ঢেলা-কুলুখ ও পানি ব্যবহারের নিয়ম:
বড় ইসতিন্জা (পায়খানা) করা শেষ হলে পাথর, অথবা মাটির ঢেলা অথবা কপড়ের টুকরা অথবা টিস্যু হাতে নিয়ে اُسْكُتْ عَنْ ذِكْرِ اللهِ (উস্কুত্ আন্ যিক্রিল্লাহ্্) বলে শাহাদাত আঙ্গুল দিয়ে তিনটি টোকা দিয়ে প্রথম ঢিলা, সামন থেকে মুছে পিছনে নিবে। দ্বিতীয় ঢিলা পিছন থেকে মুছে সামনে আনবে। তৃতীয় ঢিলা সামন থেকে মুছে পিছনে নিবে। (এখানে সহজটাই বলা হলো) বেজোড় সংখ্যক ৩/৫/৭ ঢেলা ব্যবহার করবে। ঢেলা ব্যবহার শেষ হলে তিনবার হাত ধৌত করবে, সন্দেহ দূর করার জন্য। এরপর ছোট ইসতিন্জার পুরুষলিঙ্গের মাথায় কুলুখ ধরে ইসতিবরা করবে। ইসতিবরা করার নঠবাকি অংশ পড়ুন...
অমুসলিমদেরকে ভাই বলা নিষেধ এ ব্যাপারে ফতওয়া:
যেমন-এ প্রসঙ্গে, ফতওয়ায় নূরি আলাদ্দারবী লিল উছাইম কিতাবের ৪র্থ খন্ড, ২য় পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
فَلَا يَحِلُّ لِلْمُسْلِمِ أَن يَّصِفَ الْكَافِرَ أَيًّا كَانَ نَوْعُ كُفْرِهِ سَوَاءً كَانَ نَصْرَانِيًّا أَمِ يَّهُوْدِياً أَمْ مَجُوْسِيًّا أَمْ مُلْحِدًا دَهْرِيًّا لَا يَجُوْزُ لَهُ أَن يَّصِفَهُ بِالْأَخِ أَبَداً فَاحْذُرْ يَا أَخِيْ مِثْلُ هَذَا التَّعْبِيْرُ
সুতরাং কোন মুসলমানদের জন্য কাফেরদের গুণাবলী বর্ণনা করা বৈধ নয়, চাই সে নাছারা হোক অথবা ইহুদী হোক অথবা কোন হিন্দু হোক অথবা কট্টর নাস্তিক হোক তাকে কখনো “ভাই”বলে সম্বোধন করা জায়িয নেই।
আর তারা মুসলমানদের ভা বাকি অংশ পড়ুন...
অত্যধিক বৃষ্টি বর্ষণের কারণে ক্ষতির আশংকা থাকলে যে দোয়া মুবারক পাঠ করতে হয় :
অত্যধিক বৃষ্টি বর্ষণের কারণে ক্ষতির আশংকা থাকলে নিম্নের দোয়া মুবারক পাঠ করবে -
اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا اَللّٰهُمَّ عَلَى الْاَكَامِ والظَّرَابِ وبُطُوْنِ الْاَوْدِيَةِ ومَنَابِتِ الشَّجَارِ.
অর্থ : আয় মহান আল্লাহ পাক। আমাদের আশে পাশে (বৃষ্টি বর্ষণ করুন), আমাদের উপর নয়। আয় মহান আল্লাহ পাক! উঁচু ভূমিতে, ছোট টিলা, উপত্যকায়, নিম্নভূমি এবং বনভূমিতে (বৃষ্টি) বর্ষণ করুন। (মিরাজুল বুখারী শরীফ)
বিপদ-আপদ ও রোগ-ব্যাধি থেকে হিফাযত থাকার দোয়া মুবারকসমূহ :
বিভিন্ন ধরনের বালা-মুছিবত ও রোঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مُرْسَلًا قَالَ بَلَغَنِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
অর্থ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই পবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, যে দেখে এবং দেখায় তার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবঠবাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত ছুমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এত দীর্ঘ সময় নামাযে দন্ডায়মান থাকতেন যে, উনার পা মুবারক দু’টি ফেটে রক্ত বের হতো। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
একবার হযরত ইবরাহীম ইবনে রাবীআ’ রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট আসলেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একখানা কাপড়ের একপাশ পরে অন্য পাশ গায়ে জড়িয়ে নামাযে মশগুল ছিলেন। নামায শেষ হলে হযরত ইবরাহীম রহমতুল্লাহি আলাইহি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি এভাবে এক কাপড়ে নামায পড়েন? হযরত আনাà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلَا اُنَبِّئُكُمْ بِـخَيْرِ اَعْمَالِكُمْ وَاَزْكٰهَا عِنْدَ مَلِيْكِكُمْ؟ وَاَرْفَعِهَا فِىْ دَرَجَاتِكُمْ؟ وَخَيْرٍلَّكُمْ مِّنْ اِنْفَاقِ الذَّهَبِ وَالْوَرَقِ؟ وَخَيْرٍلَّكُمْ مِّنْ اَنْ تَلْقَوْا عَدُوَّكُمْ فَتَضْرِبُوْا اَعْنَاقَهُمْ وَيَضْرِبُوْا اَعْنَاقَكُمْ؟ قَالُوْا بَلٰى قَالَ ذِكْرُ اللهِ.
অর্থ : হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাà বাকি অংশ পড়ুন...












