ভারতবর্ষের বিশিষ্ট ওলী, চিশতীয়া তরীক্বার বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিছাল শরীফের পূর্বে উনার আল-আওলাদ ও বিশিষ্ট খলীফাদেরকে অসিয়ত মুবারক করলেন যে-
“আমার বিছাল শরীফের পর তোমরা যাকে-তাকে দিয়ে আমার জানাযার নামায পড়াবে না। আমার জানাযার নামায পড়াবে ওই ব্যক্তিকে দিয়ে যে ব্যক্তির মধ্যে নিম্নোক্ত ৪টি গুণ পাওয়া যাবে। আর যদি এ ৪টি গুণ কোনো ব্যক্তির জীবনে পাওয়া না যায়; তবে বিনা জানাযায় আমার লাশ দাফন করবে। কোনো অবস্থাতেই আমার এ অসিয়ত মুবারকের ব্যত্যয় ঘটাবে না। ”
হযরত খাজা কুতুবুদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
৬৮৩ হিজরী সনের ঘটনা। দিল্লী নগরী তখন আওলিয়া কিরামগণের আবাসভূমি, ভারতীয় সুলতানগণের রাজসভা, কবিদের মঞ্চ এবং উলামাদের বিদ্যাপীঠে।
এ সময় দিল্লির রাজসভাকে অলঙ্কৃত করেছিলেন মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত আমীর খসরু দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি। হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনাকে উপমহাদেশের দ্বিতীয় তবকার আওলিয়াগণের মধ্যে পরিগণিত করেছেন। তিনি উপমহাদেশের সুবিখ্যাত ওলী হযরত নিযামুদ্দীন আওলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদান বর্গের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
হযরত আমীর খসরু দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি সুলতা বাকি অংশ পড়ুন...
আজকে বিশ্বের যে আধুনিক নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছে তার পেছনে মূলত মুসলমানদেরই শতভাগ অবদান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সারা পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত করে দিয়ে সারা বিশ্ববাসীকে প্রকৃত সভ্যতার উপলব্ধি করিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দয়া, দান, ইহসান মুবারকে মুসলমানগণ সভ্যতার চরম শিখরে আরোহন করেছিলেন। যার মধ্যে অন্যতম হলো নগর সভ্যতা। পৃথিবীজুড়ে মুসলমান শাসনের পরিধি যতই বাড়ছিলো নগর সভ্যতার ব্যাপ্তি ততই ব বাকি অংশ পড়ুন...
আফগান সাধারণ মুসলিম সমাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞতার কারণে হোক বা ইচ্ছাকৃত বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে হোক তাদেরকে ‘কট্টরপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আফগান সমাজ তাদের মতে ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহনশীল একটি সমাজ। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি?
সর্বপ্রথম আমাদের জেনে রাখতে হবে যে, মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিচরণস্থল আফগানিস্তান। দেশটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী; বিশুদ্ধ তাওহীদের দেশ যা শরীয়ত ও তরীকতের সকল দিক বাস্তবায়িত করছে।
দেশটির অধিবাসীদের প্রায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি মাযহাবগত হানাফী, আক্বীদাগ বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। আর মুসলমানদের হাতেই সূচনা হয় আধুনিক কাগজশিল্পের। ইতিহাসমতে, বাগদাদে কাগজ উৎপাদন শুরু হলে তা সর্বসাধারণের নাগালে আসে এবং কাগজের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। মুসলিমরাই আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের মানুষকে কাগজের ব্যবহার শিখিয়েছেন।
আব্বাসীয় শাসক আল-মানসুর সর্বপ্রথম সালতানাতের সব কাজে কাগজ ব্যবহারের নির্দেশ দেন। বাদশাহ হারুনুর রশিদের সময় ৭৯৪ সালে বাগদাদে মতান্তরে সমরকান্দে মুসলিম বিশ্বের প্রথম কাগজের কল প্রতিষ্ঠিত হয়। হারুনুর রশিদ তাঁর বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাস অতীত ঘটনাবলীর উজ্জ্বল প্রতীক। ইতিহাসকে অতীতের দর্পণ বলা হয়ে থাকে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম আরবের বুকে তাশরীফ নেয়ার পূর্বে বিশ্বের কোন জাতিই ধারাবাহিকভাবে ইতিহাস সংকলন করেনি। মুসলমানগণই সর্বপ্রথম ইতিহাস রচনার সূচনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে চর্চা করার সময়ই মূলত ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পায় মুসলমানগণের।
লৌকিক উপাদান, প্রাক ইসলামী আরবের ইতিহাস, পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত বিভিন্ন জাতির ইতিবৃত্ত, নূরে মুহাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষের ইতিহাসের শক্তিশালী নাম সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি। যাঁকে ভারতবর্ষেও অন্যতম শক্তিশালী শাসক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি যুদ্ধ বিজেতা ও প্রশাসক হিসেবে সুলতানি আমলে অসাধারণ সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিলেন। অর্থনৈতিক সংস্কারের দিক থেকে বিচার করলে দেখা যায় যে তিনি ছিলেন মধ্যযুগের ভারতের প্রথম মুসলিম শাসক, যিনি ১. জমি জরিপ করেছিলেন, ২. জায়গির দান বা ভূমিদান প্রথার বিলুপ্তি ঘটিয়েছিলেন, ৩. সমন্বিত রাজস্ব ধার্য করেছিলেন এবং ৪. বাজারদর নিয়ন্ত্রণ নীতি প্রবর্তন করেছিলেন।
সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির অর্থনৈতিক সংস্কার তার শাসনব্যবস্ বাকি অংশ পড়ুন...
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ২৭ হিজরীতে কাতিবে ওহী সাইয়্যিদুনা হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার তত্ত্বাবধানে এবং বিশিষ্ট সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে সুবিশাল নৌবাহিনী গঠন করার পর মুসলমানরা যখন নৌশক্তিতে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেন, তখন সাগরবক্ষে প্রবল প্রতাপ ও প্রতিপত্তির সাথে একের পর এক বিজয়াভিযান পরিচালনা করতে লাগলেন। তামাম দুনিয়ার সাগর মহাসাগরে মুসলিম রণতরী দৃশ্যমান হতে থাকলো। পরবর্তীতে উমাইয়া এবং আব্বাস বাকি অংশ পড়ুন...
১৭৯৮ খৃ:র ৯ সেপ্টেম্বর উসমানীয় সাম্রাজ্য যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ২১ অক্টোবর আল-আজহার থেকে ফরাসিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়। পরেরদিন সকালে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য দিওয়ান নেপোলিয়নের সাথে সাক্ষাত করে। নেপোলিয়ন শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে রাজি হয় এবং শাইখদেরকে বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনা করতে বলে। আলোচনার কথা উঠে আসার ফলে বিদ্রোহীরা ফরাসিদেরকে দুর্বল হয়ে পড়েছে ভেবে তা প্রত্যাখ্যান করে। এরপর নেপোলিয়ন কায়রো দুর্গ থেকে আল-আজহার পর্যন্ত শহরে আগুন লাগিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়। এই বিদ্রোহের সময় দুই থেকে তিনশত ফরাসি সৈনিক মারা যায়। এছাড়া বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৫৫ নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং আমলে ছলেহ করে; মহান আল্লাহ পাক এই মর্মে ওয়াদা মুবারক দিয়েছেন যে, তিনি নিশ্চিতভাবে তাদের জমিনের খিলাফত প্রদান করবেন। যেমন তিনি খিলাফত প্রদান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদের এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য শক্তিশালী ও সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন তাদের দ্বীনকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তিনি তাদের ভয়ভীতি শান্তি-নিরাপত্তায় পরিবর্তিত করে দেবেন। তারা আমারই ইবাদত করবে, আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরীক করবে না। আর এরপর যারা অস্ বাকি অংশ পড়ুন...












