যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন। কি বলেন? যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا كَانَ لَكُمْ أَنْ تُؤْذُوا رَسُولَ اللهِ
অর্থ মুবারক হচ্ছেন, তোমরা যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিবে এটা কখনও জায়িয নেই। কি ব্যাপারে? কোন ব্যাপারে?
وَلَا أَن تَنْكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِن بَعْدِهِ أَبَدًا ۚ
তোমরা যদি নিয়ত করে থাকো পরবর্তীতে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) রিযিকে বরকত হবে।
(২) জাহান্নাম হারাম হবে।
(৩) জান্নাত ওয়াজিব হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
وَأَعْتَدْنَا لَهَا رِزْقًا كَرِيمًا
এবং আপনাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক রিযিক প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে কিন্তু বলা হচ্ছে, উনাদের আমলের বদলা দ্বিগুণ বহুগুণ অনেক বেশি করে বৃদ্ধি করা হবে। উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক যেহেতু অনেক বেশি সেজন্য প্রত্যেকটাই অনেক দ্বিগুণ বহুগুণ বৃদ্ধি করে উনাদেরকে হাদিয়া মুবারক করা হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এবং সাথে সাথে উনাদেরকে যারা অনুসরণ করবে, মহব্বত মুবারক করবে তাদেরকেও কিন বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত লুক্বমান হাকীম রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন-
يَا بُنَيَّ، ثَلَاثَةٌ لَا تُعْرَفُ إِلَّا فِي ثَلَاثَةِ مَوَاطِنَ:
????لَا يُعْرَفُ الْحَلِيمُ إِلَّا عِنْدَ الْغَضَبِ،
????وَلَا يُعْرَفُ الشُّجَاعُ إِلَّا عِنْدَ الْحَرْبِ،
????وَلَا يُعْرَفُ الْأَخُ إِلَّا عِنْدَ الْحَاجَةِ.
হে আমার প্রিয় সন্তান! তিনটি বিষয় আছে- যা কেবল তিনটি পরিস্থিতিতেই প্রকৃতভাবে জানা যায়।
০১. সহনশীলতা: কোনো ব্যক্তি সত্যিই সহনশীল কি না, তা বোঝা যায় কেবল রাগের সময়।
০২. সাহসিকতা: কোনো ব্যক্তি সত্যিই সাহসী কি না, তা প্রকাশ পায় কেবল যুদ্ধের ময়দানে।
০৩. ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্ব: আর কোনো ব্যক্তি সত্যিই আপনজন বা প্রকৃত বন্ধু কি না, তা জান বাকি অংশ পড়ুন...
عَسَى اللهُ
নিশ্চয়ই যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি
أَن يَجْعَلَ بَيْنَكُمْ
তোমাদের পরস্পরের সৃষ্টি করে দিবেন
وَبَيْنَ الَّذِينَ عَادَيْتُم مِّنْهُم مَّوَدَّةً
তোমাদের মধ্যে পরস্পরে যে বিদ্বেষ রয়ে গেছে, শত্রুতা রয়ে গেছে, নানা রকম চূ-চেরা, কীল-কাল রয়েছে সেটা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানার্থে দূর করে পরস্পরের মধ্যে তিনি পবিত্র মহব্বত মুবারক সৃষ্টি করে দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ قَدِيرٌ
যিনি খ¦লিক যি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ
(দু‘আ ও ক্বিরায়াত)
জায়নামাযের উপর দাঁড়িয়ে দুয়া
اِنِّـىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا اَنَا مِنَ الْـمُشْرِكِيْنَ.
অর্থ : নিশ্চয়ই আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরিয়েছি ঐ মহান সত্তা উনার দিকে- যিনি আসমান ও যমীনসমূহকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই।
তাকবীরে তাহরীমা
اَللهُ اَكْبَرُ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি সবচেয়ে বড় বা শ্রেষ্ঠ।
ছানা
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِـحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْـمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
অর্থ : হে মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা বর বাকি অংশ পড়ুন...












