পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ইবলিস ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। কিন্তু ইবলিস সবচাইতে বেশী খুশি হয় কিসে জানা আছে? ইবলিসের মজলিশ বসে প্রতিদিন। যেমন- আলিম-ওলামাদের মজলিশ বসে থাকে। ঠিক তদ্রুপ ইবলিসের মজলিশ বসে থাকে পানির উপরে। প্রতিদিন দিনের শেষে বসে ইবলিসের মজলিশ। সে বসে তাদের সকলকে নিয়ে, যারা তার খাছ শারগেদ রয়েছে, অর্থাৎ বিশিষ্ট শয়তান যারা রয়েছে, তারা তার মজলিশে হাজিরা দেয়, উপস্থিত হয়। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পরে ইবলিস সবাইকে জিজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
এখন এক কথায় যদি বলা হয় তাহলে বলতে হয়, যেহেতু আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে যে সৃষ্টি করা হলো। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلاَئِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الأَرْضِ خَلِيفَةً قَالُواْ أَتَجْعَلُ فِيهَا مَن يُفْسِدُ فِيهَا وَيَسْفِكُ الدِّمَاءَ وَنَحْنُ نُسَبِّحُ بِحَمْدِكَ وَنُقَدِّسُ لَكَ قَالَ إِنِّي أَعْلَمُ مَا لاَ تَعْلَمُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সবাইকে বললেন-
إِنِّي جَاعِلٌ فِي الأَرْضِ خَلِيفَةً
নিশ্চয়ই আমি খলীফা পাঠাবো যমীনে। আসলে খলীফা হয়ে আছেন মালিক যিনি মহাসম বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
একেকটি ধাপ ৫০-১০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। যা ৫০ মাইক্রো সেকেন্ড সময়ে তৈরী হয় এবং বিভিন্ন দিকে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে। এই পথ তৈরীর বিষয়টি খালি চোখে দেখা যায় না। এই পর্যায়কে বলা হয় ‘ধাপযুক্ত অগ্রপথ’ (ঝঃবঢ়ঢ়বফ খবধফবৎ.)
২. যমীন থেকে মেঘের দিকে ধনাত্মক চার্জের গমন: যমীনে যে ধনাত্মক চার্জ জমা হয় সেগুলিও একই প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে বাতাসের মধ্য দিয়ে মেঘের দিকে উঠতে শুরু করে। এই ধাপকে বলা হয় Streamer Fire/ Upward Leader.
চার্জের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সরু বা কোণাকৃতির অংশে অধিক সংখ্যায় জমা হওয়া। এজন্য লম্বা গাছ, লম্বা স্থাপনা, লম্বা পিলার ইত্যাদির বাকি অংশ পড়ুন...
শুধু উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্যই না; বরং পূর্ববর্তী সকল উম্মতের জন্যই পবিত্র কুরবানীর বিধান ছিলো। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য পবিত্র কুরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হজ্জ : আয়াত শরীফ ৩৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চান, কি চান?
إِنَّمَا يُرِيدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
নিশ্চয়ই যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের থেকে সমস্ত অপবিত্রতা বের করে দিয়ে, আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে চান। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অর্থাৎ আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই তিনি সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপরে এতটুকু পবিত্র আয়াত শরীফ নাািযল করা হলো। আবার আরেকখানা পব বাকি অংশ পড়ুন...
আজকাল দেখা যাচ্ছে অনেক খাবারের দোকানে (হোটেলে) এই হারাম খাবারগুলো অবাধে খাওয়ানো হচ্ছে। তাই এই হারাম পরিহারের ব্যাপারে সরকারীভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।
সম্মানিত হানাফী মাযহাবের মাশহুর মূলনীতি হলো:
لَا يَحِلُّ مِنْ حَيَوَانِ الْبَحْرِ إِلَّا السَّمَكُ
অর্থ: সমুদ্রের প্রাণীদের মধ্যে শুধু মাছই হালাল। (হিদায়া, বাদায়েউস সানায়ে, ফাতাওয়া হিন্দিয়া)
سمك বা মাছ-এর ব্যাখ্যায় বলা হয় ;
“سمك (মাছ)” ছাড়া সমুদ্রের বা নদীর সব প্রাণী হালাল নয়। যেহেতু সর্বপ্রকার কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টপাস, ঝিনুক, শামুক, কেঁচো, কুঁচিয়া, স্কুইড, সামুদ্রীক প্রাণী শাপলা পাতা, স বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর কিছু হুকুম-আহকাম বলেছেন এবং উনাদের বৈশিষ্ট্য মুবারক কিছু বর্ণনা করেছেন।
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهٖ مَرَضٌ وَّقُلْنَ قَوْلاً مَّعْرُوفًا
উনাদের কিছু খুছূছিয়াত মুবারক বলতেছেন যে, আপনারাতো সৃষ্টির কারো মতো নন, আপনারা ব্যতিক্রম। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একক, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক, আপনারাও একক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهٖ مَرَضٌ وَّقُلْنَ قَوْلاً বাকি অংশ পড়ুন...












