যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন,
سُنَّةَ اللهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, এটা আগে থেকেই ফায়সালা মুবারক করে রাখা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা আগে থেকেই ফায়সালা, নতুন করে ফায়সালা না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক, উনার তর্জ-তরীক্বা মুবারক।
وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّةِ اللهِ تَبْدِيلًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত মুবারক উনার কোন পরিবর্তন নেই। সু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِينَ كَفَرُوا بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ إِلَّا تَفْعَلُوهُ تَكُن فِتْنَةٌ فِي الْأَرْضِ وَفَسَادٌ كَبِيرٌ
“আর যারা কাফির তারা একে অপরের বন্ধু। যদি তোমরা (মুমিনরা) একে অপরের সাহায্য না করো, তবে পৃথিবীতে ফিতনা ও বড় ধরনের অশান্তি সৃষ্টি হবে। (কাফির-মুশরিক-মুনাফিকরা বড় ধরণের ফিতনা ও অশান্তি সৃষ্টি করবে, তোমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করবে।)” (পবিত্র সূরা আল-আনফাল শরীফ: ৭৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিলো সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিলো ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কয়েকদিন উনাকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অমুকের ছেলে অমুক কোথায়?
বলা হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে নেশা পানে ব্যস্ত আছে।
এ সংবাদ শুনে খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার পত্র লেখককে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে ফয়সালাটা কি হবে? মৃত্যুদন্ডতো একটা স্বাভাবিক বিষয়। মাত্র তার গরদানটা ফেলে দেয়া হলো। মাথাটা শেষ করে দেয়া হলো। যমীনে সে ইন্তেকাল করলো এটাতো স্বভাবিক বিষয়। আরো অনেক রয়ে গেছে। এতটুক শুধু না। তার মৃত্যুদন্ড দিলেই শেষ না, এটাতো শুরু হলো তার শাস্তি। এখন অনন্তকাল ধরে তার শাস্তি চলতেই থাকবে। এই শাস্তি থেকে সে কোনদিন রেহাই পাবে না। এমন কঠিন শাস্তি দেয়া হবে যেটা কল্পনাতীত। নাউযুবিল্লাহ! তাহলেতো বিষয়টা ফিকির করতে হবে। তাহলে উনাদের শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু, বুযূর্গী মুবারক তাহলে কতটুকু? এটা ফিকির করতে হবে। উনাদে বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত-তারীখ” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, আমার নিকট আল-উওয়াইসি বর্ণনা করেছেন যে, উনার নিকট হযরত মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেছেন; হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বয়স মুবারক ৮৭ বছরে পৌঁছেছিল। হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি ব্যতীত অন্যান্যদের মতে তিনি ৮৪ বছর বয়সে বিছাল শরীফ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রথম বর্ণনাকেই অধিকতর সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন। (ইছাবা)
হাজ্জাজের সময় আরাফাত হতে ফিরবার সময় হাজ্জাজের একজন সিপাহী তার বিষ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَّرِزْقٌ كَرِيمٌ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা, উত্তম রিযিক, সম্মান, মর্যাদা, শান-মান মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে অর্থ মুবারকটা কি হলো, এটাতো ভাষায় বলা কঠিন বিষয়। সেটাই বলা হচ্ছে যদি
إِنْ كَانَتْ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ خَبِيثَةً, فَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَبِيثٌ، فَهُوَ كَافِرٌ
নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যদি উনাকে সেই বিপরীতটা বলা হয় তাহলে যিনি মাহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
নামাযের ক্বিবলা কা’বা শরীফ উনার দিকে থু থু নিক্ষেপ করা আদবের খেলাফ, যা তাছাওউফ বা মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাছিল করার পথে অন্তরায়। তাই একবার কুতুবুল আলম, সুলত্বানুল আরেফীন হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি শুনতে পেলেন যে, অমুক স্থানে একজন কামিল মুর্শিদ আছেন, যিনি একজন বিশিষ্ট বুযূর্গ ব্যক্তি। সুলত্বানুল আরেফীন হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সাথে সাক্ষাত করার জন্য রওয়ানা হলেন। তিনি উক্ত বুযূর্গ ব্যক্তির দরবার শরীফ-এ উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, বুযূর্গ ব্যক্তি “ক্বিবলার” দিকে ফিরে থুথু নিক্ষে বাকি অংশ পড়ুন...












