মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَحْسَبَنَّ الَّذِيْنَ قُتِلَوْا فِىْ سَبِيْلِ اللهِ اَمْوَاتًا بَلْ اَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يَرْزُقُوْنَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় যারা শহীদ হয়েছেন উনাদেরকে মৃত (বলা তো দূরের কথা) ধারণাও তোমরা করো না। বরং উনারা জীবিত এবং উনাদের খ¦লিক মালিক রব তায়ালা উনার তরফ থেকে উনারা রিযিকপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَتَانِـىْ حَضْرَتْ جِبْـرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ اِنَّ رَبَّكَ يَقُوْلُ تَدْرِىْ كَيْفَ رَفَعْتُ ذِكْرَكَ قُلْتُ اَللهُ اَعْلَـمُ قَالَ اِذَا ذُكِرْتُ ذُكِرْتَ مَعِىْ.
অর্থ : “আমার কাছে হযরত জিব্রীল আলাইহিস্ সালাম তিনি আসলেন এবং বললেন, নিশ্চয়ই আপনার রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি জানেন, আমি আপনার যিকির বা আলোচনা মুবারককে কত বুলন্দ করেছি? তখন আমি বললাম, মহান আল্লাহ পাক তিনিই ভাল জানেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, যখনই আমাকে স্ বাকি অংশ পড়ুন...
এখন দেখা যায় কোন কোন ওয়াক্বিয়াগুলোকে, অর্থাৎ সামান্যটাকে তারা বড় করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। নাউযুবিল্লাহ! এখন যদি বলা হয় উনারাতো কাপড়-চোপড় তলব করেছেন, ভাতা তলব করেছেন। এটা স্বাভাবিক, হ্যাঁ ঠিকই আছে। এটা উনারা বলতে পারেন। একজন সন্তান তার পিতাকে বলতে পারে, একজন আহলিয়া তার আহালকে বলতে পারে যে, এটা আমার প্রয়োজন, এটা স্বাভাবিক। বলতে হবে, না বললে প্রয়োজন পূরা হবে কি করে। আর উনারাতো সবসময় দান-খয়রাত মুবারক করতেন। উনারা দান-খয়রাত মুবারক করতে করতে দেখা যেত উনাদের শুধু পরিধানের যে লিবাস মুবারক এটা ছাড়া সব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয় বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهَ اَللهَ فِـىْ اَصْحَابِـىْ لَاتَتَّخِذُوْهُمْ غَرَضًا مِّنْ بَعْدِىْ فَمَنْ اَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّـىْ اَحَبَّهُمْ وَمَنْ اَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِىْ اَبْغَضَهُمْ وَمَنْ اٰذَاهُمْ فَقَدْ اٰذَانِـىْ وَمَنْ اٰذَانِـىْ فَقَدْ اٰذَى اللهَ وَمَنْ اٰذَى اللهَ فَيُوْشِكُ اَنْ يَّأْخُذَهٗ
অর্থ: আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আমার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার পরে উনাদেরকে তোমরা তিরস্কারের লক্ষ্যস্থল করো না। যে ব্যক্তি উনাদেরকে মুহব্বত করলো, সে আমা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খাজা সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আকবরাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার শায়েখ হযরত আদম বিন নূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফে পৌঁছে লক্ষ্য করলাম যে, হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ সকল উনার বাড়ির যাবতীয় কাজ নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিয়েছেন। কোন একটি কাজও ফেলে রাখা হয়নি। সুতরাং বেশ কিছুদিন আমাকে অপেক্ষা করতে হলো।
অবশেষে একদিন লক্ষ্য করলাম যে, বন-জঙ্গল থেকে কাঠ আনার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত, তারা দৈহিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল ও জীর্ণ-শীর্ণ। এ দায়িত্ব পালন করা তাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়। আর আমি যেহেতু সুস্বাস্থ বাকি অংশ পড়ুন...
এটাই পরে বলে দিয়েছেন-
يَعِظُكُمُ اللهُ أَن تَعُودُوا لِمِثْلِهِ أَبَدًا
মহাসম্মানিত যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে নছীহত মুবারক করতেছেন, আর জীবনে কখনও এরকম করবে না। জীবনে কখনো এরকম করবে না, হুসনে যনের খিলাফ পোষণ করবে না। বিশুদ্ধ হুসনে যন রাখবে, আক্বীদাহ বিশুদ্ধ রাখবে। চু-চেরা কীল-কাল করবে না এবং এগুলো শুনলে বলবে এ বিষয় আমরা জানি না, আমাদের ইলিম-কালাম নেই।
إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাকো। তাহলে ঈমানদারের জন্য শর্ত হচ্ছে বিনা চু-চেরা ও কীল-কাল ব্যতিত বিশুদ্ধ আক্বীদা ও হুসনে যন পোষণ করা। আমরা বলি, হযরত উ বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামের দৃষ্টিতে ও ইসলামের নামে ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় সে প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্বা বাকি অংশ পড়ুন...












