মিশরে ৩য় ও ৪র্থ হিজরী শতাব্দীতে ফাতিমীয় খলীফারা বাগদাদের বাইতুল হিকমাহর মতো কায়রোতে দারুল হিকমাহ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। এই লাইব্রেরিটি হিজরী ৩৯৫ (শামসী ৩৭১, খ্রিস্টাব্দ ১০০৪) সালে ফাতিমীয় খলীফা আল-হাকিম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর আগে, ফাতিমীয় খলীফা আল-আজিজ হিজরী ৩৬৯ (শামসী ৩৪৭, খ্রিস্টাব্দ ৯৮০) সালে কায়রোতে একটি বড় গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
এই গ্রন্থাগারে প্রায় চার লক্ষ কিতাব ছিল, যার মধ্যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ২৪০০টি কপি ছিল। যার অনেক গুলো সোনা ও রৌপ্য দ্বারা লিখিত ছিল। বাকি কিতাবগুলি আইনশাস্ত্র, ব্যাকরণ, অলঙ বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদ গ্রন্থাগার
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনাকাল থেকেই মসজিদগুলো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে। ইবাদতের জন্য একটি পবিত্র স্থান ছাড়াও মসজিদে প্রাথমিক পাঠ্যক্রম শেখানো হতো আজকের বিদ্যালয়ের মতোই।
পরবর্তীতে এবং ধীরে ধীরে, উন্নত অধ্যয়ন আর মসজিদে সীমাবদ্ধ ছিল না। বাগদাদ, দামেস্ক, কায়রো, কর্ডোভার মতো বড় বড় শহরগুলিতে মক্তব (স্কুল), মাদরাসা (কলেজ) জামিয়া মাদরাসা (বিশ্ববিদ্যালয়) এবং বড় লাইব্রেরিগুলি গড়ে উঠতে শুরু করে, যা মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যকলাপকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাল বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এটা লক্ষ্যণীয় যে ইবনে আন-নাদিমের ফিহরিস্ত (গ্রন্থপঞ্জি) ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গৃহীত কিতাব শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির একটি উদাহরণ। ইবন আন-নাদিম এই দশটি প্রধান শ্রেণীর তালিকাভুক্ত করেছেন: পবিত্র কুরআন শরীফ, ব্যাকরণ, ইতিহাস, কবিতা, নীতিশাস্ত্র, আইনশাস্ত্র, দর্শন, হালকা সাহিত্য, ধর্ম এবং আলকেমি। এই প্রধান শ্রেণীগুলি একটি গ্রন্থাগারের প্রয়োজন অনুসারে উপবিভক্ত ছিল। মধ্যযুগীয় যুগে ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গ্রন্থাগারিকদের অবস্থান অবশ্যই একটি সম্মানজনক স্থানে ছিল। কারণ অনেক গ্রন্থাগার প্রায়শই বিখ্যাত স্কল বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামিক লাইব্রেরির সংগ্রহের আকার প্রথমে উটের বোঝায় পরিমাপ করা হলেও পরবর্তী সময়ে সংখ্যা গণনার মাধ্যমে করা হতো। যেমনটি আমরা লক্ষ্য করেছি যে- সবুর ইবনে আরদাশির প্রতিষ্ঠিত লাইব্রেরিতে ১০ হাজার থেকে ১৪ হাজার ভলিউম কিতাব রয়েছে।
কর্ডোভায় ৪ লক্ষ ভলিউম নিয়ে গঠিত আর ফাতেমীয় খলীফাদের গ্রন্থাগারে ভলিউমের সংখ্যা ৪ লক্ষ থেকে ৬ লক্ষ।
ইসলামিক লাইব্রেরি সম্পর্কে একটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এই গ্রন্থাগারগুলোতে বিভিন্ন বিষয়ের বৈচিত্র্য রয়েছে। ধর্মীয় কাজগুলি বাদ দিয়ে, মুসলমানগণ সমস্ত বিষয়ে, সর্বকালের সমস্ত ভাষায় যা কিছু রচিত হয়েছে তা সংগ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ আল ইদরিসী আল কুরতুবী আল হাসানী আস সাবতী (হিজরী ৪৯৩-৫৬০; খ্রি: ১১০০-১১৬৫) ছিলেন মরোক্কান বংশদ্ভূত আরবীয় মুসলিম ভূগোলবিদ, মানচিত্র অঙ্কনে দক্ষ ব্যক্তিত্ব।
আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ আল ইদরিসী জিব্রালটার প্রণালীর নিকটবর্তী সাবতা (বর্তমানে সুয়েটা)-তে হিজরী ৪৯৩ (খ্রি: ১১০০) সালে জন্মগ্রহণ করেন। যখন মালাগা হামুদি শাসকদের হস্তচ্যুত হয়, তখন উনার পর-দাদা এখানে বসতি গড়তে বাধ্য হন। তিনি মরোক্কোর আমির ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ উনার বংশধর, যিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
বিদ্যুৎ চমকানোর ধাপ:
মেঘ থেকে জমিনে ঋণাত্মক চার্জ প্রবাহের পথ তৈরী: মেঘের ঋণাত্মক চার্জগুলি বাতাসে পোলারাইজেশন এবং আয়োনাইজেশন এর মাধ্যমে ধনাত্মক চার্জকে মেঘের মধ্যে টেনে নিয়ে যায় এবং ঋণাত্মক চার্জ পকেটের মতো
এভাবে পর্যায়ক্রমে পরপর তিন-চার বার মেঘ থেকে যমীনে এবং যমীন থেকে মেঘে একই পথে বা কাছাকাছি ভিন্নপথে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ফলে একাধিক ‘প্রত্যাবর্তন ঘাত’ (জবঃঁৎহ ঝঃৎড়শব) সংঘটিত হয় এবং একাধিক আলোকচ্ছটা দেখা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে ইলেকট্রিক চার্জ প্রবাহের রাস্তাটি অত্যন্ত গরম হয়ে ওহপধহফবংপবহঃ সাদা আলো বিকিরণ করে এবং বাতা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য চালিকাশক্তিরূপে যা সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করেছে তা হচ্ছে মুসলমানদের ইবাদতসমূহ। আর এই ইবাদত চন্দ্র মাস ও দিনের সময়ের সাথে সম্পর্কিত। তাই সময়সমূহের শর্তগুলো পূরনে গাণিতিক জ্যামিতিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানের প্রয়োজন হতো, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে তা হচ্ছে গোলকীয় তলের জ্যামিতি।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়কাল থেকেই তিনি ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নতুন চাঁদ দেখে মাস গণনা করতেন। আর নামাযের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে সূর্যের অবস্থান প বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ. إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত নিজ থেকে কোন কথা বলেন না। (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেও রয়েছে অসংখ্য নিদর্শন মুবারক।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أُعْطِيتُ جَو বাকি অংশ পড়ুন...












