(৭ম পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৭. একবার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের বরকতে ৭০ হাজার কবরবাসীর আযাব বন্ধ হয়ে গেলো:
فلما انتبهت جاءت إلى الحسن رحمة الله عليه فأخبرته بالقصة فقال لها تصدقي بصدقة لعل الله يعفو عنها ونام الحسن تلك الليلة فرأى كأنه في روضة من رياض الجنة ورأى سريراً منصوباً وعليه جارية حسناء جميلة وعلى رأسها تاج من نور
‘অতঃপর উক্ত মহিলা জাগ্রত হয়ে হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا ﴿١٤٤﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। (কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে) তোমরা কি চাও, তোমাদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে? (পবিত্র সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১৪৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- ‘অনন্ত সুখময় জান্নাত কেবল কয়েক দিনের বাহ্যিক অনুষ্ঠান ক্রিয়াকলাপ দ্বারা লাভ করা যায় না। ইহা আন্তরিকতা ও একাগ্র চেষ্টা-কোশেশ দ্বারা লাভ করতে হয়।’
আমাদের বেহেশতে প্রবেশ করতে হলে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য কোশেশ করতে হবে। আমাদের কোশেশের মাধ্যমে ইলিম অর্জন করতে হবে এবং আমল করতে হবে। এই ইলিম এবং আমলের কোশেশ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে যদি আমরা ততোধিক কোশেশের মাধ্যমে ইখলাছ পয়দা না করতে পারি।
অতএব, ইখলাছই হচ্ছে সমস্ত ইবাদতের মূল। ইখলাছবিহীন ইবাদত প্রাণঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশ থাকে যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী মুবারক ব্যতীত নিজের থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩, ৪)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত মিক্বদাম ইবনে মা’দী কারিব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, জেনে রাখো, আমাকে পবিত্র কুরআন শরীফ দেয়া হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
১। ছাগল মানুষের চেয়ে সাবধান। কারণ, সে রাখালের ডাক শুনে ঘাস খাওয়া বন্ধ করে ও তার দিকে দৌড়ে আসে। পক্ষান্তরে মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার আহ্বান শুনে উনার দিকে দৌড়ে যায় না এবং পাপ কাজ থেকে বিরত হয় না।
২। অসৎ লোকের সংসর্গে থাকলে সে সৎলোকের প্রতি অসৎ ভাব জন্মিয়ে দেয়।
৩। যদি কেউ আমাকে মদ ও দুনিয়াদারীর প্রতি আহ্বান করে, তাহলে আমি দুনিয়াদারীকে অধিক অপছন্দ করব।
৪। যখন দেখব, তোমার মনে বিন্দুমাত্রও মহান আল্লাহ পাক উনার বিরোধিতা নেই তখনই আমি বুঝব, তুমি প্রকৃত মা‘রিফাত লাভ করেছ।
৫। অনন্ত সুখময় জান্নাত শুধুমাত্র কয়েকদিনের বাহ্যিক কিছু আনুষ্ঠà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এ প্রসঙ্গে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِـيّٖنَ لَمَاۤ اٰتَيْتُكُمْ مِّنْ كِتٰبٍ وَّحِكْمَةٍ ثُـمَّ جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّـمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَتَنْصُرُنَّهٗ قَالَ ءَاَقْرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ قَالُوْاۤ اَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ. فَمَنْ تَوَلّٰى بَعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ.
অর্থ: আর (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি স্মরণ করুন ঐ সময়ের কথা) যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করলেন à বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: “তোমাদের উপর জিহাদ ফরয করা হয়েছে। যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়; কিন্তু তোমরা যা পছন্দ করো না সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তোমরা যা পছন্দ করো সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন, তোমরা জানো না।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ২১৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
পঞ্চমত: গোত্রের প্রতি লক্ষ্য করে ভাই বলে সম্বোধন করা যায়।
হিন্দুরা তো আমাদের সম্প্রদায় না, আমাদের কোন গোত্রীয় লোক নয়।
فَكُلُّ مَنْ لَمْ يَكُنْ كَافِراً فَهُوَ أَخٌ لَنَا فِي الْإِسْلَامِ
“প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি যে কাফের না, সে ইসলামের ক্ষেত্রে আমাদের দ্বীনি ভাই”। (শরহু সুসানি আবী দাঊদ লিল আব্বাদ-২১৫/১৬)
আর মুসলমানরা কখনো অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে না, যেমন কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
لا تَجِدُ قَوْماً يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ.
“আপনি মু’মিন সম্প বাকি অংশ পড়ুন...












