তুরস্কের উসমানীয় সালতানাত মুসলিম জাহানের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের একটি কেন্দ্র ছিলো। সমগ্র মুসলিম জাহান তুর্কি সালতানাতকে কেন্দ্র করেই পরস্পরের প্রতি এক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অনুভব করতো তৎকালীন সময়ে। ইংরেজ ও ইহুদী ষড়যন্ত্রের ফলে তুরস্কের উসমানীয় সালতানাতের পতন হয় এবং মুসলিম জাহানের ঐক্য সূত্র ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে মুসলমান দেশগুলো পরস্পরের সাথে বহুমুখী বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। যার ভেতর কলকাঠি নেড়েছিলো কুখ্যাত ইহুদীরা।
তুরস্কের উসমানীয় সালতানাতের পতন ঘটানোর পর ইহুদীদের ক্রিড়নক কুখ্যাত কামাল পাশা তুরস্কের ২৫০০০ মুসলমানকে বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে অর্থাৎ আহত অবস্থায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা আরজ করলেন উনার পরবর্তী খলীফা মনোনীত করার জন্য। তখন তিনি বললেন, আমি ছয় জনের সম্মানিত নাম মুবারক ঘোষণা করে যাচ্ছি। উনাদের মধ্য হতে যে কোনো একজনকে তিন দিনের মধ্যে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখিত ছয়জন হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনঠবাকি অংশ পড়ুন...
খোদায়ী আযাব-গযবের কারণে ইহুদীরা কখনই কোনো ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেনি। যার কারণে এরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ইহুদীরা স্থানীয় ভাষায় কথা বলা ও স্থানীয় রীতিনীতিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তবে যে দেশেই বা ভূখন্ডে এরা বসবাস করতো সেই ভূখন্ডের মানুষদের প্রতি এদের কোনো আন্তরিকতা ছিলো না। এদের মূল লক্ষ্যই ছিলো কিভাবে অধিক সম্পদ উপার্জন করা যায়। তাই বিভিন্ন দেশের বিপদের সময় এরা কখনোই সেই দেশের পক্ষে হয়ে কাজ করতো না। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিতো। তাই বিভিন্ন দেশ থেকে বারবার এদের বিতাড়িত করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের সমৃদ্ধ নগরী বাগদাদ। সময়টা তখন আব্বাসীয় সালতানাতের। সালতানাতের ক্ষমতায় তখন আব্বাসীয় শাসক হারুনুর রশীদ। তার দরবার বসেছে। পুরো দরবারে পিনপতন নীরবতা। হারুনুর রশীদের পুরো চেহারা ক্ষোভে লাল হয়ে আছে। সভাসদরাও ব্যাপক চিন্তিত। কেউ কেউ নিজের আসন থেকে দূরে সরে রয়েছে। এমন পরিস্থিতির কারন বাইজেন্টাইন শাসকের থেকে আসা একটি চিঠি।
চিঠিটা এসেছে সরাসরি হারুনুর রশীদের নামে। সম্প্রতি গ্রীক শাসক আইরিনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নিকফুরকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। আইরিনের সাথে আব্বাসীয় শাসক মাহদীর চুক্তি হয়েছিলো। এই চুক্তিমতে আইরিন প্রতিবঠবাকি অংশ পড়ুন...
-এ প্রসঙ্গে নকলী দলীল
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ছহীহ ও প্রসিদ্ধ কিতাব- মুয়াত্তা মালিক, ইবনে মাজাহ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার প্রথম নবী ও রসূল আবুল বাশার হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সৃষ্টি, উনার যমীনে আগমন ও উনার পবিত্র বিছাল শরীফ জুমুয়ার দিনে সম্পন্ন হয়েছে। যার কারণে এ জুমুয়ার দিনটিকে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে ঈদের দিন ঘোষণা করেন এবং এ দিনকে ঈদের দিন হিসেবে পালন করার জন্য নির্দেশ দেঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম সোমবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ অর্থাৎ ছুবহে ছাদিক্ব উনার সময় সম্মানিত বরকতময় নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বরকতময় তাশরীফ মুবারক প্রকাশ উনার সময়টি ছিলো রাত্রি এবং দিন উভয়ের মাঝামাঝি। এর মাধমে মহান আল্লাহ পাক তিনি রাত ও দিন ঠবাকি অংশ পড়ুন...
বাতিল ফিরক্বা ওহাবী, খারিজী ও লা মাযহাবীরা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার দলীল খুঁজে পায় না। তাই তারা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করাকে বিদয়াত বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ তারা যে বুখারী শরীফের নাম নিতে নিতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে খোদ সেই বুখারী শরীফেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার দলীল রয়ে গেছে। তারা দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। কারণ বুখারী শরীফের উক্ত দলীল খ-ন করার মত মুরাদ তাদের কারোই নাই। নিম্নে এ সম্পর্কিত দলীল পেশ করা হলো-
যেমন এ প্রসঙ্গে ‘ছহীহ বুখারী শরীফ’-উনার ঠবাকি অংশ পড়ুন...
স্থল, নৌ ও আকাশপথে মুসলমানদের ডাকব্যবস্থা:
স্থলপথে ব্যবহৃত ডাকব্যবস্থা: মুসলমান সালতানাতগুলোতে স্থলপথে ডাকসেবা পরিচালনায় যারা দায়িত্ব পালন করতেন উনাদেরকে ফুয়ুজ বা সুআত নামে ডাকা হতো। বিরতিহীন ভ্রমণ ও নিরলস পরিশ্রমে উনারা ছিলেন সুপরিচিত। মুসলমানগণ সে যুগে ডাকসেবা পরিচালনায় ব্যাপকভাবে উট, ঘোড়া ব্যবহার করতেন। খচ্চরের প্রচলনও ছিলো উল্লেখযোগ্য হারে। স্থলপথে অবস্থিত সকল শহর ও পয়েন্টে ডাকবাহন ও দায়িত্বশীলদের জন্য পৃথক পৃথক বিশ্রামাগার থাকতো, সেখানে বাহনের খাবার ও বিশ্রামের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হতো। প্রয়োজনে বাহন পাল্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
বঙ্গ বা বাংলা, বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙালি তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি) মানেই মুসলমানদের তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি):
২. ড. মুহম্মদ হান্নান রচিত “বাংগালীর ইতিহাস” আগামী প্রকাশনী কর্তৃক প্রথম বর্ধিত সংস্করন ফেব্রুয়ারি ২০১২ পৃষ্ঠা ২৮-৩১ উল্লেখ করা হয়েছে-
“সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার লক্বব মুবারক হযরত শাকের আলাইহিস সালাম। উনার আরো অন্যান্য লক্বব মুবারক হলো হযরত সিকান আলাইহিস সালাম এবং কোন কোন রেওওয়াতে উনাকে হযরত আবদুল গাফফার আলাইহিস সালাম নামে বর্ণনা করা হয়েছে। মহাসম্মà বাকি অংশ পড়ুন...












