পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হিসাব গ্রহণের পূর্বে নিজের হিসাব করো।”
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ।
, ১৮ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হয় বা করা আবশ্যক। আর এজন্য প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্ম সমালোচনা অতীব জরুরী। ইলমে তাছাওউফ উনার পরিভাষায় যাকে ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ বলা হয়। ইলমে তাছাওউফ-এ পুরুষ-মহিলা প্রত্যেক সালিকের জন্য মুহাসাবা আবশ্যক আমল। আর সহজভাবে এবং নিয়মিতভাবে মুহাসাবা সম্পন্ন করার জন্যই দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করতে হয়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত, ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করা অতীব জরুরী একটি বিষয়। যা প্রত্যেক সালিকের জন্য ফরয-ওয়াজিব। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হিসাব গ্রহণের পূর্বে নিজের হিসাব করো।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই আমল উত্তম যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা কম হোক না কেন।” অর্থাৎ বান্দা-উম্মত প্রত্যেককে কম হোক বা বেশি হোক প্রতিটি আমল নিয়মিত করতে হবে। পাশাপাশি মুহাসাবা তথা নিজের আমলের হিসাব নিজেকেই করতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলমে তাছাউফ উনার সালিকদের জন্য কতিপয় বিষয় অতীব জরুরী তথা বাধ্যতামূলক। সেগুলো যথাযথভাবে সম্পাদন করা আবশ্যক। যেমন- (১) সালিককে মুবারক নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিকভাবে, দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ‘ফালইয়াফরহূ’ তথা মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং আনজুমান মজলিস করা আবশ্যক। (২) তারতীব অনুযায়ী মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার করা আবশ্যক। (৩) কিতাবে উল্লেখ করা হয়, যে সালিক নিজস্ব তরীক্বার শাজরা শরীফ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয় সে অকর্মণ্য। তাই নিয়মিত শাজরা শরীফ পাঠ করাও আবশ্যক। (৪) আক্বীদা বিশুদ্ধ করা ঈমানদারদের পূর্ব শর্ত বিধায় আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে ছহীহ আক্বীদাহ সমৃদ্ধ কিতাবাদী সংগ্রহ, পাঠ ও প্রচার করা প্রত্যেক সালিকদের জন্য আবশ্যক। (৫) সিলসিলার জন্য শারীরিক ও আর্থিক খিদমত করা প্রত্যেক সালিকের জন্য আবশ্যক, যা রিয়াজত-মাশাক্কাত স্বরূপ। বিধায় প্রত্যেক সালিককে একদিকে শারীরিক খিদমতের আনজাম দিতে হবে। অপর দিকে আর্থিক খিদমতে আনজাম দিতে হবে। এছাড়া আরো কতিপয় জরুরী বিষয় রয়েছে যা সরাসরি মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার এবং তালীম-তালকীন গ্রহণের মাধ্যমে জেনে নিতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, প্রত্যেক সালিকের দায়িত্ব হলো সালিকের উপর অর্পিত আবশ্যকীয় কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করে কামালিয়াত হাছিলের কোশেশ করা। যারা কর্তব্য বা দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করবেনা তারা কামিয়াবী হাছিল করবে কিভাবে? তারা সিলসিলার খিদমত করবে কিভাবে? তারা নিয়ামত হাছিল করবে কিভাবে? সর্বোপরি ইহকাল-পরকালে তাদের নাজাতই বা কিভাবে লাভ হবে? কাজেই, সকলকে তার কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং তার মুহাসাবা করত প্রতিদিন লিখতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্ম সমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী।
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!¬ অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রত্যকে মুসলমান পুরুষ-মহলিা, জ্বীন-ইনসান সকলরে জন্যই ইখলাছ র্অজন করা এবং ইখলাছরে সাথে প্রতটিি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কনেনা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নকিট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
“আপনি বলুন, দুনিয়াবী সম্পদ সামান্য। আর মুত্তাকীগণ উনাদের জন্য পরকালই উত্তম এবং তোমাদের প্রতি সামান্য অবিচারও করা হবে না।" পরকালরে তুলনায় দুনযি়াবী সম্পদ অতি সামান্য।
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অন্য কারো মতো নন, উনারা বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উনার অধিকারিণী।” মুসলিম উম্মাহ সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করা।
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইলমে তাসাউফ অর্জন করা ব্যতীত ইবাদত মূল্যহীন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যামানার মুজাদ্দিদ ও কামিল শায়েখ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যমে ইলমে ফিকাহ্ ও ইলমে তাছাউফ উভয় প্রকার ইলম অর্জন করে মু’মিনে কামিল হওয়া।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করেন ও উনার পবিত্র যিকির শরীফ বা পবিত্র আলোচনা মুবারক করেন।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“আপনি বলুন, দুনিয়াবী সম্পদ সামান্য। আর মুত্তাকীগণ উনাদের জন্য পরকালই উত্তম এবং তোমাদের প্রতি সামান্য অবিচারও করা হবে না।" পরকালরে তুলনায় দুনযি়াবী সম্পদ অতি সামান্য।
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ!যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন।
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে – সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন,খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা।
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“আপনি বলুন, দুনিয়াবী সম্পদ সামান্য। আর মুত্তাকীগণ উনাদের জন্য পরকালই উত্তম এবং তোমাদের প্রতি সামান্য অবিচারও করা হবে না।" পরকালরে তুলনায় দুনযি়াবী সম্পদ অতি সামান্য।
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












