মুহলিকাত مهلكات ওই সকল বদ খাছলত বা কুস্বভাবকে বলে, যে সকল বদ খাছলত মানুষকে বা মানুষের অন্তরকে ধ্বংস বা হালাক করে দেয়। এ প্রসঙ্গে জনৈক বুযুর্গ কবি তিনি বলেন-
خواہی کہ شوی دل تو چوں ائنہ+ بد چیز بروں کن از درون سینہ.
অর্থ : তুমি যদি চাও, তোমার অন্তর আয়নার মতো পরিষ্কার হোক, তবে তুমি তোমার অন্তর থেকে বদ স্বভাবসমূহ বের করে দাও।
এ সকল বদ খাছলত হচ্ছে-
১। কিবর (অহঙ্কার) ২। হাসাদ (হিংসা) ৩। বোগয (শত্রুতা) ৪। গদ্বব (রাগ) ৫। গীবত (পরনিন্দা) ৬। হিরছ (লোভ) ৭। কিযব (মিথ্যা) ৮। বোখল (কৃপণতা) ৯। রিয়া (লোক দেখানো) ১০। গুরুর (ধোঁকাবাজী) ১১। কিনা (দুশমনী) ১২। ত্বমা (হালাল-হারাম না দেখ বাকি অংশ পড়ুন...
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য: তারা মনে করে থাকে যে, যারা বড় মসজিদের খতীব, বড় মাদরাসার মুহতামিম বা প্রিন্সিপাল অথবা ইসলামী দলের আমীর তারাই হক্কানী আলিম, যদিও তারা প্রকাশ্যে বহু হারাম কাজে লিপ্ত থাকুক না কেন। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া: ‘হক্বানী আলিম’ হওয়ার প্রথম শর্ত হচ্ছে- ঈমান বা আক্বীদা, অর্থাৎ উনার আক্বীদা পরিপূর্ণরূপে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত অনুযায়ী হতে হবে।
দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে- উনার ইল্মে ফিক্বাহ ও ইল্মে তাছাউফ সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে।
তৃতীয় শর্ত হচ্ছে- উনার মধ্যে ইল্ম অনুযায়ী পূর্ণ আমল থাকতে হবে।
চতুর্থ শর্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আওলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরিদানগণের মর্যাদা
শায়খ আবু মুহম্মদ আব্দুল লতিফ বিন শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন- আমার আব্বাজান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন- শায়েখ হাম্মাদ দাব্বাস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে প্রতি রাত্রে মধু মক্ষিকার শব্দের মত এক প্রকার গুঞ্জন শুনা যেত। সায়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সেই সময় উনার কাছে মুবারক ছোহবতে আসা-যাওয়া করতেন। লোকেরা উনার কাছে আরয করলেন, তিনি যেন শায়েখ হামাদ দাব্বাস রহমতুল্লাহি আল বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে দেখা যাচ্ছে কোন অবস্থাতেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারকে চূ-চেরা কিল করা যাবে না। উনাদেরকে কোন কষ্ট দেয়া যাবে না। উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারকের বিপরীত বললেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনারা কষ্ট পান। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে কত পবিত্র শান-মান উনাদের, কত পবিত্র ফযীলত মুবারক, কত বৈশিষ্ট মুবারক উনাদের? তাহলে যারা এলোমেলো বক্তব্য পেশ করে যাচ্ছে এদের ফয়সালাটা কি? সেটাই বলা বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় অংশ)
জাওয়াব: পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা উনার নিজগৃহে সমবেত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কিত মুবারক ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারী উনারা আনন্দ ও খুশি প্রকাশ করছিলেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার প্রশংসা অর্থাৎ তাসবীহ-তাহলীল মুবারক পাঠ করছিলে বাকি অংশ পড়ুন...
চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি ও সুলত্বানুল হিন্দ খাজা মুঈনুদ্দীন চীশ্তি রহমতুল্লাহি আলাইহি:
পবিত্র হাদীছ শরীফের উপরোক্ত বর্ণনা ও লোগাতী তাহ্ক্বীক্বের দ্বারা এটাই প্রমাণিত হলো যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের টুপি মুবারক ছিল গোল, সাদা যা চতুর্দিক থেকে মাথার সাথে লেগে থাকতো, তবে উক্ত গোল টুপি মুবারক কি ধরনের ছিল, তার সুন্দর ও সুস্পষ্ট বর্ণনা ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন- চীশ্তিয়া তরীক্বার ইমাম, মুহইউস সুন্ বাকি অংশ পড়ুন...
ফসলী সন পরিহার করার কারণ
ফসলী সন তৈরি হয় মুঘল শাসক আকবরের নির্দেশে। সে মুসলমান উনাদের হিজরী সন বাদ দেবার জন্যই এই বাংলা সন চালু করেছিলো। অনেকে বলে তার সিংহাসন আরোহণের দিন মনে রাখার জন্যই এই সন চালু করে। যে ব্যক্তি দ্বীন-এ-ইলাহী নামক নতুন একটি ধর্ম তৈরি করে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে ধ্বংস করার কাজে নিয়োজিত ছিল তার নির্দেশে রচিত সৌর সন অনুসরণের কোনই প্রয়োজন মুসলমান উনাদের নেই।
আমাদের বাংলা ভাষায় অনেক হিন্দুয়ানী শব্দ আছে সেক্ষেত্রে কি হবে? মুশরিকরা গরুকে বলে মা আর মায়ের অংশকে বলে মাংস। যেহেতু মুসলমানগণ গরুকে মা মনে করে না তাই বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا
অর্থ: “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, আর তোমাদের উপর আমার নিয়ামতকে পূর্ণ করলাম, তোমাদের জন্যে ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সূরা আল মায়েদা : আয়াত শরীফ ৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামুল মুহাদ্দিসীন, ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার কিতাব মুতালায়াহ করার সময় পিপাসিত হয়ে যান। উনার হুজরা শরীফের পাশেই এক ব্যক্তি শরবত বিক্রি করতো। তিনি পানি পিপাসা নিবারনের জন্য শরবত ওয়ালাকে গিয়ে বললেন- ভাই শরবত ওয়ালা, তুমি আমাকে এক গ্লাস শরবত পান করাও, এর বিনিময়ে আমি তোমাকে একটি জরুরী মাসয়ালা শিক্ষা দিব। শরবত ওয়ালা বললো- মাসয়ালার বিনিময়ে আমার শরবত বিক্রি হয়না, আমার শরবত পান করতে হলে পয়সা লাগবে। হযরত ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট যেহেতু কোন পয়সা ছিলনা, সেহেতু তিনি শরবত পান না করেই বাকি অংশ পড়ুন...












