তাহলে দেখা যাচ্ছে উনারাও সৃষ্টির একক। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা, মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরে উনারাও সমস্ত সৃষ্টির মাঝে একক, অনন্যা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর সেজন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلٰى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللهِ وَالْحِكْمَةِ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজ থেকে উনাদেরকে খিলাফত মুবারক হাদিয়া করলেন, যেমন ইলমে তাছাওউফের সিলসিলায় খিলাফত দেয়া হয়। একজন কামিল শায়েখ, একজ বাকি অংশ পড়ুন...
(এক) গইরুল্লাহ থেকে বের হওয়ার তাওফীক্ব দিবেন।
(দুই) তাওয়াক্কুল করার তাওফীক্ব দান করবেন।
(তিন) বেহিসাব রিযিক প্রদান করবেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوْا عَنْهُ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০০)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক আনুষ্ঠানিক দীদার দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَكَانَ قَابَ قَوْسَیْنِ اَوْ اَدْنَ.
অর্থ: “ধনুকের দুই মাথার যতটুকু ব্যবধান এই পরিমাণ অথবা এর চেয়েও আরো অধিক নিকটবর্তী হলেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-০৯)
মূলত এটিই হচ্ছে পব বাকি অংশ পড়ুন...
আর যেহেতু তিনি গ্রহণ করবেন, এর অর্থ কি? তিনি কি নিজ থেকে গ্রহণ করবেন? নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوٰى، إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُّوحٰى
মহাসম্মানিত ওহী মুবারক ছাড়া তিনিতো নিজ থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না, কোন কাজ মুবারক করেন না এবং কোন সম্মতি মুবারক প্রকাশ করেন না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাহলে ফযীলত মুবারক কতটুকু।
কাজেই উনাদের সম্মানার্থে মু’মিনদের জন্য ফরয করে দিয়েছেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা ক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّيَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالإِثْمَ وَالْبَغْيَ بِغَيْرِ الْحَقِّ وَأَن تُشْرِكُواْ بِاللّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِ سُلْطَانًا وَأَن تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ مَا لاَ تَعْلَمُونَ
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার রব তায়ালা তিনি সমস্ত প্রকার অশ্লীল বিষয়সমূহ হারাম করেছেন সেটা প্রকাশ্য হোক এবং অপ্রকাশ্য হোক। আর হারাম করেছেন সমস্ত গুনাহের কাজ, অন্যায়-অত্যাচার। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে এমন বস্তুকে শরীক করা, তিনি যার কোন সনদ বা দলীল নাযিল করেননি। আর মহান আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই, যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাশরীফ মুবারক এনেছেন তাই উনাকে ব্যতীত অন্য কারো পথ, তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ করা যাবে না। যদি কেউ করে তাহলে প্রকাশ্য গোমরাহে সে গোমরাহ্ তো হবে-ই এবং তার ভয়াবহ পরিণতিও হবে। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا
অর্থ: “হযরত আমর ইবনে শুয়াইব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের চার জনকে তারা বাদ দিয়ে বলে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যে, উনাদের পরে কাউকে গ্রহণ করা জায়িয নেই। নাউযুবিল্লাহ! আসলে এখানে শর্ত দেয়া হয়েছে। এই শর্তটা না বুঝার কারণে তারা চু-চেরা, কীল-কাল করে নিজেরা গোমরাহ হচ্ছে এবং মানুষদেরকে গোমরাহ করতেছে। অর্থাৎ এখানে বলা হচ্ছে, আগেই এ শর্তগুলো বলে দেয়া হয়েছে, যে সমস্ত মহিলা উনারা মু’মিনাহ এবং যারা হিজরত মুবারক করেছেন এই ধরনের মহিলা ছাড়া আর কাউকে আর আপনি গ্রহণ করবেন না, এটা আপনার শান-মানের খিলাফ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- إذَا رَأَيْتُمُ الَّذِيْنَ يَسُبُّوْنَ أصْحَابِىْ فَقُوْلُوْا لَعْنَةُ اللهِ عَلَى شَرِّكُمْ. অর্থ: যখন তোমরা কাউকে আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালি দিতে দেখবে, তখন তোমরা বলো, এ নিকৃষ্ট কাজের জন্য তোমাদের প্রতি আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হোক। (তিরমিযী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...












