ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী মেটাবলিক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত মানুষের শরীরের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় ফলে হৃদপি-, কিডনী, চোখ, স্নায়ু মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। দুই ধরনের ডায়াবেটিসের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি যা ৪০ বছর বয়সের পর প্রকাশ পায়।
এ ধরনের ডায়াবেটিস শরীরে ইনসুলিন অকার্যকর হওয়ার কারণে হয়। আর টাইপ-১ ডায়াবেটিস হয় শরীরে ইনসুলিন তৈরি না হওয়ার কারণে অথবা খুবই অল্প পরিমাণ তৈরি হওয়ার কারণে হয়। ইনসুলিনের মূল কাজ হলো- রক্তের গ্লুকোজের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করা।
বিশ্বে ৪২ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এব বাকি অংশ পড়ুন...
উঁচুনিচু দাঁত, ফাঁকা দাঁত, দাঁতের কামড় না পড়া বা দাঁত না মেলা, দাঁত মেলালে নিচের দাঁত ওপরের তালুতে স্পর্শ করা অথবা ওপরের দাঁত দিয়ে ঢেকে থাকা, প্রান্ত থেকে প্রান্ত কামড়, সামনের দাঁত অস্বাভাবিক সামনে, মাড়ির দাঁতের অবস্থানের অস্বাভাবিকতা, ঘোরানো দাঁত ইত্যাদি নানা সমস্যা যেমন গুরুতর মানসিক কষ্টের কারণ তেমনি মুখের মধ্যে নানা রোগের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
কারণ কী?
দাঁত ও চোয়ালের হাড়ের আকারের আয়তনের অসামঞ্জস্যতা, হাড় বড় হলে বা দাঁত ছোট হলে অথবা উলটো হলে এমন হতে পারে। দুধ দাঁত সময়ের আগে পড়ে গেলে বা নির্দিষ্ট সময়ের পরও রয়ে গেলে, অস্বাভাবি বাকি অংশ পড়ুন...
ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাবের) সাথে দেহের ভেতরের বর্জ্যপদার্থ বের হয়। পাশাপাশি অনেক রোগের নীরব বার্তাও প্রদান করতে পারে। ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাব) সাথে ফেনা দেখা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এ ফেনা কখনো কখনো কিডনী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবেও ধরা হয়।
সাধারণত স্বাভাবিক ইস্তেঞ্জায় অল্প সময়ের জন্য ফেনা দেখা যায়। কিন্তু যদি ফেনা বারবার হয় এবং অনেক্ষণ স্থায়ী এবং বারবার দেখা যায় তা কিডনী রোগের সংকেত হিসেবে ধরা যায়।
সাধারণ কারণ:
দ্রুত বা জোরে ইস্তেঞ্জা বের হলে পানিতে বাতাস মিশে ফেনা তৈরী হয়, যা অল্প সময়েই মিলিয়ে যায়।
দীর্ঘক্ষণ জমে থাকা বাকি অংশ পড়ুন...
কেমন হওয়া উচিত নবজাতকের গড় ওজন?
এটি শিশুর বর্ণ বা গোত্র অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ণ-মেয়াদে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন শিশুর মধ্যে ৮ জন ৫ পাউন্ড থেকে ৮ পাউন্ড ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
আপনার নবজাতকের ওজন যদি উল্লেখিত সীমারেখার মধ্যে থাকে তবে তার আকার নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তার ওজন এর চেয়ে বেশি বা কম হয় তবে আপনার চিকিৎসক নিশ্চয়ই তার সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য কিছু পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিতে পারে।
জন্মের পর নবজাতকের ওজন হ্রাস :
হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর যদি আপনার নবজাতকের ওজন ৫ থেকে ১০ শতাংশ কম বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে প্রকৃতি যেমন শুষ্ক হয়ে ওঠে, তেমনি প্রকৃতির এই শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আমাদের ত্বকও হয়ে যায় শুষ্ক, খসখসে ও নিষ্প্রভ। আর এই শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল ত্বকের জন্য এসময়ে দরকার বাড়তি যতেœর। শীতকালে বিশেষ করে ত্বক ও চুল রুক্ষ হয়ে যায়। মাথার ত্বকে খুশকি জন্মায়। ত্বক ও চুলের যতেœ প্রয়োজন পুষ্টিকর সুষম খাবার। তাই এ সময় পর্যাপ্ত পরিমানে জটিল শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ খাবার তালিকায় রাখতে হবে।
প্রোটিন:
চুল সুন্দর ও মসৃণ রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির প্রোটিনকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্ বাকি অংশ পড়ুন...
জন্মের প্রথম মাস থেকেই শিশুর চেহারা ও শারীরিক বৃদ্ধি ছাড়াও তার ইন্দ্রিয় ও মোটর স্কিল এর উন্নতি হতে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে একটি চার সপ্তাহ বয়সের শিশুও "মা" এবং "না" শব্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে। এখনই তারা বিভিন্ন ধরণের শব্দের মাধ্যমে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।
শিশুর জন্মের পর দেখবেন সে সবসময় পা নিজের দিকে একটু বাঁকা করে রাখতে চায় সবসময়। গর্ভকালীন সময়ে এই অবস্থাতে ছিল বলেই সে সবসময় এমনভাবে পা বাঁকিয়ে রাখে। এমনকি তার হাতও পুরোপুরি প্রসারিত থাকেনা। এতে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। ধীরে ধীরে সে হাত পা মেলতে শুরু করবে এবং ৬ ম বাকি অংশ পড়ুন...
শিশুদের প্রথম দাঁত উঠার সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ভাবতে পারেন প্রথম যে দাঁত উঠে সেগুলো তো কিছুদিন পরে পড়ে যায়, তাহলে এতো যতœ নেয়ার প্রয়োজন কি? এসময় দাঁতের যত্ন অবহেলা করলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। শুধু তাই নয়, প্রথম উঠা দাঁতগুলো যদি দ্রুত পড়ে যায়, তবে প্রাপ্ত বয়সে দাঁত পুনরায় উঠার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে এবং শিশুর কথা বলার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই দাঁত উঠার আগে থেকেই শিশুর মুখ ও ভবিষ্যৎ দাঁতের ক্ষেত্রে যতœবান হতে হবে।
১) শিশুর বয়স যখন ০-৬ মাস:
শিশুদের দাঁত উঠার প্রাথমিক সময়সীমা হচ্ছে ০-১২ মাস বা শিশুর জন্মের ১ বাকি অংশ পড়ুন...
এলার্জিক রাইনাইটিস বা এলার্জি সর্দি নাকের একটি সমস্যা যা নাসিকা ঝিল্লীর প্রদাহের ফলে হয়ে থাকে। এটি কোনো মারাত্মক রোগ নয়। এ সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। তবে এই রোগের কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়। অনেক সময় এই এলার্জিজনিত সর্দি ও হাঁচিতে অনেক বেশী হতে পারে। নাকে অসহ্য চুলকানি ও একনাগারে কয়েকটি হাঁচি দেয়ার মত পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।
যদিও অতিসংবেদনশীলতা এলার্জীর মূল কারণ ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। কিছু কারণ হল-
১. রাস্তার ধুলা, পুরনো বইপত্র বা পত্রিকায়, বাসার পুরনো ধুলোজমা আসবাবপত্র, ফুলের রেণু ও পশুপাখির লোম থেকে বাকি অংশ পড়ুন...












