জন্ডিস কোনো রোগ নয়, এটি রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ মাত্র। জন্ডিস হল যকৃতের প্রদাহ বা হেপাটাইটিস। জন্ডিস হলে রোগীর পথ্য কী হবে, তা নিয়ে অনেকের ভেতর অনেক ভ্রান্তি রয়েছে, যার কোনো ভিত্তি নেই। জন্ডিস হতে পারে নানা কারণে। ভাইরাস থেকে শুরু করে নানা ধরনের ওষুধ, অ্যালকোহল ইত্যাদি কারণে লিভারে প্রদাহ হতে পারে। আমাদের দেশে লিভার প্রদাহের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস ই, এ এবং বি ভাইরাস। হেপাটাইটিস ই, এ হল পানি ও খাদ্যবাহিত । হেপাটাইটিস এ ভাইরাস প্রধানত শিশুদের জন্ডিসের কারণ, তবে যেকোনো বয়সের মানুষই হেপাটাইটিস ই ও বি ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। চ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেকটি অপারেশনের পর সাধারণ কিছু সমস্যা দেখা যায়। যার সমাধানও খুব সহজ আবার কিছু হতে পারে কঠিন। সেগুলো রোগীর এবং রোগীর লোকদের জানা থাকলে তা সহজভাবে ম্যানেজ করা যায়। বড় কোনো অস্ত্রোপচারের পর সেই ক্ষতস্থান বা সেলাইয়ের জায়গাটা বেশ কিছুদিন পর্যন্ত দুর্বল থাকে। যদি এই দুর্বল ফাঁক দিয়ে কোনো কিছু বেরিয়ে আসে, তাকে বলা হয় ইনসিশনাল হার্নিয়া। শরীরের কোনো গঠনগত দুর্বল অংশ দিয়ে যদি ভেতরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অংশ বেরিয়ে আসে, তাকে বলা হয় হার্নিয়া।
অস্ত্রোপচারের ধকলের সঙ্গে যদি হার্নিয়া হয়, তাহলে তা অনেক ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর বাকি অংশ পড়ুন...
শরীরের সার্বিক সুস্থতায় কিডনি জটিল ও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। শারীরিক কর্মক্ষমতার জন্য কিডনির গুরুত্ব অপরিহার্য। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। সবাইকেই জানতে হবে কিডনি ভালো রাখার উপায়।
মানবদেহের কোমরের কিছুটা ওপরে দুই পাশে দুটি কিডনি থাকে। পরিণত বয়সে একটি কিডনি ১১-১৩ সেমি লম্বা, ৫-৬ সেমি চওড়া এবং ৩ সেমি পুরু হয়। একটি কিডনির ওজন প্রায় ১৫০ গ্রাম। তবে বাম কিডনিটি ডান কিডনি অপেক্ষা একটু বড় ও কিছুটা ওপরে থাকে। প্রতিটি কিডনি প্রায় ১২ লাখ নেফ্রন দিয়ে তৈরি। নেফ্রন হলো কিডনির কার্যকর ও গাঠনিক একক। কোনো কার বাকি অংশ পড়ুন...
সুনির্দিষ্ট কোনো বস্তুর সংস্পর্শে আসার কারণে দেহের কোন অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াই হলো অ্যালার্জি। ব্যক্তিভেদে এই বস্তু সুনির্দিষ্ট। অর্থাৎ একজনের যাতে অ্যালার্জি হয়, অন্যজনের তাতে না-ও হতে পারে। অ্যালার্জি যে কারণে হয়, তাকে বলে অ্যালার্জেন। শ্বাস নেওয়ার সময় এটি নাকের ভেতর পৌঁছালে অ্যালার্জির নানা রকম উপসর্গ দেখা যায়।
নাক, কান ও গলার অ্যালার্জি
অ্যালার্জিজনিত কারণে নাকের প্রদাহ হলে তাকে বলে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে ২৫ শতাংশের বেশি মানুষ অ্যালার্জিক রাইনাইটিসে ভোগেন। অনেক ক্ষেত্রেই এমন রোগী বাকি অংশ পড়ুন...
শীতের প্রকোপ কমতে শুরু করেছে। একটু একটু করে টের পাওয়া যাচ্ছে পরিবর্তনের হাওয়া। শীত থেকে গ্রীষ্মে যাওয়ার এই সময়ে আমাদের শরীর দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। তখন দেখা দেয় নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঠান্ডা লেগে নাক দিয়ে পানি পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। এ নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। নাক দিয়ে পানি পড়ার সমস্যা দূর করতে চাইলে মেনে চলতে পারেন এই ঘরোয়া উপায়গুলো-
পানি পান করতে হবে:
হেলথলাইন জানাচ্ছে, নাক দিয়ে পানি পড়তে থাকলে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এসময় শরীরে পানির ভারসাম্য রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হ বাকি অংশ পড়ুন...












