ফযীলত ও মর্যাদা:
ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন ভয়-ডর শূণ্য দুঃসাহসী। খুব দৌঁড়াতে পারতেন। একবার ‘মাররুজ জাহরান’ নামক স্থানে একটি খরগোশ তাড়া করে ধরে ফেলেন। অথচ উনার সমবয়সী ছেলেরা খরগোশটির পিছনে তাড়া করে ফিরে আসে। বড় হয়ে তিনি নিপুণ অশ্বারোহী ও দক্ষ তীরন্দাজ হন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের জন্য এবং শরীয়তে উনার প্রগাঢ় ইলিম (জ্ঞান) থাকার জন্য সমাজে উনার যথেষ্ট গুরুত্ব ছিলো। প্রতিটি মানুষ উনাকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মুহব্বত মুবারকের চোখে দেখতো। উনার ছাত্র প্রখ্যাত তাবেয়ী হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:
বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয়à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছাল শরীফ:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিছাল শরীফ অর্থাৎ ওফাত শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ মতে হিজরী ৯৩ সনে তিনি ইন্তিকাল করেন এবং তখন উনার বয়স মুবারক হয়েছিলো ১০৩ বছর। (ইছাবা)
কারণ হিজরতের পূর্বে উনার বয়স মুবারক ছিলো ১০ বছর। (উসুদুল গাবা, সিয়ারু আলামিন নুবালা)
বিছাল শরীফের পূর্বে তিনি কয়েক মাস অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন। উনাকে দেখার জন্য উনার মুহব্বতকারী, ভক্ত-অনুরক্তদের ভীড় লেগেই থাকতো। দূর দূরান্তর থেকে দলে দলে লোকজন উনাকে এক নজর দেখার জন্য আসতো। বিছাল শরীফের সময় ঘনিয়ে আসলà বাকি অংশ পড়ুন...
وَمَا خَلَقْتُ الْـجِنَّ وَالْاِنْسَ اِلَّا لِيَعْبُدُوْنِ.
অর্থ: আমি জিন ও ইনসানকে একমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছি। (সূরা যারিয়াহ: আয়াত শরীফ ৫৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
কর্ম-জীবন:
আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত আমলে সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বাহরাইনে ছদকা আদায়ের দায়িত্বে নিয়োগ করতে ইচ্ছা মুবারক প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পরামর্শ চাইলে তিনি বলেন, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বুদ্ধিমান ও লেখাপড়া জানা মানুষ। উনার জন্য যে খেদমতের প্রস্তাব আপনি করেছেন আমি তা সমর্থন করি। অতঃপর সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...












