মহাকাশবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য চালিকাশক্তিরূপে যা সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করেছে তা হচ্ছে মুসলমানদের ইবাদতসমূহ। আর এই ইবাদত চন্দ্র মাস ও দিনের সময়ের সাথে সম্পর্কিত। তাই সময়সমূহের শর্তগুলো পূরনে গাণিতিক জ্যামিতিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানের প্রয়োজন হতো, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে তা হচ্ছে গোলকীয় তলের জ্যামিতি।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়কাল থেকেই তিনি ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নতুন চাঁদ দেখে মাস গণনা করতেন। আর নামাযের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে সূর্যের অবস্থান প বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ. إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত নিজ থেকে কোন কথা বলেন না। (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেও রয়েছে অসংখ্য নিদর্শন মুবারক।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أُعْطِيتُ جَو বাকি অংশ পড়ুন...
২) হালাল হারাম নিয়ে কথা:
২ (ঙ) হালালের বিরোধিতা করা এবং হারামের প্রচার করা কুফরী:
হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী এ বিষয়টিও প্রায় মানুষের জানা আছে কিন্তু সমস্যা হয় হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয় তবু উপলব্ধির জন্যই বলা। বাল্যবিবাহ হালাল এবং সুন্নত কিন্তু সরকার আদা-পানি খেয়ে লেগেছে এর বিরোধিতায় (ঋণ দাতা দেশ এবং দাতা সংস্থাগুলোর চাপ রয়েছে)। যুক্তি হিসেবে দিচ্ছে নানান মেডিক্যাল সাইন্সের কথা কিন্তু যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
ত্রয়োদশ শতাব্দী মূলত ৮০০ বছর পূর্বে দামেশকের উমাইয়া মসজিদে নির্মিত এই ঘড়িটি বর্তমানে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে।
মূল ঘড়িটি দামিশকের মধ্যযুগের বিখ্যাত প্রকৌশলী রিদওয়ান আল-সাতী তৈরী করেন। এই দৃষ্টিনন্দন যান্ত্রিক ঘড়িটিতে সংখ্যার সাহায্যে সময় নির্দেশ করা হতো।
ঘড়িটির দুইপাশে দুইটি বাজপাখি ছিলো, যেগুলো একঘন্টা পর পর তাদের সামনে রাখা পাত্রে কপারের বল রাখতো। রাতে ঘড়িটিতে সময় নির্দেশের জন্য আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা ছিলো। একটি চাকতির ঘূর্ণনের ফলে এই আলো ঠিক সূর্যাস্তের পর জ্বলে উঠতো।
ইবনে জুবায়েরের ভাষ্যমতে, ঘড়িটি দুইটি অংশে বাকি অংশ পড়ুন...
৭ম শতাব্দীতে পারস্য শাসকের জন্য উইন্ডমিল বা বায়ুকল আবিষ্কার করা হয়। শস্য চূর্ণ এবং সেচের জন্যে পানি উত্তোলনে তা ব্যবহার করা হতে থাকে। এ বিষয়টা পার্সিয়ান ভূগোলবিদ Estakhri এর বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। তিনি নবম শতাব্দীতে খোরাসানের (পূর্ব ইরান এবং পশ্চিম আফগানিস্তান) বায়ুকলগুলি পরিচালনা করতেন।
গ্রীষ্মকালে পানির উৎস গুলো শুকিয়ে গেলে আরব দেশের বিশাল মরুভূমিতে শক্তির একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতো বাতাস। কয়েক মাস পর্যন্ত একদিক থেকে অন্যদিকে দ্রুত বেগে বাতাস প্রবাহিত হতো। এই বাতাসের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল সচল থাকতো।
তৎকালীন প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
১) ই-কোডের (E-Code) কথা:
নীচের লেখা থেকে ধারণা পাবেন কোন নাম্বার গুলো কি উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়।
E100-E199 (রং এর কাজে ব্যবহার হয়)
E200-E299 (প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার হয়)
E300-E399 (এন্টিওক্সিডেন্ট এবং এসিডিটি রেগূলেটর হিসেবে ব্যবহার হয়)
E400-E499 (ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও ইমালসিফায়ার হিসেবে ব্যবহার হয়)
E500-E599 (এসিডিটি রেগূলেটর এবং এন্টি কেইকিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়)
E600-E699 (সুগন্ধি দ্রব্য হিসেবে ব্যবহার হয়)
E700-E799 (এন্টিবায়োটিক হিসেবে ব্যবহার হয়)
E900-E999 (চকলেট, মিষ্টির চকচকে ভাব আনার জন্য ব্যবহার হয়)
E1000-E1599 (বাড়তি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়)
২) হালাল হারাম নিয়ে কথা:
২ (ক) বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা এখানে কেবল হালাল ও হারাম খাদ্য নিয়েই আলোচনা করবো। বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে বিভিন্ন প্রাণীজ এবং ভেষজ উপকরণ থেকে বিভিন্ন উপাদান তৈরি করে তা মেশানো হচ্ছে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এটা নির্ণয় করা খুবই কঠিন- যে কোনটি হালাল আর কোনটি হারাম। বিশেষ করে যে সকল মুসলমান কাফিরদের দেশে অবস্থান করছে এবং যারা বিধর্মীদের তৈরি খাদ্য উপাদান আমদানি করে এবং সেগুলো সহযোগে বিভিন্ন খাদ্য-দ্রব্যের প্রোডাক্ট তৈরি করছে, সেখানেও থেকে যাচ্ছে নানান সন্দেহ। ফলে আমরা পর্যায়ক্রমে একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ!
যা বাকি অংশ পড়ুন...












