(৯ম পর্ব)
এরপরে সেই রাতে সে ঘুমিয়ে গেলো, রাতে সে স্বপ্ন দেখছে। যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই প্রতিবেশী, মুসলমান প্রতিবেশী উনার ঘরে তাশরীফ মুবারক রেখেছেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
যে, তিনি তখন রেখেছেন। তিনি তো আর চিনেন না। সেই ইহুদী মহিলা তো উনাকে চিনতে পারছে না। সে জিজ্ঞেস করেছে, উনি কে? উনার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম সাথে।
هٰذَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ هٰذَا الْـمَنْـزِلَ لِـيُسَلِّمَ, لِـيُسَلِّمَ عَلٰى اَهْلِهٖ
যে, এই ঘরে যারা আছেন উনাদেরকে শানà বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উক্ত হাদীছ শরীফখানা :- لَايَسْتَتِرُ لَايَسْتَنْزِهُ ও لَايَسْتَبْرِئُ তিনটি মুবারক লফযে বা মুবারক শব্দে বর্ণিত হয়েছে। এরপর তিনি বলেন,
وهذه الثالثة في البخاري وغيره، وكلها صحيحة.
لَايَسْتَبْرِئُ
ইসতিবরা করতো না অর্থাৎ স্বাভাবিক ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের হওয়ার পর অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করার কেশেশ করতো না। এ তৃতীয় মুবারক শব্দটি পবিত্র বুখারী শরীফে ও অন্যান্য পবিত্র হাদীছ শরীফের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। আর প্রত্যেকটি বর্ণনাই ছহীহ্্। (আইনী ১ম খ- ৮৩ পৃষ্ঠা)
আরো বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ فَإِنَّ لَكَ الأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الآخِرَةُ
অর্থ: হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দৃষ্টিকে অনুসরণ করো না। প্রথম দৃষ্টি (যা অনিচ্ছা সত্ত্বে পতিত হয় তা) ক্ষমা করা হবে; কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে না। অর্থাৎ প্রতি দৃষ্টিতে একà বাকি অংশ পড়ুন...
لَايُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
“তোমাদের মাঝে কেউ মু’মিন-মুসলমান হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তার পিতা-মাতা, আল-আওলাদ, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, জান-মাল এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচাইতে বেশী মুহব্বত না করতে পারবে।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এই হাদীছ শরীফকে বলা হয়, উম্মুল হাদীছ শরীফ। এই হাদীছ শরীফের কথা চিন্তা করেই সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ফানা-বাক্বা হয়েছেন। কি রকম ফানা-বাকà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(৮ম পর্ব)
যে এক দিরহাম খরচ করলে, কে কতটুকু লাভ করবে সেটা তিনি বন্টন করে দিচ্ছেন। কী? এক লাল সোনার পাহাড়। আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ইয়াতিমদের ভরণ-পোষণের জন্যে খরচ করা। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
এখন ওয়াকেয়া তো অনেকগুলো হয়ে যাচ্ছে মনে রাখতে পারবেন? যে সংক্ষেপে বলি- একবার দূর্ভিক্ষ দেখা গেলো এক বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি অনেক খরচ করতেন সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষ্যে। দুর্ভিক্ষের সময় এখন বিভিন্ন লোকজন বিভিন্ন কিছু বলছে। যে দুর্ভিক্ষের সময় এখন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ মাস আসছেন তিনি প্রস্তুতি নিচ্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৮ম পর্ব)
সিরকা রাখতে পারে, মধু রাখতে পারে। এখানে একটা বিষয় রয়েছে ফিকিরের। আসলে আমরা অনেক কিছুই খাই যা সুন্নত। কিন্তু সেটা যে সুন্নত এটাই অনেকে জানে না!
যেমন- গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত। খাসির গোশত খাওয়া সুন্নত। মুরগির গোশত খাওয়া সুন্নত। মাছ খাওয়া সুন্নত। সমুদ্রের মাছ খাওয়া সুন্নত। মানুষ এগুলো খাচ্ছে কিন্তু অনেকেই জানে না যে, এগুলি সুন্নত। এটা মানুষকে জানিয়ে দিতে হবে। তাহলে সে সুন্নত হিসেবে সেটা নিয়ত করে খাক। সুন্নতের নিয়তে যখন সে খাবে, তখন সে সুন্নত মুবারক পালন করার ফযীলতটা লাভ করবে। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
এটা কিন্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এক সফরে ছিলাম।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সফর শুরু করলেন। লোকেরা উনাকে পিপাসার কষ্টের কথা জানালেন। তিনি সেখানেই অবতরণ করলেন, অতঃপর এক ব্যক্তিকে ডাকলেন। (রাবী) হযরত আবু রজা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ঐ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু হযরত আওফ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তা উল্লেখ করেননি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












