আমাদের পিঠ বা কোমর অনেকগুলো ছোট ছোট হাড় নিয়ে গঠিত। অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন আঘাতজনিত কারণে, ক্ষয় বৃদ্ধিজনিত কারণে অথবা সঠিক নিয়মে দৈনন্দিন কাজ না করার কারণে লাম্বার ভার্টিব্রার মাঝখানের ডিস্কগুলো বের হয়ে আসলে নার্ভে চাপের সৃষ্টি হয়। তখন এই নার্ভগুলো পায়ের পেশির যেসব অংশে অনুভূতি বহন করে, সেখানেও ব্যথা শুরু হয়।
নার্ভে চাপের পরিমাণ বাড়তে থাকলে কোমরে তীব্র ব্যথার সাথে ধীরে ধীরে পায়ের আঙুল পর্যন্ত ব্যথা, ঝিঁ ঝিঁ করা, অবশ হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি হতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে এই ব্যথা কোমরে না থেকে সরাসরি পায়ে চলে যায়।
মাঝে মাঝে দেখা যা বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ পেট খারাপ হলেই ভেবে নেবেন না যে, ফুড পয়জনিং হয়েছে। আবার সব খাবার খেলেই ফুড পয়জনিং হয়না। কেবলমাত্র ব্যাকটেরিয়া বা টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে ফুড পয়জনিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ফুড পয়জনিং এর কারণগুলো :
দুধ ও দুধজাতীয় খাবার : সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে ফুড পয়জনিং হতে পারে। প্রথমত যেমন, দুধ ও অন্যান্য মিল্ক প্রডাক্ট। দুধ ভালো করে না ফুটালে তার মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়। ফলে ফুড পয়জনিং হতে পারে।
রান্না করা গোশত তুলনামূলকভাবে রান্না গোশতের থেকে কাঁচা গোশত বেশি নিরাপদ। যদি কাঁচা গোশত ভালো করে প্যাক করে ফ্রিজে রেখে দ বাকি অংশ পড়ুন...
হাতে ও পায়ের জ্বালাপোড়া খুবই অস্বস্তিকর একটি অনুভূতি। প্রধানত হাতে-পায়ের স্নায়ু কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া ভাব হতে পারে। এছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত ও দীর্ঘ দিনের ডায়াবেটিস, কিডনি ও থাইরয়েডের সমস্যা, শরীরে ভিটামিন বি১২ ও বি১ এর ঘাটতি, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, ছত্রাক সংক্রমণ, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণে হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে।
এই রোগের প্রকোপ হাতের চেয়ে পায়ে বেশি হতে দেখা যায়। পায়ের তালু থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে থাকে। সমস্যা বেশি হলে অনেক সময় পায়ে বাকি অংশ পড়ুন...
কেন হয় :
কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ জানার জন্য অনেক গবেষণা হয়েছে এবং চলছে। সাম্প্রতিক ধারণা হলো, মূত্রের দ্রব অত্যধিক ঘন হলে পাথরের কণা বা ক্রিস্টাল তৈরি হয়। এ অবস্থা সৃষ্টি হয় যদি শরীর থেকে প্রতিনিয়ত পানি কমে যায় (ডিহাইড্রেশন)।
পাথর তৈরির প্রধাণ কারণ ডিহাইড্রেশন। যারা গরম আবহাওয়ায় কাজ করেন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করেন না, তাদের শরীরে পানির পরিমাণ কমে পাথর তৈরির আশঙ্কা বেশি।
এ ছাড়া মূত্রে বারবার সংক্রমণ থেকেও পাথর হতে পারে। শরীরের কিছু খনিজ উপাদান, যেগুলো পাথর তৈরিতে বাধা দেয় (ইউরিনারি স্টোন ইনহিবিটরস) সেগুলো মূত্রে কমে গেলেও ক বাকি অংশ পড়ুন...
বয়সজনিত, আঘাতজনিতসহ নানা কারণে হাঁটু হতে পারে। হাঁটু কেবল আমাদের পুরো শরীরের ওজনের ভারই বহন করে না, হাঁটতে, দৌঁড়াতে, বসতে-উঠতে সাহায্য করে। নানা কারণে আমাদের হঠাৎ হাঁটু ব্যথা শুরু হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে আঘাতজনিত সমস্যাই অন্যতম।
হাঁটু ব্যথার আরেকটি বড় কারণ হলো আর্থ্রাইটিস বা হাঁটুর প্রদাহ, সন্ধির ক্ষয় ইত্যাদি। নানা রকম বাতরোগে হাঁটু ফুলে যায়, ব্যথা করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সন্ধি ক্ষয় বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসই হাঁটু ব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে। হাটু ব্যথার জন্য শুধু ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াও কিছু ব্যায়াম প্রতিদিন কয়েকবার করলে পরিত্রা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা খাও এবং পান করো, তবে অপচয় করো না। (সূরা আ’রাফ : আয়াত শরীফ নং ৩১)
অর্থ্যাৎ আমাদের জীবনধারণের জন্য খাদ্য অপরিহার্য। যা মহান আল্লাহ পাক উনার একটি বিশেষ নিয়ামত। খাদ্য থেকে প্রাপ্ত পুষ্টি উপাদানগুলোই আমাদের দেহে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। আমাদের শরীরে খাদ্য গ্রহণের ফলে যে কাজগুলো সম্পন্ন হয় তা হলো-
১। দেহ গঠন ও বৃদ্ধি সাধন
২। ক্ষয় পূরণ
৩। তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান
৪। দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ
৫। রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা তৈরি।
১। দেহ গঠন ও বৃদ্ধি সাধন খাদ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
নার্সিং (Nursing) এমন একটি পেশা যা সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মকা-ের সাথে সম্পৃক্ত। এ পেশার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা সামাজিকভাবে কোন রোগী বা ব্যক্তির স্বাস্থ্য পুণরুদ্ধার এবং জীবনযাত্রার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ পেশার সাথে সম্পৃক্ত, দক্ষ কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি নার্স বা সেবিকা নামে পরিচিত। প্রধানতঃ নারীরাই নার্সিং পেশার সাথে জড়িত থাকে। বাংলাদেশের নার্সের পোশাক হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে শার্ট প্যান্ট। নাউযুবিল্লাহ!
মূলকথা হলো:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম এমন একটি দ্বীন যার মাঝে রয় বাকি অংশ পড়ুন...
ঈদ মানেই বাহারি খাবারের আয়োজন। সেমাই, মিষ্টি, জর্দা, পোলাও, বিরিয়ানি, তেহারি থেকে শুরু করে বাহারি সব পদ তো থাকেই। এ সময় হঠাৎ বেশি খাবার খেয়ে অসুস্থও হতে পারেন। তাই খাবার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা থাকা দরকার। সেইসাথে বেশি খাবার দাবারের বিষয়ে সতর্কও থাকা দরকার।
কারা বেশি সতর্ক থাকবেন:
যারা মাঝবয়সী বা বয়োবৃদ্ধ বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আছে, যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ, পেটের সমস্যা, কিডনি রোগ ইত্যাদি, তাদের খাবারের ব্যাপারে বেশি সতর্ক থাকা জরুরি।
১। ডায়াবেটিস রোগীকে মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে বাকি অংশ পড়ুন...
পানিশূন্যতা, ভোজ্য আঁশের অভাব, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ ইত্যাদিসহ আরও অসংখ্য কারণ আছে এই সমস্যার পেছনে।
আর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কারণে যখন অস্বস্তিতে ভুগছেন তখন এমন কিছু নিশ্চয়ই করতে চাইবেন না যা সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে জানানো হলো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা চলাকালে করা উচিত নয় এমন কাজ সম্পর্কে।
প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া:
প্রক্রিয়াজাত খাবার যেকোনো সময়ই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। মল অপসারণে সমস্যা হচ্ছে এমন সময় সেই খাবারগুলো খাওয়া যে ভুল সিদ্ধান্ত হবে ত বাকি অংশ পড়ুন...
উঁচুনিচু দাঁত, ফাঁকা দাঁত, দাঁতের কামড় না পড়া বা দাঁত না মেলা, দাঁত মেলালে নিচের দাঁত ওপরের তালুতে স্পর্শ করা অথবা ওপরের দাঁত দিয়ে ঢেকে থাকা, প্রান্ত থেকে প্রান্ত কামড়, সামনের দাঁত অস্বাভাবিক সামনে, মাড়ির দাঁতের অবস্থানের অস্বাভাবিকতা, ঘোরানো দাঁত ইত্যাদি নানা সমস্যা যেমন গুরুতর মানসিক কষ্টের কারণ তেমনি মুখের মধ্যে নানা রোগের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
কারণ কি
দাঁত ও চোয়ালের হাড়ের আকারের আয়তনের অসামঞ্জস্যতা, হাড় বড় হলে বা দাঁত ছোট হলে অথবা উলটো হলে এমন হতে পারে। দুধ দাঁত সময়ের আগে পড়ে গেলে বা নির্দিষ্ট সময়ের পরও রয়ে গেলে, অস্বাভাবিক বাকি অংশ পড়ুন...
কোন বস্তুর সংস্পর্শে শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াই অ্যালার্জি। অ্যালার্জি বলতে আমরা শরীরের অ্যালার্জিকেই বুঝি। কিন্তু শরীরের অ্যালার্জির মতো চোখেও অ্যালার্জি হতে পারে। চোখের অ্যালার্জি মৃদু থেকে গুরুতর হতে পারে। এই রোগ শিশু বয়স থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত যে কোনো বয়সে হতে পারে। এই রোগের উপসর্গ সাধারণত চোখ চুলকানো, পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি।
চোখের অ্যালার্জিকে বলে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস। চোখের সামনের দিকে কালো অংশের (কর্নিয়া) শেষে দৃশ্যমান সাদা অংশটি একটি স্বচ্ছ ঝিল্লি বা আবরণে আবৃত থাকে, নাম কনজাংটাইভা। অ বাকি অংশ পড়ুন...
পাইলস বা হেমরয়েড কি?
সাধারণত মানুষের মলদ্বার এর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২-৩ ইঞ্চি, এই ২-৩ ইঞ্চির উপরের অংশকে বলা হয় রেক্টাম, রেক্টামের নিচের অংশে তথা মলদ্বারের আশেপাশে কিছু রক্তনালী থাকে, যাকে রেক্টাল ভেইন বলা হয়, এই রেক্টাল ভেইন গুলি যদি কোনো কারণে ফুলে যায়, কিংবা এখাকে যদি কোনো প্রদাহ হয়, যদি ইস্তিঞ্জার সময় (মলত্যাগ) সময় তা থেকে ব্লিডিং হয় তথা রক্ত যায়, এই অবস্থাকে পাইলস বা হেমোরয়েড বলা হয়।
পাইলস বা হেমরয়েড এর প্রকার :
১। এক্সটারনাল হেমোরয়েড: এক্ষেত্রে মলদ্বারের বাহিরের রক্তনালীগুলিতে প্রদাহ হয়, এবং মলত্যাগের সময় ব্যাথা হয়, রক্তও যেতে বাকি অংশ পড়ুন...












