ইমামে আযম আবু হানীফাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি দূত মারাফত খবর পাঠালেন যে তিনি আগামীকাল যোহরের সময় আসবেন। পরদিন যোহরের নামাযের সময় হারুনুর রশীদ, তার সভাসদ ও সেই নাস্তিক অপেক্ষা করতে লাগলো।
কিন্তু যোহরের সময় তো দুরের কথা আছর শেষ হয়ে গেল তিনি মাগরীবের নামাযের সময় আসলেন। নাস্তিকটা উনার কাছে এত দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, আমি দজলা নদীর ওপারে বাস করি। আমি শাসকের অনুরোধ পেয়ে নদীতে এসে দেখি কোন নৌকা নেই। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কোন নৌকা পেলাম না। সহসা আমি দেখলাম একটি গাছ আপনা-আপনি উপড়ে পড়লো এবং সেটি চেরাই হয়ে নিজ থেকেই তক্তায় পর বাকি অংশ পড়ুন...
তখন স্পেনে মুসলিম শাসন চলছে। আল আন্দালুসের শাসনভার তখন আমীর আব্দুর রহমানের হাতে। আল আন্দালুসে তখন অনেক আরব সম্পদশালী মুসলিম ব্যবসায়ীও বসবাস করতেন। সে সময় কর্ডোভার একটি গোত্রের সর্দার ছিলেন এক আরব সম্পদশালী মুসলমান। উনার বিপুল ধনসম্পদ ও জমিজমা ছিল। তবে তিনি অত্যন্ত পরহেযগার ও আল্লাহওয়ালা ছিলেন।
একদিন তিনি নিজ বাগানে পায়চারী করে বেড়াচ্ছেন। এই সময় জনৈক স্পেনীয় যুবক আকস্মিকভাবে উনার বাগানে ঢুকলো এবং উনার পায়ে পড়ে জীবনের নিরাপত্তা চাইলো। উনি তাকে টেনে তুললেন এবং কারণ জানতে চাইলেন।
যুবক বললো, পথিমধ্যে এক যুবকের সাথে আমার à বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালিন, খ্বতামুন নাবিয়্যিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দয়া-ইহসান মুবারক উনার কারণে সৃষ্টিকূলের সবাই অগণিত নিয়ামত মুবারক লাভ করছে এবং করতেই থাকবে। সুবহানাল্লাহ! উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক লাভের আকাঙ্খা মুমিন হৃদের সুপ্ত বাসনা। শুধু মানুষই নয় বরং পশুপাখিও উনার ছোহবত মুবারক লাভে বেকারার। এই আকাঙ্খার কোনো সীমা নেই-সময় নেই। এটি অসীম। আজকের পর্বে আমরা এ সম্পর্কিত একটি ঘটনা জানবো।
একবার একটি উট সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালিন, খ্বতামুন নাবিয়্ বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ'যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সময়কালে তৎকালীন কথিত পরাশক্তি নামধারী পারস্য, রোমসহ পুরো পৃথিবীই মুসলমানদের পদানত হয়েছে। সম্মানিত ইসলামী বিজয় নিশান তখন পৃথিবীর কোনায় কোনায় পৌছে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় মুসলমানদের এই বিজয়ের গতি রুখতে একের পর এক কূটকৌশল সাজাতে ব্যস্ত কুখ্যাত ইহুদীরা।
তেমনি এক অপকৌশলের অংশ হিসেবে কয়েকজন ইহুদী সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ'যম আলাইহিস সালাম উনার দরবার শরীফে এলো। তারা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ'যম আলাইহিস সালাম উনাকে জানালো বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর র’বি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যমণি। উনার মুবারক উসীলাতেই পৃথিবীব্যাপী হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনার মুবারক নূরানী সিলসিলা শরীফ জারি রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক উনার তেজোদীপ্ত প্রভাব মুবারক সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- তৎকালীন সময়ে উমাইয়া সালতানাতের শাসক পবিত্র হজ্জ্ব করার উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কা শরীফে আগমন করে। তখন সে তাওয়াফ করার পর যখন পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
১৮৫৭ সালের ১৮ নভেম্বর, চট্টগ্রামের প্যারেড গ্রাউন্ডে ব্রিটিশ শোষণের বিরুদ্ধে পূর্ববঙ্গে স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন ৩৪ নম্বর নেটিভ বেঙ্গল পদাতিক বাহিনীর একজন মুসলিম হাবিলদার। চট্টগ্রামের মাটিতে ব্রিটিশ বেনিয়া হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো বিদ্রোহের পতাকা সেদিন উড়িয়েছিলেন হাবিলদার মুহম্মদ রজব আলী খাঁ।
বিদ্রোহের আগে ৪ নম্বর কোম্পানির হাবিলদার পদে উত্তীর্ণ হন এই বীর সিপাহি। কোম্পানির সেনাবাহিনীর ৩৪ নম্বর নেটিভ বেঙ্গল পদাতিক বাহিনীর ১২০ জন হাবিলদার ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে পরহেজগার ও আল্লাহওয়ালা ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাত ছিলো মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ একটি সালতানাত। এই সালতানাতের সব সুলতানই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অপরিসীম মুহব্বত পোষণ করতেন। পাশাপাশি, সুলতানগণ সবাই হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণ করতেন শাসনব্যবস্থায়। উসমানীয় শাসকদের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন সুলতান মুরাদ। উনার শাসনামল ন্যায়পরায়নতা এবং মুসলিম বিজয়ের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত। একটি রাতের ঘটনা তার শাসনামলে অত্যন্ত বিখ্যাত।
সুলতান মুরাদ এক রাতে বিছানায় শুয়েছিলেন, দেখেন তার দম বন্ধ হয়ে আস বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় সালতানাতের আমলে মুসলমানদের বিজয়াভিযানে চরমভাবে পর্যদুস্থ হয়েছিলো বাইজেন্টাইনরা। ৯০৪ সালে আব্বাসীয় সালতানাতের হাতে পরিসমাপ্তি ঘটে বাইজান্টাইনের থেসালোনিকা নগরের। ঐতিহাসিকদের মতে, কনস্টান্টিনোপলের (মুসলিম বিজয়ের পর ইসলামবুল) পর এই শহরকেই দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর বলে ভাবা হতো সে সময়। যে সময়টার কথা বলা হচ্ছে, ততদিনে অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিলো আব্বাসীয়রা। তবে এই দুর্বল অবস্থাতেও মুসলিম শাসনের ভূমি বিস্তৃত করতে পিছপা হননি মুসলমানরা। নবম শতকের মাঝামাঝির দিকে মুসলিম সালতানাতগুলো নজর দিল ভূমধ্যসাগরের দিকে।
এরঠবাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান রুশ ফেডারেশনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ‘তাতারস্তান’-এর পূর্ব নাম বুলগার বা ভলগা বুলগেরিয়া। ঈসায়ী সপ্তম শতকে ভলগা ও কামা নদীর অববাহিকা বুলগার রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। তবে রাষ্ট্রটি গঠন হওয়ার পরই ইহুদি কাজারদের সঙ্গে অবিরাম সংঘাতসহ দীর্ঘ সংকট ও যুদ্ধের ভেতর দিয়ে যায় রাষ্ট্রটি। অবশেষে ৯২২ সালে আব্বাসীয় শাসক মুকতাদিরের সাহায্যে দেশটির অবস্থা স্থিতিশীল হয় এবং এ সময় দেশটির জনসাধারণও দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। বুলগাররা মূলত তুর্কি বংশোদ্ভূত। তবে তারা নিজেদের বুলগার বলতেই পছন্দ করে।
ভলগাপারে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমন ঘটà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আমিরুল মুমিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক বিশ্ব শাসন ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে চির অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে রয়েছে। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন সুসংগঠিত ইনসাফভিত্তিক বিচারিক ব্যবস্থা এবং সম্মানিত ইসলামি অর্থনীতি উনার শক্তিশালী ভীত প্রতিষ্ঠাকারী।
আমিরুল মুমিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার ক্রমধারায় একটি আলাদা স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সম্মানিত খিলাফত উনার প্রত্যেক অঞ্চলে তিনি বিচারক বা কাযী নিযুকà বাকি অংশ পড়ুন...












