যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: “তোমাদের উপর জিহাদ ফরয করা হয়েছে। যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়; কিন্তু তোমরা যা পছন্দ করো না সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তোমরা যা পছন্দ কর সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহপ পাক তিনি জানেন, তোমরা জানো না।” (সম্মানিত ও পবি বাকি অংশ পড়ুন...
৫০নং পবিত্র হাদীছ শরীফ:
عن حضرت أنس رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "من جاءه الموت وهو يطلب العلم يحيي به الإسلام لم يكن بينه وبين الأنبياء إلا درجة في الجنة
অর্থ: “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি ইসলাম জিন্দা করার লক্ষ্যে ইলম অর্জনে রত, আর এমতাবস্থায় তার মৃত্যু আসলো, জান্নাতে সে ব্যক্তির মধ্যে আর নবী আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের মধ্য বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন। কি বলেন? যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কি ইরশাদ মুবারক করেন?
وَمَا كَانَ لَكُمْ أَن تُؤْذُوا رَسُولَ اللَّهِ
অর্থ মুবারক হচ্ছেন, তোমরা যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিবে এটা কখনও জায়িয নেই। কি ব্যপারে? কোন ব্যপারে?
وَلَا أَن تَنكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِن بَعْدِهِ أَبَدًا ۚ
তোমরা যদি নিয়ত করে থাকো পরবর্তীতে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদ বাকি অংশ পড়ুন...
যে সকল মেয়ে আহাল বা স্বামীর অনুগতা, মুহব্বতকারিণী, অধিক সন্তানদানকারিণী তাদেরকে বিবাহ করা সুন্নত। তাদের দ্বারা বৈবাহিক জীবন বরকতপূর্ণ ও সুখের হয়।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
تَـزَوَّجُوا الْوَدُوْدَ الْوَلُوْدَ فَإِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمْ
অর্থ: “তোমরা মুহব্বতকারিণী ও অধিক সন্তানদানকারিণী নারীকে বিবাহ করো। কারণ
এতে আমার উম্মতের সংখ্যাধিক্য প্রাধান্য পাবে। (আবু দাউদ শরীফ, নাসায়ী শরীফ)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর”। কেমন ভয় করতে হবে? হাক্বীকী ভয় করতে হবে।
اولئك هم المفلحون অর্থাৎ তারাই কামিয়াব হয়েছে, যাঁরা তাক্বওয়া অর্জন করেছে। এখন اولئك هم المفلحون কামিয়াবীর যে তাক্বওয়া সেটা কেমন তাক্বওয়া? এ প্রসঙ্গে একটা মেছাল দেয়া হয়। اولئك هم المفلحون তারা কামিয়াব হয়েছে। ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীকত হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটা ওয়াকেয়া উল্লেখ করা হয়। উনার প্রতিবেশীর মধ্যে শামাউন নামে একজন মজুসী (অর্থাৎ অগ্নি উপাসক) ছিল এবং সে ব্যক্তি সত্তর বছর হায়াত পেয়েছে। তার যখন মৃত্যুর সময় হলো, তখন এক ব্যক্তি সংবাদ দি বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু তথাকথিত ইসলামী পত্র-পত্রিকায় এবং কিছু সংখ্যক নামধারী ওয়ায়েজ তাদের বক্তৃতায় টুপি সম্পর্কে সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে নানাবিধ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। তারা বলে থাকে, “টুপির নির্দিষ্ট কোন বর্ণনা শরীয়তে নেই। যেকোন ধরনের টুপি পরিধান করলেই সুন্নত আদায় হয়। নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক!
অথচ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা কেমন টুপি মুবারক পরিধান করতেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে তার সুস্পষ্ট বর্ণনা এ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা যদি নিয়ামত উনার শুকরিয়া করো, তাহলে নিয়ামত উনাকে বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ!
আর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সমস্ত কায়িনাতের জন্য অন্যতম মহান নিয়ামত তথা নিয়ামতে উজমা হলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূত-পবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালামগণ উনারা। সুবহানাল্লাহ! এবং সেই হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতমা সদস্য হলেন সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, আওলাদে রসূল ওলীয়ে মাদারযাদ, ন বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতিসহ সব প্রাণীকে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এরপর সবাইকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ এই সত্যের ওপর বিশ্বাসী। মানুষ মাত্রই তার প্রিয়জনসহ পাড়া-পড়শির মৃত্যু প্রত্যক্ষ করে থাকে। অথচ তারপরও নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে এতটুকু ভয় পায় না। যে ব্যক্তি নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে চিন্তিত হবে এবং হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করবে, সেই ব্যক্তির পক্ষে কোনো অসৎ কাজ করা সম্ভব নয়। মানুষ কতটা অপরিণামদর্শী ও অবিবেচক যে, সে অপরের মৃত্যু দেখে; তারপরও নিজের মৃত্যুরর কথা বাকি অংশ পড়ুন...












