শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
সমাজ থেকে সকল অবিচার, অনাচার, অপরাধ দূর করে মুসলমানদের মধ্যে নৈতিকতার প্রচার প্রসারের জন্যই সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সময়ে তৈরী করা হয়েছিলো একটি বিচারিক ব্যবস্থা। যার নাম হলো ‘আল হিসবাহ’। আল হিসবাহ’র দায়িত্বশীলগণকে বলা হতো মুহতাসিব।
মুসলমানদের জন্য কল্যাণকর সকল প্রকার উদ্যোগ গ্রহণে সচেষ্ট ছিলেন মুহতাসিবগণ। এ ব্যাপারে অনেক রচনা ও পুস্তকও সংকলন করা হয়েছে। এর চেয়েও আকর্ষণীয় বিষয় হলো, কিছু সূক্ষ্ম বিষয়, যেগুলো সাধারণত কারও চোখে পড়ে না, কেউ গুরুত্ব দেয় না সেসব বিষয়কেও মুহতাসিবগণ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছেন। যার মাধ্যম বাকি অংশ পড়ুন...
সমাজ থেকে সকল অবিচার, অনাচার, অপরাধ দূর করে মুসলমানদের মধ্যে নৈতিকতার প্রচার প্রসারের জন্যই সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সময়ে তৈরী করা হয়েছিলো একটি বিচারিক ব্যবস্থা। যার নাম হলো ‘আল হিসবাহ’। আল হিসবাহ’র দায়িত্বশীলগণকে বলা হতো মুহতাসিব।
মুহতাসিবদের দায়িত্বে একাগ্রতা নিয়ে আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থে ইমাম ইবনে কাছির রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। একবার আবুল হুসাইন নূরী নামক এক ব্যক্তি একটি নৌযানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলেন, তাতে শরাব বোঝাই করা অনেকগুলো মাটির পাত্র। নাবিককে জিজ্ঞাসা করলেন, এগুলো কি? এ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
একটা ঘৃণিত, কলঙ্কময় চরিত্র- হাজ্জাজ বিন ইউসুফ। অনেকে এ নাম উচ্চারণে কিছুটা ইতস্ততবোধ, বিদ্বেষ, বৈরীভাব পোষণ করে থাকেন। কেননা এ লোলুপ হায়েনা এককালে সামান্য স্বার্থের নিমিত্তে লক্ষাধিক নিরীহ জনসাধারণের শিরñেদ করতেও সামান্যতম কুণ্ঠাবোধ করেনি। তাই তাকে দুর্ধর্ষ মানুষ হালাকু খানের সাথে তুলনা করলেও অত্যুক্তি হবে না।
হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ছিলো মূলত হেজাজ প্রদেশের অন্তর্গত তায়েফের অধিবাসী। তায়েফের একটি বিদ্যালয়ে সে কিছুদিন চাকরি করে। সমকালীন যুগে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ছিলো কুরআনে হাফেজ। তীক্ষ্মবুদ্ধি, বাগ্মী ও দূরদর্শিতার কারণে বাকি অংশ পড়ুন...
৭ আগস্ট ১৯৫৮, লক্ষ্মীপুর সীমান্ত। ভারী অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত ভারতীয় বাহিনীর বড় একটি দল গোপনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ভেতরে প্রবেশ করে লক্ষীপুর সংলগ্ন একটি এলাকা দখল করে।
মেজর তোফায়েল, যিনি কিনা তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের কোম্পানি কমান্ডার, তৎক্ষণাৎ ৩টি দল নিয়ে রাতের অন্ধকারে শত্রু ঘেরাও করে আক্রমণ চালান।
উনার উদ্দেশ্য ছিলো ২টি- প্রথমত: ভারতীয় বাহিনীর আগ্রাসন রুখে দেয়া ও দ্বিতীয়ত: হারানো সীমান্ত পুনরুদ্ধার করা।
কিন্তু শত্রু বাহিনী ততক্ষণে দখল করা এলাকায় বাঙ্কার তৈরি করে ভিতরে মেশিন গান বসিয়ে শক্তিশালী প্রতিরক বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাস অনুযায়ী, এ অঞ্চলে সভ্য জাতি ছিলো মুসলমানগণ। যে কারণে ব্রিটিশরা পলাশীর যুদ্ধে ক্ষমতা দখলের পরও এ অঞ্চলে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা ও বিচার ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিলো। ব্রিটিশদের আমলেও এ অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার ভিত্তি ছিলো শরীয়াহ আইন। এ প্রসঙ্গে গবেষক ড. ওয়াকিল আহমদ তার ‘বাংলার মুসলিম বুদ্ধিজীবী’ বইয়ের ১০৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন-
“হযরত আওরঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি যে শরীয়তী আইন প্রবর্তন করেন যার ফল “ফতোয়া ই আলমগীরী” নামক বিধানপুস্তক, সাধারণত তারই অনুসরণে বিচার ও শাসন ব্যবস্থা ১৭৯০ সাল পর্যন্ত কোম্পানী অব্যাহত রাখে। ফৌজদ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি; যিনি চিশতীয়া তরীক্বা উনার একজন প্রধান ওলীআল্লাহ। দিল্লীতে উনার খানকা শরীফ। ইতিহাসে লেখা রয়েছে, খানকা শরীফ ও লঙ্গরখানার খরচ বহনের জন্য তিনি উনার খাদিমকে নির্দেশ মুবারক দিয়ে রেখেছিলেন, যদি কখনো অর্থের দরকার হয় অমুক তাকের মধ্যে হাত দিবে। প্রয়োজনীয় অর্থ সেখানেই কুদরতীভাবে পাবে।
শুধু হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নন, বরং গোটা ইতিহাসেই ওলীআল্লাহগণ উনাদের অঢেল অর্থ খরচের ইতিহাস পাওয়া যায়। চিশতীয়া তরীক্বা উনার অন্যতম আরো একজন ওলীআল্লাহ হলেন হযরত আলাউল হক রহমতুল বাকি অংশ পড়ুন...
সমাজ থেকে সকল অবিচার, অনাচার, অপরাধ দূর করে মুসলমানদের মধ্যে নৈতিকতার প্রচার প্রসারের জন্যই সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সময়ে তৈরী করা হয়েছিলো একটি বিচারিক ব্যবস্থা। যার নাম হলো ‘আল হিসবাহ’। আল হিসবাহ’র দায়িত্বশীলগণকে বলা হতো মুহতাসিব।
হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে আল হিসবাহ’র কার্যক্রম উমাইয়া এবং আব্বাসীয় শাসনামলেও ছিলো। সাইয়্যিদুনা হযরত আমীরে মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিত খিলাফতকালে বসরার বাজারে প্রথম মুহতাসিব নিয়োগ করা হয়।
পরবর্তীতে আব্বাসীয়দের যুগ থেকে মুহতাসিবের পদ ও দ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের সামরিক ইতিহাসে নেপোলিয়ান বোনাপোর্টের নাম অনেক আলোচিত। পাশ্চাত্যের কথিত ঐতিহাসিকরা সব সময় নেপোলিয়নের সামরিক দক্ষতার প্রশংসা করে থাকে। তাকে নিয়ে লেখা হয়েছে অজস্র বই। কিন্তু এত হাজারো বই লেখা হলেও মুসলিমবিদ্বেষী ঐতিহাসিক নামধারী কলম সন্ত্রাসীরা সব সময় নেপোলিয়ানের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের তথ্যটি গোপন করে থাকে। তারা বিশ্বকে জানতে দিতে চায় না যে, নেপোলিয়ান মুসলমান হয়েছিলো।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৯৮ সালে মিশরের কায়রোর জামে আজহার মসজিদে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে জোরালো মত রয়েছে। দ বাকি অংশ পড়ুন...












