মুহম্মদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু আবি আমের। ইতিহাসে যিনি পরিচিত হাজিব আল মানসুর নামে। একাধারে তিনি ছিলেন একজন শাসক, একজন যোদ্ধা এবং একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং কখনো পরাজিত হননি। উনার পতাকা কখনো মাটিতে পতিত হয়নি। জিহাদের ময়দানে উনার মুখে থাকতো পবিত্র দরুদ শরীফ এবং সাথে থাকতো পবিত্র কুরআন শরীফ। তিনি পেয়েছিলেন সম্মানিত শহীদ উনার মর্যাদা।
হাজিব আল মানসুর দক্ষিণ আন্দালুসের জাজিরাতুল খাদরায় জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকাল থেকেই উনার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠেন। সাহিতà বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৩১ সাল। কাশ্মির উপত্যকার শাসক হয়ে আসে কুখ্যাত মুসলিমবিদ্বেষী শাসক হরি সিং। শাসনক্ষমতা পেয়েই সে মুসলমানদের উপর শুরু করে অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন। সেই বছরের এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখ। কাশ্মিরে পালিত হচ্ছিলো পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ উৎসব পালন করছিলেন মুসলমানরা। ঈদুল ফিতর উনার নামাযের পূর্ব মুহূর্তে হরি সিংয়ের পুলিশের ডিআইজি ঈদের নামাযে খুতবা বন্ধের আদেশ দেয়।
কিন্তু তৎকালীন ‘ইয়ং মুসলিমস এসোসিয়েশন’ দলের নেতা মীর হুসাইন বখশ জুমুয়াহ ও ঈদের নামাযের খুতবা বন্ধের সরকারি নির্দেশের প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দিলেন। সারা কাশ্মিরের হাজà বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল সালতানাতের ১৮তম শাসক হলেন আবুল মুজাফফার সিরাজুদ্দীন মুহম্মদ বাহাদুর শাহ গাজী। উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি সমধিক পরিচিত বাহাদুর শাহ জাফর নামে। তিনি ছিলেন মোঘল সালতানাতের শেষ শাসক, যিনি স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতার।
তিনি দিল্লীর লাল কেল্লায় ১৭৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যখন শাসক হিসেবে ক্ষমতায় আসেন তখন ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের আগ্রাসন চরম মাত্রা ধারণ করেছিলো। ফলে একসময় প্রবল প্রতাপশীল মোঘলদের প্রভাব লাল কেল্লার মধ্যেই আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। মোঘলরা পেনশনভোগী হয়ে পড়েছিলো ব্রিটিশদের কাছে। ইংরেজরা ধীরে ধীরে তাদের কর্তৃত্ব ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পিরি রইস ছিলেন উসমানীয় সালতানাতের নৌবাহিনীর এডমিরাল যার অংকিত বিশ্ব মানচিত্রই হচ্ছে তুর্কি এটলাসের সবচেয়ে পুরাতন মানচিত্র যা এক নতুন বিশ্বের সন্ধান দেয়। এই বিশ্ব মানচিত্র এখনো আমেরিকায় পুরাতন মানচিত্র হিসেবে বিদ্যমান।
তুর্কি আর্কাইভের তথ্যানুসারে জানা যায় পিরি রইসের সম্পূর্ণ নাম হাজী আহমেদ মহিউদ্দিন পিরি। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন উসমানী সালতানাতের গেলিবলুতে।
পিরি রইসের চাচা কামাল রইস ছিলেন প্রখ্যাত সমুদ্র বিশারদ। তিনি ১৪৯৫ সালে তুর্কি নৌবাহিনীর এডমিরাল হিসেবে নিয়োগ পান। চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে পিরি রইস ১৪৮১ সালে বাকি অংশ পড়ুন...
৬৮৩ হিজরী সনের ঘটনা। দিল্লী নগরী তখন আওলিয়া কিরামগণের আবাসভূমি, ভারতীয় সুলতানগণের রাজসভা, কবিদের মঞ্চ এবং উলামাদের বিদ্যাপীঠে।
এ সময় দিল্লির রাজসভাকে অলঙ্কৃত করেছিলেন মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত আমীর খসরু দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি। হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনাকে উপমহাদেশের দ্বিতীয় তবকার আওলিয়াগণের মধ্যে পরিগণিত করেছেন। তিনি উপমহাদেশের সুবিখ্যাত ওলী হযরত নিযামুদ্দীন আওলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদান বর্গের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
হযরত আমীর খসরু দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি সুলতান ঠবাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন ১৪৯১ সাল। গ্রানাডার মুসলিম শাসনের সূর্য অস্তমিত প্রায়। দুর্বল এবং অযোগ্য মুসলিম শাসক থাকার সুযোগে তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছে ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। এবার শেষবারের মতো অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলেন গ্রানাডার মুসলিমরা। গ্রানাডার মুসিলম যুবকরা সিদ্ধান্ত নিলেন শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তারা খ্রিষ্টানবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন।
এই যুবকদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান নামক এক যুবক। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, খ্রিষ্টান শাসক জেনে রাখুক! আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরো বাকি অংশ পড়ুন...
আফগান সাধারণ মুসলিম সমাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞতার কারণে হোক বা ইচ্ছাকৃত বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে হোক তাদেরকে ‘কট্টরপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আফগান সমাজ তাদের মতে ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহনশীল একটি সমাজ। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি?
সর্বপ্রথম আমাদের জেনে রাখতে হবে যে, মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিচরণস্থল আফগানিস্তান। দেশটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী; বিশুদ্ধ তাওহীদের দেশ যা শরীয়ত ও তরীকতের সকল দিক বাস্তবায়িত করছে।
দেশটির অধিবাসীদের প্রায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি মাযহাবগত হানাফী, আক্বীদাগত বাকি অংশ পড়ুন...
দেড়শ বছর আগের ইতিহাসও সাক্ষ্য দেয় যে, গ্রিক কিংবা রোমানদের থেকে এই ভূখ-ের বিচার ব্যবস্থা রূপ লাভ করেনি
ইতিহাস অনুযায়ী, এ অঞ্চলে সভ্য জাতি ছিলো মুসলমানগণ। যে কারণে ব্রিটিশরা পলাশীর যুদ্ধে ক্ষমতা দখলের পরও এ অঞ্চলে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা ও বিচার ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিলো। ব্রিটিশদের আমলেও এ অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার ভিত্তি ছিলো শরীয়াহ আইন। এ প্রসঙ্গে গবেষক ড. ওয়াকিল আহমদ তার ‘বাংলার মুসলিম বুদ্ধিজীবী’ বইয়ের ১০৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন-
“হযরত আওরঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি যে শরীয়তী আইন প্রবর্তন করেন যার ফল “ফতোয়া ই আলমগীরী” নামক বà বাকি অংশ পড়ুন...












