বর্তমানে ইউরোপজুড়ে মুসলমানবিদ্বেষ চরম আকার ধারণ করেছে। ইউরোপের অমুসলিম দেশগুলোতে মুসলমানদের উপর চলছে অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়ন। অথচ এই ইউরোপকেই সমৃদ্ধ করেছেন মুসলমানরা। বিশেষ করে আফ্রিকান মুর মুসলমানরা।
শুধু আধুনিক কালেই আফ্রিকার মুসলমানরা ইউরোপকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করেনি, বরং প্রাচীনকালেও ইউরোপে সভ্যতার আলো দান করেছিলেন তারা।
পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাস পড়ানোর সময় মধ্যযুগকে সাধারণভাবে অন্ধকার যুগ বলা হয়। অথচ, এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র ও বিদ্বেষ। কারণ এই মধ্যযুগে জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখর স্পর্শ করেছিল বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের মধ্যে অনেকেই নেককার এবং পরহেজগার ছিলেন। উনাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন গুজরাটের সুলতান মুজাফফর শাহ। শাসক হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন ফক্বীহ এবং মুহাদ্দিস। তিনি সম্মানিত তাছাউফ চর্চা করতেন। সবসময় অযু অবস্থায় থাকতেন এবং জামায়াতে নামায আদায় করতেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উপর পড়াশুনা করেন। যুগখ্যাত বড় আলিম উনাদের কাছে তিনি পড়াশুনা করেছেন। তিনি যুদ্ধবিদ্যায় অনেক বেশি পারদর্শী ছিলেন। উনার হাতের লেখা ছিলো অত্যাধিক সুন্দর। তিনি নিজ হাতে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুলিপি তৈরী করে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমনের পূর্বে আরব উপদ্বীপে কোনো শাসন কাঠামো না থাকায় সেখানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও অস্তিত্ব ছিলো না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম আধুনিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গঠন করেন।
পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মুসলমানদের প্রতি পবিত্র মক্কা শরীফের কুরাইশ এবং তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে সৃষ্ট হুমকি এবং পবিত্র মদীনা শরীফ উনার উপকণ্ঠে বসবাসকারী মুসলমানদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক ‘টহল দল’ গঠন করা হয়। এসব বাহিনীতে তিন থেকে পঞ্চাশজন প বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েস্তা খাঁ, মোঘল আমলের একজন বিখ্যাত সুবাদার বা প্রাদেশিক শাসক ছিলেন। তার খ্যাতি মূলত বাংলার সুবাদার হিসাবে। তিনি বাংলা শাসন করেন প্রথমবার ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ সাল এবং দ্বিতীয়বার ১৬৮০ থেকে ১৬৮৮ সাল। তার শাসনামলে ঢাকায় ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয় এবং এ সময় বহু মসজিদ, ঈদগাহ নির্মাণ করেন। তার মধ্যে বর্তমান পুরনো ঢাকার অভ্যন্তরে পলাশী ব্যারাক এলাকায় বুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসসমূহের দক্ষিণে একটি ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন, যার পার্শে¦ একটি মসজিদও ছিলো বলে ইতিহাসে পাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত বড় একটি ঈদগাহ হিসেবে বিখ্যাত ছিলো। ঐ স্থানটির ত বাকি অংশ পড়ুন...
২য় মাস হচ্ছে صفر ‘ছফর’: অর্থাৎ শূন্য, খালী মাস। যেহেতু এ মাসে আরবগণ যুদ্ধ ও ছফরের উদ্দেশ্যে গৃহ ত্যাগ করতো এবং এ কারণে তাদের ঘর-বাড়ীগুলো খালী থাকতো, এজন্য এ মাসকে صفر ‘ছফর’ নামে অভিহিত করা হয়। যেমন: কোন ঘর খালি হলে বলা হয়- صفر الـمكان অর্থাৎ স্থানটি খালি হয়েছে। صفر শব্দের বহুবচন اصفار যেমন: جمل শব্দের বহুবচন اجمال।
৩য় মাস হচ্ছে ربيع الاول রবীউল আউওয়াল শরীফ’: অর্থাৎ বসন্ত ঋতুর প্রথম মাস।
৪র্থ মাস হচ্ছে ربيع الثانى ‘রবীউছ ছানী বা ربيع الاخر ‘রবীউল আখির’: অর্থাৎ বসন্ত ঋতুর দ্বিতীয় মাস। এ মাস দুটিতে যেহেতু আরবে বসন্ত কাল ছিলো, তাই এ মাস দুটির নামকরণ ربيع الاو বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৬৫ সালের আগষ্ট মাসে ভারত-পাকিস্তান উভয়েই বুঝতে পারলো একটা যুদ্ধ অনিবার্য। যুদ্ধ কৌশল হিসাবে পাকিস্তান কাশ্মীরের শ্রীনগর অভিমুখে তার সেনাবাহিনী পাঠাতে থাকে। সেনাবাহিনীর কনভয়ের প্রথমে থাকে পাকিস্তানের তৎকালীন দুর্ধর্ষ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, তারপর বালুচ রেজিমেন্ট, ফ্রন্টিয়ার ফোর্স এবং সবশেষে থাকে তৎকালীন বেঙ্গল রেজিমেন্ট যা মূলতঃ পূর্ব বাংলার সেনাসদস্য দ্বারা গঠিত।
ওদিকে ভারত তার বাহিনী শ্রীনগরে না পাঠিয়ে শিয়ালকোটের অরক্ষিত খেমকারান দিয়ে পাকিস্তানের লাহোর অভিমুখে মার্চ করায়। ওই মুহূর্তে শিয়ালকোট ছিলো পুরোই অরক্ষি বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
কোনো মুসলিম দেশ থেকে কোনো খাবার ইম্পোর্ট হয়ে আসলেই তা হালাল নয়। কারণ বিভিন্ন কাফিরের দেশ থেকে বিভিন্ন মুসলিম দেশে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান যাচ্ছে, যেগুলো ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় না। ফলে খাবারের উপাদানগুলো সম্পর্কে কিছুটা হলেও তথ্য থাকা প্রয়োজন যদিও সকলের জন্য এ বিষয়ে অবগত হওয়া খুব কঠিন।
নিচে কয়েকটি উপাদানের নাম ও তথ্য প্রদান করা হলো- যেগুলো নিয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
বেকন (Bacon): শূকরের গোশতের একটি অংশ। যা হারাম।
কোলেস্টেরল: এক ধরনের ফ্যাট এবং সবসময় প্রাণীজ উৎস থেকেই হয়। কেবল হালালভাবে যবেহকৃত হালাল প্রাণীর হলে খাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
১৮০৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন নৌবাহিনী নিজেদের সর্ববৃহৎ যুদ্ধ জাহাজ ইউএসএস ফিলাডেলফিয়া ভস্মীভূত করতে বাধ্য হয়। তারা আটলান্টিকের উপর অটোম্যান সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে এবং উচ্চহারে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। লজ্জাজনক সেই ইতিহাস আজ আর চর্চা করা হয় না।
আমেরিকার জাহাজ ১৭৮৩ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক পানিসীমায় প্রবেশ করে। তখন আটলান্টিক মহাসাগরে অটোম্যান সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত ছিলো। যুক্তরাষ্ট্র সেই সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে। পানিসীমা লঙ্ঘনের কারণে ১৭৮৪ সালের ১১ অক্টোবর আটলান্টিক থেকে মার্কিন শিপ ‘ব্রিগ্যান্টাইন বেটসি’ স বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্মানিত অকৃত্রিম মুহব্বত মুবারক উনার বিষয়টি কখনই বলা লেখা অর্থাৎ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আর এ কারণেই উনারা চূড়ান্ত কামিয়াবী মুবারক হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ! আজকের পর্বে আমরা একজন বিশিষ্ট ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে বর্ণনা হয়েছে। যা আমরা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত শায়েখ সাইয়্যিদুনা হয বাকি অংশ পড়ুন...
পদার্থবিজ্ঞানের বিখ্যাত “গতিসূত্র” টার্মটা সামনে আসলে, প্রথমেই নিউটনের নাম উঠে আসে। অথচ, নিউটন বিবৃতি দেওয়ার প্রায় ৫০০-৬০০ বছর পূর্বেই, মুসলিম বিজ্ঞানীরা এসব সূত্রের প্রাথমিক ধারণা দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়ায় আজ দেখানো হচ্ছে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিমদের কোনো অবদান নেই। চলুন দেখি, আমাদের মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানকে তারা কিভাবে আড়াল করেছে-
(খন্ডন ১)
-নিউটন ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে তার ‘প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেম্যাটিকা’ গ্রন্থে, গতির প্রথম সূত্রে বলে- “বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ ব্যতীত স্থির বস্তু স্থিরই থাকবে এবং গতিশীল বস্তুর গত বাকি অংশ পড়ুন...












