সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসে তৃতীয় সপ্তাহে মারীদ্বী (অসুস্থতা) শান মুবারক প্রকাশ করেন। এরপর ছিহ্হাতী (সুস্থতা) শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহে আবার মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। যার কারণে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন যে, সত্যিই কী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
দীর্ঘ ছফর মুবারক শেষে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আপন জন্মভূমি রায় বেরেলীতে ফিরে আসেন। এ সময় রায় বেরেলীতে খরা ও দুর্ভিক্ষাবস্থা বিরাজ করছিলো। চারদিকেই চলছিলো হতাশা, অনাহার, দারিদ্র আর নিঃস্বতার রাজত্ব। এমতাবস্থায়ও উনার উপর অর্পিত ছিলো একশত লোকের রুটি-রুজীর যিম্মাদারী। কিন্তু উনার অন্তর ছিলো মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত শান্তি এবং তাওয়াক্কুলে পরিপূর্ণ। উনার ছোহবতে তখন অবস্থান করছিলেন তৎকালীন ভারতবর্ষের বড় বড় উলামায়ে কিরাম, প্রখ্যাত ছুফী ও পীর বুযূর্গগণ। প্রত্যেকেই উনারা নিজেদের জ্ঞান ও মর্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমীর খানের সেনাবাহিনীতে দুই বছর ছিলেন। তিনি ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকির মুবারক ও সামরিক জীবন যাপনের সাথে সাথে সংস্কার কাজ ও দ্বীনি উপদেশ ও শিক্ষামূলক তৎপরতায় নিয়োজিত থাকেন। উনার আগ্রহ ও উৎসাহে সমগ্র সৈন্যবাহিনী দ্বীনি মজলিশের এক বিশাল ময়দানে পরিণত হয়েছিলো। এমনকি আমীর খানের জীবনেও তা প্রভাব ফেলেছিলো।
আমীর খানের সেনাবাহিনীতে সামরিক বিদ্যা চর্চা এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার প্রসারের মধ্য দিয়ে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৬ বছর অবস্থা বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় পর্বের পর)
আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বয়স মুবারক যখন ১২ বছর তখন উনার সম্মানিত পিতা বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। উনার বিছাল শরীফ গ্রহণের পর তিনি রায়বেরেলী শহর থেকে লাখনৌর দিকে যাত্রা করেন। সে সময় লখনৌর শাসক ছিলো নওয়াব সাদাত আলী খান। যে নবাব সুজাউদ্দৌলার উত্তরাধিকারী। নওয়াব ছিলো একজন উচ্চ মনোবল ও সাংগঠনিক প্রতিভাসম্পন্ন শাসক। কিন্তু এরপরও সেখানে বেকারত্ব ও অস্থিরতা প্রভাব বিস্তার করেছিলো।
লখনৌ পৌঁছে যাওয়ার পর উনার সাত জন বন্ধু সবাই বিভিন্ন কাজে ছড়িয়ে পড়লেন। বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী ১৩শ শতাব্দীতে ভারতবর্ষ দ্বীনি, নৈতিকতা তথা চারিত্রিক দিক দিয়ে অবনতি ও অধঃপতনের শেষ সীমায় গিয়ে পৌঁছেছিলো। বিশাল মোঘল সালতানাতের মেরুদ- ভেঙ্গে গিয়েছিলো। সমগ্র ভারতবর্ষ তখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং তাদের মিত্রদের জবর দখলে ছিলো। অবশিষ্ট অংশ ছিলো কিছু স্থানীয় শাসকদের অধীনে। তবে তারা একের পর এক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিজেদের এলাকা ইংরেজদের হাতে তুলে দিচ্ছিলো। তৎকালীন মোঘল শাসক শাহ আলম (যার শাসনকালে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন) নামে মাত্র বাদশাহ ছিলো। দক্ষিণাত্য থেকে শুর বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে সুদান, মিশর, নাইজার থেকে মালী ও নীল নদের বিশদ বিবরণ দেন। আল ইদ্রিসী তিনি ভূগোল ও মানচিত্রের সাথে পৃথিবীর পরিধিও নির্ণয় করেন। উনার মান ২২৯০০ মাইল যা বর্তমান শুদ্ধ হিসাব থেকে মাত্র ৮ শতাংশ বিচ্যুত। চিকিৎসা শিক্ষার উপর ’কিতাবুল আদউইয়াতিল মুফরাদাহ’ ও ’কিতাবুল জামি লিছিফাতি আশতাতিন নাবাতাত’ লিখেন যাতে তিনি ভেষজ গাছের বিবরণ ও এ থেকে ঔষধের বিবরণ দিয়েছেন এবং এই বিবরণ তিনি ১২টি ভাষায় দিয়েছেন যা থেকে বোঝা যায় তিনি একজন বহুভাষাবিদ ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রাণী ও প্রাণীবিজ্ঞানের উপরও কিতাব রচনা করেছিলেন।
আল ইদ্রিসী উনার কিতাব ‘নুজ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারত উপমহাদেশে অসামান্য সংগ্রাম, ত্যাগের বিনিময়ে যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বুলন্দিত করেছেন, প্রচার প্রসার করে উপমহাদেশের কোটি কোটি মানুষকে ধন্য করেছেন, অত্যাচারী ব্রিটিশ বেনিয়াদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন উনাদের মধ্যে আওলাদে রসূল সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অন্যতম। তিনি উনার যামানায় সর্ব প্রকার বাতিল ও বিদয়াতীদের কর্মকান্ডকে ভেঙে দিয়েছিলেন। এ ভারত উপমহাদেশ থেকে তিনি ব্রিটিশ বেনিয়াদেরকে উৎখাতের জন্য সর্বপ্রথম সর্বশ্রেণীর মানুষদেরকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। শিখদের সাথে বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগে স্থাপত্য ও নিদর্শনের ইতিহাসে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে গ্রন্থবাঁধাই। পাশ্চাত্যে যখন অন্ধকার যুগ চলছে তখন মুসলমানদের ঐশ্বর্যম-িত ইতিহাসকে বিকৃত করে এবং নিজেদের অপকীর্তি কীর্তিমান করে তুলে ধরে সেই কাল প্রবাহকে মধ্যযুগ হিসেবে অভিহিত করার প্রবণতা কথিত ঐতিহাসিকদের। কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের মানদন্ডে বিচার করলে তা ধোপে টিকে না। নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকগণ পূর্বের বদ্ধমূল ধারণাকে খ-ন করে মুসলমানদের স্বর্ণযুগের কল্যাণমুখী কার্যকলাপ ও কীর্তিসমূহকে কালিক বিভাজনে বিশ্ব ইতিহাসে স্বর্ণযুগভুক্তির বাকি অংশ পড়ুন...
৬৪২ খ্রিস্টাব্দে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক খিলাফতকালে সাইয়্যিদুনা হযরত আমর বিন আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সেনাপতিত্বে আরব মুসলমানরা মিশর বিজয় করেন। মিসরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নীলনদের প্রতি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশ এই সময়ই অনুষ্ঠিত হয়। যার কারণে তখন থেকেই কাফিরদের কু-প্রথা নীলনদে বলিদানের মত কুফরী রেওয়াজ রহিত হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! যা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল রোব মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ।
সেই সময় থেকেই মিশর একটি আরব বাকি অংশ পড়ুন...












