যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে বললেন। আসলে মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ বুঝে না এজন্য তারা চূ-চেরা করে। তিনি কিন্তু নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে সমস্ত কিছুর জাওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! প্রথমে বললেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ম বাকি অংশ পড়ুন...
এখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা বৃদ্ধি পেতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ! এটাকেই বলা হয় ইলা। আসলে এটা ইলা হয় না। ইলা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তি তার আহলিয়া থেকে দূরে থাকা। সেই অর্থেই এটা ইলা। কিন্তু হাক্বীক্বী ইলা যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন যে, ইলা হচ্ছে কোন আহাল তার আহলিয়া থেকে চার মাস দূরে থাকবে। সেটাই হচ্ছে ইলা, অন্যথায় ইলা হয় না। ইলা হতে হলে চার মাস জুদা থাকতে হবে। যদি জুদা হয় তাহলে সে তালাক্ব হয়ে যায়। আর যদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: “তোমাদের উপর জিহাদ ফরয করা হয়েছে। যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়; কিন্তু তোমরা যা পছন্দ করো না সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তোমরা যা পছন্দ করো সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন, তোমরা জানো না।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ২১৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ اَجْمَعِيْنَ اِلاَّ عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلِصِيْنَ.
অর্থ: শয়তান বলে, হে আমার রব! যেহেতু আমি গোমরাহ হয়ে গিয়েছি সেহেতু আমি অবশ্যই দুনিয়াতে মানুষের জন্য মন্দ কাজগুলোকে সৌন্দর্যম-িত করবো এবং অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করবো। আপনার মুখলিছ বান্দাগণ ব্যতীত বাকী সবাইকে বিভ্রান্ত করবো। নাঊযুবিল্লাহ!
এখানে ফি বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হয় যে, তওবার মাক্বামের মূল হচ্ছেন হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারকের নিচে, তওবার মাক্বাম। হ্যাঁ, এসবের মালিক হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপরে
عَابِدَاتٍ
আব্দিয়াতের মাক্বাম। ইলমুত্ তাছাওউফের পরিভাষায় বান্দার সর্বোচ্চ মাক্বাম হচ্ছে, আব্দিয়াতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই মাক্বামেরও উনারা মালিক হবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ বাকি অংশ পড়ুন...
১। খ¦ালিক্ব মালিক রব উনাকে ভুলে গিয়ে মাখলূক্বাতকে মুহব্বত করা।
২। পরকালকে ভুলে গিয়ে ইহকালকে মুহব্বত করা।
৩। মৃত্যুকে ভুলে গিয়ে হায়াতকে মুহব্বত করা।
বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। একটি দীর্ঘ হাদীছ শরীফ উনার এক অংশে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ، وَأَبُو مَالِكٍ عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حَضْرَتْ حُذَيْفَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ، قَالاَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " يَجْمَعُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى النَّاسَ فَيَقُومُ الْمُؤْمِنُونَ حَتَّى تُزْلَفَ لَهُمُ الْجَنَّة......... فَيَأْتُونَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم فَيَقُومُ فَيُؤْذَنُ لَهُ وَتُرْسَلُ الأَمَانَةُ وَالرَّحِمُ فَتَقُومَانِ جَنَبَتَىِ الصِّرَاطِ يَمِينًا وَشِمَالاً فَيَمُرُّ أَوَّلُكُمْ كَالْبَرْقِ قَالَ قُلْتُ بِأَبِي বাকি অংশ পড়ুন...
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَصْحَابِيْ كَالنُّجُوْمِ فَبِأَيِّهِمْ اِقْتَدَيْتُمْ اِهْتَدَيْتُمْ
অর্থ: “আমার সকল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম তারকা সাদৃশ্য, উনাদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে, হিদায়েত প্রাপ্ত হবে।”
বাকি অংশ পড়ুন...












