(সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ)
(৫ম পর্ব)
ইবনে জাযরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলছেন, فَمَا حَالُ الْمُسْلِمِ الْمُوَحِّدِ مِنْ أُمَّتِهِ সেই যে, যদি এই কাফেরটার এই অবস্থা হয়, নিকৃষ্ট কাফেরটার যদি এই অবস্থা হয়, খুশি প্রকাশ করে সে খরচ করার কারণে যদি এই অবস্থা হয়; তাহলে সেই মুসলমান যারা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত, উম্মত উনাদের অন্তর্ভুক্ত
مُوَحِّدِ مِنْ أُمَّتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسُرُّ بِمَوْلِدِهِ، يَسُرُّ بِمَوْلِدِهِ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুà বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
৫
আর এরপরে যেটা আলোচনা করা হইছে সেটা হলো- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফে খরচ করা, এখন অনেক আলোচনা করা হয়েছে। এখন এটাতো অনেক ফযীলত; অনেক হাদীছ শরীফে আছে, যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো বলেছেন,
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ الشهر رَّبِيْع الْاَوَّلِ الشريف بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
একটা হাদীছ শরীফে উনি বলছেন যে আমার বিলাদত শরীফ এই তারিখকে যে সম্মান করলো, যেটা এই সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফে উনার ১২ই শরীফ; কিভাবে? মেহমানদারি করার মাধ্à বাকি অংশ পড়ুন...
যে সমস্ত স্থানে মেয়েদের নামায আদায়ের নিয়ম
পুরুষের নামায আদায়ের নিয়মের ব্যতিক্রম
১. তাকবীরে তাহরীমা বাঁধার সময় পুরুষদেরকে কান পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। আর মেয়েদেরকে কাঁধ বরাবর হাত উঠাতে হবে।
২. পুরুষদেরকে কান পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। আর মেয়েদেরকে হাত বের না করে কাপড়ের ভিতরে রেখেই কাঁধ পর্যন্ত উঠাতে হবে।
৩. পুরুষদেরকে হাত বাঁধার সময় ডান হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা অঙ্গুলি দ্বারা বাম হাতের কব্জি পেঁচিয়ে ধরতে হবে এবং অনামিকা, মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি বাম হাতের কব্জির উপর বিছিয়ে রাখতে হবে। আর মেয়েদেরকে শুধু ডান হাতের হাতলি বাম হাতের উপর বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
উনাকে বলা হলো- তিনি হচ্ছেন যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে হাবীবুল্লাহ। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম! এবং যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারক উনার মাঝেই তিনি বিছাল শরীফ গ্রহণ করেছেন। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
কাজেই সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা করা যে কতটুকু ফযীলতপূর্ণ তা বুঝার জন্য এই আয়াত শরীফ বা এই ওয়াকেয়া শরীফ যদি ফিকির করা হয় তাহলে সেটাই যথেষ্ট হবে। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
অন্য দিকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ সাইয়à বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
এখানে বলা হচ্ছে যে আমাদের করণীয় কি? আমাদের করণীয় হচ্ছে, এই যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে এতো শিক্ষা দিলেন। সেইজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুসরাত এবং তা’যীর করা। অর্থাৎ উনার খিদমত করা এবং উনার সাথে নাযিলকৃত নূর মুবারক অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুসরণ করা তাহলে আমরা সফলকাম হতে পারবো। অর্থাৎ তাহলেই হক্ব আদায় হবে। এখানে এই নুসরাত এবং তা’যীরের বিষয়টা যেটা একটা হক্ব। আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য উন বাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
আচ্ছা! এরপরে আসি ইত্তেবা বা অনুসরণের আলোচনায়। এই হক্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি কালামুল্লাহ শরীফ সূরা আ’রাফ শরীফের ১৫৮নং আয়াত শরীফের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন, মূলত এই আয়াত শরীফটা দুইটা হক্বের কথা বলা হয়েছে। একটা হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে ঈমান আনতে হবে। যেটা আমরা পূর্বে আলোচনা করেছি এবং আরেকটা হচ্ছে উনার ইত্তেবা বা অনুসরণ করতে হবে। যেটা আমি এখন আলোচনা করবো! বিষয়টা পরিস্কার হওয়ার জন্য আমি আয়াত শরীফটা আবারও পাঠ করছি-
قُلْ يَا Ø বাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
৪
কাজেই যিনি খালিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার স্বরণটা সবসময় দায়েমী হইলো। তাইলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্বরণটা গেলো কোথায়? উনাকে তো স্বরণ করতে হবে। উনার স্বরণ মুবারক হচ্ছে এই সুন্নত মুবারক ইত্তেবা করার মাধ্যম দিয়ে সুবহানাল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
একদম মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত দায়েমীভাবে ২৪ ঘন্টা। এটা করতে হবে। এটা তো হায়াতের পূর্বে করে, হায়াতের পরেও করে মানুষ। একটা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার মধ্যে সমস্ত সুন্নত মুবারক জারি করা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...












