পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يـَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاَمْرَأَةٍ اِلَّا ثَالِثُهَا الشَّيْطَانُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (মহান আল্লাহ পাক উনার কসম!) কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে একাকী হলেই শয়তান এসে তাদের তৃতীয় ব্যক্তি হয়। অর্থাৎ তাদের উভয়কেই গুনাহের কাজে লিপ্ত করার জন্য ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে।” নাউযুবিল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
জাহান্নামে তোমাদেরকে পৌঁছে দেয়াই হবে। এবং উনারা কখনও যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যা আদেশ মুবারক করেন তার খিলাফ করেন না। যা আদেশ মুবারক করেন তাই উনারা পালন করে থাকেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম! এতোক্ষণ বলা হলো ঈমানদারকে।
এরপর কাফিরদেকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! তোরা জেনে রাখ, আজ তোদের কোন ওজর গ্রহণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
(১) তারা ব্যবসায় কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
(২) তাদের গোনাহখতা ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(৩) তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ
অর্থ: হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা কাওছার ২নং আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আল্লামা কাযী ছানাউল্লাহ পানিপথী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
فَعَلـٰى هٰذَا يُثْبَتُ بِهٖ وُجُوْبُ صَلـٰوةِ الْعِيْدِ وَالْاُضْحِيَّةِ
অর্থ: পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র ঈদের নামায এবং কুরবানী করা উভয়ই ওয়াজিব। সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে মাযহারী ১০/৩৫৩)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আল্লামা সাইয়্যিদ মাহমূদ আলূসী বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার স্বীয় তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীর বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর তা’খীর শরীফের পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ নাযিল হলো। ফায়ছালা হলো। এটা হচ্ছে, পবিত্র ছফর শরীফের পহেলা তারিখের কথা। তা’খীর শরীফের যে পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো। এরপর পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফের বাকি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো। মুসলমান কাফির সবাইকে সতর্ক করার জন্য এবং আরো কতগুলি বিষয় মুসলমানদেরকে জানানোর জন্য। সেই সাতখানা পবিত্র আয়াত শরীফের প্রথম পাঁচখানা আর দু’খানা একই রুকু শরীফে। বলা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছয় নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّٰى أَكُوْنَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَّالِدِهٖ وَوَلَدِهٖ وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ وَفِـىْ رِوَايَةٍ مِّنْ مَّالِهٖ وَنَفْسِهٖ
অর্থ: তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিনে কামিল হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের নিজের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি, ধন-সম্পদ এমনকি নিজের জান-মাল থেকেও আমাকে অধিক মুহব্বত না করবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضَرَتْ عُمَرُو بْنِ شُعَيْبِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَده اَنَّ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا لاَتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلا بِالنَّصَارٰى.
অর্থ: “হযরত উমর বিন শুয়াইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা হতে উনার পিতা উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ভিন্ন অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। কাজেই আপনারা ইয়াহুদী এবং নাছারাদের সা বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হওয়া ও পৃথক হওয়া:
ঝড় বৃষ্টির সময় আকাশে কিমিউলোনিমবাস মেঘের পূর্ণাঙ্গ পর্যায়ে উর্ধ্বগামী বরফ কণা এবং নিম্নগামী শিলা খন্ড থাকে।
কণাগুলির পরস্পর ঘর্ষণের কারণে বরফ কণা ধনাত্মক এবং শিলা খন্ড ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয়। মেঘের উপরের অংশে জমা হয় ধনাত্মক চার্জ এবং নিচের অংশে জমা হয় ঋণাত্মক চার্জ। এই ঋণাত্মক চার্জের ইনডাকশন বা আবেশের কারণে যমীনে ধনাত্মক চার্জ জমা হয়।
এভাবে মেঘের ঋণাত্মক এবং যমীনের ধনাত্মক চার্জের মাঝখানে বাতাস ইনসুলেটর বা অপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু দমকা বাতাসের কারণে এই ধনাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র তাহাজ্জুদ নামাযের ওয়াক্ত :
{يٰاَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ} ... قَالَ الْعُلَمَاءُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ: كَانَ هٰذَا الْـخِطَابُ لِلنَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ اَوَّلِ الْوَحْىِ قَبْلَ تَبْلِيْغِ الرِّسَالَةِ {قُمِ اللَّيْلَ} اَىْ لِلصَّلٰوةِ {اِلَّا قَلِيْلًا} وَكَانَ قِيَامُ اللَّيْلِ فَرِيْضَةٌ فِى الْاِبْتِدَاءِ وَبيَّنَ قَدْرَهٗ فَقَالَ: {نِصْفَهٗ اَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا} اِلَى الثُّلُثِ {اَوْ زِدْ عَلَيْهِ} عَلَى النِّصْفِ اِلَى الثُّلُثَيْنِ خَيَّرَهٗ بَيْنَ هٰذِهِ الْـمَنَازِلِ.
অর্থ: (হে কম্বলাবৃত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ... হযরত উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন: রিসালত প্রচার কর বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
مَّا لَهُم بِهٖ مِنْ عِلْمٍ
এদের এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম নেই।
وَلَا لِآبَائِهِمْ
এদের বাপ-দাদা, চৌদ্দ পুরুষেরও এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদেরতো ইলিম-কালাম নেই। যারা অপব্যাখ্যা করে থাকে, চূ-চেরা, কীল-কাল কওে, এদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষেরও কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। কাজেই এদেরকে অনুসরণ করা যাবে না।
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ
এদের মুখ থেকে বের হচ্ছে কঠিন, নি বাকি অংশ পড়ুন...












