পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلَابِالنَّصٰرٰى فَاِنَّ تَسْلِيْمَ الْيَهُوْدِ الْاِشَارَةُ بِالْاَصَابِعِ وتَسْلِيْمَ النَّصٰرٰى اَلْاِشَارَةُ بِالْاَكُفِّ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা ইহুদী ও নাছারাদের সাথে কোন অবস্থাতেই মিল রেখো না। এমনকি সালাম দেয়ার ব্যাপারেও না। ইহুদীরা সালাম দেয় আঙ্গুলীর ইশারা দ্বারা আর নাছারারা সালাম দেয় হাতের তালুর দ্বারা।” (উল্লেখ্য মুসলমানরা তাদেরকে কোন বিষয়েই অনুসরণ-অনুকরণ করবে না।) (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَاتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلَابِالنَّصٰرٰى فَاِنَّ تَسْلِيْمَ الْيَهُوْدِ الْاِشَارَةُ بِالْاَصَابِعِ وتَسْلِيْمَ النَّصٰرٰى اَلْاِشَارَةُ بِالْاَكُفِّ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা ইহুদী ও নাছারাদের সাথে কোন অবস্থাতেই মিল রেখো না। এমনকি সালাম দেয়ার ব্যাপারেও না। ইহুদীরা সালাম দেয় আঙ্গুলীর ইশারা দ্বারা আর নাছারারা সালাম দেয় হাতের তালুর দ্বারা।” (উল্লেখ্য মুসলমানরা তাদেরকে কোন বিষয়েই অনুসরণ-অনুকরণ করবে না।) (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কাজী আবু ইয়ালা মুহম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনুল ফাররাহ (ওফাত ৪৫৮ হিজরী) রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
قَالَ أَبُوْ بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْنَجَّادُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ لَوْ أَنَّ حَالِفًا حَلَفَ بِالطَّلَاقِ ثَلَاثًا أَنَّ اللهَ تَعَالٰى يُقْعِدُ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَاسْتَفْتَانِيْ فِيْ يَـمِيْنِهٖ لَقُلْتُ لَه: صَدَقَتْ فِيْ قَوْلِكَ وَبَرَرَتْ فِيْ يَـمِيْنِكَ، وَامْرَأَتُكَ عَلٰى حَالِهَا، فَهٰذَا مَذْهَبُنَا وَدِيْنُنَا وَاِعْتِقَادُنَا، وَعَلَيْهِ نَشَأْنَا، وَنَحْنُ عَلَيْهِ إِلٰى أَنْ نَّمُوْتَ إنْ شَاءَ اللهُ فَلَزِمْنَا الْإِنْكَارُ عَلٰى مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْفَضِيْلَةَ الَّتِيْ قَالَتْهَا الْعُلَمَاءُ وَتَلَقَّوْهَا بِالقْ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
كُلُّ مَالٍ نَحَلْتُهُ عَبْدًا حَلاَلٌ وَإِنِّى خَلَقْتُ عِبَادِى حُنَفَاءَ كُلَّهُمْ وَإِنَّهُمْ أَتَتْهُمُ الشَّيَاطِينُ فَاجْتَالَتْهُمْ عَن دِينِهِمْ وَحَرَّمَتْ عَلَيْهِمْ مَا أَحْلَلْتُ لَهُمْ وَأَمَرَتْهُمْ أَنْ يُشْرِكُوا بِى مَا لَمْ أُنْزِلْ بِهِ سُلْطَانًا
অর্থ: প্রত্যেক সেই সম্পদ যা আমি কোন বান্দাকে দান করেছি, তা তার জন্য হালাল। (সে নিজে তা হারাম করতে পারে না।) নিশ্চয়ই আমি আমার সকল বান্দাদেরকে একনিষ্ঠরূপে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের নিকট শয়তানরা এসে তাদেরকে তাদের দ্বীন হতে পথভ্রষ্ট করেছে। তাদের জন্য তা হারাম করেছে, যা আমি তা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
তিন মাস পরেও পবিত্র জিসিম মুবারক অক্ষত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তিন মাস পরে উনার পবিত্র মাযার শরীফের অভ্যন্তরে পানি উঠে যায়। উনার মুরীদগণের মধ্যে কেউ কেউ স্বপ্নে দেখেন, তিনি উনার জিসিম মুবারককে আরো উঁচু করে কবরস্থ করার জন্য নির্দেশ মুবারক দিচ্ছেন। অনেক বাদ-প্রতিবাদের পরে উনার পবিত্র মাযার শরীফ উন্মুক্ত করা হয়। দেখা গেলো উনার কাফন মুবারক সহ জিসিম মুবারক অবিকৃত আছেন। সুবহানাল্লাহ!
উনার মাথা মুবারকের দিক থেকে এক অপূর্ব আতরের সুঘ্রাণ আসতে থাকে। সুব বাকি অংশ পড়ুন...












