তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে। উনাদের সম্মানিত শান-মান মুবারক তাহলে কতটুকু? মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ যদি ফিকির করে তাহলে দেখতে পাবে সে, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র খুছূছিয়াত মুবারক। হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র খুছূছিয়াত মুবারক, পবিত্র বৈশিষ্ট মুবারক। উনাদের মতো কিন্তু কাউকে বলা হয় নাই কোথাও। মহাসম্মানিত কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যেও বলা হয় নাই, কেউ দলীল পেশ করতে পারবে না। কিন্তু হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো আদেশ মুবারক করেছেন-
يَا أَيُّـهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا لَا تَـتَّخِذُوا الْيَـهُوْدَ وَالنَّصٰرٰى أَوْلِيَآءَ ۘ بَـعْضُهُمْ أَوْلِيَآءُ بَعْضٍ ۚ وَمَنْ يَـتَـوَلَّهُم مِّنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْـهُمْ ۗ إِنَّ اللهَ لَا يَـهْدِى الْقَوْمَ الظّٰلِمِيْنَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী ও নাছারাদেরকে বন্ধু (অভিভাবক/সহচর/ উপদেষ্টা) হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম সম্প্রদায়কে (ইহুদি-খ্রিস্টান, হিন্দু-বৌদ্ধ, কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে) হিদায়াত দান করেন না।” অ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا تَقُوْلُوْا لِمَنْ يُّقْتَلُ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ اَمْوَاتٌ بَلْ اَحْيَاءٌ وَّلَكِنْ لَّا تَشْعُرُوْنَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় যারা শহীদ হয়েছেন উনাদেরকে তোমরা মৃত বলো না। বরং উনারা হায়াতপ্রাপ্ত বা জীবিত। কিন্তু তোমরা উপলব্ধি করতে পারছো না। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতেছেন। এ বিষয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা-
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফে এমন অনেক শব্দ আছে যা আপনি চাইলেও ডিকশনারী দেখে অর্থ করতে পারবেন না। যদি করেন ঈমান আমল সব শূণ্য হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ অতি উচ্চাঙ্গের বর্ণনা ও শব্দশৈলী দ্বারা বিন্যাসকৃত একটি গ্রন্থ। ধর্মব্যবসায়ী বাঙালী অবিধান লব্ধ জ্ঞান থেকে চিন্তা করে অনেক সময় হিসাব মেলাতে পারে না। তরজমা করার আগে সবসময় যে বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হয় সেটা হচ্ছে- যে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে সে বিষয়ে পবিত্র ইসলামে আমাদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত, বুযূর্গী ও সম্মান মুবারক সম্পর্কে:
قَالَتْ: بَلَى. قَالَ فَأَحِبِّي هَذِهِ . فأُحِبُّ هولاء.
সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই বলেন, হ্যাঁ অবশ্যই আমি উনাদেরকে পবিত্র মুহব্বত মুবারক করবো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (তাহলে ফয়সালা মুবারক কি হলো? সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গভীরভাবে মুহব্বত করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পরে হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার অন্তরটি ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পরে তিনি কোন বাড়ী বা উদ্যান তৈরী করেননি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...












