বেহেশতের প্রতিটি দরজা মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে আহবান করবে। উম্মতের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম বেহেশতে প্রবেশ করবেন। এতোসব মর্যাদাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি বলতেন, “আফসুস! আমি যদি গাছ হতাম, যা কেটে ফেলা হয়।” অনেক সময় বলতেন, “আমি যদি ঘাস হতাম, যা পশু খেয়ে ফেলতো।” আবার কোনো সময় বলতেন, “আমি যদি কোনো মু’মিনের গায়ের পশম হতাম।” সুবহানাল্লাহ!
(১)
একদিন তিনি জঙ্গলে গিয়ে একটি জানোয়ারকে বসা অবস্থায় দেখতে পেয়ে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “হে জানোয়ার! তুমি কত সুখে-শান্তিতে আছো, খাও, পান করো, বৃক্ষের ছায়ায় বিচরণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
৩.২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্ক (২০০৬); জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ:
২০০৬ সালে ডিপি ওয়ার্ল্ড যখন ছয়টি মার্কিন বন্দরে টার্মিনাল পরিচালনার অধিকার অধিগ্রহণ করতে চেয়েছিলো, তখন বিশ্ব সন্ত্রাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক রাজনৈতিক ও জন অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। কংগ্রেস অর্থাৎ উভ বাকি অংশ পড়ুন...
“গান-বাজনা” ও “বাদ্য-যন্ত্র” হারাম হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى مَعْصِيَةٌ وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّلَذُّذُ بِهَا مِنَ الْكُفْرِ
অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। (মিরকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাছাবীহ)
বাকি অংশ পড়ুন...
৩২. কির্কের শাসক রেজিনাল্ড:
‘আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- হযরত সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাকে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে প্রবেশের আহ্বান জানান। কিন্তু রেজিনাল্ড উনার আহবানে সাড়া না দিয়ে অস্বীকার করে। তখন হযরত সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
نَعَمْ، أَنَا أَنُوْبُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الِانْتِصَارِ لِأُمَّتِهِ
‘হ্যাঁ, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার উম্মতের সাহায্যার্থে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি।’
এরপর বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় বন্দী মুসলিম (খ):
মুসলমানদের নিমর্মভাবে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি রুশ নেতৃবৃন্দ। দ্বীন ইসলাম যাতে প্রচারিত এবং প্রসারিত না হতে পারে তার জন্য কয়েকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলো রাশিয়া। মসজিদ ও মাদরাসার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রায় ৮ হাজার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়। পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের আইন এবং মুসলিম রীতিনীতি স্থায়ীভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হল। হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস করা হয়। সারা দেশের ২৬ হাজার মসজিদের মধ্যে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত টিকে ছিলো মাত্র তেরশ মসজিদ। মসজিদগুল বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের পাতায় নিষ্ঠুরতার অধ্যায়গুলো অনেক সময় কল্পকাহিনীর চেয়েও ভয়াবহ হয়। বর্তমান একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলমানদের ওপর চীন সরকারের যে পৈশাচিক নির্যাতন চলছে, তা বিশ^মানবতার জন্য এক চরম লজ্জার বিষয়। ‘মুসলিম টাইমস’ কর্তৃক প্রকাশিত একটি উইঘুর মুসলিম নারীর ফতোয়া চাওয়ার আকুতি যে চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরেছে, তা যেকোনো বিবেকবান মানুষকে স্তব্ধ করে দিতে বাধ্য।
সেই নারীর আকুতি, "মহামান্য! আমাদের আপনার কাছ থেকে একটি ফতোয়া প্রয়োজন। কারণটা হলো, আমাদের বিয়ে করতে বাধ্য করা হচ্ছে, নাস্তিক অমুসলিম ‘হান বাকি অংশ পড়ুন...
আজকে মুসলমানরা কুরআন শরীফ এবং সুন্নাহ শরীফ উনার মূল ধারক বাহক তথা মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের লক্ষ্যস্থল হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের গোলামী থেকে গাফিল হওয়ার কারণে সারা বিশ্বব্যাপী কল্পনাতীত জুলুম নির্যাতনের শিকার।
এখানে আমরা সারা বিশ্বব্যাপী দেশে দেশে যে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে তা নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
রাশিয়ার বন্দী মুসলিম:
মধ্য এশিয়ার বিশাল এলাকা জুড়ে মুসলমানদের বসতি গড়ে উঠেছিল দ্বীন ইসলামের সে বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র ১: মুঘল আমলের নিদর্শন হাজীগঞ্জ দূর্গ তোরণ।
হাজীগঞ্জ দুর্গ মুঘল আমলে নির্মিত একটি পানি দুর্গ। এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি খিজিরপুর দুর্গ নামেও পরিচিত। ঢাকা শহরের প্রতিরক্ষার জন্য সপ্তদশ শতকের আগে-পরে যে তিনটি পানি দুর্গকে নিয়ে ত্রিভুজ পানি দুর্গ বা ট্রায়াঙ্গল অব ওয়াটার ফোর্ট গড়ে তোলা হয়েছিল তারই একটি হলো এই হাজীগঞ্জ দুর্গ। মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনের অব্যাবহিত পরে নদীপথে মগ ও পর্তুগিজ নৌদস্যূদের আক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশে দুর্গ বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মানবাধিকার রক্ষার নামে যদি সার্বভৌমত্ব ক্ষুণœ হয়, তবে সেটি মানবাধিকারের নয়-বরং আধিপত্যের রাজনীতি। এই প্রবন্ধে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, কিভাবে “জাতিসংঘের সন্ত্রাসী মানবাধিকারের কার্যালয় স্থাপন” নামের এই পদক্ষেপটি আসলে ইহুদী-মুশরিক-কাফিরদের একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রকল্প, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের ওপর একটি স্থায়ী পর্যবেক্ষণ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া, দেশীয় আইন ও আদ বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন খিলজী সালতানাতের। সে সময় দিল্লীর ক্ষমতায় সুলতান জালালুদ্দিন খিলজী। যিনি ইতিহাসবিখ্যাত সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর শশুর। তিনি সে সময় কোড়া অঞ্চলের প্রশাসক ছিলেন। এ সময় তিনি দেবগিরি আক্রমন করেন এবং প্রচুর সম্পদ অর্জন করেন।
সম্পদগুলো অর্জন করার পর তিনি দরবার ডাকেন এবং দরবারে আমন্ত্রন জানান তৎকালীন বিশিষ্ট আলিম এবং কাজী মুহম্মদ মুগিসউদ্দিনকে। আলাউদ্দিন খিলজী কাজী মুগিসউদ্দিনকে প্রশ্ন করেন, আমি দেবগিরি বিজয় করে যেসব সম্পদ পেয়েছি তা আমি আমার নিজের কাছেই রেখেছি। এটা কি সালতানাতের কোষাগারে দেয়ার প্রয়োজন আছে কি?
উত্তরে বাকি অংশ পড়ুন...
৩) মালি সাম্রাজ্যে! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের রাজ্য!
ঘানা সাম্রাজ্যের ধ্বংসের উপরই একসময় উৎপত্তি হয় মালি সাম্রাজ্যের। এই সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন মালি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা “সুন্দিয়াতা”। যিনি ১২৩০ হতে ১২৫৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। অপর বিখ্যাত শাসক ছিলেন “মানস মুসা”।
মানস মুসা ১৩১২ সাল থেকে ১৩৩৭ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৫ বছর মালি সাম্রাজ্য তথা আজকের মালি, মৌরতানিয়া, সেনেগাল, নাইজারকে শাসন করেছিলেন। তিনি খুবই দ্বীনদার ছিলেন। তার আগের শাসকরা যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কলারের অপছন্দের ছিলেন, সে জায়গায় বাকি অংশ পড়ুন...












