২) হালাল হারাম নিয়ে কথা:
২ (ঙ) হালালের বিরোধিতা করা এবং হারামের প্রচার করা কুফরী:
হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী এ বিষয়টিও প্রায় মানুষের জানা আছে কিন্তু সমস্যা হয় হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয় তবু উপলব্ধির জন্যই বলা। বাল্যবিবাহ হালাল এবং সুন্নত কিন্তু সরকার আদা-পানি খেয়ে লেগেছে এর বিরোধিতায় (ঋণ দাতা দেশ এবং দাতা সংস্থাগুলোর চাপ রয়েছে)। যুক্তি হিসেবে দিচ্ছে নানান মেডিক্যাল সাইন্সের কথা কিন্তু যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
ত্রয়োদশ শতাব্দী মূলত ৮০০ বছর পূর্বে দামেশকের উমাইয়া মসজিদে নির্মিত এই ঘড়িটি বর্তমানে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে।
মূল ঘড়িটি দামিশকের মধ্যযুগের বিখ্যাত প্রকৌশলী রিদওয়ান আল-সাতী তৈরী করেন। এই দৃষ্টিনন্দন যান্ত্রিক ঘড়িটিতে সংখ্যার সাহায্যে সময় নির্দেশ করা হতো।
ঘড়িটির দুইপাশে দুইটি বাজপাখি ছিলো, যেগুলো একঘন্টা পর পর তাদের সামনে রাখা পাত্রে কপারের বল রাখতো। রাতে ঘড়িটিতে সময় নির্দেশের জন্য আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা ছিলো। একটি চাকতির ঘূর্ণনের ফলে এই আলো ঠিক সূর্যাস্তের পর জ্বলে উঠতো।
ইবনে জুবায়েরের ভাষ্যমতে, ঘড়িটি দুইটি অংশে বাকি অংশ পড়ুন...
৭ম শতাব্দীতে পারস্য শাসকের জন্য উইন্ডমিল বা বায়ুকল আবিষ্কার করা হয়। শস্য চূর্ণ এবং সেচের জন্যে পানি উত্তোলনে তা ব্যবহার করা হতে থাকে। এ বিষয়টা পার্সিয়ান ভূগোলবিদ Estakhri এর বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। তিনি নবম শতাব্দীতে খোরাসানের (পূর্ব ইরান এবং পশ্চিম আফগানিস্তান) বায়ুকলগুলি পরিচালনা করতেন।
গ্রীষ্মকালে পানির উৎস গুলো শুকিয়ে গেলে আরব দেশের বিশাল মরুভূমিতে শক্তির একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতো বাতাস। কয়েক মাস পর্যন্ত একদিক থেকে অন্যদিকে দ্রুত বেগে বাতাস প্রবাহিত হতো। এই বাতাসের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল সচল থাকতো।
তৎকালীন প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
১) ই-কোডের (E-Code) কথা:
নীচের লেখা থেকে ধারণা পাবেন কোন নাম্বার গুলো কি উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়।
E100-E199 (রং এর কাজে ব্যবহার হয়)
E200-E299 (প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার হয়)
E300-E399 (এন্টিওক্সিডেন্ট এবং এসিডিটি রেগূলেটর হিসেবে ব্যবহার হয়)
E400-E499 (ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও ইমালসিফায়ার হিসেবে ব্যবহার হয়)
E500-E599 (এসিডিটি রেগূলেটর এবং এন্টি কেইকিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়)
E600-E699 (সুগন্ধি দ্রব্য হিসেবে ব্যবহার হয়)
E700-E799 (এন্টিবায়োটিক হিসেবে ব্যবহার হয়)
E900-E999 (চকলেট, মিষ্টির চকচকে ভাব আনার জন্য ব্যবহার হয়)
E1000-E1599 (বাড়তি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়)
২) হালাল হারাম নিয়ে কথা:
২ (ক) বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা এখানে কেবল হালাল ও হারাম খাদ্য নিয়েই আলোচনা করবো। বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে বিভিন্ন প্রাণীজ এবং ভেষজ উপকরণ থেকে বিভিন্ন উপাদান তৈরি করে তা মেশানো হচ্ছে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এটা নির্ণয় করা খুবই কঠিন- যে কোনটি হালাল আর কোনটি হারাম। বিশেষ করে যে সকল মুসলমান কাফিরদের দেশে অবস্থান করছে এবং যারা বিধর্মীদের তৈরি খাদ্য উপাদান আমদানি করে এবং সেগুলো সহযোগে বিভিন্ন খাদ্য-দ্রব্যের প্রোডাক্ট তৈরি করছে, সেখানেও থেকে যাচ্ছে নানান সন্দেহ। ফলে আমরা পর্যায়ক্রমে একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ!
যা বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের সফল কৃষি বিপ্লবের মূলসূত্র:
মুসলমানরা ব্যাপকভাবে অর্থকরী ফসলায়ন এবং আধুনিক ফসলাবর্তন পদ্ধতি অবলম্বন করতেন। কোনো জমিতে দুই বছর সময়ের মধ্যে চার বা ততোধিক ফসল উৎপাদন করার পদ্ধতিই হচ্ছে ফসলাবর্তন পদ্ধতি। মুসলমানরা ১) ফসলাবর্তনের বাস্তবসম্মত পদ্ধতি, ২) সুউন্নত সেচ কৌশল, ৩) বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন শস্যের আবাদ এই তিনটি প্রধান উপাদানের উপর ভিত্তি করে একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিকাশ ঘটান। এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি শস্য উৎপাদনের ঋতু, জমির ধরণ এবং পানির প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে ব্যবহৃত হয়। চাষাবাদ এবং উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে অত বাকি অংশ পড়ুন...
পদার্থ বিজ্ঞানে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমেই যার নাম মুবারক আসে উনি হচ্ছেন হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম ইমাম, ইমামুস সাদিস হযরত ইমাম জাফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম (৯৬ হিজরী ১৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইছনাইনিল আযীম শরীফ থেকে ১৪৮ হিজরীর ১৪ই রজবুল হারাম ইছনাইনিল আযীম শরীফ)। মূলত: তিনি শুধু পদার্থ বিজ্ঞানই নয় বরং আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার প্রতিটি বিষয়ের তিনি মূলভিত্তি রচনা করেছেন।
পদার্থ ও এর গঠন:
ইমামুস সাদিস হযরত ইমাম জাফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম তিনি ১২ বছর বয়স মুবারকে অ্যারিস্টোটলের চার মৌলি বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এটা লক্ষ্যণীয় যে ইবনে আন-নাদিমের ফিহরিস্ত (গ্রন্থপঞ্জি) ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গৃহীত কিতাব শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির একটি উদাহরণ। ইবন আন-নাদিম এই দশটি প্রধান শ্রেণীর তালিকাভুক্ত করেছেন: পবিত্র কুরআন শরীফ, ব্যাকরণ, ইতিহাস, কবিতা, নীতিশাস্ত্র, আইনশাস্ত্র, দর্শন, হালকা সাহিত্য, ধর্ম এবং আলকেমি। এই প্রধান শ্রেণীগুলি একটি গ্রন্থাগারের প্রয়োজন অনুসারে উপবিভক্ত ছিল। মধ্যযুগীয় যুগে ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গ্রন্থাগারিকদের অবস্থান অবশ্যই একটি সম্মানজনক স্থানে ছিল। কারণ অনেক গ্রন্থাগার প্রায়শই বিখ্যাত স্ক বাকি অংশ পড়ুন...












