পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ زِيَادِ بْنِ حُدَيْرٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، قَالَ: قَالَ لِي حَضْرَتْ عُمَرُ الْفَارُوقُ عَلَيْهِ السَّلَامُ هَلْ تَعْرِفُ مَا يَهْدِمُ الإِسْلاَمَ قَالَ قُلْتُ لاَ قَالَ يَهْدِمُهُ زَلَّةُ الْعَالِمِ وَجِدَالُ الْمُنَافِقِ بِالْكِتَابِ وَحُكْمُ الأَئِمَّةِ الْمُضِلِّينَ.
অর্থ: তাবিয়ী হযরত যিয়াদ ইবনে হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, একবার খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে বললেন, আপনি বলতে পারেন কি, দ্বীন ইসলাম উনাকে কিসে ক্ষতি করবে? হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি বললাম, না। তখন তিনি বললেন, আলিমদ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
অর্থ: আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার শান-মান, মর্যাদা, আলোচনা মুবারক বুলন্দ করেছি, উঁচু করেছি।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক বহিঃপ্রকাশের লক্ষ কোটি মেছাল রয়েছে।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক উপলব্ধি করার জন্য পবিত্র সূরা আল হুজুঠবাকি অংশ পড়ুন...
(১০ম পর্ব)
من فرح بنا فرحنا به, من فرحنا
যে, فرح بنا যে, আমাদেরকে নিয়ে খুশি প্রকাশ করে, به فرحنا আমরা তাকে নিয়ে খুশি প্রকাশ করি। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম! যে, হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম আমরা জানি এজন্য শুধু বলে দিচ্ছি। তিনি যে, মদীনা শরীফে আমরা গতদিনও শুনেছি এই ওয়াকেয়া। যে, এক হাজার উট বোঝাই খাদ্য। হ্যা; তিনি হাদিয়া করে দিয়েছিলেন। যে, উনাকে নিয়ে জান্নাতে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মেহমানদারির আয়োজন করেছেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
তাহলে আমরা কী উনাকে সন্তুষ্ট করতে চাই কী চাই না? তাইলে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
(১০ম পর্ব)
একইভাবে যদি আমরা ফিকির করি, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত কতটুকু? একখানা সুন্নত মুবারক উনার মর্যাদা এতো বেশি! যে, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকলের আমল অনন্তকালের জন্য সকলের আমল এক পাল্লায় দিলে আর একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে আরেক পাল্লায় যদি দেয়া হয় তাহলে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার পাল্লাই বেশি ভারী হবে। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত মুবারক অনুযায়ী যদি বোঝার কোশেশ করি, তাহলে সুন্নতী আমলের কতটুকু গুরুত্ব রয়েছে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
تقل بَعْضُ الْعُلَمَاءِ عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا أَنَّهُ قَالَ نظر يَهُودِي بِالشَّامِ فِي زَمَنِ النبي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي التَّوْرَاةِ فَوَجَدَ ام اسم سيدنا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ارْبَعَةِ مَوَاضِعَ فَكَشَطَهُ ثُمَّ نَظَرَ في اليوم الثاني فَوَجَدَهُ فِي ثَمَانِيَةِ مَوَاضِعَ فَكَشَطَهَا ثُمَّ نَظَرَ فِي الْيَوْمِ الثَّالِثِ فَوَجَدَهُ فِي اثنى عَشَرَ مَوْضِعًا فَسَارَ إِلَى الْمَدِينَةِ فَوَجَدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ مَاتَ فَقَالَ لِسَيِّدِنَا حَضْرَتْ عَلِي كَرَّمَ اللَّهُ وَجْهَهُ عَلَيْهِ السَّلَامُ ارِنِي ثَوْبَ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأ বাকি অংশ পড়ুন...












