একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে দ্বীন ইসরাম উনার প্রতি শ্রদ্ধা জাতীয় স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, কিছু ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ চক্রান্ত বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পিতভাবে দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত এবং রাষ্ট্রের সংহতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের হিন্দুধর্মতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহি তেমনই এক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে, যার বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ এবং রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে।
দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত ও ইসলা বাকি অংশ পড়ুন...
তার এ বক্তব্য এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকা- দেখে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে তার প্রতীয়মান হচ্ছে, তার চিন্তাধারা আওয়ামী এবং ভারতীয় চেতনা দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত।
মুসলিম জনতা তার অপসারন চায়।
অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রীর ইসলাম বিরোধী পদক্ষেপ খুব অল্পদিনেই অনেক বেশী জাহির হয়ে গেলো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান বাজনার শিক্ষক, চারুকলার শিক্ষক নিয়োগে ৪র্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলা বাধ্য করার ঘোষণা। এদেশে ভারতীয় শিল্পীদের মত শিল্পী গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ।
সংস্কৃতিমন্ত্রীর ভাষায় প্রগতিশীল ও জীবনমুখী সংস্কৃতি বিকাশে বাউল গান, লোকসংগীত, যাত্রা ও বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ তার অবকাঠামো খাতের শত শত কোটি ডলারের কাজ চীন ও জাপানের কোম্পানিগুলোর হাতে তুলে দিচ্ছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ থেকে শুরু করে ঢাকা মেট্রোরেল-সবখানেই চিত্রটা একই: বিদেশি ঋণের সাথে জুড়ে দেওয়া হয় বিদেশি ঠিকাদারদের। এতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ থাকে সীমিত, খরচ বাড়ে আকাশচুম্বী এবং আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর তৈরি হয় প্রচ- চাপ। এখন সময় এসেছে এই কৌশল পুনর্বিবেচনা করার-যেখানে অগ্রাধিকার পাবে সংহতি, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় স্বার্থ।
বাংলাদেশকে এখন সাহসের সাথে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং ই বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নসহ উন্নয়নমূলক কর্মকা- পরিচালনার অন্যতম উৎস বিদেশী ঋণ। বৈদেশিক এ ঋণের স্থিতি ও মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ যেভাবে দ্রুত বেড়ে চলেছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য গভীর উদ্বেগজনক। বিদেশী ঋণের স্থিতি বাড়তে থাকায় পরিশোধের চাপ বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তা ২০১০-এর তুলনায় প্রায় ছয়গুণ বেশি। বিদেশী ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় দেশের মানুষের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণও বাড়ছে। বর্তমানে মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬৫৫ ডলার।
এ ঋণ বৃদ্ধির পেছনে উৎপাদনশীল ও অর্থনৈতিক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। বরং এটি দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক, আইনগত এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি আলোচিত বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে “লুবাবা”নামের এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ এবং তার প্রেক্ষিতে তার মা-বাবার শাস্তির দাবি আবারও এই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো-এই ইস্যুেক আমরা কি শুধুই সামাজিক বা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবো, নাকি এর পেছনের বৃহত্তর আন্তর্জাতিক আগ্রাসী নীতি ও মুসলিমবিরোধী কাফিরদের ষড়যন্ত্রের দিকটিও বিবেচনা করবো?
বাস্তবতা হলো, বাল্যবিয়ে বিরোধী যে আইন ও প্রচারণা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার এক বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
দৈনিক আল ইহসান শরীফের খবর জানাচ্ছে, কৃষকেরা সেচের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল পাচ্ছেন না, আর পেলেও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম, জামালপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ দেশের ১২টি জেলার ১৫ জন কৃষক প্রয়োজনীয় ডিজেল না পাওয়ার কথা বলেছেন, গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতেও ডিজেল পেতে কৃষকের ভোগান্তির চিত্র জানা যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় অবশ্য বলে আসছে, জ্বালানি সরবরাহে কৃষিকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে মাঠের বাস্তবতা সেটা বলছে না। বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শস্য বোরো। দেশের মোট বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারণ হলো,
১) ঢাকামূখী জনস্রোত:
অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্যের কারণে প্রতিদিন মানুষ ঢাকামুখী হতে বাধ্য হচ্ছে। থানা ও জেলা শহরের তুলনায় ঢাকাকে পুরোপুরি অর্থনীতিনির্ভর শহর করা হয়েছে। চাকুরী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার আদালত, উন্নত নাগরিক সুবিধা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে প্রতিদিন লোকজন রাজধানীতে আসছে। তবে বেশীরভাগ মানুষ আসছে কাজের সন্ধানে। ঢাকামূখী এই জনস্রোত বন্ধে গ্রাম থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারের তেমন কোন পরিকল্পনা নেই। ফলে দিন বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত প্রশংসা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অসংখ্য দরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে জ্বালানি বিষয়ক নীতিনির্ধারকদের বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা অপরিহার্য। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে এমন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণের আলোচনা হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার প্রস্তাব বাকি অংশ পড়ুন...
দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত ৩ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব।
জানা গেছে, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অকটেন এবং পেট্রোল মাসে দরকার হয় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল এবং অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কোনো সংকট নেই। কোনো সংকট নেই ডিজেলের ক্ষেত্রেও। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ ইনশাআল্লাহ।
মূলত, প্যানিক কেনো এখনো বন্ধ হয়নি, যার প্রভাব পড়ছে পেট্রল পাম্পে। মজুত বাকি অংশ পড়ুন...
অতীতে বি.এন.পি এসব আস্ফালনে হাসিনা সরকারের নীরবতায় কঠোর সমালোচনা করেছিলো।
দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি হাসিনা আন্তরিক নয় বলে তীব্র নিন্দা করেছিল ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হুমকীর বিপরীতে উল্টো পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা দখলের ঘোষণা দিয়েছিলো।
সেই একই বি.এন.পির সামনে এখন আগের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আরো বুলন্দ করার এবং টেকসই ও কঠিন পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ উপস্থিত।
পিপীলিকা ওড়ে, মরিবার তরে। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকর হার হয়েছে ভারত। ১৯৭১ এ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব, বিজয় ছিনতাই করেছে ভারত। ২০০১ সালে সিলে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্র তখনই আযাদ থাকে, যখন তার প্রতিরক্ষা ঢাল হয় অভেদ্য। কিন্তু আফসোস! ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ এক চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির দ্বারপ্রান্তে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার যখন উত্তর কোরিয়ার গোপন প্রযুক্তিতে নিজেদের মিসাইল রেঞ্জকে ৭০০ কিলোমিটারে নিয়ে গেছে, তখন স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করেও আমাদের সর্বোচ্চ দৌড় মাত্র ২৮০ কিলোমিটার! এই শোচনীয় বৈষম্য দেখেও যদি নীতিনির্ধারকদের ‘নিদ্রা’ না ভাঙে, তবে বুঝতে হবে-এই স্বাধীন ভূখ-ে তাদের জাগবার আর কোনো নৈতিক অধিকার অবশিষ্ট নেই।
তাত্ত্বিক ও কারিগরি বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রতিটি সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত জনস্বার্থকেন্দ্রিক ও দূরদর্শী। অথচ দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা শুধু অর্থনীতির জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে-যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার ১৫০ টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে-আমরা কি সচেতনভাবে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল আমদানির পথে হাঁটছি?
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সরকার আগামী পাঁচ বছ বাকি অংশ পড়ুন...












