ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের আইন পাসের যে জঘন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা কেবল একটি রাষ্ট্রীয় নীতির পরিবর্তন নয় - বরং সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে এক ঘৃণ্য আগ্রাসন এবং ন্যায়বিচারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়ার শামিল। "সন্ত্রাস দমন" -এর ঠুনকো দোহাই দিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েল আসলে একটি সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে বৈধতা দেওয়ার নোংরা কাজে মেতেছে। এটি কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া নয় বরং আইনি লেবাসে সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় হত্যাকা-।
দ্বৈত বিচারব্যবস্থা ও আধুন বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
১৩) অপর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ:
বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ঢাকায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০টি নিয়মিত ট্রাফিক পয়েন্ট রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের প্রায় ৪,০০০ থেকে ৪,৫০০ জন মোট জনবল রয়েছে। ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫-২০ লাখ যানবাহন চলাচল করে, যা সামলানোর জন্য এই সংখ্যাটি অত্যন্ত অপ্রতুল। এছাড়া ঢাকার অনেক এলাকা ও রাস্তা রয়েছে যেখানে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু তা ট্রাফিক পয়েন্ট হিসেবে ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় ভূখ-ে আজ বিজাতীয় অপশক্তির কালো ছায়া ঘনীভূত হচ্ছে, যা আমাদের ঈমানি ও জাতীয় অস্তিত্বকে এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।যে জমিন ওলী-আল্লাহ উনাদের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আস্ফালন ও রাষ্ট্রদ্রোহী চক্রান্ত এক ভয়াবহ রূপ পরিগ্রহ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের উগ্রবাদী ও বাংলাদেশ বিরোধী বিষবাষ্প ছড়ানোর প্রধান কারিগর ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ কীভাবে বাংলাদেশের নিñিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে অতি অনায়াসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করল, তা কেবল বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকায় যানজট নিত্য জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লাতেও ভয়াবহ যানজট লেগে থাকে। যানজটের কারণে ঢাকা শহর দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। এ থেকে পরিত্রাণের সঠিক উপায় এখনো প্রয়োগ করতে পারেনি কোন সরকার। নগর বিশেষজ্ঞ এবং দেশী-বিদেশী পরামর্শক থেকে সরকার বিভিন্ন সময় সরকার পরামর্শ নিয়েছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এতেও যানজটের সমাধান হয়নি। সাময়িক কিছু উপকার হলেও এসবের মাধ্যমে যানজট নিরসনে স্থায়ী সমাধান হবেনা। বরং এসব পদক্ষেপ কোন কোন ক্ষেত্রে যান বাকি অংশ পড়ুন...
৫১ কোটিরও বেশি মানুষের একটি দেশ হিসেবে, বিশে^র অন্যতম ভূরাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থান করেও বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক সদিচ্ছা, বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান এবং বৃহৎ শক্তিগুলোর ছোট রাষ্ট্রের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার আশার উপর নির্ভর করে এসেছে। কিন্তু পুনরুজ্জীবিত মহাশক্তির প্রতিযোগিতা, ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক বিস্তার এবং দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোর এই যুগে- সেই আশায় জাতি টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি নয়। এখন সময় এসেছে বাংলাদেশে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে একটি সৎ, নির্ভীক জাতীয় আলোচনার- উস বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েকদিন আগে খবর এলো- সন্ত্রাসী আমেরিকার আকাশে রহস্যময় ড্রোন দেখা গেছে। অনেকের ধারণা, এটি ইরানি ড্রোন হতে পারে। এরই মধ্যে সন্ত্রাসী আমেরিকার টেক্সাসে নর্থ সন্ত্রাসী আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন আসতে পারে- সেই রহস্যময় ড্রোন দিয়েই কি তেল শোধনাগারে হামলা হয়েছে? কারা করছে এই হামলা? হতে পারে, এটি ইরানি হামলা। আবার নাও হতে পারে।
বিশেষ করে ইরান যুদ্ধকে ঘিরে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশনের বেশ নজির তৈরি হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, সন্ত্রাসী ইসরাইল বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধে টানতে সেখানে গিয়ে ফলস ফ্ল্যাগ হামলা চালাচ্ছে বাকি অংশ পড়ুন...
বস্তুত অতীতের তিনটি গণভোটের ফলাফলই নিরঙ্কুশভাবে সরকারের পক্ষে গেছে। বলা হয়, সরকার যে ফলাফল চেয়েছে, গণভোটের ফলাফলে তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
এবারের গণভোট নিয়ে যা হয়েছে তা গণ প্রতারণা ও গণ প্রহসন।
কাজেই গণভোটের প্রেক্ষিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন মূলতঃ জনরায়কে প্রত্যাখান করা। সংবিধান অস্বীকার করা।
যা সরকারকে অবৈধ করার শামিল।
জনমত অনুযায়ী জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধন এবং গণভোটের মূল্যায়ন; সরকারকে প্রত্যাখান করতেই হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকার এখন পর্যন্ত জুলাই সনদের বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি দাবি করেছে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামা বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক যুদ্ধবিগ্রহের চিত্র দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। ড্রোন ঝাঁক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত মনুষ্যবিহীন বিমান, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র-এসব শব্দ এখন আর কল্পবিজ্ঞানের পাতায় সীমাবদ্ধ নেই। বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে এগুলো এমন হুমকি তৈরি করছে, যার মোকাবেলায় প্রচলিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রমশ অপ্রতুল হয়ে পড়ছে।
জার্নাল অফ ফিজিক্সে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণাপত্র এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করেছে। গবেষকরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, লেজার, মাইক্রোওয়েভ এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেলগানের মতো নতুন প্রজন্মের অস্ত্র এখন আর পরীক্ষাগা বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্য পুড়ছে যুদ্ধের আগুনে। আর বিশ্বজুড়ে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেল ও জ্বালানি গ্যাসের দাম। এই জ্বালানি উপাদানগুলোই এখন ভূ-রাজনীতির হিসাব-নিকাশ সব পাল্টে দিচ্ছে।
আমাদের দেশ এইসব হিসাবের বাইরে থাকছে না। ইতোমধ্যে আমরা সেটা দেখতেও পেয়েছি। হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে দেখা গিয়েছে লম্বা লম্বা লাইন। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিলো সবখানে। তবে সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এবং ঈদের লম্বা ছুটির কারণে এই আতঙ্ক এখন আড়ালে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যেভাবে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাচ্ছে যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, খুব বেশিদিন হয়তো সরকার জ বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বৈশি^ক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। সম্প্রতি কাতারের এলএনজি টার্মিনালে হামলার ঘটনায় তাদের রফতানি সক্ষমতা প্রায় ১৭ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অথচ বাংলাদেশ এই এলএনজির একটি বড় ক্রেতা। ফলে এই সংকট সরাসরি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজির সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের শিল্প-কারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেবে, বাড়বে লো বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের আকাশসীমা আজ এক অতিপ্রাকৃত ও ইহুদীবাদি ফিতনার হুমকির সম্মুখীন। যখন বিশ^রাজনীতির আকাশে ‘বনী আসফার’ বা পশ্চিমা ও প্রতিবেশী কুফরী শক্তিগুলোর ড্রোন আর স্টিলথ ফাইটারের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, তখন ৫১ কোটি ঈমানি জনতার এই ভূখ--বাংলাদেশ কি কেবল মান্ধাতা আমলের রাডার আর সেকেলে মিসাইল দিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করবে? বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর একটি বড় অংশই আধুনিক যুদ্ধের নিরিখে যথেষ্ট নয়। অথচ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ভূখ-টি আজ সা¤্রাজ্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলোর শ্যেনদৃষ্টির নি বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের সিংহভাগ মুসলিম জনতা আজ ইহুদিবাদী ফিতনার শিকার। যখন বিশে^র বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম নিধনের চক্রান্ত চলছে, তখন এদেশের মুসলিমি সমাজ এক অদৃশ্য কিন্তু ভয়াবহ যুদ্ধের সম্মুখীন- যার নাম ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’। এটি কেবল কোনো সাধারণ প্রণয় নয়, বরং এটি হলো মুসলিম তরুণীদের ঈমান, আমল ও ইজ্জত হরণ করে হিন্দুত্ববাদের বিষাক্ত গহ্বরে নিক্ষেপ করার এক দীর্ঘমেয়াদী ‘মরণফাঁদ’। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তথাকথিত প্রগতিশীলতার আড়ালে এই ফাঁদ আজ বাংলার ঘরে ঘরে বিষ ছড়াচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, দেশে প্রায় লক্ষাধিক মুসলিম তর বাকি অংশ পড়ুন...












