প্রশাসনের শীর্ষে বিধর্মী কর্মচারী যে কতবড় সর্বনাশের কারণ মুসলমানদের জন্য; সেটা আজ এই বঙ্গবাসী মুসলমানরা কল্পনাও করতে পারছে না। বাস্তবতা এটাই যে বিধর্মী-বিজাতীয়রা এই পাক ভারত উপমহাদেশে তিলে তিলে মুসলমানদের শোষণ করেছে। অথচ ইতিহাসের শিক্ষা এটাই যে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না।
মুসলমানদের শিক্ষা-দীক্ষা তো দূরের কথা, সত্য কথা বলতে কি, ইংরেজ শাসনের পর এক শতাব্দী যাবত, মুসলমান জাতির অস্তিত্বই ছিলো প্রকৃতপক্ষে বিপন্ন। যেখানে তাদের শুধু বেঁচে থাকার প্রশ্ন।
প্রমাণিত হয়েছে যে, ইহুদীবাদী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বাংলার হি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত তারিক বিন জিয়াদ রহমতুল্লাহি আলাইহি অত্যাচারী খৃস্টান শাসক রডারিককে পরাজিত করে আইবেরীয় উপদ্বীপে (স্পেন ও পর্তুগাল) মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা মুসলিম স্পেনকে আন্দালুসিয়া বা আল-আন্দালুস নামে অভিহিত করে থাকেন।
মুসলিম শাসনামলে স্পেন হয়ে ওঠে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র। সভ্যতা-সংস্কৃতির অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয় সে সময়; বরং স্পেন হয়ে ওঠে সমগ্র ইউরোপের জন্য সভ্যতার বাতিঘর। ‘দ্য মুরস ইন স্পেন’ গ্রন্থে লেখা হয়েছে, ‘মুরদের শাসনামলে স্পেনে শিল্পকলা, সাহিত্য ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যে উন্নতি সাধিত হয়েছিলো ইউরোপ বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হয়ে থাকে, ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদ-’। কথাটি কাফির-মুশরিকরা যতোটা বুঝতে পারে, মুসলমানরা তার কিয়দংশও বুঝতে পারে না। যে কারণে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানদের মেরুদা-স্বরূপ যে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা, তাকে ধ্বংস করে দিয়েছিলো। এর ফলেই ব্রিটিশরা ১৯০ বছর তাদের শাসন জারি রাখতে পেরেছিলো এবং এখন পর্যন্ত মুসলমানদের মনমগজ থেকে ব্রিটিশদের গোলামী যায়নি তাদের শিক্ষাব্যবস্থা জারি থাকার কারণে।
ভারতবর্ষে মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিলো দু’জন, খ্রিস্টান মিশনারী মেকলে এবং কথিত ‘রাজা’ রামমোহন রায়। ১৮৩৫ খ্রিস বাকি অংশ পড়ুন...
গতানুগতিক পাঠ্যপুস্তক ও ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে ইতিহাস শিক্ষা দেয়া হয় শাসকদের রাজত্বের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী। যেমন শাসক বাবরের পর হুমায়ূন, হুমায়ূনের পর আকবর, আকবরের পর জাহাঙ্গীর এভাবেই ইতিহাসের গ্রন্থগুলো রচিত হয়। কোনো একটি যুগের ইতিহাস রচনা করা হয় ঐ যুগের শাসককে কেন্দ্র করে। কিন্তু মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইতিহাস শিক্ষা এরূপ হওয়া উচিত নয়।
মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইতিহাস শিক্ষা হওয়া উচিত- ওলীআল্লাহ উনাদের সিলসিলার ধারাবাহিকতা অনুযায়ী। উদাহরণস্বরূপ ইতিহাস শিক্ষা হতে হবে এভাবে, সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হযরত খাজা ছাহেব র বাকি অংশ পড়ুন...
১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে বালাকোটে শুধু একটি জিয়ারতগাহ ছিলো। উক্ত জিয়ারতগাহ হচ্ছে, বালা পীরের মাজার। বালা পীরের মাজার কুনহার নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত। ইহা বালাকোট হতে দেখা যায়। বালাকোটের যুদ্ধের পর সেখানে কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থান ও কয়েকটি জিয়ারতগাহ রয়েছে। নিম্নে তা বর্ণনা করা হলো-
(১) মসজিদেই বালা- বা মসজিদেই কেল্লা:
উক্ত মসজিদ মূল বালাকোটের দক্ষিণাংশে অবস্থিত। যুদ্ধের পূর্বে উক্ত মসজিদে হযরত শাহ ইসমাঈল শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং অন্যান্য মুজাহিদ ছলাত আদায় করতেন। যুদ্ধের দিন বাকি অংশ পড়ুন...
হায়দরাবাদে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ত্রয়োদশ শতকের শেষ দিকে। তখন থেকেই হায়দরাবাদকে কেন্দ্র করে মুসলিম শিল্প-সংস্কৃতির যে বিকাশ ঘটে তা পুরো দাক্ষিণাত্যকে প্রভাবিত করেছিলো। ভারতের ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও হায়দরাবাদ পুরোপুরি স্বাধীনতা বিসর্জন দেয়নি। ব্রিটিশ সরকারের সাথে চুক্তি সাপেক্ষে এটি একটি দেশীয় রাজ্যে পরিণত হয়। ৮২,৬৯৮ বর্গমাইল এলাকা বিস্তৃত এবং বাংলাদেশের তুলনায়ও আয়তনে বড় দেশ হায়দরাবাদ।
শুধু আয়তনে নয়, সম্পদ, সমৃদ্ধি এবং সামর্থ্যরে দিক থেকেও স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঠিক থাকার সকল যোগ্যতাই হ বাকি অংশ পড়ুন...
উগ্র হিন্দু জমি দখলদার সুদ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ চন্দ্র ও তার পুত্র মুসলমান কৃষকদের উপরে গুলি বর্ষণ করে নির্বিচারে শহীদ করতো। মুসলমানদের কপালে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে তৃপ্তি ও বিদ্রুপাত্মক হাসি হাসতো মুসলিম মালিকানাধীন জমি দখলদার উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।
রক্ষণশীল পত্রিকা হিন্দু রঞ্জিকা ‘র’ এক মন্তব্য প্রকাশে উঠে এসেছে, ‘ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ’
হিন্দু জমি দখলদারদের অত্যাচারে বাংলার অনেক মুসলমান নিজেদের ভিটে-মাটি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ........আর সে সময় হিন্দুরা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করে ইংরেজকে তোষামোদ করে ব্রিটিশদের বাকি অংশ পড়ুন...
এই প্রসঙ্গে বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা (১৮০০-১৯০০) বইয়ের লেখক বিনয় ঘোষ (বুক ক্লাব প্রথম প্রকাশ বইমেলা ২০০০) ২৭-২৮ পৃষ্ঠায় প্রজাদের পীড়ন করার জন্য ১৮ দফা শাস্তির তালিকা প্রকাশ করে আরও বলে, বর্ণ হিন্দু জমি দখলদাররা ডাকাত লেঠেল ও গুন্ডা পোষে প্রজাদের পীড়ন করার জন্য। অবাধ্য ও বিদ্রোহী প্রজাদের ধান লুট করা, গরু-ছাগল হরণ করা, প্রজাদের পানিমগ্ন করা ও প্রহার করা তাদের প্রায় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গ্রামের হিন্দু জমি দখলদাররা প্রজাদের উপর শুধু শারীরিক অত্যাচার যে কত রকমের করে, কলকাতার মতো শহরের অধিবাসীরা তা ঠিক জানে না বলে তত্ত্ববোধিনী বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
বালাকোট- (با لاكور), পাকিস্তানের অন্তর্গত হাযারা জেলার একটি ক্ষুদ্র শহরের নাম। স্থানটি পূর্ব হতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিলো। ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ও শিখদের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধের কারণে বালাকোট ঐতিহাসিক গুরুত্ব লাভ করে।
বালাকোটের উত্তরাঞ্চলের পার্বত্য এলাকাসমূহে ফল-ফসলাদি উৎপন্নের বিপুল অংশ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এখনও বালাকোটেই এসে থাকে এবং এই অঞ্চলের অধিবাসীরা তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রী এখান থেকেই খরিদ করে নিয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী পবর্তসমূহের বাকি অংশ পড়ুন...












