মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম উনার অর্থাৎ উনাদের রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক, কুরবত-নৈকট্য মুবারক হাছিলের অন্যতম মালি ইবাদত হচ্ছেন পবিত্র কুরবানী। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মতে ‘মালিকে নিছাব’ প্রত্যেকের উপর আলাদা আলাদাভাবে কুরবানী করা ওয়াজিব। অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ সুবহে ছাদিক্ব থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কেউ মালিকে নিসাব হয় অর্থাৎ হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ (নিত্য প্রয়োজনীয় ধন-সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هَا أَنتُمْ أُولَاءِ تُحِبُّونَهُمْ وَلَا يُحِبُّونَكُمْ وَتُؤْمِنُونَ بِالْكِتَابِ كُلِّهِ وَإِذَا لَقُوكُمْ قَالُوا آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْا عَضُّوا عَلَيْكُمُ الْأَنَامِلَ مِنَ الْغَيْظِ. قُلْ مُوتُوا بِغَيْظِكُمْ. إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ
অর্থ: দেখ! তোমরাতো তাদেরকে (বন্ধু ভেবে) মুহব্বত করো, কিন্তু তারা তোমাদেরকে মুহব্বত করে না। আর তোমরা (মহান আল্লাহ পাক প্রদত্ত) সমস্ত কিতাবে বিশ্বাস করো (কিন্তু তারা তোমাদের কিতাবে বিশ্বাস করে না)। কাফির-মুশরিক তারা যখন তোমাদের সংস্পর্শে আসে তখন (কপটতার সাথে) বলে, আমরাও বিশ্বাস করি। আবার যখন তারা একান্তে মিলিত বাকি অংশ পড়ুন...
মদ ও জুয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
یَسْـَٔلُوْنَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَیْسِرِ قُلْ فِیْهِمَاۤ اِثْمٌ كَبِیْـرٌ وَّمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَاِثْمُهُمَاۤ اَكْبَـرُ مِنْ نَّـفْعِهِمَا كَذٰلِكَ یُـبَـیِّنُ اللّٰهُ لَكُمُ الْاٰیٰتِ لَعَلَّكُمْ تَـتَـفَكَّرُوْنَ
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) লোকেরা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্জেস করে। আপনি বলে দিন, ‘দু’টোর মধ্যেই আছে মহাপাপ বা মহাক্ষতি এবং মানুষের জন্য (সামান্য) উপকার; আর এ দু’টোর পাপ বা ক্ষতি উপকারের চাইতে অনেক বড় ও বেশী। এভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্টভা বাকি অংশ পড়ুন...
৫ম হিজরী শরীফের শেষ অর্থাৎ ৬ষ্ঠ হিজরী শরীফের পবিত্র মুর্হরমুল হারাম শরীফে এই ইফক্বের ঘটনাটা ঘটে। মানুষ অর্থাৎ মুনাফিক্বরা এটা প্রচার করে। নাউযুবিল্লাহ! এক মাসেরও বেশি সময় এই কাফির মুশরিকরা চূ-চেরা, কীল-কাল করে, এরপরেই পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ১১ থেকে ২০, পরে ২১ থেকে ২৬, ১০ এবং ৬ মোট ১৬ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করে সমষ্টিগতভাবে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের আর ব্যক্তিগতভাবে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাহাস সালাম উনাদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ الْفَارُوقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَئِنْ عِشْتُ إِنْ شَاءَ اللهُ لَأُخْرِجَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ.
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যমীনবাসী হতে আমার পর্দা করার বিষয়টি যদি বিলম্বিত হতো, তাহলে আমি এই জাযিরাতু বাকি অংশ পড়ুন...
ফাতিহাতুল কালাম (শুরুর কথা)
اَلْـحَمْدُ وَالصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ لِشَيْخِنَا مَـمْدُوْحْ مُرْشِدْ قِـبْـلَةْ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ سُلْطَانٍ نَّصِيْـرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَلِاَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى سَيّـِدِ الْاَنْۢبِيَاءِ وَالْـمُرْسَلِـيْـنَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلٰى اَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالْـحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِـيْـنَ. اَمَّا بَـعْدُ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَاُغْوِيَـنَّـهُمْ اَجْمَعِيْنَ اِلَّا عِبَادَكَ مِنْـهُمُ الْمُخْلَصِيْنَ
“ইবলীস শয়তান (যখন মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক অমান্য করে চির লা’নতগ্রস্থ ও চ বাকি অংশ পড়ুন...
এখন তাদের মেছালটা কি? সেটা যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন-
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا
কাফিরের মেছাল কি? যারা কাফির এদের উদাহরণ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিচ্ছেন-
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا كَمَثَلِ الَّذِي يَنْعِقُ بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاءً وَّنِدَاءً صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, কি?
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا
কাফিরের দৃষ্টান্ত হচ্ছে,
كَمَثَلِ الَّذِي
ঐ ব্যক্তির মতো,
يَنْعِقُ
যে চিৎকার শোনে
بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاءً وَّنِدَاءً
তাদেরকে যখন পবি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা: আয়াত শরীফ ৮২)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...












