হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন যে, বর্তমান যামানায় মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ শুনবে এবং আমল করবে।
তবে তিনটা আয়াত শরীফ আমল তারা ছেড়ে দিয়েছে এবং তার গুরুত্ব অনুধাবনে মানুষ অক্ষম হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মানুষেরা! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা থেকে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও হযরত উম্মুল বাশার হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের থেকে সৃষ্টি করেছি।
তবে গোত্রে গোত্রে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছি। যাতে একজন আরেকজনের পরিচয় পেত বাকি অংশ পড়ুন...
আপাতত নিয়ত করে সে এটা করুক যে আমি ইছলাহ হাছিল করতে চাই, আমি আল্লাহওয়ালা হতে চাই। আমি ওলীআল্লাহ হতে চাই। ছেলে হোক মেয়ে হোক, পুরুষ হোক মহিলা হোক কোশেশ করে সে নিয়ত করুক। যে আমার আক্বীদা শুদ্ধ হয়ে যাক, হুসনে যন পয়দা হোক, অন্তরটা বিশুদ্ধ হয়ে যাক এই নিয়ত করে তার কোশেশ করা উচিত। সময়তো কারো জন্য থাকে না। সময় তার গতিতে চলবে। একদিন চক্ষু বন্ধ হয়ে যাবে তখন কি করবে।
كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ الْمَوْتِ
প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে। কাজেই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা, বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ
“(তোমরা দোয়া করো। আয় আল্লাহ পাক!) আমাদেরকে তাদের পথ দিবেন না যারা গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত (খাছভাবে মাগদ্বুব অর্থ ইহুদী এবং দোয়াল্লীন অর্থ নাছারা। আর আমভাবে সমস্ত কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, বাতিল ফিরক্বার অনুসারী সবাই এর অন্তর্ভুক্ত)। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: ৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও শত্রুতার প্রকাশ:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও কাট্টা মুনাফিক, নিকৃষ্ট কাফির ইহুদীদের পুরাতন খাছলত মুসলিম শত্রুতার প্রকাশ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টি।
ইহুদীদের কূটকৌশলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানদেরকে বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
ومن يبخل فانما يبخل عن نفسه
অর্থ: যারা কৃপনতা করে তারা মূলত নিজেদের প্রতিই কৃপনতা করে । (সূরা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: আয়াত শরীফ ৩৮)
বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- বেহেশতের দরজায় লেখা রয়েছে-
اَلدَّيُّوثُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ
অর্থ: দাইয়ূছ অর্থাৎ যে পুরুষ কিংবা মহিলা নিজে পর্দা করে না এবং তার অধিনস্থদেরকে পর্দা করায় না সে বেহেশতে প্রবেশ করবে না। (মুসনাদে আহমদ)
বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি বললেন, আচ্ছা এখানে ফায়সালা শেষ হলো, অতঃপর চলেন মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে। উনাকে নিয়ে গেলেন। হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রওজা শরীফ উনার পাশে দাঁড়ালেন। আর হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়েছিলেন। উনার মাথাটা সম্পূর্ণ উনার পা-নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার দিকে দাঁড়ায়েছিলেন। তিনি চুপ হয়ে রয়েছেন কোন কথা নাই উনার। উনার শায়েখ সালাম দিলেন এবং বললেন ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
১। জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবেন।
২। জান্নাত দান করবেন।
৩। সন্তুষ্টি দান করবেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ۚ فَمَن جَاءَهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىٰ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
অর্থ: যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতের দিন ঐভাবে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান স্পর্শ করে মোহগ্রস্ত করে দিয়েছে। কারণ তারা বলে যে, ক্রয়-বিক্রয়ও তো সুদ নেয়ারই মত। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
ব্যক্তিগত জীবনে হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন মহৎ ও নিঃস্বার্থ চরিত্রের। এ জন্য তিনি সর্বত্র উচ্চ সম্মান পেতেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে উনাকে অন্যতম মুফ্তি ছাহাবীরূপে গণ্য করা হয়।
হাদীছ শরীফ বর্ণনাকারী হিসাবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সতর্ক। তিনি নিজের পক্ষ হতে রেওয়ায়েতের মধ্যে কোন হ্রাস-বৃদ্ধি করতেন না। তিনি ১৬৩০টি হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। উনার মধ্যে ১৭০টি মুত্তাফাক আলাইহি অর্থাৎ ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন। ৮ বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ পড়ার সুন্নতসমূহ
১. পুরুষেরা বাম পা বিছিয়ে ডান পায়ের অঙ্গুলির উপর ভর দিয়ে গোড়ালী উপর দিকে রেখে বসবে এবং বসার সময় বাম পায়ের অঙ্গুলিসমূহও ক্বিবলামুখী করে রাখবে। আর মেয়েরা দু’পায়ের পাতা ডান দিকে কিছু বের করে যমীনের উপর বসবে।
২. তাশাহহুদ পড়ার সময় ‘লা-ইলাহা’ উনার ‘লা’ বলার সাথে সাথে শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা উপরের দিকে ইশারা করবে এবং ‘ইল্লাল্লাহু’ উনার ‘হু’ বলার সাথে সাথে নামাবে।
৩. শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর দুরূদ শরীফ ও দু‘আ মা’ছুরা পড়া।
৪. প্রথমে ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে অতঃপর বাম দিকে সালাম ফিরানো আর সালামের সাথে সাথে ডান বাকি অংশ পড়ুন...












