মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি, বেদী, ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর এসবগুলোই শয়তানের কাজ। অতএব, এগুলো থেকে তোমরা বিরত থাকো। অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
অর্থ: তোমরা মূর্তিসমূহের খারাবী, অপবিত্রতা, নাপাকী, নিষিদ্ধতা বা শাস্তি থেকে বেঁচে থাকো। ( বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
আইউব ইবনে ওয়াইল আর-রাসিবী বলেন, একদিন হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাতে চার হাজার দিরহাম ও একটি মখমলের চাদর আসলো। পরদিন বর্ণনাকারী তিনি হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দেখলেন, বাজার থেকে উনার সওয়ারী পশুর জন্য বাকিতে (কর্জ করে) খাদ্য কিনছেন। ইবনে ওয়াইল তখনই হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বাড়ীতে গিয়ে উনার পরিবারের লোকদের জিজ্ঞাসা করলেন, গতকালই কি হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাতে চার হাজার দিরহাম ও একটি মখমলের চাদর আসেনি? উনারা বললেন, হ্যাঁ; ইবনে ওয়াই বাকি অংশ পড়ুন...
وَلٰكِنْ يَا حَضْرَتْ حَنْظَلَةُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ سَاعَةً وَّسَاعَةً ثَلَاثَ مَرَّاتٍ.
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! যে, হ্যাঁ ঠিকই আছে। কখনও আমার মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করলে এ রকম অবস্থা হবে আর কখনও দূরে গেলে এরকম হবে। আর এটিই হচ্ছে স্বাভাবিক। এটাই হচ্ছে স্বাভাবিক একটা অবস্থা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তিনি এ মহাসম্মানিত কথা মুবারক তিনবার বললেন। এখন বলার বিষয় হচ্ছে, এটা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়াল বাকি অংশ পড়ুন...
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَه لَعَنَهُمُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَـهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا
অর্থ : নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে কষ্ট দেয়, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন।” (সূরা আহযাব: আয়াত শরীফ ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন দেখলেন যে, পানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, তখন তিনি ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির সৈন্য বাহিনীর নিকট গেলেন এবং তাদের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য মুবারক রাখলেন। তিনি তাদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মাধ্যমে বুঝালেন, যুলুম-অত্যাচার থেকে বিরত থাকো, রক্ত দ্বারা তোমাদের হাতকে রঞ্জিত কর না। জেনে শুনে কোন মু’মিন উনাকে কতল বা শহীদ করা মানে জাহান্নামকে নিজের ঠিকানায় পরিণত করা। আমি হলাম যিনি তোমাদের মহাসম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
ইহুদীসংঘের (জাতিসংঘের) মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়, যার পূর্ণ নাম Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights (OHCHR), এর প্রধান দপ্তরসহ অনেক দেশ ও অঞ্চলে আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। নিচে তাদের প্রধান ও আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর এক বাকি অংশ পড়ুন...
মদ ও জুয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
یَسْـَٔلُوْنَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَیْسِرِ قُلْ فِیْهِمَاۤ اِثْمٌ كَبِیْـرٌ وَّمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَاِثْمُهُمَاۤ اَكْبَـرُ مِنْ نَّـفْعِهِمَا كَذٰلِكَ یُـبَـیِّنُ اللّٰهُ لَكُمُ الْاٰیٰتِ لَعَلَّكُمْ تَـتَـفَكَّرُوْنَ
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) লোকেরা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্জেস করে। আপনি বলে দিন, ‘দু’টোর মধ্যেই আছে মহাপাপ বা মহাক্ষতি এবং মানুষের জন্য (সামান্য) উপকার; আর এ দু’টোর পাপ বা ক্ষতি উপকারের চাইতে অনেক বড় ও বেশী। এভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্টভা বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
উমর বিন হামযাহ বিন আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেন, আমি আমার পিতার (হামযাহ) সঙ্গে বসা ছিলাম। এ সময় একজন লোক পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিল। লোকটি বললো; আমাকে বলুন, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে আপনি কি বলেছিলেন, যখন আমি আপনাকে “জরফ” নামক স্থানে উনার সঙ্গে কথা বলতে দেখেছিলাম? বর্ণনাকারী (উমর) বলেন, আমি বলেছিলাম; হে আবু আবদুর রহমান! আপনার শরীর শক্তিহীন হয়ে পড়েছে, বয়স অনেক বেড়েছে। আপনার সঙ্গীরা আপনার মান মর্যাদা জানে না। আপনি যদি আপনার পরিবারকে নির্দেশ দিতেন, উনারা যেন আপনার জন্য এমন কিছু ব্যবস্থা করেন, যাতে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَ حضرت أَبُو بَكْرٍ عليه السلام حَتَّى دَخَلْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
তখন আমি বললাম, তাহলে চলুন আমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট যাই; বলে আমি ও হযরত সিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হলাম।
فَقُلْتُ: نَافَقَ حضرت حَنْظَلَةُ رضى الله تعالى عنه يَا رَسُولَ اللَّهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ:
হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












