বর্তমান যুগে বিয়ে মানেই সুন্দরী মেয়ে। বিয়ে মানেই ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি। গরিবদের দিকে মুখ তুলে তাকাতেও সামর্থ্যবান ও সম্পদশীল পুরুষরা নিজেদেরকে লজ্জিত মনে করে থাকে। আর গরিব মেয়ে ঘরে নিলে তো বুঝি তাদের দেহ-মন পচে যাবে। আর এই নীচু ও হীন মন-মানসিকতার জন্য তাদের পরিবারে কখনো সুখ থাকে না এবং নেক সন্তানও লাভ হয় না। কিন্তু মুসলিম জাহানের খলীফা খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ঠিকই এই সমস্ত দুনিয়ালোভী মুসলমানদের মুখে চুনকালী মেখে মহান আদর্শ স্থাপন করেছেন। ধন-সম্পদে সুখ নয়, সুখ হচ্ছে তাক্বওয়া-পরহেজগারী বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাছভাবে ফায়েজে ইত্তেহাদী মুবারক দান করেছেন খাছভাবে। যা খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফযীলত ও বুযূর্গী মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ।
হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রবাদ আছে, ‘হার গুলেরা রঙ্গো বুয়ে দিগারাস্ত’। অর্থাৎ ‘একেক ফুলের একেক রকম রং ও ঘ্রাণ’। সমস্ত উম্মতের মাঝে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব। আবার উনাদের মাঝে বদরী ছাহাবীগণ উনাদের রয়েছে বিশেষ ফযীলত। আবার মুহাজিরগণ উনাদের রয়েছে ব্যতিক্রম শান মুবারক। অপরদিকে খিলাফতের ক্ষেত্রে কুরাইশগণ উনাদের রয়েছে একক প্রাধান্য। সর্বোপরি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক নির্ধারিত।
পবিত্র হাদীছ শ বাকি অংশ পড়ুন...
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
ভয়াবহ উদ্বেগজনক তথ্য:
সুদানে গণহত্যা চালাচ্ছে আরএসএফ। আরএসএফকে পৃষ্ঠপোষকতা, অর্থায়ন ও অস্ত্র-শস্ত্র দিচ্ছে আরব আমিরাত। সুদানের প্রধান বন্দর “পোর্ট সুদান” এর নিয়ন্ত্রণ ডিপি ওয়ার্ল্ড এর হাতে। অর্থাৎ ডিপি ওয়ার্ল্ড এই গণহত্যার সক্রিয় অংশীদার।
নীতিগত সুপারিশ:
ডিপি ও বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় যুগে বিজ্ঞানচর্চা; জ্যোতির্বিদ্যা:
আব্বাসীয় যুগে জ্যোতির্বিদ্যারও প্রভূত উন্নতি হয়েছিলো। জ্যোতির্বিদদের মধ্যে মাশাআল্লাহ, সেন্দা বিন আলী, ইয়াহিয়া বিন মনসূর, আবূ মাসার প্রমুখ বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করেন। আবূ মাসারের লিখিত ‘জিসবায়ে মাসার’ জ্যোতির্বিজ্ঞানের উৎস বলে বিবেচিত হতো। আবুল হাসান দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে জ্যোতিঃশাস্ত্রের বিশেষ উন্নতি সাধন করেন। ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত আল বাত্তানীর বাতানীর জ্যোতিঃশাস্ত্রীয় তালিকাসমূহ বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপের জ্যোতিঃশাস্ত্রের ভিত্তিরূপে গৃহীত হয়েছিলো। আবাসীয় শাসক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত-মারিফাত অর্থাৎ সম্মানিত ইলমে তাসাউফে পূর্ণতা অর্জন করে দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে অনেক সিপাহসালার বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। এমনকি সূদুর আফ্রিকার সেনেগালেও এরকম বড় ওলীআল্লাহ উনাদের ইতিহাস জানা যায়।
তিনি হলেন আফ্রিকার বিখ্যাত সুফী বুযূর্গ শায়েখ সাইয়্যিদ আহমদ বাম্বা এমবাকে রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেনেগালে ফরাসি সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য তিনি বিখ্যাত। তিনি সম্মানিত কাদিরিয়া তরীকা উনার অনুসা বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ও অভিশপ্ত জাতি। তাদের এই ন্যাক্কারজনক অবস্থার মূল ভিত্তি হলো, তাদের ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাস। ইহুদীরা যেই কিতাব এর দোহাই দিয়ে চলে তার নাম হলো তালমুদ। তালমুদের বর্তমান কপিগুলোতে কিছু জঘন্য আক্বীদা-বিশ্বাসের কথা পাওয়া যায়। যথা-
(১) ইয়াহুদীরা আল্লাহ তায়ালা উনার কাছে সমস্ত ফেরেশতা অপেক্ষা প্রিয়। আল্লাহ তায়ালা উনার সাথে তাদের সম্পর্ক, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক। নাঊযুবিল্লাহ!
(২) যদি দুনিয়াতে ইয়াহুদীদের অস্তিত্ব না হতো তবে সূর্যের উদয় হতো না এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষণ হতো না। নাঊযুবিল্লাহ!
(৩) আল্লাহ তায়া বাকি অংশ পড়ুন...
জেটি ভরে যেতো বিদায় দিতে আসা স্বজনদের ভিড়ে:
অনেকে ফিরে আসতে না পারা বা জীবনের শেষ ভ্রমণ হিসেবে হজকে বিবেচনা করতেন। তাই হজে যাওয়া ব্যক্তিদের বিদায় দিতে আসতেন চেনা-জানা সবাই। তারা আশেপাশের হোটেলে বা আত্মীয়দের বাসায় উঠতেন।
আত্মীয়-পরিজনের কারণে এতই ভিড় হতো যে, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে অবস্থিত চার নম্বর জেটি হজযাত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিলো। ১৭টি জেটির মধ্যে চার নম্বর জেটি ছিলো সবচেয়ে বড় এবং খোলামেলা পরিবেশের।
বিদায় দেওয়ার দিন হজযাত্রীদের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হতো বন্দরে। সকাল ৯টা-১০টা নাগাদ জাহাজে সব যাত্রী উঠে পড়লে জাহাজের বাকি অংশ পড়ুন...
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
সনটি ছিলো ১৩৪৪ খ্রিষ্টাব্দ। সিলেটের তৎকালীন হিন্দু শাসক গৌর গোবিন্দের রাজ্যের এক মহল্লায় ১৩টি মুসলিম পরিবার বাস করতেন। উনাদেরই একজন ছিলেন শেখ বুরহান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি হিন্দু জালিম শাসক গৌর গোবিন্দের কারণে গোপনে সম্মানিত ইবাদত-বন্দেগী করতেন। কারণ, সেখানে প্রকাশ্যে মুসলমানদের জন্য সম্মানিত ইবাদত-বন্দেগী করা নিষিদ্ধ ছিলো। কেউই গরু জবেহ ও পবিত্র কুরবানী করতে পারতো না।
শেখ বুরহান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কোনো আওলাদ ছিলেন না। সন্তানের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করে তিনি নিয়ত করলেন, যদি উনার একট বাকি অংশ পড়ুন...
জাহাজগুলো থাকতো অতিরিক্ত যাত্রীতে ঠাসা:
জাহাজগুলো যথাযথভাবে পরীক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ ও জনবলও ছিলো না। তার ওপর জাহাজগুলো থাকতো অতিরিক্ত যাত্রীতে ঠাসা। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র মতো পত্রিকাগুলোতে হাজিদের দুরবস্থার বর্ণনা করে নানা রকম চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশিত হতো তখন।
এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ভারত সরকার ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৩ সাল পর্যন্ত টমাস কুক কোম্পানিকে হজের জন্য সরকারি ভ্রমণ এজেন্ট হিসেবে নিযুক্ত করে। তবে হজ ভ্রমণে মুনাফা না থাকার অভিযোগ তুলে কোম্পানিটি এ সেবা বন্ধ করে দেয়। এরপর ভারতীয় হাজিরা আবার ব্রিটিশ ও ভারতীয় বাকি অংশ পড়ুন...












