পর্দা পালন করা সম্পর্কে বহু আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ ইরশাদ মুবারক হয়েছে। যেমন আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ يَغُضُّوْا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوْا فُرُوْجَهُمْ ۚ ذٰلِكَ أَزْكٰى لَهُمْ ۗ اِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ بِمَا يَصْنَعُوْنَ. وَقُلْ لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوْجَهُنَّ وَلَا يُبْدِيْنَ زِيْنَتَهُنَّ.
অর্থ: (আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মু’মিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরু হিফাযত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতার কারণ। নিশ্চয়ই ম বাকি অংশ পড়ুন...
একমাত্র মহান আল্লাহ পাক আপনার সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি মুবারকের জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। কার জন্য? যাদের আক্বীদাতে ক্রটি আছে, অন্তরে অপরিচ্ছন্নতা আছে তারা বলে থাকে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ কাজটা ভুল করার কারণে উনাকে তাওবা করতে বলা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এখানে বলা হচ্ছে যারা চূ-চেরা, কীল-কাল করবে, পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করব বাকি অংশ পড়ুন...
১। রোযাদারের ঘুমটা ইবাদততুল্য।
২। রোযাদারের জন্য চুপ থাকাটা তাসবীহতুল্য।
৩। রোযাদারের আমলসমূহ দ্বিগুণ-বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হাদীছটি ছহীহ
كان الصدقة تعطى على عهد رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وأبي بكر وعمر نصف صاع من حنطة.
অর্থ: হযরত সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম, খলীফাতুল মুসলিমীন, ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদের শাসনামলে ছদক্বাতুল ফিতর দেওয়া হতো আধা সা গম। (শরহু মাআনিল আছার ১/৩৫০)
আল্লামা ইবনে আবদুল বার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, এট বাকি অংশ পড়ুন...
এখন উনাকে পেলে আপনারা উনার প্রতি ঈমান আনবেন, উনার খিদমত মুবারক করবেন। এটা কি মেনে নিলেন?
قَالُوا أَقْرَرْنَا
উনারা বলেছেন, অবশ্যই বারে ইলাহী একশ’বার মেনে নিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
قَالَ فَاشْهَدُوا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনারা সাক্ষী থাকুন।
وَأَنَاْ مَعَكُمْ مِّنَ الشَّاهِدِينَ.
তাহলে আমিও আপনাদের মধ্যে একজন সাক্ষী রইলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা সোজা কথা নয়। এটা বলে দিচ্ছেন, এরপর যদি ফিরে যায়
فَمَن تَوَلّٰى بَعْدَ ذٰلِكَ فَأُولٰئِكَ هُمُ الْفَاس বাকি অংশ পড়ুন...
১। জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
২। ইবলিস-শয়তানকে আবদ্ধ-শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।
৩। মুসলমান গুনাহগার কবরবাসীদের কবরের আযাব থেকে এক মাসের জন্য রোখসত দেওয়া হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
সবশেষে আমরা বলতে পারি- Untill recently, dermal application of drugs was intended for local effects only. As transport of substances through skin is better understood, however lipophillic drugs that are reasonably potent are being incorporated into transdermal dosage forms with the intent of establishing therapentic blood levels of drug.
অর্থাৎ এখন পর্যন্ত ত্বকের উপর ওষুধ প্রয়োগ করা হয় স্থানিক প্রভাব পাওয়ার জন্য। যেহেতু ত্বকের মধ্য দিয়ে ওষুধের প্রবেশের ঘটনা ভালভাবে জানা হয়েছে, সেহেতু তৈলাসক্ত এবং উপযুক্তভাবে সক্রিয় ওষুধসমূহ ত্বকের উপর এ কারণেই প্রয়োগ করা হয়, যাতে রক্তে ওষুধের প্রয়োজনীয় মাত্রা পাওয়া যায়।
আমরা জানি রোযা রেখে গোসল করলে অথবা শরীরে তেল মালিশ করলে রোযা ভাঙ্গে না। বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনিতো নিজেই ছানা-ছিফত মুবারক করতেছেন।
পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিলতো করে দেয়া হলো-
إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَهٗ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا. (صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
(যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট বলে দিচ্ছেন। জেনে রাখ,) নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সম্মানিত সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা উনার প্রতি ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন অনন্তকাল ধরে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...












