কমোরোস ভারত মহাসাগরের একটি ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র। মাদাগাস্কার, মায়োতি, তানজানিয়া, মোজাম্বিক, সেশেলের সঙ্গে সমুদ্রসীমা রয়েছে দেশটির। মোরোনি কমোরোসের রাজধানী ও সর্ববৃহৎ শহর।
২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী এক হাজার ৮৬১ বর্গকিলোমিটারের ছোট দেশটির জনসংখ্যা আট লাখ ৫০ হাজার ৬৮৮ জন। তাদের ৯৮ শতাংশই মুসলিম। কমোরিয়ান, ফ্রেঞ্চ ও আরবি কমোরোসের রাষ্ট্রীয় ভাষা।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক সুত্রমতে, কমোরোসে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমন মূলত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়েই।
কমোরোসের দুই ব্যক্তি মুহম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন ১৪৯১ সাল। গ্রানাডার মুসলিম শাসনের সূর্য অস্তমিত প্রায়। দুর্বল এবং অযোগ্য মুসলিম শাসক থাকার সুযোগে তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছে ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। এবার শেষবারের মতো অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলেন গ্রানাডার মুসলিমরা। গ্রানাডার মুসিলম যুবকরা সিদ্ধান্ত নিলেন শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তারা খ্রিষ্টানবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন।
এই যুবকদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান নামক এক যুবক। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, খ্রিষ্টান শাসক জেনে রাখুক! আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরো বাকি অংশ পড়ুন...
খলিফাতাবাদে' হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফ অবস্থিত। বর্তমান বাগেরহাটই হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার রাজধানী হাভেলী- খলিফাতাবাদ। খলিফাতাবাদ অতিতে ছয় কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ ভৈরব নদীর তীর ঘেঁষে পূর্বদিকে অবস্থিত হাভেলী থেকে পশ্চিমে ঘোড়া দিঘী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সে সময়ে নির্মিত প্রায় সব ইমারতের অবশিষ্টাংশ খলিফাতাবাদের পুরাতন সড়কের আশেপাশেই নির্মিত এবং ভৈরব নদীর কাছেই অবস্থিত ছিল। জনশ্রুতি অনুসারে হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৩৬০টি দীঘি খনন ও ৩৬০টি মসজিদ নির্মাণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবীব্যাপী নৌপথে মানুষের যাতায়াত এবং বাণিজ্য সুদীর্ঘকাল ধরে চলমান। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমনের পূর্ব থেকে আরবের মানুষ সমুদ্রপথে বাণিজ্য করত। সম্মানিত হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সময়ে সামুদ্রিক বাণিজ্যের ধারা আরো গতিশীল হয়। সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার পরিধি বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সমুদ্র বাণিজ্যের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। যা উমাইয়া ও আব্বাসীয়দের যুগেও অব্যাহত থাকে।
বাণিজ্যিক এসব কাফেলার মাধ্যমেই ভারত মহাসাগরের উপকূলে, চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের কোনায় কোনায় বাকি অংশ পড়ুন...
বাহরাম সাক্কা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফ একটি প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন। ভারতের বর্ধমান জেলায় (পশ্চিম বাংলায়) অবস্থিত এবং এর যে স্থানে সূফী বাহরাম সাক্কা রহমতুল্লাহি আলাইহি সমাহিত আছেন সে স্থানটিকে উনার নামানুসারে পীর বাহরাম বলা হয়। হযরত বাহরাম সাক্কা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিভিন্নভাবে মানুষের কাছে পরিচিত। যেমন পীর, দরবেশ এবং হাজী সাহেব বলে অভিহিত। কিন্তু বর্ধমান এলাকায় তিনি পীর বাহরাম বা বাহরাম সাক্কা রহমতুল্লাহি আলাইহি নামেই বেশি পরিচিত। উনার মাজার শরীফ এক গম্বুজবিশিষ্ট। মাজার দক্ষিণ দিকে সম্মুখে একটি প্রবে বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলিম সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালাতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। সে বাকি অংশ পড়ুন...
মিশরে এক সময় ছিলো উবাইদি শাসন। এই শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলো উবাইদুল্লাহ মাহদী। সে ছিলো কট্টর শিয়া। তার সম্পর্কে ইমাম যাহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, উবাইদুল্লাহ বাতেনি উবাইদিয়াদের প্রথম শাসক। তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে পরিবর্তন করেছিলো। নাউযুবিল্লাহ! উবাইদিদের শাসনকালে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারীদের উপর নির্মম নির্যাতন ও গণহত্যা চালানো হয়। তারা বিকৃত আক্বীদা প্রচার করতো।
সে সময় মিশরে বাস করতেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আলেম এবং বুজুর্গ হযরত মুহম্মদ বিন আহমদ বিন সাহল রমালী রহমতুল্লাহি আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ২৭ হিজরী শরীফে কাতিবে ওহী হযরত মু’আবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার তত্ত্বাবধানে এবং বিশিষ্ট সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে সুবিশাল নৌবাহিনী গঠন করার পর মুসলমানরা যখন নৌশক্তিতে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেন, তখন সাগরবক্ষে প্রবল প্রতাপ ও প্রতিপত্তির সাথে একের পর এক বিজয়াভিযান পরিচালনা করতে লাগলেন। তামাম দুনিয়ার সাগর মহাসাগরে মুসলিম রণতরী দৃশ্যমান হতে থাকলো। পরবর্তীতে উমাইয়া এবং আব্বাসীয়দের ও পর বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের সুদীর্ঘ সময়ের একটি বড় অংশ মুঘল সালতানাতের। মুঘল সালতানাতের ব্যপ্তি ছিলো পুরো ভারতবর্ষ তো অবশ্যই পাশাপাশি আফগানিস্তান পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিলো। সুবিশাল এই সালতানাতের বিস্তৃতির পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে সেনাবাহিনী। যা ইতিহাসে মুঘল সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত।
মুঘল সেনাবাহিনীর এমন কিছু ইউনিট ছিলো যা সালতানাতের বিস্তৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। মুঘল সেনাবাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা ছিলো আর্টিলারি বা গোলন্দাজ বাহিনী। মুঘলসেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধগুলোতে অগ্রবর্তী বাহিনীর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত-মারিফাত অর্থাৎ সম্মানিত ইলমে তাসাউফে পূর্ণতা অর্জন করে দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে অনেক সিপাহসালার বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। এমনকি সূদুর আফ্রিকার সেনেগালেও এরকম বড় ওলীআল্লাহ উনাদের ইতিহাস জানা যায়।
তিনি হলেন আফ্রিকার বিখ্যাত সুফী বুজুর্গ শায়েখ সাইয়্যিদ আহমদ বাম্বা এমবাকে রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেনেগালে ফরাসি সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য তিনি বিখ্যাত। তিনি সম্মানিত ক্বাদিরিয়া ত্বরীকা উনার অ বাকি অংশ পড়ুন...
১৭৫৭ সালে বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। এরপর ইংরেজদের থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে অনেক বীর শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। যাদের কথা ইতিহাসে খুব কমই আলোচিত হয়। তাদেরই মধ্যে একজন মুহম্মদ তকী খাঁ। আজকের পর্বে তার বীরত্বের ইতিহাসই আমরা জানবো।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় এবং ইন্তেকালের পর ক্ষমতায় আসে মীর জাফর। তবে যে সিংহাসনের জন্য বেনিয়া ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিলো মীর জাফর সেই সিংহাসনের স্থায়ীত্ব হলো মাত্র চার বছর। এরপর তাকে জোর করে ক্ষমতা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী শিক্ষা উনার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সেখানে ‘মক্তব’ একটি বৃহৎ জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক এবং দয়া-ইহসান মুবারকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রাথমিক যুগেই মূলত দ্বীনি শিক্ষা উনার মূল ভিত্তি স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক উনার সময়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মক্তবের সূচনা হয়। তিনি এসব মক্তবে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেন। পবিত্র মদীনা শরীফে তখন অনেকগু বাকি অংশ পড়ুন...












