বলে দাবী করে। সে চায়, সবাই তাকে শীর্ষ মোড়ল মেনে তার পলিসি মেনে চলুক। কিন্তু কেউ তার পলিসির বিরুদ্ধে গেলে সে ক্ষেপে যায় এবং নানান প্যাচে ফেলে তার পলিসি মানতে বাধ্য করে। মার্কিনীদের দেয়া রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কিংবা সাংস্কৃতিক যে কোন পলিসি না মানলেই সে ঐ দেশটির উপর চাপ তৈরী করে। এজন্য সহসাই কোন দেশ মার্কিনীদের পলিসির বিরুদ্ধে যেতে চায় না। কারণ গেলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীদের হাতে থাকা বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে তাকে ঘায়েল করবে। মার্কিনীদের এ সমস্ত অস্ত্রের মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
আজকাল বিনোদন বলতে মানুষ সবচেয়ে বেশি বুঝে ৩টি বিষয়কে।
১. গান-বাজনাম ২. অভিনয় (নাটক, সিনেমা, মডেলিং), ৩ খেলাধূলা।
অনেকে এদের নির্মল বিনোদনের দাবী করে। অনেকে তো বলেই ফেলে, সমাজকে অপরাধ মুক্ত করার জন্য এসব বিনোদনের দরকার।
কিন্তু শুনতে মন্দ হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, এই ৩টি বিনোদনের নামেই মানুষের মধ্যে যাবতীয় অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রবেশ করছে। ধ্বংস হচ্ছে সামাজিক কাঠামো, নষ্ট হচ্ছে নীতি-নৈতিকতা। এই তিনটি বিনোদনের নামেই মানুষের মধ্যে প্রবেশ করছে নেশা, নারী আর জুয়ার কার্যক্রম।
উদাহরণস্বরূপ, গত কয়েকদিন আগে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে হয়ে গেলো বাকি অংশ পড়ুন...
আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ধর্মবিদ্বেষী লেখিকা তসলিমা নাসরিন একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলো। স্ট্যাটাসটি ছিলো এমন- “সায়েন্স পড় সায়েন্স পড় বলে বলে মানুষকে র্যাশনাল (যুক্তিনির্ভর) হওয়ার উৎসাহ দিয়েছি জীবনভর। লাভ হয়নি। সায়েন্সে পড়া মানুষগুলো, মানে ওই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারগুলো, ফিজিক্স কেমেস্ট্রির পন্ডিতগুলো, বেশির ভাগই দেখি ধর্মের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকে। ধর্মের আজগুবি গপ্প নিয়ে সন্দেহ করে, প্রশ্ন করে,বা ধর্ম থেকে সরে আসে যারা, তারা অধিকাংশই আর্টসের সাব্জেক্ট নিয়ে লেখাপড়া করেছে, সাহিত্য বা দর্শন পড়েছে, আর্ট কলেজে পড়েছে ,ফিল্ম নিয়ে পড়েছে। তা বাকি অংশ পড়ুন...












