আবার বলা হচ্ছে আরেক পবিত্র আয়াত শরীফে, উনাদের প্রতি আক্বীদা শুদ্ধ করতে হবে। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করছেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন যে, উনাদের প্রতি আক্বীদাহ বিশুদ্ধ রাখতে হবে। হুসনে জন পোষণ করা ফরযে আইন। বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করাও ফরযে আইন। বলা হচ্ছে-
إِذْ تَلَقَّوْنَهُ بِأَلْسِنَتِكُمْ
তোমরা তোমাদের জবানে উচ্চরণ করতেছিলে, মুখে বলতেছিলে, বার বার আওড়াচ্ছিলে নানানভাবে,
مَّا لَيْسَ لَكُم بِهِ عِلْمٌ
যে বিষয় তোমাদের কোন প্রকার ইলিম-কালাম নেই।
তারপর তিনি বললেন-
وَتَحْسَبُ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অনেকেই হিংসামূলক মনোভাবের কারণে আকাঙ্খা করে যে, ঈমান আনার পর আবার তোমরা কাফির হও। (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) হযরত ইবনে হিব্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
أهل الحجاز يطلقون كذب في موضع أخطا
অর্থ: হেজাযের লোকেরা خطاء এর স্থলে কখনো কখনো كذب শব্দ ব্যবহার করে। (মুকাদ্দিমা ফতহুল বারী ৪২৬)
এখন রাবীদের ব্যাপারে ‘কিযব’ বা মিথ্যাবাদী শব্দ দেখে পবিত্র হাদীছ শরীফ বাদ দিয়ে দেয়ার আগে বিভিন্ন স্থান ভেদে ইমামদের প্রচলিত ভাষা সম্পর্কেও যথেষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে।
রিজাল শাস্ত্রের ইমাম উনাদের এধরনের আরো অনেক ব্যাখ্যামূলক ভাষা রয়েছে। যার সম্পর্কে পূর্ণ ইলিম না থাকলে ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে। এ কারণে হযরত আব্দুল হাই লখনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন-
ول বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٥٧﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীন উনাকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে এবং যারা কাফির, তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো যদি মু’মিন হয়ে থাকো। (পবিত্র সূরা মায়িদা: আয়াত শরীফ ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বান্দা যদি যমীন থেকে আসমান পরিমাণ গুনাহ করে তারপর মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَـعَالَى يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِي وَرَجَوْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ عَلَى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا أَبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَـغْفَرْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ وَلَا أُبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ لَوْ لَقِيتَنِي بِقُرَابِ الْأَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتَنِي لَا تُشْرِكْ ب বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই বিষয়গুলো ফিকির করতে হবে। এখন মানুষ-
مال مفتے قدر نیست
উচ্চারণ: ‘মালে মুফতে ক্বদরে নিস্ত্।’ যেটা কোন বিনিময় ছাড়া পাওয়া যায়, সেটা কোন মানুষ মূল্যায়ন করে না। নাউযুবিল্লাহ! বিশেষ করে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে তা’খীর, তাহরীম, ঈলা এই যে বিষয়গুলো, এগুলো কিন্তু মানুষ অপব্যাখ্যা করে। নাঊযুবিল্লাহ! এগুলোতে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের শান-মান মুবারকই কিন্তু প্রকাশ করেছেন, মানুষকে বুঝিয়েছেন । কিন্তু মানুষ উল্টা বুঝার কারণে আবূ জাহিল আর আবূ লাহাবের মতো অপব্যাখ্যা করে। নাউযুবিল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার অসংখ্য পবিত্র ই’জায শরীফ রয়েছেন, যা উনার সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার সত্যতা ও মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম কুদরত মুবারকের প্রমাণ। এই পবিত্র ই’জায শরীফ গুলো শুধু অতীতের ইতিহাস নয়; বরং আজকের জীবনেও পবিত্র ঈমান উনার শক্তি বৃদ্ধির উৎস। বিশেষ করে পানি সংকটের মধ্যে একটি বিস্ময়কর অলৌকিকতা ঘটেছিলো, যা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের কাছে প্রত্যক্ষ হয়ে আজও আমাদের হৃদয়ে গভীর শিক্ষা প্রদান করে। এই পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসংখ্য-অগণিত বুলন্দী শান মুবারক উনার মধ্যে অন্যতম একখানা বুলন্দী শান মুবারক হচ্ছেন পবিত্র মি’রাজ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
মশহূর ও বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী পবিত্র মাহে রজবুল হারাম শরীফ উনার ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতে পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হয়েছেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিলেন ৫১ বছর, আনুষ্ঠানিকভাবে নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের একাদশ বছর বাকি অংশ পড়ুন...












