সমস্ত ইলিম মুবারক উনাকে হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَاللهُ يُعْطِي
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন আর তিনি যাকে ইচ্ছা তাকেই বন্টন মুবারক করেন, আর সে ততটুকু পায়। এর চাইতে এক র্জারাহ পরিমাণ বেশী ইলিম নাই, এরা মিথ্যাবাদী। উনারা যাকে যতটুকু দেন সে ততটুকু লাভ করবে, এর বাইরে ইলিম-কালাম নেই। এই জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক বলা হয়েছে। আমি অনেক বার বলেছি-
هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ
যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) চাঁদ না দেখে একদিন আগেই যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু করে হজ্জের ফরয-ওয়াজিব আমল বরবাদ করে দিয়ে।
(২) হাজীদের জন্য ছবি বাধ্যতামূলক করে এবং হজ্জের স্থানসমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে ছবি তুলে।
(৩) মহিলাদের জন্য হজ্জ পালনের আলাদা ব্যবস্থা না করে এবং তাদের ছবি তুলে বেপর্দা হতে বাধ্য করে।
বাকি অংশ পড়ুন...
একদম শুরুতে এখানকার মানুষ কোনপথে হজে যেতেন সে বিষয়ে জানা যায়না। জাহাজের আগে হয়ত মানুষ পায়ে হেঁটে, উট-গাধার পিঠে চড়ে যেতেন হজে। কিন্তু গণহারে যাওয়া শুরু হয় জাহাজেই। লিখিত ইতিহাস তা-ই বলে।
এছাড়া, ভারতের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল দিয়ে স্থলপথটি ছিলো দীর্ঘ, কষ্টকর ও বিপদসংকুল। আবার আরবরা ছিলেন ব্যবসায়ী। তারা পালতোলা জাহাজে করে সাগরপথে বিশ্বের বিভিন্নপ্রান্তে যাওয়া-আসা করতেন।
এশিয়ার পূর্বদিকে আসা-যাওয়ার পথে তারা অবস্থান (বিশ্রাম) করতেন চট্টগ্রাম বন্দরে। এখান থেকে তারা অন্যত্র যাতায়াত করতেন। পরবর্তীতে এখানেও এসেছেন বাণিজ্যিক কারণে। বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا آبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿٢٣﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আপনারা আপনাদের পিতা ও ভাইদেরকে বন্ধু-অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবেন না, যদি তারা ঈমান আনার উপর কুফরীকে মুহব্বত করে বা প্রাধান্য দেয়। আর আপনাদের মধ্য থেকে যারা তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তারাই জালিম সাব্যস্ত হবে। (পবিত্র সূরা তওবা: আয়াত শরীফ ২৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা ওয়াজিব। আর পশু কুরবানী করার বিষয়ে বিধান হচ্ছে, যেগুলো ছোট প্রাণী যেমন- দুম্বা, মেষ বা ভেড়া, ছাগল, খাসী, বকরী ইত্যাদি একটি পশু শুধুমাত্র একজনের পক্ষ থেকেই কুরবানী করা যায়। আর বড় প্রাণী যেমন- উট, গরু, মহিষের ক্ষেত্রে বিধান হচ্ছে, একাধিক অর্থাৎ সাতজন পর্যন্ত শরীক হয়ে একত্রে কুরবানী করা যায়। যা হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারাই সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حضرت جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰـى عَنْهُ قَالَ نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحُدَيْبِيَ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে উনাদের শান-মান কতটুকু? এখানেতো প্রকাশ্য মৃত্যুদন্ড দেয়া হলো না। যেহেতু সে প্রকাশ করে নাই বিষয়টা। কিন্তু তার ভিতরে বিদ্বেষ ছিলো, এই বিদ্বেষের কারণে তাকে জাহান্নামে দেয়া হলো। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই ফিকির করতে হবে উনাদের শান-মান মুবারক কতো? মুখে আসলেতো বলা যাবে না। কিতাবে আসলো, কাগজ কলম পাওয়া গেল আর তাফসীর লেখা শুরু হয়ে গেল, কাগজ কলম পাওয়া গেল, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার শরাহ লেখা শুরু হয়ে গেল, কাগজ কলম পাওয়া গেল উনাদের সাওয়ানেহ উমরী মুবারক লেখা হয়ে গেল যে, উনারা অমুক করেছেন তমুক করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এসব বাকি অংশ পড়ুন...
১। রাতে ইবাদত করা।
২। দিনে রোযা রাখা।
৩। চুল-নখ না কাটা।
বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৬)
উল্লেখিত চারটি হাদীছের প্রথম তিনটি সনদের দিক থেকেই বাতিল প্রমাণিত হলো। আর শেষের হাদীছটির সনদ সর্বোচ্চ দুর্বল বলা যেতে পারে। কিন্তু ইবনে কাইয়্যুমের বক্তব্য অনুযায়ী এটার সনদও প্রমাণিত নয়।
তবে সনদের দিক থেকে এটা দুর্বল হলেও মতনের দিক থেকে পুরাই বানোয়াট, মিথ্যা, জাল হাদীছের অন্তর্ভুক্ত। কারণ উল্লেখিত হাদীছগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ ও ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাদের সম্পূর্ণ খিলাফ। নাঊযুবিল্লাহ!
আরেকটা বিষয় হচ্ছে- গরুর দুধ সম্পর্কে মূল যে বর্ণনা রয়েছে সেখানে ‘গরুর গোশতে রোগ আছে’ এই অংশটা নেই। আর সেই বর্ণনাটাকে সকলেই বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইসলাম উনার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে?
জাওয়াব:
ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী ও ইসলাম উনার নামে রাজনীতি তথা গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচনকারী মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে না। পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো ‘রাজারবাগ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’।
পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন-
গাফলতী কাকে বলে?
জবাব মুবারক: মসজিদ-বিমুখ হওয়া এবং অসৎ লোকদের আনুগত্য করা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র নামাযের ওয়াজিবসমূহ :
সম্মানিত নামাযের ওয়াজিবগুলো প্রায় ফরযের মতোই গুরুত্ব বহন করে, যে কারণে ওয়াজিব ব্যতীত শুধু ফরয পালন করেই নামায আদায় করলে নামায পূর্ণভাবে আদায় হয় না। ইচ্ছাকৃত কোনো ওয়াজিব তরক করলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। আর ভুলক্রমে কোনো ওয়াজিব তরক হয়ে গেলে সিজদায়ে সাহু দেয়া ওয়াজিব।
ওয়াজিবসমূহ হলো:
১. ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকায়াতে এবং বিতির, সুন্নত ও নফল নামাযের মধ্যে প্রত্যেক রাকায়াতে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করা। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের সাত আয়াত শরীফ ৭টি ওয়াজিব।
২. পবিত্র সূরা ফাতি বাকি অংশ পড়ুন...












