মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ
অর্থ: “অবশ্যই আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই একজন সম্মানিত রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ করেছি এই জন্য যে, যেন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করো এবং তাগুত (মূর্তিপূজা বা কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ) থেকে দূরে থাকো।” (পবিত্র সূরা নহল: আয়াত শরীফ ৩৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
চীন, রাশিয়া তারা নাস্তিক-কাফির-মুশরিক হওয়ার পরেও নিজেদের দেশে তারকা সংযোগ (স্টারলিংক)কে প্রবেশাধিকার দেয়নি।
আবার ভারত আমেরিকার নিকটতম বন্ধু হওয়ার পরেও তারকা সংযোগ বা স্টারলিংককে কঠোর হিন্দুত্ববাদী শর্তসাপেক্ষে এবং কঠোর নিরাপত্তা শর্তাবলী মেনে চলার অঙ্গীকার করার পর পরীক্ষামূলক সীমিত পরিসরে কার্যক্রম করার অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য ইহুদী আর মুশরিকরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং তারা একে অপরের বন্ধুà বাকি অংশ পড়ুন...
ফজর নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পড়া জায়িয নেই
হানাফী মাযহাবের ফতওয়া হলো, একমাত্র বিতর নামায ব্যতীত অন্য কোন নামাযে ‘কুনূত’ পড়া জায়িয নেই। জমহুর উলামায়ে কিরামও এ মতেরই প্রবক্তা। সুতরাং হানাফী মাযহাবের ফতওয়া মুতাবিক ফজরের নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পাঠ করা নাজায়িয এবং নামাযের বাইরের জিনিস পাঠ করার কারণে নামায ফাসিদ বা বাতিল হওয়ার কারণ।
যেমন, এ প্রসঙ্গে “শরহে মায়ানিল আছার” (তাহাবী শরীফ) নামক কিতাবে উল্লেখ আছে যে-
لَايَنْبَغِى الْقُنُوْتُ فِى الْفَجْرِ فِىْ حَالِ حَرْبٍ وَلَاغَيْرِهٖ وَهٰذَا قَوْلُ اَبِىْ حَنِيْفَةَ وَاَبِىْ يُوْسُفَ وَمُـحَمَّدٍ رَحِـمَهُمُ اللهُ.
অর্থ : যুদ্ধঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির মুবারক করতে, উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়িà বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার যিনি শ্রেষ্ঠতম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার যারা নায়িব বা ওয়ারিছ উলিল আমর, ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের অনুসরণের বিষয়টিকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মতো কেউ চলতে পারবে না। কারণ বান্দার পক্ষে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে কোনকিছু জানা ও মানা কখনোই সম্ভব নয়।
কাজেই, বান্দাকে মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক অনুযায়ী চলঠবাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এমন কোন রাত্র অতিবাহিত হয় না যে রাত্রে আমি আমার হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে স্বপ্নে দেখি না, এতটুকু বলে তিনি ক্রন্দন করতে থাকতেন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক যখন তিনি স্মরণ করতেন তখন খুব অস্থির ও কাতর হয়ে পড়তেন। একদিন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুর রহমাহ মুবারক বা চেহারা মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَصْحَابِيْ كَالنُّجُوْمِ فَبِأَيِّهِمْ اِقْتَدَيْتُمْ اِهْتَدَيْتُمْ
অর্থ: “আমার সকল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম তারকা সাদৃশ্য, উনাদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে, হিদায়েত প্রাপ্ত হবে।”
বাকি অংশ পড়ুন...












