এখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতকে তা’লীম দেয়ার জন্য তিনি একজন গোলাম আযাদ করেছিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ مَوْلاكُمْ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ
তিনি সকলের মাওলা, মালিক। যার জন্য মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে এ বিষয়টা সবাইকে তিনি জানিয়ে দিলেন। যাতে তোমরা কোন ক্বসম করলে ক্বসমের যাতে কাফফারা আদায় করতে পারো। তিনি সব জানেন, শুনেন, বুঝেন।
এখানে প্রথমে দু’টা পবিত্র আয়াত বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَثَلُ الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِائَةُ حَبَّةٍ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ . الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ لَا يُتْبِعُونَ مَا أَنْفَقُوا مَنًّا وَلَا أَذًى لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
অর্থ: “যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে নিজেদের ধন-সম্পদগুলো ব্যয় করে তাদের উপমা যেমন একটি শস্য বীজ। যা থেকে উৎপন্ন হয়েছে সাতটি শীষ। প্রত্যেক শীষে রয়েছে একশটি শস্য। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি য বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ الَّذِينَ يَصْنَعُونَ هٰذِهِ الصُّوَرَ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُقَالُ لَهُمْ أَحْيُوْا مَا خَلَقْتُمْ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যারা প্রাণীর ছবি তৈরী করবে, ক্বিয়ামতের দিন তাদের কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, যে ছবিগুলো তোমরা তৈরী করেছ, সেগুলোর মধ্যে প্রাণ দাও।” (বুখারী শরী বাকি অংশ পড়ুন...
* প্রথম দশদিন রহমত হাছিলের।
* দ্বিতীয় দশদিন মাগফিরাত লাভের।
* তৃতীয় দশদিন নাজাত পাওয়ার।
বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কাদের ক্ষমা করবেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ
অত্যন্ত মহব্বত মুবারকের সাথে বললেন। মহাসম্মানিত নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কেন হারাম করলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সন্তুষ্টির জন্য, না। আমার সন্তুষ্টি রেজামন্দি সন্তুষ্টির জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
সাবধান হয়ে যাও! সমস্ত সৃষ্টি, জিন-ইনসান, তোমরা মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বললেন-
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَا أَن نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا سُبْحَانَكَ هٰذَا بُهْتَانٌ عَظِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো বললেন, কি বললেন? তোমরা সাবধান হয়ে যাও!
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم
যখন তোমরা শুনলে তখন কেন বললে না-
مَّا يَكُونُ لَنَا أَن نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا سُبْحَانَكَ هٰذَا بُهْتَانٌ عَظِيمٌ
তোমরা কেন এ কথা বললে না, তোমাদের বলা উচিত ছিলো। কি বলা উচিত ছিলো? এ বিষয় আমাদের কথা বলার কোন অধিকার নেই। যিনি খ¦লিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন পবিত্র উনারাও সেরকম পবিত্র। এটা প্রকাশ্য অপবাদ। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই স বাকি অংশ পড়ুন...
(১) একটি ফরয সত্তরটি ফরযের সমান।
(২) একটি নফল একটি ফরযের সমান।
(৩) রোযাদারের সমস্ত দোয়া কবুলযোগ্য।
বাকি অংশ পড়ুন...












