পর্দা পালন করা সম্পর্কে বহু আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ ইরশাদ মুবারক হয়েছে। যেমন আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ يَغُضُّوْا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوْا فُرُوْجَهُمْ ۚ ذٰلِكَ أَزْكٰى لَهُمْ ۗ اِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ بِمَا يَصْنَعُوْنَ. وَقُلْ لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوْجَهُنَّ وَلَا يُبْدِيْنَ زِيْنَتَهُنَّ.
অর্থ: (আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মু’মিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত-আবরু হিফাযত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতার কারণ। নিশ্চয়ই ম বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
যখন তিনি এই হাদীছ শরীফ ইরশাদ মুবারক করলেন, তখন কিছু ইহুদী এবং নাছারা তারা আসলো। ইহুদী-নাছারা তারা এসে বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, এতে বুঝা যাচ্ছে- যারা ইহুদী এবং নাছারা তারাও জান্নাতী হবে। কিভাবে সেটা?
তারা তো যিনি খালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনাকে এক হিসেবে জানে তাহলে এই সম্মানিত এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী ইহুদী এবং নাছারা তারাও প্রত্যেকেই জান্নাতী হবে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
এই প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনি সূরা বাকারা শরীফ উনার ১৩৭ নং আয়াত শরীফে যেটা বলে দিয়েছেন, সেখান থেকে আমরা সহজে জানতে পারবো যে-
فَإِنْ آمَنُوا بِمِثْلِ مَا آمَنتُم بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوا
অর্থাৎ ঈমানটা এমনভাবে আনতে হবে, ছাহাবায়ে কিরাম যেভাবে ঈমান এনেছেন। তাহলে এখন দেখি, ছাহাবায়ে কিরাম কিভাবে ঈমান এনেছিলেন? আচ্ছা! এ ক্ষেত্রে একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ হতে আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র মি’রাজ শরীফের ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পরে সকালে মাà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَلنَّاسُ كُلُّهُمْ هَلْكٰى إِلَّا الْمُؤْمِنُونَ، وَالْمُؤْمِنُونَ كُلُّهُمْ هَلْكٰى إِلَّا الْعَالِمُونَ، وَالْعَالِمُونَ كُلُّهُمْ هَلْكٰى إِلَّا الْعَامِلُونَ، وَألْعَامِلُونَ كُلُّهُمْ هَلْكٰى إِلَّا الْمُخْلِصُونَ.
অর্থ : সমস্ত মানুষ ধ্বংস ঈমানদারগণ ব্যতীত এবং
ঈমানদারগণও ধ্বংস আলিমগণ ব্যতীত এবং
আলিমগণও ধ্বংস আমলকারীগণ ব্যতীত এবং
আমলকারীগণও ধ্বংস ইখলাছ অর্জনকারীগণ ব্যতীত। (মিরকাত শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
(সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ)
(৩য় পর্ব)
তাহলে এখান থেকে যে শান মুবারক আমরা পাচ্ছি,স্পষ্ট সেটা কী? যে আমাদের অস্তিত্ব আমরা লাভ করেছি কার জন্যে, কার সম্মানার্থে? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে। তাহলে আমাদের মাল-সম্পদ কোথায় খরচ করবো? কার শানে মীলাদ শরীফ পাঠ করবো? উনার শানে, দায়েমীভাবে, সবসময় মীলাদ শরীফ পাঠ করতে হবে। সবসময়, সমস্ত কিছু, সারাদিন ধরে, প্রতিদিন ধরে খরচ করতে হবে। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
আর দরুদ শরীফের যে বিষয়টা, এটাতো আমরা সবসময় বলে থাকি, অনেক ফযীলত। চারজন ফেরেশতা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে এসেছিলেন, উনারা চারটা বিষয় আরজু নিয়ে, যে কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক নাযিল করেছেন-
وَاللهُ وَرَسُولُهُ أَحَقُّ أَنْ يُرْضُوهُ إِنْ كَانُوا مُؤْمِنِينَ
এখানে যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট্য বলে দিচ্ছেন; ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মো’মেন দাবি করে তাদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে, কর্তব্য হচ্ছে, হক হচ্ছে- যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক যিনি নূরে মুজাসসাম হাবী বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইসতিন্জার কারণে ক্ববরের আযাব:
বিশেষ করে ছোট ইসতিন্জা (প্রস্রাব) থেকে পবিত্রতার বিষয়ে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যেমন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِسْتَنْزِهُوْا عَنِ الْبَوْلِ فَإِنَّ عَامَّةَ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنْهُ.
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরাহ্্ রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লà বাকি অংশ পড়ুন...
একটু ভাবতে হবে....
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো আজকাল একটি সাধারণ বিষয়। মানুষ জন্মদিন পালন করছে, বিয়ের অনুষ্ঠান পালন করছে খুব উৎসাহের সাথে। কারো ছেলে বা মেয়ের জন্মদিনের কেক কাটা তথাকথিত মুসলমানদের জন্য একটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গেছে। এসব জন্মদিন পালন, বিয়ের অনুষ্ঠান পালন নিয়ে কেউ কোন ফতওয়া দেয় না কিন্তু পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ এলেই ওহাবী খারেজীরা নানান ফতওয়া দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। কিন্তু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (শ্রেষ্ঠ দিনসমূহের মধ্যে যে দিন শ্রেষ্ঠতম) পালন আসলে সকল মুসলমানদের জন্য ফরযের উপর ফর বাকি অংশ পড়ুন...












