বিশ্বের সামরিক ইতিহাসে নেপোলিয়ান বোনাপোর্টের নাম অনেক আলোচিত। পাশ্চাত্যের কথিত ঐতিহাসিকরা সব সময় নেপোলিয়নের সামরিক দক্ষতার প্রশংসা করে থাকে। তাকে নিয়ে লেখা হয়েছে অজস্র বই। কিন্তু এত হাজারো বই লেখা হলেও মুসলিমবিদ্বেষী ঐতিহাসিক নামধারী কলম সন্ত্রাসীরা সব সময় নেপোলিয়ানের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের তথ্যটি গোপন করে থাকে। তারা বিশ্বকে জানতে দিতে চায় না যে, নেপোলিয়ান মুসলমান হয়েছিলো।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৯৮ সালে মিশরের কায়রোর জামে আজহার মসজিদে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে জোরালো মত রয়েছে। দ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পূর্বের সমাজ ব্যবস্থাও এমন কোনো বিচারিক বিভাগের সৃষ্টি করা হয়নি যার দায়িত্বশীলরা সমাজের নানা অনাচার, মিথ্যা, চোগলখোরী, প্রতারণা, যিনা-ব্যভিচার, অত্যাচার-নির্যাতন, নিপীড়ন ইত্যাদি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে সেগুলো নির্মূল করবে। কিন্তু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমনের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশ্বসভ্যতাকে সেই মহামহিম বিষয়টি হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! এই বিচারিক ব্যবস্থাটির নাম হলো ‘আল হিসবাহ’। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
ডাকব্যবস্থা ছাড়াও ইসলামী শাসনের সময় যোগাযোগ এবং সতর্কবার্তা প্রদানের জন্য ছিলো আগুন জ্বালিয়ে সতর্ক করার মতো ব্যবস্থাও। নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট ও স্থাপনা ছিলো, যেখানে রাতের বেলা আগুন জ্বালানো হতো এবং দিনের বেলা ধোঁয়া উত্তোলন করা হতো। এর জন্য কোনো এলাকায় পাহাড়ের চূড়ায়, আবার কোনো এলাকায় উচু ভবনের ওপর জায়গা নির্ধারণ করা হতো। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তারক্ষীদের মাঝে এ ধরনের সংকেত আদান-প্রদানের রীতি প্রচলিত ছিলো। তৎকালীন সম্মানিত ইসলামী ভূখন্ডের এলভিরা ও রাহবা থেকে জাবাল দুর্গ পর্যন্ত এ সংকেতনামা বিস্তৃত ছিলো। ফলে ফোর বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
১৯২১ সালে সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, বুলগেরিয়া এবং গ্রিস একসাথে তৎকালীন উসমানীয় সালতানাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। উসমানীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর বুলগেরিয়া থেকে তুর্কি ভাষাভাষী মুসলমানদের বের করে দেয়া হয়। বুলগেরিয়া থেকে বিতাড়িত হয়ে মুসলমানরা ইস্তাম্বুলে এসে আশ্রয় নেন। কিন্তু বুলগেরিয়া থেকে আসতে অনেক মুসলমান কলেরায় আক্রান্ত হন। এছাড়াও সে সময় ইস্তাম্বুলেও অনেক অধিবাসী কলেরায় আক্রান্ত ছিলেন। একদিকে যুদ্ধ অন্যদিকে রোগ-ব্যাধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন উসমানীয়রা।
আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য উসমানীয় প্রশাসন গঠন করে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
একজন ‘মুসলমান’ তাঁর সম্মানিত ‘ইসলামী’ জীবন-যাপনের সুযোগ পাবেন।
একজন ‘মুসলমান’, সম্মানিত ‘ইসলামী মূল্যবোধ’ বজায় রেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে চলতে পারবেন; ফিরতে পারবেন।
একজন ‘মুসলমান’ তাঁর চারপাশের আবহে সম্মানিত ‘ইসলামী পরিবেশ’ পাবেন।
একজন মুসলমান- ‘তিনি চলাফেরা করলে কোনো বেপর্দ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
৪। DELL: অনেক দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ কম্পিউটার ব্রান্ডটি প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার ভর্তুকি দিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে কম্পিউটার সামগ্রী সরবরাহ করে আসছে। কয়েক বছর আগে তারা বাজার মূল্যের চেয়েও ২০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮০ কোটি টাকা) কমে ইসরায়েল এর সেনাবাহিনীকে ৫০,০০০ বিশেষায়িত কম্পিউটার দেয় যা কিনা তারা কখনো মার্কিন সেনাবাহিনীকেও দেয়নি! তাই DELLএর ল্যাপটপ এবং অন্যান্য সামগ্রী পরিহার করুন- তা যত ভালই হোক না কেন!
৫। GENERAL ELECTRIC CORPORATION: গাজায় এপাচি হেলিকপ্টারগুলো থেকে ফিলিস্তিনিদের উপর হামলা চালাতে যে বিশেষ PROPULSION সিস্টেম ব্যবহার কর বাকি অংশ পড়ুন...
১৯১৮ সালের আগস্ট মাসে পবিত্র মক্কার শরীফের কাছ থেকে তাকে আত্মসমর্পণ করা মর্মে বার্তা এলে তিনি এ শব্দে জবাব দিয়েছিলেন-
‘ফখরী পাশার তরফ থেকে, যে উসমানী সেনাবাহিনীর সিপাহসালার এবং সর্বাধিক পবিত্র শহর মদীনা শরীফের রক্ষক এবং হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্ষুদ্র গোলাম।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ পাক উনার নামে, যিনি সর্বত্র বিরাজমান। আমি কি সেই ব্যক্তির কাছে অস্ত্র সমর্পণ করবো, যে ইসলামের শক্তি ভেঙে দিয়েছে? মুসলমানদের মধ্যে রক্ত ঝরিয়েছে এবং আমীরুল মু’মিনীনের খেলাফতের ওপর আশঙ্কার চিহ্ন একেঁ দিয়েছে? এবং ব বাকি অংশ পড়ুন...
‘মরুভূমির চিতা’ ফখরুদ্দীন পাশা। তিনি ছিলেন উসমানীয় খিলাফতের সেই সাহসী জেনারেল, যিনি আরব বিশ্বাসঘাতক, ব্রিটেন এবং তার মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে টানা ৭২ দিন একাই লড়াই করেছিলেন। পরবর্তীতে উনার বীরত্ব ও সাহসিকতায় প্রভাবিত হয়ে উনাকে ‘টাইগার অব দ্যা ডেজার্ট’ তথা ‘মরুভূমির চিতা’ আখ্যা দেয়া হয়। ইতিহাস উনাকে ‘মুহাফিযে মদীনা’- ‘মদীনার রক্ষক’ নামে স্মরণ করে।
তিনি উসমানী খিলাফতের একজন সাহসী জেনারেল ছিলেন। তবে যে বিষয়টি উনার ব্যক্তিত্বকে বিখ্যাত করেছিলো তা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...












