পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
سُنَّةَ اللهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ اللهِ تَبْدِيلاً
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন এটা মহান আল্লাহ পাক উনার এটাই হুকুম, এটাই আদেশ মুবারক। এটাই তর্জ-তরীক্বা, সুন্নত মুবারক। এটাই নির্দেশ মুবারক করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে করতে হবে। এই আদেশ-নির্দেশ মুবারকের কোন পরিবর্তন নাই। কোন পরিবর্তন নাই। ঠিক এভাবেই করতে হবে। এখন মানুষ তাহলে কি বুঝতে পারলো? তাহলে যারা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল করে, এই নাটক নোবেল সিনেমা বানায়, বই পুস্তক লেখে তাদের কি শাস্তি দিতে বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্বাচন জায়েয কি করে বলা যেতে পারে? মুসলমানের জন্য নির্বাচন জায়েয বলা কুফরী।
বাকি অংশ পড়ুন...
ফিক্বহে হানাফীর মশহূর কিতাব ‘বাদায়িউছ ছনায়িয়ী’তে উল্লেখ রয়েছে-
وَاللَّعِبُ حَرَامٌ فِي الْأَصْلِ إلَّا أَنَّ اللَّعِبَ بِهَذِهِ الْأَشْيَاءِ صَارَ مُسْتَثْنًى مِن التَّحْرِيمِ شَرْعًا لِقَوْلِهِ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ { كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ وَقَوْسَهُ وَفَرَسَهُ}
অর্থ: মূলত সকল খেলাধুলাই হারাম। তবে শরীয়তগতভাবে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে লায়িব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূলত খেলা নয় তা বৈধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দলীল হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْر বাকি অংশ পড়ুন...
لَئِن لَّمْ يَنتَهِ الْمُنَافِقُون
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, এটা মানুষতো বলেনি মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে। যদি মুনাফিকরা বিরত না হয় এগুলো থেকে, এই অপবাদ দেয়া থেকে বিরত না হয়
وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ
যাদের অন্তরে রোগ আছে, কুফরী শিরকীর রোগ আছে, কাফির মুশরিকদের গোলামীর রোগ যে আছে। এরা
وَالْمُرْجِفُونَ فِي الْمَدِينَةِ
আর যারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে এবং অন্যান্য শহরে অপবাদ ছড়ায় এরা যদি বিরত না হয় তাহলে কি করা হবে?
لَنُغْرِيَنَّكَ بِهِمْ ثُمَّ لا يُجَاوِرُونَكَ فِيهَا إِلاَّ قَلِيلاً
যদি এরা বিরত না হয় ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ
মুবারক অমান্য করার কার বাকি অংশ পড়ুন...
ওয়াজ নছীহত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বিভিন্ন সময় অনেক সূক্ষ¥ বিষয়ে আলোচনা করতেন। যেমন একবার তিনি উল্লেখ করেন- পবিত্র হাদীছ শরীফে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই মর্মে ইরশাদ মুবারক করেন- “তিনটি জিনিষ আমার নিকট প্রিয় করা হয়েছে- “স্ত্রীলোক, সুগন্ধী এবং নামাযের মধ্যে চোখের শীতলতা।”
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যা এভাবে করেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসস বাকি অংশ পড়ুন...
اَخْلِصْ دِيْنَكَ يَكْفِيكَ الْعَمَلُ الْقَلِيلُ
অর্থ: ‘তোমার অন্তরে খুলুছিয়াত পয়দা করো, অল্প আমলই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...












